সিলেটের জাফলংয়ে মুক্তিযোদ্ধা’র সন্তান হত্যা মামলার ৫ আসামি কারাগারে

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট : সিলেটের জাফলংয়ে মুক্তিযোদ্ধা’র সন্তান শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার ৫ আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গেল রোববার সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আসামিরা হচ্ছেন- জাফলং নয়াবস্তি গ্রামের ইনসান আলীর ছেলে রেজওয়ান আহমদ এবং তার সহযোগী ইসহাক মিয়া, শাহীন মিয়া, সুমন মিয়া ও রিয়াজ মিয়া। আসামি রেজওয়ান আহমদের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।
নিহত শফিকুল ইসলাম পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের লাবু গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম আলীর ছেলে। তিনি পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৮ জানুয়ারি রাতে জাফলংয়ের নয়াবস্তি এলাকায় পিয়াইন নদীর মধ্যবর্তী স্থানে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শফিকুল ইসলামকে কুপিয়ে খুন করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনার দুই দিন পর তার লাশ মিলে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নয়াবস্তি গ্রামের আলীম উদ্দিন, রেজওয়ান সহ ১০ জন মিলে তাকে খুন করে।
ঘটনার পরদিন নিহতের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম আলী বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় আলীম উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার পর স্বপন বাগতি ও অমুল্য বাগতি নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, ৫ আসামি উচ্চ আদালতের জামিনে ছিলো। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রোববার রেজওয়ান, শাহীন, রিয়াজ, ইসহাক, সুমন জেলা জজ আদালতে হাজির হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

স্ত্রীকে ইনজেকশন পুশ করে হত্যা, ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটে সুফিয়া বেগম (২২) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে নিহতের স্বামী আয়নুল হককে আটক করেছে পুলিশ।

আয়নুল নগরের বাগবাড়ি এলাকার মাসুক মিয়ার ছেলে। আর নিহত সুফিয়া বেগম বিমানবন্দর থানা এলাকার খাদিম চা বাগানের ( মিত্রিঙ্গা লাইন বরইতলা) মৃত হারুন মিয়ার মেয়ে।

রবিবার (৭ মার্চ) সকালে গৃহবধূ সুফিয়াকে অসুস্থ অবস্থায় তার পরিবারের লোকজন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রায় ৭ মাস আগে আয়নুলের সাথে সুফিয়া বেগমের বিয়ে হয়। এরপর থেকে তাদের প্রায়ই ঝগড়া হত। এমনকি বিবাদের জেরে আয়নুল তাকে মারধর করতেন। শনিবার (৬ মার্চ) আয়নুল তার স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। ওইদিন রাতে আয়নুল তার স্ত্রী সুফিয়া বেগমের হাতে একটি ইনজেকশন পুশ করে। ওই সময় নিহত সুফিয়া বেগমের বোন ইনজেশন পুশ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে আয়নুল জানায় শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে ইনজেশন দেয়া হয়েছে।

পরদিন রবিবার (৭ মার্চ) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে সুফিয়া বেগম হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওসামী হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এ ব্যাপারে সিলেট বিমানবন্দর থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জাকির বলেন, গৃহবধূ সুফিয়া বেগমকে ইনজেশকন পুশ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী আয়নুলকে আটক করেছে। হাসপাতালে নেয়ার আগেই গৃহবধূ সুফিয়ার মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

 

গোয়াইনঘাটে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে ৭ই মার্চ উদযাপন

মো.আমিন আহমেদঃ গোয়াইনঘাটে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথমেই সকাল ১০টায় শুরু হওয়া ম্যারাথন প্রতিযোগিতা শেষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ৷

পরবর্তীতে দুপুর ১২ ঘটিকার সময় স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে মুক্তির মঞ্চে ৭ মার্চের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা সভায় গোয়াইনঘাট উপজেলার নির্বাহী অফিসার তাহমিলুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইব্রাহীম, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমান লেবু, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া হেলাল, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আব্দুল হক, যুবলীগের আহবায়ক ফাস্বেরুক আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ছয়ফুল আলম আবুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মতিন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ৷

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি)  মো. নির্ঝর, গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আসলম, যুগ্ম সম্পাদক মাস্টার ইসমাইল আলী, সুভাস চন্দ্র পাল ছানা, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান, ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান চৌধুরী, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহাব উদ্দিন, আহমেদ মোস্তাকীম, সদস্য গোলাম কিবরিয়া রাসেল, বিধান চন্দ্র, নূরুল মোমিন জাহেদ, মুজিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম রব্বানী সুমনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

জৈন্তাপুরে টিলা কেটে মসজিদ ধ্বংসের পাঁয়তারা

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় টিলা কেটে মসজিদ ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রী মহল। পূর্ব শত্রুতার জের ও প্রতিহিংষা পরায়ন হয়ে মসজিদ সংলগ্ন ভূমি থেকে মাটি কেটে নেয়ার অভিযোগ করেছেন মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহিম। ঘটনাটি উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের উত্তর বাঘেরখাল গ্রামে।

রবিবার (৭ই মার্চ) ফতেপুর ইউনিয়নের উত্তর বাঘেরখাল পূর্ব জামে মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের পক্ষে কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফজলুর রহিম মসজিদ রক্ষার দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন প্রদান করেছেন।

সাধারণ সম্পাদকের আবেদন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জৈন্তাপুর উপজেলার উত্তর বাঘেরখাল পূর্ব জামে মসজিদটি প্রায় ষাট বছরের পুরনো। সম্প্রতি টিলার ওপর মসজিদটি সংস্কার করে ১ম তলার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। মসজিদ সংস্কারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ অনুদান প্রদান করেন। মসজিদ সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর গত পহেলা মার্চ তারিখে বিকেলে মসজিদের নিকটবর্তী ভূমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম উক্ত মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের টিলায় এস্কেভেটর মেশিন দ্বারা ২০/২৫ ফুট গভীর মাটি খনন শুরু করেন।

ফজলুর রহিম জানান, মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের সাথে পূর্ব শত্রুতার জেরে এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে জাহাঙ্গীর আলম এস্কেভেটর দিয়ে মাটি খনন শুরু করেন। মসজিদ সংলগ্ন ভূমিতে মাটি খননের ফলে বর্ষা মৌসুমে মাটি ধসে  মসজিদটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। এই আশংকায় আমি ও কমিটির লোকজন মাটি খননে বাধা প্রদান করি। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম আমাদের গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় উক্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তারা মসজিদ কমিটি থেকে বেরিয়ে একই গ্রামে প্রায় পাঁচশ মিটার দূরে অন্য আরেকটি মসজিদ নির্মাণ করেন। এর পর থেকে জাহাঙ্গীর আলম উত্তর বাঘেরখাল পূর্ব জামে মসজিদ নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তারা পুরাতন মসজিদের উন্নয়নের জন্য সৌদি আরবে আদায়কৃত চাঁদা দিয়ে নতুন মসজিদ তৈরী করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় মুসল্লিরা জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলমদের ষড়যন্ত্রে উক্ত মসজিদে চলাচলে রাস্তার উন্নয়ন কাজ বারবার ব্যহত হয়েছে। সর্বশেষ, স্থানীয় মুরুব্বি ও মসজিদ কমিটির বাধা উপেক্ষা করে মসজিদ সংলগ্ন ভূমির মাটি এস্কেভেটর দিয়ে খনন করে মসজিদটি ধ্বংস করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, একতলা বিশিষ্ট উত্তর বাঘেরখাল পূর্ব জামে মসজিদটি টিলার উপর অবস্থিত। মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম সংলগ্ন জমির মালিক জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবার। ঐ জমি মসজিদের ভূমি লেভেল থেকে প্রায় ১৫ ফুট নিচু। এ অবস্থায় এস্কেভেটর দিয়ে আরো ৮/১০ ফুট খনন করা হয়েছে। মসজিদের ভূমির সীমানা ঘেষে মাটি খননের ফলে বৃষ্টিতে মাটি ধসে মসজিদটি ভেঙ্গে পড়তে পারে।মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহিম সহ মুসল্লিরা মসজিদটি রক্ষায় সকলের সহযোগীতা কামনা করে প্রশাসনের প্রতি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।

ঐতিহাসিক ৭ই মাচ উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ আত্রাই থানা আনন্দ উদযাপন

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চুড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তি জাতির জন্য এক মাহেন্দ্রক্ষনে ও দুর্দান্ত অর্জন। বাংলাদেশ পুলিশ এই মাইল ফলক উদযাপন করবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহম্মেদ বিপিএম(বার)।

এরই ধারা বাহিকতায় (৭ মার্চ) রোববার বিকাল ৩টায় সারাদেশের ন্যায় নওগাঁর আত্রাই থানা পুলিশ আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়ন শীল দেশে উত্তোরণে জাতি সংঘের চুড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে আনন্দ উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সাকেল নওগাঁ মোঃ আবু সাঈদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আত্রাই উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলাম।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল, সাধারন সম্পাদক ও আহসানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আক্কাছ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল,উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী জুয়েল,কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক নাজমূল হক নাদিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, পাঁচুপুর ইউপি চেয়ারম্যান আফছার আলী প্রামানিক, সাহাগোলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল
ইসলাম বাবু, ভোঁপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জানবক্স, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি একেএম কামাল উদ্দিন টগর, আত্রাই মোল্লা আজাদ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ অধ্যক্ষ মাহবুব আলম দুলু প্রমূখ।

প্রধান অতিথি বলেন,‘গত ২৬ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চুড়ান্ত সুপারিশের ঘোষনা দেয় জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি(ইউএনসিডিপি) স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি এবং জাতির পিতার জন্মশত বার্ষিকীতে বাংলাদেশের এ অর্জন এক ঐতিহাসিক মাইল ফলক।’

তিনি আরো বলেন,‘প্রধানমন্ত্রীর যোগ্য নেতৃত্বে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাতের সন্মিলিত প্রয়াসের ফল আমাদের এ অর্জন। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ এদেশের ১৮ কোটি মানুষকে এ ঐতিহাসিক অর্জনের জন্য সাধুবাদ জানাই। আজ এ ঐতিহাসিক অর্জনকে আত্রাইবাসী তথা দেশবাসীর সাথে সন্মিলিতভাবে দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি  (কোভিড-১৯) মেনে উদযাপন করতে পেরে বাংলাদেশ পুলিশ আত্রাই থানার পক্ষথেকে আত্রাই বাসীর নিকট কৃতজ্ঞ প্রকাশ করছি।

অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন তদন্ত ওসি আত্রাই থানা মোঃ মোজাম্মেল হক কাজী।

উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে আনন্দ উদযাপন করল সিলেট জেলা পুলিশ

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি : ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তি উপলক্ষ্যে আনন্দ উদযাপন করল সিলেট জেলা পুলিশ।

বাংলাদেশ পুলিশের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (৭ মার্চ) বিকাল তিনটায় পুলিশ লাইনস্থ শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এসপি শামছুল হক মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন- সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম। ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান পিপিএম এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন অতিরিক্ত ডিআইজি গিয়াস উদ্দিন পিপিএম, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. নাসির উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, বীর মুক্তিযাদ্ধা শুভ্রত চৌধুরী জুয়েল, সিলেট জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আল আজাদ, অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি মুহিত চৌধুরী।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণসহ ডিআইজি রেঞ্জ কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নুরুল ইসলাম, শাহীনুল আলম খান, জেদান আল মুসা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি পুলিশ লাইনে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় জেলা পুলিশের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১০ ই জানুয়ারি সর্বপ্রথম রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করতে গিয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। জন নিরাপত্তা ও জনকল্যান নিশ্চিত করতে পুলিশের সকল স্থরে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা সমুহ অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

বঙ্গবন্ধুুুর ৭ ই মার্চ এর ভাষনের গুরত্ব নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম

এলডিসি থেকে উন্নয়নশীলদেশে উত্তরণে দেবিদ্বারে আনন্দ উদযাপন

শাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া (দেবিদ্বার,কুমিল্লা প্রতিনিধি) : বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তি ও ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটিতে আনন্দ উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (৭ মার্চ) বিকালে দেবিদ্বার থানা পুলিশের আয়োজনে আনন্দ উদযাপনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন-উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. আবুল কাশেম ওমানী। এর আগে দেবিদ্বার-বিপাড়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুল্লাহ’র সভাপতিত্বে আনন্দ উদযাপনের কেট কাটেন অতিথিবৃন্দ।উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মেজবাহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাজমা বেগম, জেলা পরিষদ সদস্য মোসা.শিরিন সুলতানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক জিএস আবদুল মান্নান মোল্লা,বরকামতা ইউপি চেয়াম্যান মো. নুরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মো. ইকবাল হোসেন রুবেল, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. বিল্লাল হোসেন, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী মানিক চক্রবর্তী। দেবিদ্বার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মো.ইকতিয়ার মিয়ার পরিচালনায় বক্তারা বলেন,‘২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে। দারিদ্র্য অনেক কমেছে, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (ইউএন সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত ঘোষণা দেয়। স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বাংলাদেশের এ অর্জন এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আনন্দ উদযাপনে পুলিশ সদস্য ছাড়া স্থানীয় জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পুলিশ প্রথমবারের মতো দেশের ৬৬০টি থানায় এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করেছে।

 

২৮ কেজি গাঁজা ৫২ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক ২

তিমির বনিক,মৌলভীবাজারঃ হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ২৮ কেজি গাঁজা ও ৫২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। এসময় মাদক বিক্রির ১১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলো- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের উত্তর লামুয়া গ্রামের মো. বাহার মিয়ার ছেলে মো. জালাল মিয়া (৩২) এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বেজোড়া এলাকার মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে মো. জাকির হোসেন।

রোববার (৭ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প) সংশ্লিষ্টরা এ তথ্য জানান।

এর আগে শনিবার (৬ মার্চ) রাত ৯ টায় পৃথক অভিযানে মাধবপুরের ৭ নং জগদীশপুর ইউপির মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের সামনে থেকে ২৮ কেজি গাঁজা এবং মাধবপুরে পানসী রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে ৫২ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক বিক্রির ১১ হাজার টাকাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে, মাদকসহ আটকের ঘটনায় র‍্যাব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে আলামতসহ আসামিদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস

সিএনবিডি ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ। পৃথিবীর সব নারীর অধিকার রক্ষায় ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেয় এবং তা যথাযথভাবে পালনের জন্য পৃথিবীর সব রাষ্ট্রকে আহ্বান জানানো হয়। প্রতি বছর সারা বিশ্বে ৮ মার্চ একটি স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য নিয়ে পালিত হয়ে আসছে। কোনো কোনো দেশে দিনটি সরকারি ছুটি হিসেবেও পালিত হয়। যেমন- রাশিয়া, কিউবা, ভিয়েতনাম, ইউক্রেনসহ বেশ কয়েকটি দেশ। আবার চীন, মেসিডোনিয়া, নেপাল ও মাদাগাস্কারসহ অনেক দেশে এ দিনটিতে কেবল নারীরা সরকারি ছুটি ভোগ করেন। যদিও বাংলাদেশে এ দুটি ব্যবস্থার কোনোটিই নেই; তবে র‌্যালি, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামের মধ্যে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।

জাতিসংঘ এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ঠিক করেছে, ‘করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নির্ধারণ করা হয়েছে আলাদা প্রতিপাদ্য, ‘নেতৃত্বে নারী: কোভিড-১৯ বিশ্বে সমতাপূর্ণ ভবিষ্যৎ অর্জন’।

কীভাবে এলো নারী দিবস?

নারীর আজকের যে জয়যাত্রা, তার পেছনে আছে সীমাহীন ত্যাগ। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে নানা দমন-পীড়ন ঠেলে নারী উঠে এসেছে আপন মহিমায়। যে নারী দিবস নারীর অগ্রযাত্রার প্রতীক সেটাও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর  জন্য পোড়াতে হয়েছে অনেক কাঠ-খড়।

    • ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে সেলাই কারখানার নারী শ্রমিকরা রাস্তায় নামেন মজুরি-বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ এবং কর্মক্ষেত্রে বৈরী পরিবেশের প্রতিবাদে।
    • ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিন পুরুষের পাশাপাশি নারীর সম-অধিকারের দাবি তোলেন।
    • ১৯০৭ সালে জার্মানির স্টুটগার্টে অনুষ্ঠিত হয় প্রথম আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নারী সম্মেলন।
    • ১৯০৮ সালে ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
    • ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে ১৭ দেশের ১০০ প্রতিনিধি নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন।
    • ১৯১১ সাল থেকে ৮ মার্চ দিনটিকে ‘নারীর সম-অধিকার দিবস’ হিসেবে পালিত হয় ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে।
    • ১৯১১ সালের ১৯ মার্চ প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করা হয়। এদিন সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া ও জার্মানিতে লক্ষাধিক নারী মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।
    • ১৯১৪ সাল থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে।
    • ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করে।
    • ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৮ মার্চকে নারী দিবস পালনের জন্য বিল অনুমোদন পায়।
    • ১৯৮৪ সালে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ঘোষণা করে জাতিসংঘ। ঐতিহাসিক সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ এই সিদ্ধান্ত নেয়।

এবং শেষমেশ ২০০৯-এ বিশ্বের ২৯টি দেশে সরকারি ছুটিসহ প্রায় ৬০টি দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হয়েছে এবং এখন তা পুরো বিশ্বজুড়ে পালন হচ্ছে।

বাংলাদেশে নারী দিবসঃ 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, “নারী তার মেধা ও শ্রম দিয়ে যুগে যুগে সভ্যতার সকল অগ্রগতি এবং উন্নয়নে করেছে সমঅংশীদারিত্ব। আর তাই সারা বিশ্বে বদলে গেছে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি। এখন নারীর কাজের মূল্যায়ন হচ্ছে, বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বীকৃতি। লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। আমাদের জাতীয় উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা গ্রহণ করেছি নানামুখী পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে জেন্ডার রেসপন্সিভ বাজেট প্রণয়নসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের আত্মকর্মসংস্থানমূলক কর্মে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। হ্রাস পাচ্ছে নারীর দারিদ্র্য।”

এবার সরকার আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় পর্যায়ের ৫ জনকে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা দিয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় শিশু একাডেমি মিলনায়তনে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হোন। এবং তাঁর পক্ষ থেকে তাদের হাতে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা ।

বিকাল ৪টায় অনলাইনে ৬৭টি নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হবে। এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।