জাবি অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমানের মরদেহ ঘরের দরজা ভেঙ্গে উদ্ধার

সিএনবিডি ডেস্কঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তারেক শামসুর রেহমান আর নেই। আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টে নিজের ফ্ল্যাটে মৃত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। ওই ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় বাসায় কেউ ছিলেন না। পুলিশ দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।

রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রোজেক্টের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাফফর আহমেদ তার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য তারেক শামসুর রেহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতি, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক ও বৈদেশিক নীতি এবং তুলনামূলক রাজনীতি নিয়ে তার একাধিক গ্রন্থ রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী অধ্যাপক রেহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি ড. রেহমান নিয়মিত কলাম লিখতেন। প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিকে তার কলাম নিয়মিত ছাপা হতো। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাক যুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক রাজনীতি, গণতন্ত্রের শত্রু-মিত্র, নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বিশ্ব রাজনীতির চালচিত্র, উপআঞ্চলিক জোট, ট্রানজিট ইস্যু ও গ্যাস রফতানি প্রসঙ্গ, বাংলাদেশঃ রাষ্ট্র ও রাজনীতি, বাংলাদেশঃ রাজনীতির ২৫ বছর, বাংলাদেশঃ রাজনীতির চার দশক, গঙ্গার পানি চুক্তিঃ প্রেক্ষিত ও সম্ভাবনা, সোভিয়েত-বালাদেশ সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর ইত্যাদি।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ জনের মৃত্যু

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশে চলমান মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ২৮৩ জনে।এর আগের দিন শুক্রবারও (১৬ এপ্রিল) করোনায় ১০১ জন মারা যায়।

আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনাবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশের মোট ২৫৭টি পরীক্ষাগারে ১৫ হাজার ৪১৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৬ হাজার ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয় ৩ হাজার ৪৭৩টি। এ পর্যন্ত শনাক্ত হয় ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২টি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ ও ৩২ জন নারী। তার মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৭ জন, চট্টগ্রামের ২৩, রাজশাহী ২, খুলনা ৩, বরিশাল ১, সিলেট ২ ও ময়মনসিংহের ৩ জন। এদের মধ্যে ৯৯ জন হাসপাতালে এবং ২ জন বাড়িতে মারা গেছেন। ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬৩৫ জন এবং নারী ২ হাজার ৬৪৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৫৮ জনই ষাটোর্ধ্ব। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৯ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

বাশখালি তে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষে ৫ জন নিহত

শনিবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন।  গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- গণ্ডামারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বড়ঘোনা মো. আবু ছিদ্দিকের ছেলে আহমেদ রেজা (১৮), একই এলাকার অলি উল্লাহর ছেলে রনি হোসেন (২২), নূর জামানের ছেলে শুভ (২৪) ও মো. كيف تربح بالروليت দালু মিয়ার ছেলে মো. سباق الخيل مباشر রাহাত (২২)।

বাঁশখালী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিউর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধসহ আরও ১২ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের একপর্যায়ে পুলিশ গুলি চালায়। এতে কমপক্ষে ২৫ জনের মতো আহত হন। হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার লিটন বৈষ্ণব জানান, গন্ডামারা পাওয়ার প্ল্যান্টের অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিভানোর কাজ চলছে।

বাঁশখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম জানান, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিক্ষোভ থেকে এই সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতর বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা আগুন ধরিয়ে দেয়।

আজ ১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

সিএনবিডি ডেস্কঃ আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এদিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরে এই বৈদ্যনাথতলাকেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

গতবারের মতো এবারও এ দিনটি এসেছে নজিরবিহীন এক সঙ্কটের মধ্যে। বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করা নভেল করোনাভাইরাসের ২য় ঢেউ চলছে বাংলাদেশে।চলছে লকডাউন। তাই এ সংকটে বাঙালিরাও ঘরে থাকতে বাধ্য হয়েছে।বাইরে বেরিয়ে পালন করতে পারছেনা মুজিবনগর দিবস। যার কারণে দিবসটি ঘরে বসে পালনের সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ এক বিবৃতিতে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে সৃষ্ট সংকটের কারণে ঘরে বসেই ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মী এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহসহ সর্বস্তরের জনগণ ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়।

অস্থায়ী সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। এ দিন ঘোষিত ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।

ঘোষণাপত্রে সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি ও সৈয়দ নজরুল ইসলামকে প্রজাতন্ত্রের উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।

এছাড়াও তাজউদ্দিন আহমেদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অপরদিকে জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান কমান্ডার এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চীফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

১১ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ দেশবাসীর উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন, যা আকাশবাণী থেকে একাধিকবার প্রচারিত হয়। তাজউদ্দিনের ভাষণের মধ্য দিয়েই দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইনানুগ সরকার গঠিত হয়েছে।

এরই পথপরিক্রমায় ১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

পরের দিন দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকা এবং সংবাদ মাধ্যমে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণের এই সংবাদ ফলাও করে ছাপা হয়। বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সূচনা বা আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হিসেবে এই দিনটির তাৎপর্য ছিল বিশাল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, ১০ এপ্রিল সরকার গঠনের পরে ১১ এপ্রিল স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাজউদ্দিন আহমদ একটি বেতার ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। এছাড়াও ১৭ এপ্রিল মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহণের তারিখও নির্ধারিত হয়।

কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা কবরী বনানী কবরাস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত

বিনোদন ডেস্কঃ অবশেষে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা ও মুক্তিযোদ্ধা সারাহ বেগম কবরী। শুক্রবার দিবাগত রাত (১৭ এপ্রিল) ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) জোহরের নামাজের পর কবরস্থান এলাকায় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবার পর তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে কবরস্থানের সামনে রাষ্ট্রীয়ভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয় এই মুক্তিযোদ্ধা অভিনেত্রীকে।গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন  কবরী‘র ছেলে শাকের চিশতী।

প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল রাতে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে অবস্থার অবনতি হলে ৮ এপ্রিল দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে তাকে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। পরদিন শুক্রবার দিবাগত রাত (১৭ এপ্রিল) ১২টা ২০ মিনিটে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সারাহ বেগম কবরীর। এরপর শুধুই নিজেকে মেলে ধরার গল্প। বাহানা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘রংবাজ’, ‘সারেং বউ’, ‘সুজন সখী’সহ এমন অনেক দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন তিন। নারায়ণগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন কবরী।

তাঁর প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের আরেকটি নক্ষত্রের পতন হলো। তার অভাব কখনও পূরণ হওয়ার নয়।

 

নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা প্রতিরোধে ৪র্থ দিনে সর্বাত্নক লকডাউন পালিত

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্নক লকডাউন পালিত হচ্ছে, গত বুধবার সকাল ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে সারা বাংলাদেশ ন্যায় নওগাঁর আত্রাইয়েও উপজেলায় লকডাইনের আওতাভূক্ত সকলআন্তঃ রুট ও উপজেলা পর্যায় কোন ভারী যান চলছেন।এই লকডাইনের ৪র্থ দিন ১৭ এপ্রিল শনিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন রোডেও আন্তঃ রুটে কোন ভারী যানবাহন চলছে না। উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দু’একটি ভ্যান ও মোটর সাইকেল ছাড়া কোন প্রকার যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।  উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূন মোড়ে মোড়ে কড়া পুলিশী প্রহড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। যে দু’একটি যানবাহনঅপ্রয়োজনীয় ভাবে চলাফেরা করার চেষ্টা করছে তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে।এসব যানবাহনের গদিখুলে নেয়া হচ্ছে এবং এ সময়বেশ কয়েকটি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম বলেছেন সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাব হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। সরকার তা প্রতিরোধে যথাযথ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই লকডাউন ঘোষনা করেছে।তিনি সকলকে অন্ততঃপক্ষে নিজেদের সুরক্ষার স্বাথে লকডাউন মেনে চলার আহবান জানান।

আত্রােই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন দেশকে করোনার হাত থেকে রক্ষার স্বাথে সরকারের নিদেশে সারাদেশে লকডাউন চলছে।যে কোন বাবেই হোক সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়ন করতে পুলিশ বাহিনী সদা সচেষ্ট রয়েছে।

হরিপুরে ৩০ কেজি ওজনের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে হরিপুর উপজেলায় গেল বৃহস্পতিবার পুকুর খননের সময় ৩০ কেজি ওজনের তিন ফুট উচ্চতার একটি কালো পাথরের মূর্তি পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, তিন ফুট উচ্চতার ও ১৫ ইঞ্চি প্রস্থের এটি একটি ‘বিষ্ণুমূর্তি’।
জানা গেছে ঘটনার দিন দুপুরে হরিপুর উপজেলার আমগাঁও ইউনিয়নের ‘জামুন ব্রিকস ফিল্ড’ নামের একটি ইটভাটা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান হরিপুর থানা অফিসার ইনচার্জ আওরঙ্গ জেব।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি আওরঙ্গ জেব বলেন, ‘হরিপুর উপজেলার জামুন ব্রিকস ফিল্ড নামের ইটভাটার মালিক হবিবর রহমান ভাটার ইট তৈরির কাঁচামাল হিসেবে মাটি সংগ্রহ করতে স্থানীয় জগেন পালের সঙ্গে চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী গত বুধবার সকাল থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে মাধ্যমে জামুন কুমারপাড়া গ্রামে জগেল পালের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মাটি কাটা শুরু করেন শ্রমিকরা। সন্ধ্যার দিকে ওই পুকুর থেকে মাটি নিয়ে ইটভাটায় আসার পর মাটির ভেতর থেকে একটি পাথর খণ্ড বেরিয়ে আসে। শ্রমিকরা ওই পাথর খণ্ডটি ‘মূর্তি’ বলে নিশ্চিত করেন এবং ইটভাটার এক ঘরে সরিয়ে রাখেন।’
ঘটনাটি জানার পর এদিন বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জামুন ব্রিকস ফিল্ডে গিয়ে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়।

রাণীশংকৈলে আরো ২ জেএমবি’র সদস্য আটক

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থানা পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবি’র আরো দুই সদস্যকে আটক করেছে। গেল সোমবার ১২এপ্রিল মধ্যরাতে উপজেলার ভরনিয়া ডেহট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

থানা পরিদর্শক (ওসি) এস এম জাহিদ ইকবাল মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আটক দুইজন পুরাতন জেএমবি সদস্য।

থানা পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল লতিফ শেখ মুঠোফোনে জানান, রংপুরের গঙ্গাচড়া থানার মহুভাষা জুম্মাপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল কাফি (২৭) ও কুড়িগ্রাম জেলার নলেয়া ব্যাপারী মোড় মহল্লার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে হযরত আলী (২১) কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। তারা দুজনেই পুরাতন জেএমবির সদস্য। এর আগে গত ১৭ মার্চ রানীশংকৈলে অস্ত্রসহ দুই জেএমবি সদস্য আটকের মামলার এ দুজনও এজাহারভুক্ত আসামি ছিল।

 পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ আরও জানান, মূলত এরা এখানে এসেছিল  ইতিমধ্যে আটককৃতদের বিষয়ে কি করণীয়, তাদের সংগঠনকে গতিশীল করা ও নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার নীলনকশা করতে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসের ১৭ তারিখে ৩ টি আগ্নেয়াস্ত্র ৫ রাউন্ড গুলি, জেহাদী বই ও মোবাইল সেট সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবির সামরিক শাখার ২ সদস্য এমদাদুল হক (৩১) ও শহিদুল ইসলাম (১৮) কে গ্রেফতার করে রাণীশংকৈল থানা পুলিশ।গ্রেফতারকৃতরা দুজনে সহোদর ভাই ছিলেন।

ঐ ঘটনায় রানীশংকৈল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে এবং অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। আটকৃকতরা ওই মামলার পলাতক আসামী ছিলেন ।

দেবীদ্বার আল ইসলাম হাসপাতাল এন্ড ডায়গনিষ্টক সেন্টারে সিজারের ৫ মাস পর পেট থেকে গজ বের করা সেই তরুণীর মৃত্

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লাঃ কুমিল্লায় সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে গজ রেখে দেয়ার ৫ মাস পর ফের অপারেশন করে গজ বের করা সেই শারমিন আক্তার (২৫) মারা গেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শারমিনের স্বামী রাসেল মিয়া। বুধবার ভোরে শারমিনের মরদেহ ঢাকা থেকে তার বাবার বাড়ি জেলার দেবিদ্বারের হোসেনপুর গ্রামে আনা হয়। সেখানে সকাল ১০টায় প্রথম জানাজা শেষে নেয়া হয় তার স্বামীর বাড়ি জেলার মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামে। সেখানে বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এদিকে এ ভুল চিকিৎসার বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখনও কাজ শুরু করেনি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটি। গত এক সপ্তাহ ধরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

শারমিন আক্তারের পরিবারের অভিযোগ, কুমিল্লার দেবিদ্বারের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তার সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছিল ৫ মাস আগে। কিন্তু অপারেশনের সময় কর্তব্যরত ডাক্তার ও তার সহযোগীরা ভুলবশত পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেন। তীব্র ব্যথায় ওই প্রসূতির অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে গত ৬ এপ্রিল রাতে জেলার ময়নামতির অপর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে পুনরায় অপারেশন করে পেট থেকে বের করা হয় গজ। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় গত শনিবার (১০ এপ্রিল) ভোরে তাকে ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল এবং পরে লাইফসাপোর্টে নেয়া হয়।

শারমিনের স্বামী রাসেল মিয়া জানান, গত বছরের ৫ নভেম্বর দেবিদ্বার আল ইসলাম হসপিটালে তার স্ত্রীর সিজারিয়ান অপারেশন করেন ওই হাসপাতালের খণ্ডকালীন চিকিৎসক ডা. রোজিনা আক্তার। জন্ম হয় ছেলে সন্তানের। গত ৯ নভেম্বর তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়। ডাক্তারের এ ভুলে আমার সাড়ে ৩ বছরের কন্যা মানহা এবং সাড়ে ৫ মাস বয়সী মুনতাছির মা হারা হলো। তাদের মায়ের শূন্যতা পূরণ করব কীভাবে? চিকিৎসকদের ভুলের এ খেসারত স্ত্রীর মৃত্যুর মধ্য দিয়েই দিতে হবে তা ভাবতে পারিনি।

শারমিনের বড় ভাই রুহুল আমিন জানান, ওই প্রাইভেট হাসপাতালে তার বোনকে ভর্তির পর কর্তব্যরত চিকিৎসক রোজিনা আক্তার তাকে দেখে জরুরি সিজার করতে পরামর্শ দেন। ডাক্তারের কথা শুনে আমরা সিজারে রাজি হলে ৫ নভেম্বর ডা. রোজিনা আক্তার ও তার সহযোগী ডা. শামীমা আক্তার লিন্টাসহ অন্যান্য নার্স ও ওটি বয় মিলে তার বোনের সিজার সম্পন্ন করেন। সিজারের দুই দিন পর থেকে শারমিনের পেটে ব্যথা হতে থাকে, হাসপাতাল থেকে এ সময় কিছু ওষুধ দেয়া হয়। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর অপারেশনের ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। পরে ব্যথা আরও বেড়ে গেলে তাকে কুমিল্লাসহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা প্রচুর ওষুধ খেতে দেন। কিন্তু তার জীবন সংকটাপন্ন দেখে গত ৬ এপ্রিল জেলার ময়নামতি ক্যান্টমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে তার অপারেশন করে পেট থেকে গজ বের করা হয়।

তিনি আরও জানান, দেবিদ্বারে আমার বোনের সিজারিয়ান অপারেশনে নিয়োজিত চিকিৎসকের এমন ভুলের কারণে আমার বোন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে ছিল। দীর্ঘ এ সময়ে দেশের অনেক নামী-দামী হসপিটালে ঘুরেছি, অর্থ ব্যয় করেছি। কিন্তু সব স্থানেই ভুল চিকিৎসা ও প্রতারিত হয়েছি। কার কাছে বিচার চাইব?

এ ব্যাপারে আল ইসলাম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ হোসেন (এনাম) বলেন, ঘটনাটি যেভাবেই কিংবা যার ভুলেই হোক এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে আমরা অনুতপ্ত এবং ওই পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি বিষয়টি তদন্ত করছে।

মুঠোফোনে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, ওই প্রসূতির মৃত্যুর খবর আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি আগেই গঠন করা হয়েছে। তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

সময় নিউজ সিলেট টিভি সাংবাদিক আমিন কে আবার ও প্রাণে হত্যার হুমকি দিল মাদক কারবারী মিজান

সিলেট প্রতিনিধিঃ মামলা তুলে না নিলে প্রাণে হত্যা করবে বলে আবার ও হুমকি দিলো সময় নিউজ সিলেট টিভি-সাংবাদিক আমিন (উপরের ছবিতে) কে- কাস্টঘরের বেপোরুয়া মাদক ব্যাবসায়ী মিজান। সিলেটে মাদক সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জের ধরে প্রতিনিয়ত-(সময় নিউজ সিলেট টিভি-সম্পাদক ও প্রকাশক-সাংবাদিক (ক্রাইম রিপোর্টার) মো:আমিন আহমেদ কে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে সিলেটের মাদক জোন হিসেবে চিহ্নিত কাস্টঘরের মাদক ব্যবসায়ীদের মদতদাতা, ত্রাণকর্তা ও র‌্যাবের সোর্স পরিচয়দাকারী ইয়াবা মিজান।

সময় নিউজ সিলেট টিভি-সাংবাদিক মোঃ আমিন আহমেদ গত দু মাস আগে ইয়াবা মিজানকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকে মুঠোফোনের মাধ্যমে সাংবাদিক মো:আমিন আহমেদ কে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত শাসিয়ে যাচ্ছে। মুঠোফোনে ফোন করে সাংবাদিক’র হাত, পা-ভাঙ্গাসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় ওই বেপোরুয়া ইয়াবা মিজান।

সময় নিউজ সিলেট টিভি-সম্পাদক ও প্রকাশক’ সাংবাদিক মো:আমিন আহমেদ জিডি’র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং তারিখে “নগরীর কাস্টোঘরে চিহ্নিত মাদকব্যবসায়ী মিজান বেপরোয়া” শিরোনামে দৈনিক বজ্রকন্ঠ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। এরপর সংবাদটি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সহ স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে এবং সর্বশেষ দৈনিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল “ডিজিটাল বাংলা নিউজ” এ “সিলেট প্রশাসনের সোর্স পরিচয়কারী মিজান মাদক ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য” শিরোনামে গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ প্রকাশিত হয়।

তিনি আরো জানান, কাস্টঘরের মহিলা মাদক ব্যাবসায়ীর কাছে টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের করেন তিনি। সংবাদ প্রকাশের কারণে বিবাদী উনাকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে আসছে। বিগত প্রায় ১০ দিন যাবৎ উল্লেখিত বিবাদীর ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১৮ ৪৪১৬৬৩ নাম্বার হইতে উনার ব্যবহৃত নাম্বারে ফোন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা সহ প্রাণে হত্যা করা হবে মর্মে হুমকি প্রধান করে আসছে। উনি বিবাদীর পরিচয় জানতে চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং এ ধরণের কোন বিষয়ে আইনের আশ্রয় নিলে তাকে প্রাণে হত্যা করা হবে বলে শাসায়। পরে তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং তারিখে নিজের ও উনার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য শাহপরান (রহঃ) থানায় হাজির হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন যাহার নং ১৫৫২।