সিলেট তামাবিল মহাসড়কে ফয়সল বাহিনীর টোকেন বাণিজ্য

মো.আমিন আহমেদ, সিলেটঃ নতুন সড়ক পরিবহন আইনের পর অনেকেই ভেবেছিলেন ফয়সলের টোকেন বিক্রি বন্ধ হতে পারে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন নম্বরবিহীন সিএনজি বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু টোকেন ফয়সল এসপির নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। সিলেট জেলার জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও তামাবিল মহাসড়কে প্রায় তিন হাজার অবৈধ রেজিস্ট্রেশন বিহীন (নম্বরবিহীন) সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ফয়সলের বিশেষ টোকেনের মাধ্যমে দেদারছে চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে প্রশাসনের অভিযানে দু’চারটি নম্বরবিহীন অটোরিক্সা আটক হলেও অদৃশ্য কারণে অভিযানগুলো থেমে যায়! ফলে এই তিন সড়কে নম্বরবিহীন অটোরিক্সা চলাচলে বাধা থাকছে না কোথাও।

সরেজমিন অনুসন্ধান নামে অনুসন্ধানী টিম। উঠে আসে সিলেটের জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও শাহপরান উপজেলার ৪ সড়কের টোকেন বাণিজ্যের প্রদান ফয়সলসহ টোকেন সিন্ডিকেটের কয়েকজনের নাম।

জানা গেছে, এই চার সড়কে রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিক্সার সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশী। আর অবৈধ গাড়িগুলো চলছে বিশেষ টোকেন’র মাধ্যমে। টোকেন বাণিজ্য করে মাসে লাখ লাখ ও বছরে কোটি টাকারও বেশি হাতিয়ে নিচ্ছে টোকেন ফয়সল সিন্ডিকেট। অবৈধ এই কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে এ্যাকশন নিতে সাহস যেন কারই নেই!

টোকেন সিন্ডিকেট প্রদান ফয়সল উরফে টোকেন ফয়সল নামে ব্যাপক পরিচিতি। টোকেন ফয়সল সিলেট জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন ৭০৭ শাখার অন্তর্ভুক্ত সারীঘাট সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক। এই টোকেন ফয়সলের চক্রের ইশারায় ওই চার সড়কে দীর্ঘদিন দিন থেকে চলছে নম্বরবিহীন অটোরিক্সা। পরিচিতি শুধু টোকেন। তবে, টোকেন এর বিষয়টি স্বীকার করেছেন ফয়সল।

জানা যায়, এই সড়কগুলোতে রেজিস্টেশনবিহীন অটোরিক্সা চলতে প্রতিটি সিএনজি অটোরিক্সাকে প্রতি মাসে কিনতে হয় ৫শ’ থেকে ১৫শ’ টাকার টোকেন। আদায়কৃত এই চাঁদা থেকে নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশনবিহীন অবৈধ সিএনজি অটোরিক্সা চলাচলের জন্য বিআরটিএ এবং প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করা হয়ে থাকে বলে বিশ্বস্থ একটি সূত্র তা নিশ্চিত করেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধান ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টোকেন বাণিজ্যের মূলহোতা ফয়সল ও তার গড়ে তোলা সিন্ডিকেটের কয়েকজন মিলে তাদের বড় একটি সিন্ডিকেট। এই তিন উপজেলার সব ক’টি সড়কের নিয়ন্ত্রকরা রেজিস্টেশনবিহীন সিএনজি অটোরিক্সা (অনটেষ্ট) গাড়িতে টোকেন লাগিয়ে দিলে সেটি চলাচলের জন্য বৈধ হয়ে যায়! সিএনজি অটোরিক্সা তাদের মাধ্যমে চলাচলে প্রথমে এককালীন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সিএনজি অটোরিক্সার জন্য একটি টোকেন বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই টোকেন অটোরিক্সার সামনের গ্লাসে লাগিয়ে দিলে গাড়িগুলো সড়কে চলতে আর কোনো অসুবিধা থাকেনা। এই উপজেলাগুলোতে এমন অটোরিক্সার সংখ্যা প্রায় তিন হাজার যা অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে নতুন সিএনজি চালিত অটোরিক্সার নিবন্ধন বন্ধ থাকায় এই চার উপজেলার সব সড়কের নম্বরবিহীন অটোরিক্সা চলাচলের জন্য টোকেন বাণিজ্য গড়ে তুলেন টোকন ফয়সল ও তার বাহিনী। শুধু তাই নয় টোকন ফয়সল দাবী করেন সিলেটের প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের সব সেক্টরে টোকেন বাণিজ্য করে আদায়কৃত টাকার ভাগ দিয়েই টুকেন ব্যবসার অনুমতি নিয়েছে সে। তাই তার দেয়া পরিচিতি টোকেন নিতে পারলেই জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট রোডে অবৈধ নম্বরবিহীন অটোরিক্সা চলতে বাধা থাকেনা। অন্যথায় কেউই রেজিস্ট্রেশনবিহীন সিএনজি অটোরিক্সা চালাতে পারেবে না বলে জানায় কয়েকজন চালক।

এদিকে, থানা পুলিশের সাথে এব্যাপারে কথা হলে তারা টোকেন বাণিজ্যের বিষয়টি জানেন না বলে সাফ জানিয়েছেন তারা।

তবে দেখা গেলো টোকেন ফয়সল ও তার বাহিনীর টোকেনের বাস্তব শক্তি। অনুসন্ধান থেকে ফেরার পথে শাহপরান (রহ.) থানাধীন সদর-জৈন্তিয়া সীমান্তে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলের সামনে পুলিশ সিগনাল দেখে এখানে ঘন্টা খানেক থেমে যায় অনুসন্ধানি টিম। ঘন্টাব্যাপী দেখা যায়, একের পর এক নম্বরবিহীন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা সিলেট সদর উপজেলাধীন ‘পীরের বাজার ও সুরমা গেইট’ সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নিতে আসা অটোরিক্সাগুলো পুলিশ সিগনালে পড়ে। কিন্তু সিএনজিতে থাকা যাত্রীদের তল্লাসী করে অবৈধ গাড়িগুলোর বৈধ কাগজপত্র যাচাই করা তো দুরের কথা চালককে একবার জিজ্ঞাসাও করছেন না পুলিশ সদস্যরা। শুধু সাইড করে যাচাই করা হচ্ছে বৈধ গাড়ির কাগজপত্র! ছাড় পাচ্ছে টোকন ফয়সলের টোকেন’র গাড়িগুলো! এব্যাপারে কথা বলতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই পুলিশ চলে যায়।

অন্যদিকে, বৈধ সিএনজি চালক সমিতির নেতৃবৃন্দরা জানান, বিআরটিএ ও প্রসাশনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে সক্ষতা থাকায় এই টোকেন বাণিজ্যের হোতাদের অবৈধ এ বাণিজ্য আজো বন্ধ হচ্ছে না। আর এই সব রেজিস্ট্রেশন বিহীন (অনটেস্ট) সিএনজি অটোরিক্সার টোকেন ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য করে নিজেরা কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের প্রয়াত তিন সদস্যের স্মরনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সদ্য প্রয়াত ৩ সদস্যের স্মরনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অতি সম্প্রতি নওগাঁ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ শাহজাহান আলী, সাবেক সহ-সভাপতি বিশ্বনাথ দাস এবং সদস্য হাফিজুর রহমানের স্মরনে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এ স্মরনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার মনি।

এই তিন সদস্যদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবন তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাবেক সভাপতি মোঃ নবির উদ্দিন, সাবেক সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন, সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক সুমন, সাবেক সাধারন সম্পাদক ফরিদুল করিম তরফদার, মোঃ সাদেকুল ইসলাম, এ এস এম রায়হান আলম, বেলায়েত হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন মুরাদ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মীর মোশাররফ হোসেন জুয়েল, আদমদীঘি উপজেলা প্রেসক্লাবের
সভাপতি মাহমুদ হোসেন ভোলা, অবজারভার প্রতিনিধি ওবায়দুল হক, প্রয়াত শাহজাহান আলীর ছোট ভাই আলমগীর হোসেন এবং বিশ্বনাথ দাসের পুত্র সুবির কুমার দাস ।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শফিক ছোটন।

 

৮৮ বছর বয়সী বাদাম বিক্রেতাকে নলকূপ দিলেন ইউএনও

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ড মধ্য ভান্ডারা গ্রামের আব্দুল মজিদ নামে ৮৮ বছর বয়সী এক বাদাম বিক্রেতা বৃদ্ধের বাড়িতে নলকূপ  দিলেন ইউএনও ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের নির্দেশে গত ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সহকারি কমিশনার ভুমি প্রীতম সাহা নিজেই গিয়ে মিস্ত্রি লাগিয়ে নলকূপটি স্থাপন করিয়ে নেন ।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় পৌরশহরের মধ্য ভান্ডারা গ্রামের  মৃত বিরোজ আলী আকন্দ’র ছেলে আব্দুল মজিদ নামে এই বৃদ্ধের দুই ছেলে এবং এক মেয়ে কিন্তু এই শেষ বয়সেও মজিদ ও তার স্ত্রী সালেহার ভরণ পোষনের দায়িত্ব নেননি সন্তানেরা। বাড়ি বসতের জমিটুকুও ফুসলিয়ে ৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে তাঁর ছেলেরা টাকা হাতিয়ে নেয়। অসহায় হয়ে বৃদ্ধ বাবা অন্যের জমিতে ছোট একটি টিনের বেড়ার ঘরে বসবাস করে। এবং জমির বাৎসরিক ভাড়া বাবদ প্রতি বছর দিতে হয় ২ হাজার টাকা।
আর জীবন জীবিকার জন্য এই বয়সেও বাদাম বিক্রি করে স্বামী- স্ত্রীর  সংসার চলে কোনমতে। সারা দিন বাদাম বিক্রি করে সন্ধ্যায় বাজার করে নিয়ে আসে আব্দুল মজিদ। স্বামী স্ত্রীর দু’জন মিলে তাদের সংসার ।
এ বিষয়ে আব্দুল মজিদের স্ত্রী সাহেলা জানান আমার স্বামী সারাদিন বাদাম বিক্রি করে সন্ধ্যায় যে টাকা রোজগার হয় তাই দিয়ে চলে আমাদের সংসার দেখার মত নেই কেউ। ছিল দুটি সন্তান তারাও আজ আমাদের কাছ থেকে দূরে রয়েছে। আমাদের নিজস্ব কোন বাড়ি বসত নেই, আমরা ভূমিহীন। যেটা ছিল ছেলে সন্তানেরা বিক্রি করে চলে গেছে ।
এ দিকে আব্দুল মজিদ মুচকি হেসে বলেন আমি যে ভাবে আছি অনেক সুখে আছি । আমার প্রায় ৫ মাস ধরে টিউবওয়েল ছিল না পানির অভাবে অনেক কষ্টে চলতাম।  মাস খানেক আগে  ছাত্রলীগ নেতা আমার খুর পরিচিত তামিম হোসেনকে নলকূপের ঘটনাটি জানালে সে আমাকে  ইউএনও স্যারের কাছে নিয়ে যায়।
স্যার আমার দুঃখ অনুভব করে আজ এসিল্যান্ড স্যারকে দিয়ে টিবওয়েল পাঠিয়ে দেয়। এবং তিনি নিজেই উপস্থিত থেকে সেটি বসিয়ে দেন।
এ ব্যাপারে  আব্দুল মজিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি আবাও মুচকি হেসে বলেন ইউএনও স্যারকে ধন্যবাদ, আল্লাহ ওনার ভালো করুক।

সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস চিরনিদ্রায় শায়িত

সিএনবিডি ডেস্কঃ নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস মারা গেছেন। (ইন্না…..রাজিউন)। ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় বাড়ির পার্শ্ববর্তী মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ কাসিম আলী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও লাখো মানুষের উপস্থিতি ছিল তিনবারের এই সংসদ সদস্যের জানাজায়।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী জুলহাস আহমদ বলেন, তাকে ৭ মার্চ (রোববার) রাতে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন তিনি। বিকালে তার ফলাফল পজিটিভ আসে। এরপর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান কয়েস।

জানা যায়, ১০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে টিকা নেন এ সংসদ সদস্য। তারপর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিল না। তবে গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি অসুস্থতা বোধ করতে থাকেন। এরপর ৭ মার্চ সিলেট থেকে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি হন কয়েস।

করোনা সংক্রমণের শুরুতে নিজ সংসদীয় এলাকার মানুষজনকে সহযোগিতা করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিলেন কয়েস।
মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসন থেকে প্রথমবারের মত সংসদ নির্বাচিত হন। এরপর দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেন তিনি।

তিনি সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

 

নীলফামারীতে মিডিয়া প্রতিনিধিদের সাথে মত বিনিময় সভা

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ আমার বাজার লিমিটেডের সৈয়দপুর কার্যালয়ে স্থানীয় মিডিয়া প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সৈয়দপুরস্থ আমারবাজার লিমিটেডের কার্যালয়ে এই মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

স্থানীয় মিডিয়া প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই মত বিনিময় সভা, সৈয়দ পুরের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং আরিফ সোহেলের সঞ্চালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন আমারবাজার লিমিটেডের জিএম গোলাম রব্বানি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদুর রহমান, সুলতান আহমেদ পল্টু, আরিফ সোহেল ও আইন পরামর্শক মো. সাইফুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাকির হোসেন বাদল, জিয়াউর রহমান, খন্দকার সোহেল আহমেদ। এ ছাড়া বিপুল সংখ্যক স্থানীয় সাংবাদিক এই মত বিনিময় সভায় উপস্থিত থেকে প্রশ্নউত্তর পর্বে অংশগ্রহণ  করেছেন।

লিখিত বক্তব্যে আল আমিন বলেন, অনলাইনভিত্তিক ই-কমার্স প্লাটফর্ম প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে। ই-কমার্স এখন মানুষের বিশ্বব্যাপী সময়ের দাবি। অনেক প্রতিষ্ঠানই বিশ্বাসের সাথে বাজারে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আকাশসম। ঠিক এমন মিশ্র পরিস্থিতিতে আমারবাজার লিমিটেড এবিএল যাত্রা শুরু করেছে। এই প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু  ৪ মে ২০১৭। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমার বাজার লিমিটেড ৪ বছরে পা দিয়েছে।

 

এমপি ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবু কাউছার

মোঃ খোরশেদ আলম, মুরাদনগর, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ মুরাদনগর উপজেলার ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন যুবসমাজের আইকন, উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের অহংকার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, বাংগরা বাজার থানার ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সফল  সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু কাউছার।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ আবু কাউছার বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি।

তিনি বলেন,এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজনগ্রহণযোগ্য। মোঃ আবু কাউছার বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে,মোঃ আবু কাউছার একজন সৎ, নিষ্ঠাবান যুবনেতা। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।মোঃ আবু কাউছার ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন।বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি। নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

মোঃ আবু কাউছার বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস,বাল্যবিবাহ এবং মাদক,চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

বিপুল পরিমাণ চোরাই ও ভেজাল চা-পাতা উদ্ধার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টায় শ্রীমঙ্গলের ৪নং সিন্দুরখান ইউপির সিক্কা গ্রামের বাসিন্দা আঃ রহিম মিয়া (৫৫),আব্দুর নুর মিয়া (৬০)সম্পর্কে আপন ভাই তাদের পিতা-মৃত বারেক মিয়া এবং আব্দুল মজিদ মিয়া (৫০) যোগসাজশে একত্রে এ চোরাই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।

আসামীদ্বয় সিক্কা গ্রামের বাসিন্দা। মৃত-বারেক মিয়ার বসত বাড়িতে বিপুল পরিমাণ চোরাই চা-পাতা মজুদ রয়েছে তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল চা-পাতা উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রের তথ্যে পাওয়া যায় চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল চা পাতা বানিয়ে বিক্রি করে যাচ্ছে,তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নেই এলাকাবাসীর।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ কারবারিরা দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তখন আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আব্দুর রহিম মিয়ার বসত ঘর তল্লাশী করে ৪০ বস্তা গ্রীন টি এর গুড়া মিশ্রিত চা পাতা, নুর মিয়ার বসত ঘর তল্লাশী করিয়া ৩৫ বস্তা গ্রীণ টি এর গুড়া মিশ্রিত চা পাতা ও আব্দুল মজিদ মিয়ার বসত ঘর তল্লাশী করে ১২ বস্তা বালু মিশ্রিত ডাস্ট এবং সিডা এর মাধ্যমে তৈরীকৃত চা পাতা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অবৈধ ভেজাল চা পাতা কারবারিরা শ্রীমঙ্গল থানাধীন বিভিন্ন চা বাগান হতে চা পাতা ,শুকনো চা পাতা ও অন্যান্য গাছের পাতা সংগ্রহ করে তাদের নিজেদের প্রযুক্তির মাধ্যমে শুকিয়ে ঢেকি ও অন্যান্য যন্ত্রপাতির মাধ্যমে অভিনব কায়দায় গুড়া করে কেমিক্যাল জাতীয় অন্যান্য দ্রব্যাদি মিশ্রন করে ভেজাল চা পাতা প্রস্তুত করে  বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে যাচ্ছিলো।এ ছাড়া ও বিক্রয়ের উদ্দ্যেশে আটক কৃত বিপুল পরিমাণ ভেজাল চা পাতা মজুদ রাখা অবস্থায়  উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আন্দুছ ছালিক বলেন,ভেজাল কারবারিদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অভিযানে চৌকস তদন্ত অছি হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে এসআই আল আমিন, এসআই আলমগীর,এস আই জাকির,এএসআই নজরুল ইসlলামসহ পুলিশের একটি টিম এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

মিয়ানমার পুলিশের নির্বিচার গুলিতে নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারে আজ বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) জান্তা সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর (পুলিশ) গুলিতে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এমন খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কৌশল ব্যবহার করছে সেনাবাহিনী।

মিয়াইং শহরে একটি বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছুঁড়লে অন্তত ৬ জন নিহত হয়। বিক্ষোভ অংশ নিয়েছেন এবং হাসপাতালে মৃতদেহ নিয়ে গেছেন এমন একজন ব্যক্তি টেলিফোনে রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন।

টেলিফোনে রয়টার্সকে ৩১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলাম। তারা এমনটা করবে আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। একজন স্বাস্থ্যকর্মী ও ৬ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন ওই ব্যক্তি।

এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় শহর ইয়াঙ্গুনের উত্তর দাগোনে একজন নিহত হয়েছে।

ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে, একজন ব্যক্তি আঘাতের চিহ্ন নিয়ে রাস্তায় পড়ে রয়েছেন। তার ক্ষত থেকে রক্ত বের হচ্ছে।

অ্যাডভোকেসি গ্রুপ দ্য অ্যাসিস্টেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার এর আগে জানিয়েছিল যে, গত ১ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। আর প্রায় ২ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে।ওইদিন সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এ সময় দেশটির ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করে সেনা সরকার। তবে সু চির ‍মুক্তির দাবিতে মিয়ানমারে প্রায় দেড় মাস ধরে বিক্ষোভ চলছে।

সুত্রঃ রয়টার্স, গ্লোবাল নিউজ। 

দেবিদ্বারে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে ১৫ যাত্রী আহত

শাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, দেবিদ্বার, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বারে তিশা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে বাসে থাকা প্রায় ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) ভোরে দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ফাইটারম্যান মো. মাইনুদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা তিশা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করেছি। গুরুতর আহত যাত্রীদের চিকিৎসার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ পাঠানো হয়েছে।

মিরপুর হাইওয়ে ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি কুরি জানান, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা কোম্পানীগঞ্জের দিকে যাওয়া তিশা পরিবহনের একটি বাস ভোর ৪টার দিকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় চালকসহ অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস খেকে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে গুরতর আহত ৫ জনকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিরা দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে যান বাহন চলাচল সচল করা হয়েছে।

 

৫ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন, কাভার্ডভ্যান সহ আটক ২

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমংগল উপজেলা নিষিদ্ধ পলিথিন বহনের অভিযোগে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ ঘটনায় একটি কার্ভাড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন কাভার্ড ভ্যান চালক আলী হোসেন ও মোঃ সোহেল ব্যাপারী।

মৌলভীবাজার গোয়েন্দা পুলিশ অফিসার ইনচার্জ সুধীর চন্দ্র দাস জানান,বুধবার সকাল ৭ বেজে ৫মিনিট তখন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমংগল উপজেলার ভৈরবগঞ্জ বাজারস্থ শুকরিয়া কেভি রেসুরেন্টের সামনে কাভার্ড ভ্যানের গতিরোধ  করে আটক করে তল্লাশি চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় কাভার্ড ভ্যানে তল্লাসি করে ১,৬৭৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ আড়াই হাজার টাকা।

তিনি জানান, এসময় কাভার্ডভ্যান চালক ও সুপার ভাইজারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার  গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে মামলার উপপরিদর্শক রকি বড়ুয়া বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনগুলো সিলেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হয়েছিল। ২ জন আসামি জিজ্ঞাসাবাদের জানা গেছে, তাদের পূর্ন ঠিকানা মোঃ সোহেল ব্যাপারী(২৩) মাদারীপুরের বাসিন্দা কিন্তু বর্তমানে শহীদ নগর, বউ বাজার নোয়াখালী থাকেন, অপর আসামী আলী হোসেন(৪৫) ভাষানচর, শরীয়তপুর। আর আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।