নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রভাবশালীদের দাপটে এক ভূমিহীন পরিবারকে সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগ

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা বলাইশিমুল ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের সুজন মিয়া, পিতা মৃত কেরামত আলীর, এক ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ করার অভিযোগ উঠেছে, এলাকাবাসীর কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।

প্রভাবশালী ব্যক্তিরা হলেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন পিতা-মৃত আব্দুল আউয়াল, শাহিন আলম, পিতা মৃত নুরুল আমিন, রুবেল মিয়া, পিতা-মৃত রুহুল আমিন, কামাল হোসেন (খসরু) পিতা মত খালেক মিয়া, গোলাম জুবায়ের পিতা-মৃত রহিস উদ্দিন তালুকদার, কামরুজ্জামান (জুম্মান), পিতা মৃত লিবাস উদ্দিন মাস্টার, মিলন মিয়া পিতা-মৃত আব্দুল খালেক, বাসক মিয়া পিতা মৃত আব্দুস সাত্তার, সুফিয়ান পিতা-মৃত আরিফ মিয়া, মোস্তফা কামাল পিতা-মৃত শহর আলী, জামাল মিয়া পিতা-মৃত পছন্দ মিয়া, শিবলী পিতা আব্দুল মোতালেব, কাদের মিয়া পিতা ইয়াকুব আলীসহ গোপালপুর গ্রামের আরো অনেকেই।

সুজন মিয়া পিতা মৃত কেরামত আলী ও তার পরিবার ৫০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বসবাস করিয়া আসিতেছে কৃষ্ণ জীবনপুর মৌজায় ১৯৬২ সাল থেকে এই জমিটি সরকারি সম্পত্তি ১ নং খাস খতিয়ান ভূক্ত হালদাগ নং ৪৮২/৪৮৩ শ্রেণী কান্দা ২৪ শতাংশ জমিতে বসবাস করে এবং এই পরিবারটি ভূমিহীন।

গত ১৫-০২-২০২১ তারিখে সুজন মিয়া তার আশ্রয়স্থল বন্দোবস্ত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সুজন মিয়ার বাড়িটি পরিদর্শন করেন সুজন মিয়া ও সুজন মিয়ার পরিবার ভূমিহীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন মিয়ার বাড়িটি পরিদর্শন করার পর থেকেই এই সুজন মিয়ার ফ্যামিলি উপর হুমকি-ধামকি ও উচ্ছেদ করার বিষয়টি সকলের কাছে জানাজানি হয়।

পরে গত ১১-০৩-২০২১ তারিখের ওই প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন পিতা-মৃত আব্দুল আউয়ালের বাড়িতে সুজন মিয়ার পরিবারকে রাত ১০ ঘটিকায় বাড়িতে একটি দরবার ডেকে নিয়ে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই দরবারে সিদ্ধান্ত দেয় ১৫ দিনের মধ্যে সুজন মিয়ার পরিবার জন্মস্থান বসতভিটা ছেড়ে যেতে আদেশ দেয়। এই আদেশ অমান্য করিলে এলাকাবাসীর প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যে কোনো ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করিবে।

ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, শফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষ্ণ জীবনপুর মৌজায় ৪৮২/৪৮৩ সেই দুই দাগের জমিটি খাস। খাসজমিতে যদি কেউ অবৈধ দখল করে থাকে তাহলে সেটার দায়িত্ব হলো সরকারের এ বিষয়ে এলাকাবাসীর কিছু করার নাই। আলী আকবর তালুকদার (মল্লিক) ৮ নং বলাইশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, সুজন মিয়া যদি এলাকাবাসীর সবাইকে নিয়ে বসে তাহলে এটা সমাধান হয়ে যাবে। উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কেন্দুয়া নে মইনউদ্দিন খন্দকার বলেন, এই বাড়ীতে সুজন মিয়া দীর্ঘদিন যাবত অবস্থান করিতেছে সুজন মিয়ার যদি কোনরকম ভূমি না থাকে তাহলে আমরা তাকে ব্যবস্থা করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করিতেছি। যারা সুজন মিয়া কে বাধা দেয় আমি তাদেরকে বলেছি তাদের কাগজপত্র নিয়ে আসার জন্য যদি তারা সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে সে বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিলেটে মোদিবিরোধীদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ২ নারী সহ আটক ৭

মো:আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে সফরের প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সিলেটের কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পণ্ড করে দিয়েছে। এসময় বাম নেতাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। মিছিল থেকে দুই নারী নেত্রীসহ ৭জনকে আটক করে পুলিশ। গতকাল বুধবার (২৪ মার্চ) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে সফরের প্রতিবাদে বিকেলে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা সিলেটে কালো পতাকা মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ মিছিলে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ মিছিলে লাঠিচার্জ করে। এতে উদীচী সিলেটের নেতা সন্দ্বীপন রায়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি জুয়েল আহমদ, ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহমদসহ বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন। পরে দুই নারীনেত্রী ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক উজ্জ্বল রায়সহ ৭জনকে আটক করে পুলিশ।

মিছিল থেকে আটকরা হলেন-বাম গণতান্ত্রিক জোটের সিলেটের সমন্বয়ক ও বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার আহ্বায়ক উজ্জ্বল রায়, ছাত্রফ্রন্টের সিলেট মহানগর আহ্বায়ক সঞ্জয় কান্তি দাস, ছাত্র ইউনিয়ন সিলেট জেলা সংসদের নেতা মনীষা ওয়াহিদ, ছাত্রফ্রন্টের সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক সাদিয়া জাহান নৌশিন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল সিলেট মহানগরের নেতা ফাহিম চৌধুরী, বাসদ (মার্কসবাদী) সিলেট জেলার রেজাউর রহমান রানা ও ছাত্র ইউনিয়ন নেতা কামরান আহমেদ মিজু।

এ ব্যাপারে বাসদ সিলেট জেলার সমন্বয়ক আবু জাফর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছিলাম। প্রথমে পুলিশ এসে আমাদের ব্যানার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পরে আমরা দ্রুত সমাবেশ শেষ করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জিন্দাবাজারের দিকে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে বিনা উসকানিতে পুলিশ হামলা চালায়। পুলিশি হামলায় আমাদের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন।’

তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে আমাদের নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়া না হলে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে। ওই সমাবেশ থেকে তাদের মুক্তির দাবিতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।’

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, শুরুতে পুলিশ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সহযোগিতা করে। সমাবেশের শেষ দিকে বিনা উসকানিতে নেতাকর্মীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে। এসময় পুলিশ সদস্যরা নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। একই সঙ্গে অবিলম্বে আটকদের মুক্তি ও হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবি জানান জোটের নেতারা।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ জানান, সিলেটে বামের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে সমাবেশ সম্পন্ন করতে বলা হয়। তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে গেলে পুলিশ শৃঙ্খলা ফেরাতে কয়েকজনকে আটক করে।

রাণীশংকৈল রামপুর বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল রামপুর বাজারে মঙ্গলবার ২৪ (মার্চ) দুপুরে অবৈধ স্থাপনা অভিযানে প্রায় ১৫০টি হোটেল ও দোকান ঘর স্কবেটর দিয়ে অপসারন করা হয়েছে।

অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রীতম সাহা। এ সময় সংশ্লিষ্ট সহকারি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জাহিরুল ইসলাম, ভূমি অভিসের কর্মচারি ও থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

ভূমি অফিস সুত্রে জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে রামপুর বাজারে ১ নং খাস খতিয়ানে এক একর ৫৫ শতাংশ জমিতে ১৫০ টি কাঁচা পাকা হোটেল ও দোকান ঘর সরকারি নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে রাজস্ব কর ফাঁকি দিয়ে তাদের ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর পর তিন বার নোটিশ পাঠানোর পরও তারা তাদের হোটেল ও দোকান ঘর অপসারন করেনাই। পরবর্তী জেলা প্রশাসকের নির্দেশে  সহকারি কমিশনার ভূমি প্রীতম সাহা এ অবৈধ স্থাপনা অভিযান পরিচালনা করেন।

এ প্রসঙ্গে সহকারি কমিশনার (ভূমি) বলেন, হাটের ১ একর ৫৫ শতক জমি স্থানীয়রা অবৈধ ভাবে দখল করে কাঁচা পাকা ঘর স্থাপনা নির্মান করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা বানিজ্য করে আসছিলেন। অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য এর আগে লিখিত নোটিশসহ বলা হয়েছে। তারপরেও কোন কর্নপাত না করায় আইনগত ভাবে সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে।

পরবর্তীতে সুসজ্জিত ভাবে এই বাজারটিকে চান্দিনা ভিটি এবং তোহা বাজার হিসেবে দুটি অংশে সাজানো হবে এবং যারা প্রকৃত দোকানদার তাদের ঘরের জমি রবাদ্দের জন্য সুপারিশ পাঠানো হবে।

চা বাগানের খুনি ৬ ঘন্টার অভিযানে আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে চা বাগানে গরু চরানোকে কেন্দ্র করে দা এর কোপে মনাপাশী (২০) নামে একজন গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় সাগরনাল ইউনিয়নের সাগরনাল চা বাগানে এই মর্মান্তিক খুন হন।
ওই ঘটনার ৬ ঘন্টার মধ্যে রাত পৌনে ১২ টায় জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সন্ঞ্জয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে একদল চৌকস পুলিশ দলের অভিযানে  খুনের একমাত্র আসামী অমরজিৎ কে ফুলতলা ইউনিয়নে চুঙ্গাবাড়ী পাহাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
জুড়ী থানার ওসি সন্ঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, ঘটনার সাথে সাথে আসামী ভারত সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।আমরা দ্রুততার সহিত তাকে আটক করতে অভিযানে নেমে পড়ি ও অভিযান পরিচালনা করি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হই।বর্তমানে তাকে থানায় জিজ্ঞাসা করে ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা  চালানো হচ্ছে।
ঘটনা সুত্রে জানা যায়,সাগরনাল চা বাগানের বড় লাইনের বাসিন্দা শংকর পাশীর পুত্র মনা পাশী(২০) মঙ্গলবার ৩ নং সেকশনে গরু ছেড়ে দেয়।সেকশনের ভিতরে গরু চড়ানো নিষেধ এবং সেটা প্রতিহত করার জন্য ১ নং নতুনটিলা এলাকার শ্রীকুমার পানিকার পুত্র বাগানের পাহারাদার( বাঘাল) অমরজিৎ পানিকা (২২) গরু রাখাল মনা পাশী কে বাধা দেয় এবং গরু কেনো ছাড়লো বলে গালাগালি করে। এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হলে ততক্ষনাত কোন কিছু বোঝে এটার আগে পানিকার হাতে থাকা দারালো দা দিয়ে মনার গলায় বেশ কয়েকটি কুপ দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পথে মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন ২৭ মার্চ

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ আগামী ২৭ মার্চ ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যে ট্রেনটির উদ্বোধন করা হবে প্রধানমন্ত্রী তার নাম দিয়েছেন “মিতালী এক্সপ্রেস”। ভারতের আপত্তি না থাকলে এই নামটিই চূড়ান্ত হবে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ট্রেনটি উভয় দেশ থেকে সপ্তাহে দুই দিন করে চলাচল করবে।

বাংলাদেশ থেকে সোমবার এবং বৃহস্পতিবার ট্রেনটি যাত্রা করবে। অপরদিকে ভারত থেকে রবিবার ও বুধবার যাত্রার প্রস্তাব করা হয়েছে। রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তীর ৫০ বছরে আগামী ২৭ মার্চ বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করার কথা রয়েছে।

সুত্রে আরো জানা গেছে, প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি রুটে নতুন আন্ত:দেশীয় ‘মিতালি এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি ভারতীয় রেকে নিউ জলপাইগুড়ি হতে সপ্তাহে রবি ও বুধবার ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন হতে সোম ও বৃহস্পতিবার চলাচল করবে। মোট ৮টি যাত্রীবাহী কোচ থাকবে। এরমধ্যে ৪টি কেবিন কোচ ও ৪টি এসি চেয়ার। ট্রেনটি বাংলাদেশের নীলফামারীর চিলাহাটি হয়ে ভারতের হলদিবাড়ি রেলপথ দিয়ে চলাচল করবে। এতে নীলফামারীর চিলাহাটি স্টেশনের জন্য দুটো পৃথক কোচ বরাদ্দ থাকবে। সমগ্র উত্তরবঙ্গের মানুষ চিলাহাটি থেকে ট্রেনে উঠে নিউজলপাইগুড়ি যেতে পারবে এবং নিউজলপাইগুড়ি থেকে চিলাহাটি এসে নামতে পারবে।

এছাড়াও জানা যায়, ট্রেনটি ভারতের সময় দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার নিউজলপাইগুড়ি থেকে ছেড়ে হলদিবাড়ি পৌছঁবে দুপুর ১টা ১০ মিনিটে। এই ষ্টেশনে ৫ মিনিট বিরতী দিয়ে ১টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে আসবে। এরপর বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় ট্রেনটি বাংলাদেশের নীলফামারীর চিলাহাটি রেলষ্টেশনে ইন করবে।

এখানে ৩০ মিনিট বিরতি দিবে ট্রেনের কোচে পানি নেয়া ও ভারতীয় ইঞ্জিনটি কেটে দিয়ে বাংলাদেশের ইঞ্জিন সংযুক্ত ও চিলাহাটির যাত্রীর জন্য দুই কোচ কেটে রাখার জন্য। এরপর দুপুর আড়াইটায় ট্রেনটি চিলাহাটি থেকে ছেড়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলষ্টেশনে পৌছবে রাত সাড়ে ১০টায়। পথে আর কোথাও দাঁড়াবেনা। ফিরতি যাত্রায় বাংলাদেশ থেকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার ট্রেনটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলষ্টেশন থেকে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যাবে।

এরপর নীলফামারীর চিলাহাটি রেলষ্টেশনে ইন করবে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে। এখানে চিলাহাটির যাত্রীদের জন্য রাখা দুই কোচ সংযুক্ত করন, ট্রেনে পানি নেয়া এবং বাংলাদেশের ইঞ্জিন কেটে ভারতীয় ইঞ্জিন সংযুক্ত করে ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে ভারতের দিকে ছেড়ে যাবে। ভারতীয় সময় ভোর ৬টায় ট্রেনটি হলদিবাড়ি ইন করবে।

৫ মিনিট বিরতি দিয়ে ট্রেনটি হলদিবাড়ি থেকে ভোর ৬টা ৫ মিনিটে ছেড়ে নিউজলপাইগুড়ি পৌছবে সকাল ৭টা ৫ মিনিটে।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন জানান, করোনাকালিন মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন দুইটি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এবার ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে নতুন ট্রেন চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের ঢাকা ক্যান্টনম্যান্ট রেলষ্টেশন থেকে ২৭ মার্চ ট্রেনটির উদ্ধোধনের কথা রয়েছে।

রাণীশংকৈল পৌর সভায় পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান কার্যক্রম শুরু হয়েছে । বুধবার ২৪ (মার্চ) সকালে পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়।
এ সময় স্বাগত বক্তব্য দেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়াও এ অভিযানে অংশগ্রণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা, সাবেক সাংসদ  অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির , উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মহাদেব বসাকসহ দলীয় নেতাকর্মি, পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকর্তা -কর্মচারী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাগত বক্তব্যে পৌর মেয়র বলেন আজ থেকে পরিষ্কার পরিছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে এবং এটি চলমান থাকবে।

দেশে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশে চলমান মহামারী নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২৫ জন মারা গেছেন। ফলে এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৭৬৩ জনে। আর একই সময়ে নতুন করে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে আরো ৩ হাজার ৫৬৭ জনের শরীরে। ফলে দেশে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫ লাখ ৮০ হাজার ৮০৮ জন।

আজ বুধবার (২৪ মার্চ) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে  স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে গনধর্ষনের অভিযোগ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রেমিকসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে গনধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে অভিযুক্ত প্রধান আসামী প্রেমিকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। গেল শনিবার ২০ মার্চ রাত ১১টায় উপজেলার দেওড়াছড়া চা-বাগান ও প্রেমনগর চা বাগানে এ ঘটনাটি ঘটে।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়ারদৌস এর নির্দেশনায় শমসেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে এএসআই হামিদ, আনিছ ও সঙ্গীয়ফোর্সসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান চালিয়ে প্রেমিকসহ ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের দেওড়াছড়া চা বাগানের জব্বার মিয়া প্রকাশ খালিকের ছেলে জুবেল মিয়া (২২), একই এলাকার মায়া রঞ্জিত রিকমনের ছেলে বকুল রিকমন (২০) ও অমূল্য রিকমনের ছেলে শিপন রিকমন (২০)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীসুর্য্য হালাবাদী গ্রামের কিশোরী (১৬) তার প্রেমিকের সঙ্গে শমশেরনগর বাজারে দেখা করতে গেলে জোরপূর্বকভাবে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে প্রথমে দেওড়াছড়া চা-বাগানে শিপন রিকমনের বাসায় নিয়ে কিশোরীর প্রেমিকসহ তার বন্ধুরা মিলে পালাক্রমে গনধর্ষণ করে এবং পরে সেখান থেকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার প্রেমনগর চা-বাগান এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে আবারও পালাক্রমে গনধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে কিশোরিকে উপজেলার মুন্সীবাজার ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা কিশোরী পরিবারকে খবর দিলে সেখান থেকে উদ্বার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলার বাদী কিশোরীর বাবা নেছার মিয়া জানান, আমাদের পরিবারের অজান্তে আমার মেয়েটা বাড়ি থেকে ডেকে এনে শমশেরনগর এলাকা থেকে সিএনজি করে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ৬ মিলে ধর্ষন করা হয়। আমি এর জন্য সুষ্ট বিচার দাবী করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন জানান, ওই কিশোরীর সঙ্গে দেওড়াছড়া চা-বাগান এলাকার এক যুবকের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ ঘটনায় প্রেমিকসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে

মঙ্গলবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন কিশোরীর বাবা (কমলগঞ্জ থানার মামলা নং ১৫, তারিখ ২৩ মার্চ ২০২১)। আটক ৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আজ বুধবার সকালে মৌলভীবাজার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা বলেন, এ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কমলগঞ্জ থানায় ৬ জনকে আসামী করে একটি মামলা হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের আটক করার চেষ্টা চলছে। ধর্ষিতা কিশোরী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

সিলেট নগরীর হোটেল তিতাস থেকে ফের ১০ জন নারী পুরুষ আটক

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে আবাসিক হোটেলে নিশিকন্যাদের সাথে ফূর্তি করতে গিয়ে ১০জন ধরা পড়লেন পুলিশের হাতে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমায় হোটেল তিতাস থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার দায়ে ১০জন কে আটক করেছে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,এসআই মো:রোকনুজ্জামান চৌধুরী পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন রশিদ চত্বরে তিতাস হোটেলে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৩ জন মহিলা ও ৭ জন পুরুষ রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, আটককৃত মহিলা ও পুরুষ,  আসামীদের বিরুদ্ধে  আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

 

সাতক্ষীরায় নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে র‍্যাব-৬ এর জিরো টলারেন্স নীতিতে তল্লাশি অভিযান

সদরুল কাদির শাওন, সাতক্ষীরাঃ আগামী ২৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাতক্ষীরার শ্যামনগরের যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে আগমনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে সাতক্ষীরা র‌্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৬)।

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় সাতক্ষীরায় র‌্যাপিড এ্যাকশান বাটালিয়ন (র‌্যাব-৬) পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশেষ তল্লাশি ও টহল শুরু করা হয়েছে।

খুলনা র‌্যাব- ৬ এর সাতক্ষীরা অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী পরিচালক মোঃ জিয়াউল ইসলামের নেতৃত্বে সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টায় সাতক্ষীরা-শ্যামনগর সড়কের আলীপুর নামকস্থানে এ তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

র‌্যাব-৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মোঃ  জিয়াউল ইসলাম বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৭ মার্চ শ্যামনগরের যশোরেশ্বরী মন্দিরে পুজা দিতে আসছেন। এ জন্য তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে শ্যামনগরে তিনটি ও সাতক্ষীরা সদরে একটি টিম চব্বিশ ঘণ্টা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।

মঙ্গলবার বিকেলে ৪টায় সাতক্ষীরা আলীপুরে প্রতিটি গাড়িতে চেকিং করেন। এসময় র‌্যাবের এই তল্লাশি অভিযান কে স্বাগত জানিয়েছেন দৈনিক আঁলোর যাত্রা’র নির্বাহী সম্পাদক, সমাজ সেবক এবং মেহেদী সুপার মার্কেট ও আনোয়ার ট্রেডিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান রনি। তিনি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে র‌্যাবেকে নিজের ব্যবহৃত প্রাইভেট কার তল্লাশির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেন।

এসময় তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আইজিপিসহ প্রসাশনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাদের দ্বারা জিরো টলারেন্স নীতিতে পরিচালিত তল্লাশি অভিযান খুবই ফলপ্রসূ। র‌্যাব- ৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মোঃ জিয়াউল ইসলাম তাদের অভিযানে প্রমান করে দিয়েছেন আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। সাংবাদিক, রাজনৈতিক বা আমলা সবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কে সহযোগিতা করা উচিত। এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। এবং সাতক্ষীরার সর্বস্তরের জনগণের র‌্যাব বা অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

তিনি আরও বলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কে কেন্দ্র করে এই জেলাতে কোন অপশক্তি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য র‌্যাব- ৬ এর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) মোঃ জিয়াউল ইসলাম কে অনুরোধ জানান। এবং সাতক্ষীরার সুশীল সমাজ ও নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।