করোনায় দেশে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩০৩১

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ( প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ২২৮ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ হাজার ২৩৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ৩ হাজার ০৩১ জন করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৫৯ জন।

ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৯২৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৪ হাজার ৫০৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ২৩৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৫২৪টি। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৭৩ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার করোনায় দেশে ৯৭ জনের মৃত্যু ও ৩ হাজার ৩০৬ জন আকান্ত হন। এর আগের দিন রোববার ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ৯২২ জন।

 

লাউয়াছড়ার অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ২ সদস্য কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলাঃ মৌলভীবাজার জেলা কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বাঘমারা বনক্যাম্প এলাকায় গত শনিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে আগুন লেগেছিল। অগ্নিনির্বাপক দল চেষ্টা করে টানা ৩ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঔই আগুন লাগার পর আত্মরক্ষার জন্য বন্যশুকর, বানরগুলো বন থেকে বের হয়ে জনবহুল স্থানে ছুটোছুটি শুরু করতে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গাছগাছালির সাথে অনেক পশু, পাখির ঘরসহ পুড়ে গেছে।
ঘটনার পর শনিবার (২৪ এপ্রিল) বিকাল থেকে দুই সদস্যর তদন্ত কমিটি তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। গতকাল সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
গেল রোববার (২৫ এপ্রিল) বেলা ২টায় ক্ষতিগ্রস্ত লাউয়াছড়া বন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় আগুনে বেশ কিছু মূল্যবান গুল্মসহ ছোট আকারের গাছ-গাছালি পুড়ে গেছে। এখন এ এলাকায় ছাই ও পোড়া ঝোপঝাড় রয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় বনে আগুন লাগার পর এ বনের বেশ কিছু বন্য শুকর ও বানরকে আত্মরক্ষায় বন থেকে দৌড়ে বের হয়ে সড়ক পার হতে দেখা গিয়েছিল। এসময় এ এলাকায় অসংখ্য পাখির কিছির মিছিরও শোনা গিয়েছিল।
রোববার ঘটনাস্থলে যথাসময়ে থাকা গরু রাখাল প্রতাপ সাংবাদিকদের জানায়, পুড়ে যাওয়া বনে অনেক পাখির বাসা ছিল। আগুনে এসব বাসায় পাখি পুড়ে মারা যেতে পারে।
রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আশা কমলগঞ্জ উপজেলা জীব বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি মনজুর আহমেদ আজাদ (মান্না) বলেন, প্রায় ৩ একর এলাকায় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ এলাকার গুল্ম,নানা জাতের বাঁশ ও ছোট আকারের অনেক গাছ পুড়ে গেছে। এসময় গাছে থাকা অসংখ্য পাখির বাসাও পুড়ে গেছে। এতে কিছু পাখিও পুড়ে মরতে পারে।
ঘটনাস্থলে আসা কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ বলেন, পুড়ে যাওয়া বন দেখে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, বিড়ি সিগারেটের আগুন থেকে সূত্রপাত নয়। এটি কোন না কোন চক্র পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়েছিল।শনিবার ঘটনার পর পরই এ বনে ঝেপঝাড় পরিষ্কার কাজে আসা শ্রমিক তাপস গন্জু সাংবাদিকদের জানিয়েছিল বন টহলদার কমিউনিটি পেট্রোলিং দলের সদস্য (সিপিজি) মহসিন ঝোঁপঝাড়ে আগুন লাগিয়েছিল। এসময় বনকর্মী মুহিবুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
তবে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ মৌলভীবাজারের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি তদন্ত করে দেখছে। তারা সোমবার বিকেলে প্রতিবেদন জমা দিবে। তবে তদন্ত দলের সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে ঝোঁপঝাড় কাজের শ্রমিকদের অসাবধানতা বশত এ অগ্নিকান্ড ঘটতে পারে। তাছাড়া এ এলাকায় আগামীতে বনায়ন করা হবে বলে পরিছন্নতা কাজ চলছিল।
তিনি আরও বলেন, বন টহলদারের দায়িত্ব বন বিভাগ নিবে না, এসময় যদি ঘটনাস্থল এলাকায় কোন বন কর্মী থেকে থাকে তা হলে তার দায়িত্বে অবহেলার দায় নিতে হবে। কারণ বেশ কিছু সময় নিয়ে এ আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে জানা গেলে আরও আগে আগুন নেভানো যেতো, তাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ও কম হতো।

করোনা ঝুঁকিতে লোকসান তুলতে চলছে গরুর হাট, অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ !

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার বৃহত্তম ছাতরা,চৌবাড়িয়া, সতিহাট,দেলুয়াবাড়ী গরুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বালাই নেই। বেশিরভাগ লোক রয়েছে মাক্স ছাড়া। জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতরা বাজারে অবস্থিত জেলার বৃহত্তম এ গরুরহাট।

করোনার ঝুকি নিয়ে ২৬ এপ্রিল সোমবার সপ্তাহিক এ গরুর হাটে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ভাবিয়ে তুলেছে এলাকাবাসীকে। এছাড়াও গরুর হাট ইজারাদার ও তার লোকজন দিয়ে সরকারি টোল আদায়ের তালিকার অতিরিক্ত দুই থেকে ৩ গুণ
বেশি টোল আদায় করছে।

এদিন দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় ছাতরা হাটে গরু ক্রয় করতে আসা কোদালী শহর গ্রামের বাবু বর্মন, চাকলা গ্রামের অছিম উদ্দিন, তাতিহার গ্রামের আবুল হাসান এবং বামইল গ্রামের লস্কর আলীসহ এ হাটে গবাদী পশু ক্রয় করতে আসা অন্যান্যদের সঙ্গে। তারা অভিযোগ করেন, প্রতি গাভীর বাচ্চাসহ ১২ শত টাকা ও একটা বলদ এবং বোকনা গরুর খাজনা বাবদ ৬ শত টাকা টোল আদায় করছে হাট ইজারাদারের লোকজন। কোন ক্রেতা অতিরিক্ত টোল দিতে আপত্তি জানালে তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হতে হয় ইজারাদারের টোল আদায়কারীর কাছ থেকে।

অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে ইজারাদার মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে এই হাট ইজারাদারের ব্যবসায়িক সহকারী মামুনুর রশিদ এর সাথে হলে তিনি বলেন, লকডাউনের ফলে গত বছর ৮৮ লাখ টাকা তাদের এই হাটে লোকসান হয়েছে। বছরের লোকসানের টাকা এ পর্যন্ত সরকার তাদের দেয়নি। আর এই কারনেই এবছর করোনার
ঝুঁকি নিয়ে এই হাট চালু রাখতে বাধ্য হয়েছেন।

এব্যাপারে নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়া মারীয়া পেরেরা বলেন, অতিরিক্ত টোল আদায়ের সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

রৌমারীতে স্কুলের মাঠ দখল করে চলছে ঠিকাদারের কাজ

সাকিব আল হাসান, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের টাপুরচর বিজি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে রাস্তার নির্মাণ সামগ্রী রাখার অভিযোগ উঠেছে ‘হামিদ ট্রেডার্স’ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

কয়েক মাস ধরে এ স্কুলটির মাঠ দখল করে নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়। এতে মালামাল বহনকারী ট্রাক্টরের ধাক্কায় নষ্ট হচ্ছে বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল, সিঁড়ি ও বাউন্ডারি ওয়াল। যে কোনো মুহূর্তে বিদ্যালয় খুললে পাঠদানে ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের টাপুরচর বিজি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে ছাটকড়াইবাড়ী ভায়া রৌমারী সরকারি কলেজ পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের পাথর, বালি ও খোয়াসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের পুরো মাঠটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ইয়াছিন আলী, মোন্তাজ আলী, মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, অবৈধভাবে বিদ্যালয় মাঠে রাস্তা সংস্কারের জন্য পিচ ও পাথর পোড়ানো হলে নবনির্মিত ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

তারা আরও বলেন, ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদ্যালয় মাঠে মালামাল রাখার অনুমতি দিয়েছেন ওই প্রধান শিক্ষক।

টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে টাপুরচর বিজি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনি বলেন, ‘ঠিকাদার আমাকে না জানিয়ে বিদ্যালয় মাঠে নির্মাণ সামগ্রী রাখেন। এতে পাথর বোঝাই ট্রাক্টরের ধাক্কায় বিদ্যালয় একটি ভবনের দেয়াল ফাটল ধরে এবং বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে যায়। বিষয়টি আমি ইউএনওকে জানিয়েছি।’

এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হামিদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় ও জায়গা না পাওয়ার কারণে রাস্তা সংস্কার কাজের নির্মাণ সামগ্রী ওই বিদ্যালয় মাঠে রাখা হয়েছে। কার্পেটিংয়ের কাজ পর্যন্ত নির্মাণ সামগ্রীগুলো রাখা হবে।’

রৌমারী উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিইও) শামছুল আলম বলেন, ‘কোনো ক্রমেই ঠিকাদারের নির্মাণ সামগ্রী বিদ্যালয় মাঠে রাখার নিয়ম নেই। এর জন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এ দায়ভার বহন করতে হবে।’

বাঞ্ছারামপুরে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মসজিদের ইমামদের মাঝে প্রবাসী সংগঠনের ঈদ উপহার

মো.নাছির উদ্দিন -বাঞ্ছারামপুর-প্রতিনিধিঃ “স্বপ্ন মোদের দু’চোখ ভরা, বুধাইর কান্দি গ্রাম হবে সবার সেরা”, এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বুধাইর কান্দি গ্রামের প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদ নিজ গ্রামের ১৪ টি জামে মসজিদের ইমামদেরকে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে  ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বুধাইর কান্দি রহমানিয়া দারুল উলুম ইসলামীয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার মাওলানা মো.সামছুল হক সাহেবের মাধ্যমে গ্রামের মসজিদের সকল ইমামদেরকে  প্রবাসী সংগঠনের ঈদ উপহার  তুলে দেওয়া হয়।

এই সময় উপস্হিত ছিলেন প্রবাসী সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো.শাহাবুদ্দিন ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী,সংগঠনের নিযুক্ত ক্যাশিয়ার, মো.শহীদুল ইসলাম,এস এম বরকত উল্লাহ শাহীন, ডা.সাদেকুর রহমান উজ্জ্বল,মো.সাইজুদ্দিন শাজু,  সাংবাদিক মো.নাছির উদ্দিন,আহসান উল্লাহ, সিপন,জামাল, শাহাবুদ্দিন প্রমূখ।

বুধাইর কান্দি প্রবাসী সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোক্তাগণ ডেইলি নিউজ একাত্তর কে  বলেন মানব সেবাই আমাদের মুল লক্ষ্য  আমরা আছি একঝাঁক তরুণ, সকল মানুষের বিপদে পাঁশে থেকে এই সংগঠন কাজ করে যাবে, সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর, আমাদের পরিকল্পনা অসহায় মানুষের জন্য ঈদে মোরগ, পোলার চাউল, সয়াবিন তৈল, চিনি, সেমাই  দেওয়ার প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।ইতোমধ্যে সয়াবিন তেল ও পোলার চাউল আমরা কিনে নিয়েছি, বাকী সদাই কিনে ঈদের আগের দিন দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে, সেই জন্য সবার সহযোগিতা  ও দোয়া কামনা করছি।আপনাদের সবার দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে এই সংগঠনের কার্যক্রম ধারাবাহিক ভাবে চলমান।

যারা পেলেন ৯৩ তম অস্কার

সিএনবিডি ডেস্কঃ বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম বড় অনুষ্ঠান অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার।এবারের ৯৩তম আসর বসেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে ডলবি থিয়েটারসহ একাধিক স্থানে। স্থানীয় সময় রোববার (২৫ এপ্রিল) এই অনুষ্ঠান শুরু হয়। অর্থাৎ সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৬টায় বাংলাদেশের দর্শকরা এটি দেখতে পান।

এবারের অস্কারের সেরা চলচ্চিত্র ও শিল্পী-কুশলীদের নাম ঘোষণা করেন তারকারা। তারাই বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন পুরস্কার। সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনয় শিল্পী, সেরা প্রামাণ্যচিত্রসহ ২৩টি বিভাগে পুরস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস। এবিসি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২২৫টি দেশে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় অনুষ্ঠানটি।

এ বছর অস্কারের ৯৩তম আসরের বিজয়ীদের তালিকাঃ

সেরা চলচ্চিত্র: নোম্যাডল্যান্ড
সেরা অভিনেতা: অ্যান্থনি হপকিন্স (দ্য ফাদার)
সেরা অভিনেত্রী: ফ্রান্সেস ম্যাকডরম্যান্ড (নোম্যাডল্যান্ড)
সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য: প্রমিসিং ইয়াং ওম্যান
সেরা অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্য: দ্য ফাদার
সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র: অ্যানাদার রাউন্ড (ডেনমার্ক)
সেরা পার্শ্ব-অভিনেতা: ড্যানিয়েল কালুইয়া (জুডাস অ্যান্ড দ্য ব্ল্যাক মেসায়া)
সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রী: ইয়া-জাঙ উন (মিনারি)
সেরা রূপ ও চুলসজ্জা: মা রেইনি’স ব্ল্যাক বটম
সেরা পরিচালক: ক্লোয়ি জাও (নোম্যাডল্যান্ড)
সেরা অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র: সৌল
সেরা প্রামাণ্যচিত্র: মাই অক্টোপাস টিচার
সেরা শব্দ: সাউন্ড অব মেটাল
সেরা সম্পাদনা: সাউন্ড অব মেটাল (মাইকেল ই. জি. নিলসেন)
সেরা চিত্রগ্রহণ: ম্যাঙ্ক (এরিক মেসারস্মিট)
সেরা মৌলিক গান: ফাইট ফর ইউ (জুডাস অ্যান্ড দ্য ব্ল্যাক মেসায়া)
সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস: টেনেট
সেরা পোশাক পরিকল্পনা: মা রেইনি’স ব্ল্যাক বটম (অ্যান রোথ)
সেরা শিল্প নির্দেশনা: ম্যাঙ্ক (ডোনাল্ড গ্রাহার বার্ট ও জ্যান পাসকেল)
সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র: কলেট (অ্যলিস ডয়ার্ড ও অ্যান্থনি গিয়াচ্চিনো)।

নওগাঁর আত্রাইয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তার লক্ষে ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রণোদনা সার-বীজ বিতরণ

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তার লক্ষে সার বীজ বিতরণ করা হয়। সোমবার দুপুরে আত্রাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিককৃষকের মাঝে দশ জনের গ্রুপ করে প্রতিজন কৃষককে আউশ ধান বীজ পাঁচ কেজি ও সার ডিএফপি-বিশ কেজি ও এমওপি সার- দশ কেজি করে বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান এবাদ প্রামানিক। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কেএম কাওছার হোসেন, আত্রাই উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানশেখ হাফিজুর রহমান,উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন টগর, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ কেরামত আলী, ভোঁপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানবক্স, ইউপি সদস্য শ্রী স্বপন কুমার, কৃষক মোঃ সিরাজুল ইসলাম মৃধা, কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক নাজমুল হক নাদিম প্রমূখ।

এবার আত্রাই উপজেলায় সাত শত ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষক আউশ প্রণোদনায় সারও বীজ পাবে বলে উপজেলা কৃষি অফিসার জানান।

মৌলভীবাজার জেলা ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পুড়ছে!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার জেলাঃ আজ মৌলভীবাজার জেলায় ২৭ এপ্রিল কয়েকদিনের প্রচন্ড তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।তাপমাত্রা উঠে গেছে ৪০ ডিগ্রীতে। তীব্র গরমে পুড়ছে জনপদ, মাঠ-ঘাট ও শষ্যের ক্ষেত। কোথাও স্বস্তির বাতাস নেই। সর্বত্র গরম আর গরম, কখনও প্রচন্ড গরম, আবার কখনও ভ্যাপসা গরম। শীতের আগমনের আগে শেষ বারের মত গরমের তান্ডব চলছে জনজীবনে। বেলা যত গড়াচ্ছে সূর্যের প্রখরতা ও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকাল হতেই ভীষণ ক্ষেপে উঠেছে সূর্য। আর দুপুর হতে না হতেই সড়ক বাজার জনশুন্য হচ্ছে। গরমের সাথে বোঝা যাচ্ছে যেন লকডাউন পালন করছে সাধারণ জনগন।একটু প্রশান্তির জন্য গাছতলায় ঠাঁই নিচ্ছে মানুষ। অসহনীয় তাপ, রৌদ্রযন্ত্রনায় মানুষ করোনার কথা একেবারেই ভুলে গিয়ে ঠান্ড পানি পান করে শরীর কে স্বস্থিতে ফেরানোর প্রচেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে।
মৌলভীবাজার ছায়ার সন্ধানে যাওয়া কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, চারিদিকে কেবল গরম আর গরম। যে গরমে কেবলমাত্র জনজীবনের অস্থিরতা আনছে তা নয় বর্তমানে সারা বিশ্বে করোনা মহামারী ধারণ করা করোনা ভাইরাসের মধ্যে ঠান্ডা পানি কিংবা ঠান্ডা পানীয় পান না করার জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ থাকলেও এ গরমে মানুষ একবারে ভুলে গেছে তার কথা। কেননা অতিরিক্ত তাপদাহে মানবদেহে পানি শুন্যতার সৃষ্টি হয়। এ শূন্যতা পূরণ করতে মানুষ ছুটে যাচ্ছে ঠান্ডা পানি পান করতে।

বড়লেখার দক্ষিনবাগ ইউপি পরিষদ পুড়ে ছাই

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপি পরিষদে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সকাল অনুমান ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। রমজান মাস থাকায় ওই সময় অধিকাংশ মানুষ ঘুমন্ত ছিলেন।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ এপ্রিল রোববার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখেন। বিষয়টি তারা ফায়ার সার্ভিসকে জানান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই আগুনে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কক্ষ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, ডিজিটাল সেন্টার ও গ্রাম আদালতের কক্ষসহ পাঁচটি কক্ষের পাশাপাশি ইউনিয়নের ৫টি কম্পিউটার এবং গুরুত্বপূর্ণ সকল নথি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের সেমিপাকা ৫টি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভেতরে কম্পিউটার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়ে গেছে। সেগুলো নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। স্থানীয় লোকজন ইউনিয়নে ভিড় করেছেন। অনেকেই ইউনিয়নে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে এলেও না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। গ্রাম পুলিশের সদস্যরা পুড়ে যাওয়া নথি নেড়েচেড়ে দেখছেন।
গ্রাম পুলিশের সদস্য জমির উদ্দিন জানান, রাতে গ্রাম পুলিশের একজন সদস্য ইউনিয়নে ছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টায় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যান। এরপরই হয়তো আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন কিভাবে লেগেছে তা বলা যাচ্ছেনা এই মূহুর্তে।
খবর পাওয়ার পর পর উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম আল ইমরান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এর আগে থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
আগুনের সুত্রপাত কিভাবে ঘটেছে ও কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা। এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন,তদন্ত প্রতিবেদন না পর্যন্ত কোন মন্তব্য করা যাবেনা।

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি ওষুধ আগুনে পুড়ে ছাই!

সাকিব আল হাসান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত বেশ কিছু ওষুধ পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে কে বা কারা এ ওষুধ পুড়েছেন তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানেন না।

গত রোববার দুপুরে উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে মসজিদের পাশের পরিত্যক্ত একটি জায়গায় ওষুধগুলো পোড়ানো অবস্থায় দেখতে পান মসজিদে যোহরের নামাজ পড়তে আসা কয়েকজন মুসল্লী। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে মুহুর্তেই হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক জনতার ভিড় বেড়ে যায়। তবে হাসপাতাল চত্বরে ওষুধ পোড়ানোর ঘটনা ঘটলেও কর্তৃপক্ষের জানা নেই বলে জানা যায়। এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান ওষুধ পোড়ানোর কথা স্বীকার করে বলেন, আমি জেনেছি শুধু কৃমিনাশক অ্যালবানিডাজল ট্যাবলেট পোড়ানো হয়েছে।বিষয়টি সিরিয়াসভাবে দেখা হচ্ছে সরকারি ওষুধ কে বা কারা পুড়ছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবনের ৩০ গজ দূরেই হাসপাতাল মসজিদ। এ মসজিদ সংলগ্ন পরিত্যক্ত পাশের একটি জায়গায় বিভিন্ন ধরনের নামীদামী সরকারি ওষুধ পোড়ানো অবস্থায় স্তুপ আকারে পড়ে রয়েছে। যোহরের নামায পড়তে আসা মুসল্লী শাকিল আহমেদ জানান, যোহর নামাজের সময় অজু করতে গিয়ে হঠাৎ সামনে কালো একটি স্তুপ দেখতে পাই।কাছে গিয়ে দেখি এলবেন ডিএস, গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেটসহ নানা ধরণের ওষুধ পোড়ানো হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, রিয়াজুল হক ও শেফালী বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। অথচ সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকার ওষুধ পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে যা অত্যন্ত আশ্চর্যের। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এ ব্যাপারে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, কে বা কারা সরকারি ওষুধগুলো পুড়িয়েছে তা আমার জানা নেই।এ ঘটনায় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সেলিম মিয়াকে প্রধান করে তিন সদেস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।