ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে ভাংচুর ও সভাপতির উপর হামলার প্রতিবাদে বাঞ্ছারামপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

মো.নাছির উদ্দিন, বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে ভাংচুর ও সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামির উপর হেফাজতের ইসলামের নেক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বাঞ্ছারামপুরের সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্টাফ রিপোর্টার সাব্বির আহমেদ সুবীর, বিজয় টিভির সাংবাদিক আশেক এমরান, দৈনিক সমকালের আমজাদ হোসেন সজল, দৈনিক যায়যায়দিনের শাহ আলম সিকদার, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের আতাউর রহমান সনেট, দৈনিক সময়ের আলোর আলমগীর হোসেন,দৈনিক  পাঞ্জেরির জুয়েল আহম্মেদ, দৈনিক ভোরের কাগজ রফিকুল ইসলাম, দৈনিক মানবকন্ঠের ফারুক আহাম্মেদ, একাত্তর টিভির বাহারুল ইসলাম, দৈনিক ভোরের দর্পনের নাছির উদ্দিন দুলাল, দৈনিক যায়যায়কালের মো.নাছির উদ্দিন, বাংলা টিভির ফয়সাল আহাম্মেদ, দৈনিক গণমানুষের আওয়াজের মোঃ পলাশ মিয়া, দৈনিক ডেল্টা টাইমসের কাজী খলিলুর রহমান, দৈনিক নওরোজের রাকিবুল হাসান রিয়ান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিভির আল মামুন, বাঞ্ছারামপুর টিভির রিফাত আবির প্রমূখ।

এই সময় বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের দিনে অন্যায়ভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ভাংচুর ও সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামির উপর নেক্কারজনক হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের জোর দাবি জানান এবং আগামী দিনে সাংবাদিকদের কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়।

অচিরেই হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার না করলে বৃহৎ আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়। নতুবা সাংবাদিকরা হেফাজতের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সকল সংবাদ বর্জনের ডাক দেওয়া হয়। সারাদেশে সাংবাদিক নির্যাতন হত্যা ও হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়।

পাটগ্রামে ইয়াবা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম , নীলফামারীঃ ৪ হাজার ১০ পিস ইয়াবা সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৩)। গেল বৃহঃস্পতিবার ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানী-২ (সিপিসি-০২) নীলফামারী ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম পৌরসভার পাটগ্রাম-লালমনিরহাট  মহাসড়কের মির্জারকোট মের্সাস হক ফিলিং স্টেশনের উত্তর দিকে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৪,০১০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ আলম হোসেন (২৫) পাটগ্রাম থানার সরকার পাড়ার মৃত সামসুল হকের ছেলে ও মোঃ আজিবুল ইসলাম আজহারুল (২৪) বঙ্গের বাড়ী সরকার পাড়ার মোঃ সহিদুল ইসলামের ছেলে।
এ বিষয়ে নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২এর কোম্পানী অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মুন্না বিশ্বাস জানান, আটককৃতরা মাদক ব্যবসায়ী ও দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া তাদের সাথে জড়িত অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে অভিযান চলছে।
এছাড়া, আসামীদের বিরুদ্ধে পাটগ্রাম থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মাদক মামলা দায়ের করেছে।

রাজনীতিঃ

আজিজুর রহমান প্রিন্স টরন্টো, কানাডা

এখন বের হচ্ছে কি কি ঘটেছে দুদিনের হরতালে। উদ্দেশ্যটিও আর লুকিয়ে থাকেনি। বায়তুল মোকাররম মসজিদ সংলগ্ন কোরআন শরিফ, তজবীহ এবং ইসলামি বই পুড়েছে বহু। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং ভাষ্কার্য ভেঙ্গেছে টুপি মাথায় হেফাজতের সদস্যরা। ব্রাহ্মনবাড়িয়া রেল ষ্টেশনে তান্ডব চালিয়েছে, ভাঙ্গচুর করেছে। এবং বি এন পি নেত্রী নিপুন চৌধুরী টেলিফোনে আরমানকে নির্দেশ দিয়েছে বাসে আগুন লাগাতে। এখন সবই পরিস্কার কারা কারা জড়িত ছিল হেফাজতের আন্দোলনে। ভিডিও ফুটেজ ছাড়াও টেলিফোন সংলাপ এখন পুলিশের হাতে।

প্রশ্ন উঠেছে কেন এই তান্ডবতা! এই করে কি সরকার হটানো যাবে? সরকার হটিয়ে নির্বাচন হলে তারা কি জয়ী হতে পারবে? জয়ী যদি হয়েই যায় তাহলে কে হবেন সরকার প্রধান (মানে প্রধানমন্ত্রী)। এমন প্রশ্নের সমাধান না করে সরকার হটাও আন্দোলন করা নেতৃত্বের অযোগ্যতা। জনগন কোন কারনে এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত হবে তার কোন যৌক্তিক কারন নেতারা ব্যখ্যা দিতে পারেননি।ইসলামের নামে জিহাদ করায় অনান্য ইসলামী দলের যেমন আপত্তি আছে তাদের মধ্যে মতভেদও আছে। খন্ডিত দলকে ভর করে বি এন পি যে রাজনীতিতে নেমেছে তা আসলে আত্ত্বঘাতী। দলটি জন্মলগ্ন থেকেই এই ভুলটি করে আসছে। রাজাকার আলবদর আর আল শামসের সঙ্গে বি এন পি’র সখ্যতা শুরু থেকেই। রাষ্ট্রদ্রোহীদের মিত্র বানিয়ে ক্ষমতা ভাগাভাগি করেছে সব জেনেও। দুই দিনের হরতাল কর্মসূচিতে হেফাজতের সদস্যরা থাকলেও মূল পরিকল্পনায় ছিল বি এন পি। কারন তারা জানে জনগন তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে আগেই। ধর্মের নামে হরতাল করে হেফাজতকে সামনে দিয়ে বি এন পি সুবিধা নিতে চেয়েছে। দেশে বিশৃংখলা হলে দলটি ক্ষমতায় যাওয়ার গোপন পথ বেছে নিবে। সুস্থ্য ও গণতান্ত্রিক পন্থায় তাদের আরেকবার ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। আন্দোলন কারার সক্ষমতাও হারিয়েছে আগেই। তাই অন্যকে উষ্কে দিয়ে কল কাঠি নাড়া তাদের রাজনৈতিক কৌশল। হেফাজত ছাড়াও বি এন পি সামরিক বাহিনীকে উষ্কানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। দলের নেতারা অনেকেই নিষ্কৃয় এখন। কর্মীবাহিনীও নিষ্প্রাভ। নেতৃত্বের কোন্দল লেগেই আছে। কেউ জানেনা বি এন পি কে চালায়! রাজনীতিতে টিকে থাকাই এখন বি এন পি’র রাজনীতি। শুধু বি এন পি’ই না সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু দলছুট নেতা আর একসময়ের অভিলাষি বিপ্লবি নেতারাও। কিছু বিজ্ঞ জ্ঞানীও আছেন যারা কখনোই জনগনের পাশে থাকেননি। রাজপথে হাটেননি। শেখ হাসিনার দুরদর্শি পরিকল্পনায় তাদের অস্তিত্ব এখন বিলুপ্ত প্রায় তাই, যে কোন মূল্যে শেখ হাসিনাকে সরানোই তাদের লক্ষ্য। যারাই শেখ হাসিনার বিরোধীতা করবে তারাই এই বিজ্ঞ জ্ঞানীদের মিত্র হবে। নুরুর মত নব্য নেতারাও। এসব করে দেশ নয় রাজনীতিকেই কুলশীত করে ফেলেছে। একটি দলের দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা সঠিক নয় কিন্তু, বিগত ১২ বছরে বর্তমান সরকার যা করেছে বিগত সবগুলি সরকার মিলে তা করে দেখাতে পারেনি।

এখন রাজনীতির ধারাটি হল উন্নয়ন আর প্রবৃদ্ধির। অন্য যে কোন সরকার এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে মনে হয়না। যদি কোন দল বা ব্যক্তি তা করে দেখাতে পারে তাহলে জনগণও সমর্থন দিবে। বর্তমানে কোন দলের সঠিক কোন কর্ম্পরিকল্পনাও নেই। কোন ভরসায় তারা আন্দোলনের ডাক দেয় তা বোধগম্য নয়। ভাংচুর করাই যদি আন্দোলনের লক্ষ্য হয় তাহলে সেই আন্দোলন জনগন গ্রহন করবেনা। অতএব এই দুই দিনের হরতালে জনগন সমর্থনের বদলে ক্ষিপ্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে হরতালের কর্মসুচি দিলে জনগন রাস্তায় নেমে প্রতিহত করবে। বিষয়টি হরতালের নেতারা বুঝেছেন কিনা জানিনা।

 

মান্দায় জমি নিয়ে বিরোধ: মারপিটে আহত ৩

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের মারপিটে ৩ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকাল ৮ টার সময় উপজেলার পরানপুর ইউপির বান্দাইপুর গ্রামে।

আহতরা হলেন, বান্দাইপুর গ্রামের মৃত আকরাম আলী মৃধার ছেলে সাজেদুল ইসলাম (৩০), এর মা আজিরন বেওয়া (৬৫) এবং স্ত্রী মেরিনা বেগম (২৬)।

জানাগেছে, দীর্ঘ  ৮ বছর পূর্বে আহত সাজেদুল ইসলাম একই এলাকার প্রতিবেশী আব্দুর রাকিব মৃধা (৪৫) এর নিকট থেকে বান্দাইপুর মৌজায় ৭ শতক জমি ক্রয় করেন। জমি ক্রয়ের কিছুদিন পর তার ওয়ারিশগণ ওয়ারিশ সূত্রে ক্রয়কৃত ৭ শতক জমির মধ্যে থেকে ৪ শতক জমি দখল করে নিলে জমির ক্রয়কৃত মালিক সাজেদুল অন্যদাগে ৪ শতক জমি দখল করে টিন দিয়ে বসতবাড়ী নির্মাণ করেন। সাজেদুলের নির্মাণকৃত বাড়ীতে শুক্রবার সকালে জমি বিক্রেতা প্রতিবেশী আব্দুর রাকিব, তার স্ত্রী হাজেরা এবং ছেলে তারেক হামলা চালায়।

এসময় তারা বাধা দিলে উভয়ের মারপিটে ভুক্তভোগী ৩ জনসহ ৪ জন আহন হন। এদের মধ্যে প্রতিপক্ষের হাজেরা বেগমও আহত হন। আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুর রাকিব এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাজেদুল ইসলামের মারপিটে তার স্ত্রী হাজেরা বেগম আহত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি অবগত হয়েছি। এখনও অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ শ্রীমঙ্গলে স্বামীর হাতে এক স্ত্রী নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। ঘটনা সুত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলার সদর থানার সুলতানসি গ্রামের আঃ কাইয়ূম এর ছেলে মাসুম মিয়া (২৪) চার বছর পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার মৃত আজিজুর রহমানের ছোট মেয়ে শাহীমা আক্তারের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর হতেই মাসুমের সাথে শাহীমার পারিবারীক কলহ লেগেই থাকতো। পারিবারিক কলহের জেরে শাহীমা আক্তার তার বড় বোন হালিমা আক্তারের সাথে হবিগঞ্জে বসবাস করত। বড় বোন সিসিডিএ সমিতিতে চাকুরী করেন। হবিগঞ্জ থাকাকালীন সময়ে শাহীমার সাথে মাসুদের পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একসময় প্রেমের সম্পর্ক গড়িয়ে বিবাহবন্ধনের রুপ নেয়।মাসুম শাহীমাকে বিয়ে করে ৪ বছর আগে ও সংসার শুরু করে ও মাসুদের গ্রামের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলো। ইতিমধ্যে শাহীমার বড় বোন বদলি হয়ে শ্রীমঙ্গল সুরভিপাড়ায় বাসা নিয়ে বসবাস করছিল। এর মধ্যে গত শনিবার ২৭শে মার্চ মাসুম শাহীমাকে নিয়ে শ্রীমঙ্গল শহরতলীর সুরভীপাড়ায় বড় বোন হালিমার বাসায় বেড়াতে আসে। ৩১ মার্চ মাসুম ও শাহীমার মধ্যে বাকবিতন্ডায় জরিয়ে পড়ে মাসুম উত্তেজিত হয়ে একপর্যায়ে বাসা হতে বেড়িয়ে পড়ে এবং মিরপুর কোন এক আত্মীয় বাড়িতে থাকে।পরদিন ভোরে মাসুম পুনরায় হালিমার বাসায় আসে। শুক্রবার রাতে শাহীমার সাথে মাসুমের  কথাকাটি হয়। মাসুম রাতেই শাহীমাকে নিয়ে তার বাড়িতে চলে যেতে চাইলে শাহীমা ও তার বড় বোন হালিমা বলে রাতে না গিয়ে পরদিন ভোরে যাওয়ার জন্য। কিন্ত পাষন্ড স্বামী মাসুম ১লা এপ্রিল রাত আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় শাহীমাকে মাংস কাটা কাজে ব্যবহৃত ছুড়ি দিয়ে শাহীমার বুকে ও হাতে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই শাহীমা মাটিতে লুটে পড়ে ও মৃত্যু হয়।

ঘাতক স্বামী

শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন)  নয়ন কারকুন, রাতেই খবর পেয়ে এএসআই সারোয়ার সহ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে সুরতহাল তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরন করা হয়।

নিহত শাহীমা আক্তারের পাষন্ড স্বামী মাসুম পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সে সময় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ আটক করে। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসেন। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। আইনানুসারে তাঁর শাস্তি হবে বলে নিশ্চিত করেন অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) নয়ন কারকুন।

 

আগামীকাল থেকে সারাদেশে ৭ দিনের লকডাউন শুরু, বন্ধ থাকবে গণপরিবহন

ডিবিএন ডেস্কঃ দেশে তীব্র করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামীকাল ৫ এপ্রিল (সোমবার) সারাদেশে ৭ দিনের লকডাউন শুরু হতে চলেছে। গতকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এছাড়া, আজ ৪ এপ্রিল (রবিবার) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তবে পণ্যপরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ওষুধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, সংবাদপত্র, গার্মেন্টস সামগ্রী এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া শিল্প কলকারখানাগুলো  শর্তসাপেক্ষ চালু থাকবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম ১ জনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে ৯ হাজার ২১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৩০ হাজার ২৭৭ জন।

 

নেত্রকোনায় অবৈধ সেচ সংযোগের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার লক্ষিগন্জ ইউনিয়নের ওয়াইলপাড়া ও ঢুলিগাতী গ্রামের সেচ ও বাড়ির মিটার থেকে অবৈধভাবে সেচ সংযোগ চালাচ্ছে। অবৈধ সেচ সংযোগের কারনে বৈধ সেচ সংযোগের গ্রাহকদের অনেকই সমস্যায় পড়েছে।

নেত্রকোনা পল্লীবিদ্যুত অফিসে যোগাযোগ করা হলে অফিসের জেনারেল ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে গত ০৯-০১-২০২১ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের চিঠিও দেওয়া হয়েছে এবং গত ২১-০৩-২০২১ তারিখে লাইন কাটার অনুমোদন দিয়েছি।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন,মোঃ কছম উদ্দিন পিতাঃ মৃত ডেন্ডু মিয়া গ্রামঃ ওয়াইলপাড়া, মোঃ আনিছ মিয়া পিতাঃ আজিজ মিয়া গ্রামঃ ওয়াইলপাড়া, মোঃ জাকির হোসেন (জুয়েল) পিতাঃ মৃত রুস্তম আলী গ্রামঃ ওয়াইলপাড়া ও ঢুলিগাতী গ্রামের মোঃ মুসলিম উদ্দিন পিতাঃ মৃত আনফর আলী, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ আব্দুল হাই (মাতু) পিতাঃ মৃত আব্দুল গফুর,মোঃ কবীর পিতাঃ মৃত মনজুল হক, মোঃ এরশাদুল হক তালুকদার পিতাঃ মৃত আব্দুস ছোবান তালুকদার, মোঃ বাবুল তালুকদার পিতাঃ মৃত,হুসেন আলী তালুকদার মোঃ আল-আমীন তালুকদার পিতাঃ মৃত রোজালী তালুকদার, মোঃ আলহাদু তালুকদার পিতাঃ মৃত হাসেন আলী তালুকদার, মোঃ আব্দুস সালাম পিতাঃ মৃত আব্দুল হামিদ, মোঃ বজলু মিয়া পিতাঃ ইব্রাহিম মুন্সি গ্রামঃ জয়সীদসহ আরো অনেকে অবৈধভাবে সেচ সংযোগ চালাচ্ছে।

এদের মধ্যে মোঃ আনিছ মিয়া গ্রামঃ ওয়াইলপাড়া সরকারি নিয়ম না মেনে ৭০০ ফুট দূরে একটি সরকার অনুমোদিত সেচের উপর দিয়ে অবৈধভাবে তার দিয়ে সংযোগ নিয়ে একটি মটর চালাচ্ছে। মোঃ জাকির হোসেন (জুয়েল) গ্রামঃ ওয়াইলপাড়া সরকারি নিয়ম না মেনে মোঃ ইকবাল নামক আরেক ব্যাক্তিকে ৫০০ফুট দূরে তার অনুমোদিত সেচ থেকে সেচ চালানোর ব্যবস্থা করে দেয় এরং সেও সেচ সংযোগ চালাচ্ছে। মোঃ লিটন মিয়া, ঢুলিগাতী সে তার বাড়ির মিটার থেকে সরকারি নিয়ম না মেনে অন্য আরেকজনকে মোঃ আব্দুল হাই (মাতু) নামক ব্যাক্তিকে ৬০০ফুট দূরে সেচ চালানোর ব্যাবস্থা করে দেয়। মোঃ কছম উদ্দিন, মুসলিম উদ্দিন, কবীর, সালাম, আল-আমীন তালুকদার,বাবলু তালুকদার, আলহাদু তালুকদার, এরশাদুল তালুকদার অবৈধভাবে সরকারি নিয়ম না মেনে বাড়ির মিটার থেকে সেচ সংযোগ চালাচ্ছে।

তবে নেত্রকোনা পল্লীবিদ্যুত অফিসে যোগাযোগ করা হলে অফিসের এজিএম, (সদস্য সেবা) ফজীলত রাব্বি মুমিনাহ বলেন,যারা অবৈধ ভাবে সেচ সংযোগ চালাচ্ছে তাদেরকে আমরা অফিসিয়াল ভাবে চিঠি দিয়েছি। পরে এজিএম অর্থ দেলোয়ার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন অভিযোগ হয়েছে আমরা অফিসিয়াল ভাবে ব্যবস্থা নিব। আরও বলেন আমাদের অফিস থেকে আমারা তাদেরকে জরিমানা করব।

মৌলভীবাজার জেলা পর্যটন কেন্দ্র, ওয়াজ, র্কীতন, বিয়ের অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ ঘোষনা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ সারাদেশে করোনা সংক্রমণের হারে সনাক্ত করন বিপরীতে ১৯.০৯ শতাংশ, সেখানে মৌলভীবাজারে করোনা সংক্রমণের হার ২০.০৪ শতাংশ। এই তথ্য নিশ্চিত করে মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ জানান, সংক্রমণের দিক থেকে এক নাম্বারে আছে মৌলভীবাজার এই তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আমাদেরকে জানানো হয়েছে।
এ দিকে করোনার সংক্রমণের শীর্ষে থাকায় জেলায় সব ধরণের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া।
মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া আরো জানিয়েছেন, জেলাব্যপী সবধরণের গনজমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়ে, ওয়াজ, কীর্তন কিছুই করা যাবেনা। এত দিন আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে প্রচার চালিয়ে আসছিলাম আগামীকাল ১লা এপ্রিল থেকে জেলাব্যাপী সচেতনতা আরও গতি বৃদ্ধি করা হবে। সেই সাথে বন্ধ থাকবে সব পর্যটন স্পট এবং মাস্ক বিহীন কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়া ও রাত ১০ টার পর বাহিরে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ততক্ষনাত আইনের আওতায় আনা হবে বলে সর্তক বার্তা প্রদান করেন।

সোমবার থেকে সারাদেশে ১ সপ্তাহের জন্য লকডাউন এর ঘোষনা

শনিবার (৩ এপ্রিল) করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউনের ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

চট্টগ্রামে সন্ধ্যা ৬ টার পর কাচাবাজার ও ফার্মেসী ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ

শুক্রবার (২ এপ্রিল) বিকালে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামে সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে ওষুধের দোকান ও কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। আগামীকাল শনিবার (৩ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে এ নির্দেশনা।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে চট্টগ্রামের সব শপিং সেন্টার, বিপণিকেন্দ্র, হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখতে হবে। তবে ওষুধের দোকান ও কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া হবে।