কানাইঘাটে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত, গ্রেফতার ১

মো আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি: কানাইঘাটে উপজেলার বড়মাগুরী বিলের একাংশের লীজ প্রক্রীয়া নিয়ে গত মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে ৬জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যায় কানাইঘাট সদর ইউনিয়নের ১২জন বীরমুক্তিযোদ্ধাদের নামে বড়মাগুরী বিলের একাংশে সরকারি জায়গা লীজ দেওয়া হয়। গত ২ বছর ধরে লীজকৃত বিলের জায়গা নীলামের টাকা নিয়ে সদর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলাম ও অপর পক্ষের মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান গংদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সকাল ১১ টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলামের ৩ ছেলে ও তাদের স্বজনরা বড় মাগুরী বিলে উপস্থিত হয়ে বিলের লীজের তাদের পাওনা টাকা লীজকারীদের কাছে খোঁজতে গেলে এ নিয়ে বিলের পাড়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায় দুই পক্ষের মধ্যে। উভয় পক্ষ দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে এতে আহত হন মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলামের ছেলে জাকারিয়া খালিদ (৩৮), অহিদুল ইসলাম (৩০), জাহিদুল ইসলাম (২৭), ফখরুল ইসলামের নাতি সামিয়ান তানিম (২১) তাদের স্বজন আব্দুল হামিদ (২৩), জালাল উদ্দিন (২৮), ইসলাম উদ্দিন (৩৪) অপর পক্ষে আহত হন বড়দেশ নয়াগ্রামের সামছুলকের পুত্র জাকারিয়া (৩৫) ও তার ভাই শরীফ আহমদ (৩২) একই গ্রামের আওলাদ হোসেনের পুত্র জাকারিয়া আহমদ (৩০) আহতদের মধ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ও মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় জাকারিয়া আহমদ, শরীফ, জাকারিয়া ও অহিদুল ইসলাম, জাকারিয়া খালিদ ও জাহিদুল ইসলামকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের উপজেলা হাসপাতালে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে কানাইঘাট থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম সরজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার দায়ে ফখরুল ইসলামের দায়েরকৃত অভিযোগের আসামী বড়দেশ (পাঁচঘরি ) গ্রামের ফারুক আহমদকে থানার পাশ থেকে গতকাল বিকেল ২টার দিকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

এব্যাপারে থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ফখরুল ইসলামের দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বড়মাগুরী বিলের পাড়ে মারামারির ঘটনার সাথে জড়িত ফারুক আহমদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক মারামারির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

৪নং পূর্বধৈইর পূর্ব ইউনিয়নে কাজী কায়কোবাদের উদ্যোগে তরুণ যুবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার সামগ্রী বিতরণ

মোঃ খোরশেদ আলম,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ “মাদক একেবারেই নয়, খেলাধূলায় মিলবে জয়” “এসো ভাই খেলা করি, মাদককে না বলি”। এই স্লোগানে কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলার ৪নং পূর্বধৈইর পূর্ব ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব কাজী কায়কোবাদ,গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর নির্দেশনায় তরুণ যুবক ও শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখার প্রত্যয়ে এবং শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

আজ শুক্রবার (৫ মার্চ) হিরাপুর খেলার মাঠে এলাকার তরুণ যুবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট-বল, জার্সি সহ বিভিন্ন সামগ্রী  বিতরণ করেন তিনি।বিতরণকালে ৪নং পূর্বধৈইর পূর্ব ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব কাজী কায়কোবাদ বলেন, আমি সব সময়ই চাই শিক্ষার্থীরা ন্যায়ের পথে থাকুক, তারা মাদক থেকে দূরে থাকুক এবং খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তার মন-মানিসিকতাকে সব-সময় সতেজ রাখুক।

খেলাধুলার মাধ্যমে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে। বর্তমানে করোনাকালীন সময়ে খেলাধুলার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার তাই খেলাধুলার মাধ্যমে দুশ্চিন্তা মুক্ত হওয়া যায়। তাই যুব সম্প্রদায়কে মাদক ছেড়ে খেলাধুলার জন্য মাঠে আসতে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তিনি খেলাধুলা সামগ্রী বিতরণ করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ (তমাল)।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংগরা বাজার থানা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক আবু নাইউম খান,বাংগরা বাজার থানা ছাত্র লীগের সভাপতি শেখ আবুল কাশেম সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করলো মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তাদের প্রকাশিত একটি কলামে এ ভূয়সী প্রশংসা হয়েছে। বুধবার কলামটি লিখেছেন এশিয়ার আর্থিক বাজার নিয়ে বিশেষজ্ঞ হংকংভিত্তিক সাংবাদিক মাইক বার্ড।

প্রকাশিত কলামের অনূদিত অংশ নিচে তুলে ধরা হলো:-

গত সপ্তাহে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক একটি মাইলফলক অর্জন করেছে। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য সুপারিশ করেছে। পঞ্চাশ বছর আগে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই দেশটি এতদিন স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে ছিল।

বিভিন্ন ধাপে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনামে সফল যেসব উন্নয়ন মডেলের মাধ্যমে বিপুল অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, সেই একই জায়গা থেকে সফল উন্নয়ন মডেল কার্যকর হওয়ার বিষয়টির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের নামটি সবার আগে উল্লেখ্যযোগ্য। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ক্ষেত্রে রফতানিমুখী উন্নয়ন আধুানিক কালে সবচেয়ে কার্যকরী। বাংলাদেশ এই কাজটি ভালোভাবে হয়েছে।

ডলারের হিসেবে গত এক দশকে বাংলাদেশের রফতানি প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে। মূলত তৈরি পোশাক খাতের মাধ্যমেই এই অগ্রগতি।

অপরদিকে একই সময়ে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান তুলনামূলকভাবে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে; যা অন্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশকে ব্যতিক্রমভাবে তুলে ধরেছে।

২০১১ সালের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ছিল ভারতের চেয়ে ৪০ শতাংশ কম। তবে বিভিন্ন দিক থেকে গত বছর ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। করোনা মহামারির কারণে ভারতের অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দেয়ার ফলে এই পতন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস, এই ব্যবধান আরো কমবে।

এযাবৎকালে দেশটির উন্নয়ন মডেল যতদূর এগিয়েছে এর আরও কিছু কারণ রয়েছে। দেশটির জনসংখ্যার মধ্যে অল্প বয়সী বা তারুণ্যের আধিক্য, মজুরির স্তরের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় শ্রমবাজারে শক্তিশালী ও ক্রমবর্ধমান হারে নারীদের অংশগ্রহণ।

তবে বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের সম্ভাব্য কিছু বাধাও রয়েছে। প্রথম দিকটি হলো, বাংলাদেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি ভিয়েতনাম বা কম্বোডিয়ার তুলনায় অনেক নিচে। এসব দেশে গত দশ বছরে রফতানির পরিমাণ যথাক্রমে তিনগুণ এবং দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। দুই হাজারের দশকের গোড়ার দিকে ভারতের রফতানির ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল এবং পরে তা স্থবির হয়ে পড়েছিল। সুতরাং এটা মনে রাখতে হবে যে, ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী এমন প্রবণতার গ্যারান্টি সবসময় থাকবে না।

বাংলাদেশের জন্য এখন পরবর্তী ধাপ হবে উৎপাদন ও রফতানির ক্ষেত্রে উচ্চ-মূল্যের দিকে রূপান্তর ঘটানো। যেমনটা করেছে ভিয়েতনাম। বাংলাদেশের রফতানি শিল্প এখনো প্রায় অনেকটাই পোশাক তৈরির ওপর মনোযোগী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রোথ ল্যাবের র‌্যাংকিং অনুযায়ী অর্থনৈতিক জটিলতা পরিমাপ করা ১৩৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৮ তম। ১৯৯৫ সালেও বাংলাদেশের অবস্থান আরো নিচে ছিল।

বাংলাদেশও ভারতের মতো এশিয়ার বড় বড় ব্যবসায়িক জোটের বাইরে নিজেদের বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ান, রিজিওয়ানাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ কিংবা কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড প্রগ্রেসিভ ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপের সদস্য নয়। আন্তঃএশিয়া সরবরাহ ব্যবস্থায় আরো বেশি যুক্ত হওয়া এবং প্রাচ্যে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আরোঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করার জন্য দেশটির রফতানিমুখী উৎপাদন খাতগুলোতে আরো বৈচিত্র আনার প্রয়োজন পড়বে।

তবে এসব সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ সম্ভবত আরো দেশটির উন্নয়নের ইঙ্গিতই দিচ্ছে এবং তা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য প্রতিবেশীদের উন্নয়নের জন্য খুব আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের টোটকাও বটে।

***মূল কলাম***

 

বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘের মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার ফেসবুক পেজে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের ভিডিও বার্তাটি পোস্ট করেন।

ভিডিও

অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পৃথিবীর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করায় আমি খুবই আনন্দিত। এই উত্তরণ স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয়, দেশটি লক্ষ-কোটি মানুষের দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্তির অঙ্গীকারসহ অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ক্রমবর্ধনশীল অর্থনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।’

অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার সুযোগ প্রসারের ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্যেও আমি বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানাই। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নের জন্য দূরদর্শিতা, দৃঢ় জাতীয় নেতৃত্ব ও বিচক্ষণ নীতি ও কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের উত্তোরণের এই জায়গায় জাতিসংঘের সহায়তা বজায় থাকবে।’

প্রসঙ্গত, ইতামধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) গত শুক্রবার রাতে ৫ দিনের বৈঠক শেষে এ সুপারিশ করেছে। সিডিপির এলডিসি-সংক্রান্ত উপ–গ্রুপের প্রধান টেফেরি টেসফাসো এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন। তবে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে বের হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

 

নওগাঁ আত্রাই‌য়ে হিরোইন-ইয়াবা-গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ আত্রাই ইসলামগাথী থেকে হিরোইন ইয়াবা সহ হারুন ও মাহবুব
নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আত্রাই থানা পুলিশ। গতকাল আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকার সময় ইসলামগাথী সুইচ গেইট এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

হারুন আত্রাই থানার বিশা ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের কাজেম প্রামাণিকের ছেলে এবং মাহবুর ইসলাম গাথি গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে।

আত্রাই থানার সাব-ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি মাদকের একটি চালান নিয়ে দুইজন মাদক বিক্রয়ের জন্য ইসলামগাথী সুইচ গেট সংলগ্ন অবস্থান করছে। তৎক্ষণাৎ সঙ্গীয় ফোরসহ তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে হিরোইন ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করি। হারুন ও মাহাবুর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি।

আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে অপরাধীদের কোন ছাড় নাই।

অন্যদিকে, গতকাল বিকেলে পার-পাচপুর থেকে সহিদ শেখ নামের এক গাজা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ। সহিদ শেখ পার-পাঁচপুর গ্রামের আহাদ শেখের ছেলে।

এসব ব্যাপারে  আত্রাই থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা হয়েছে।

 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিললো ইয়াবার চাইতে ভয়ঙ্কর মাদক ক্রিস্টাল

বুধবার (৩ মার্চ) ইয়াবার চেয়েও ভয়াবহ মাদক ক্রিস্টাল আইস বা মিথাইল অ্যামফিটামিনসহ এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। এ সময় তার কাছ থেকে দুই কেজি ক্রিস্টাল আইস জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‌‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের টেকনাফ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফার নেতৃত্বে বুধবার জাদিমোরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে দুই কেজি ক্রিস্টাল আইসসহ এক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তবে এ সময় একজন পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা এখন বাংলাদেশ : সজীব ওয়াজেদ জয়

সিএনবিডি ডেস্কঃ ডিজিটালাইজেশন এবং তথ্য প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের ঈর্ষনীয় সাফল্য নিয়ে সম্প্রতি মার্কিন গণমাধ্যম নিউজউইকে এক মতামত কলামে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, এশিয়ার বিস্ময়কর ডিজিটাল নেতা এখন বাংলাদেশ। এক দশকেরও বেশি সময় আগে, জাতির প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকীতে ২০২১ সালের মধ্যে নিজেকে প্রযুক্তির দিক থেকে উন্নত দেশে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাংলাদেশ। অনেকেই বিশ্বাস করেনি যে আমরা এটি করতে পারি। সে যাই হোক, এ প্রজেক্টের সবচেয়ে বড় সমর্থক ও সহযোগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন ২০০৯ ক্ষমতায় এলেন, সেসময় দেশের মাত্র ২ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল ছিল। তবে এখন ১২ কোটিরও বেশি মানুষ তা ব্যবহার করে। প্রত্যন্ত গ্রামেও এখন লাখ লাখ মানুষের উচ্চ গতির সংযোগ-সুবিধা আছে। এসব সুবিধার ফলে অগণন মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।

সরকার সাড়ে ৮ আট হাজার ডিজিটাল সেন্টারের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা আক্ষরিক অর্থেই দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত অনলাইন সেবা দিতে পারছে। এসব নেটওয়ার্ক জন্ম নিবন্ধন, চাকরি খোঁজা এবং অনলাইনে স্বাস্থ্যসেবার মতো সুবিধা সরবরাহ করছে। অনেক জাতীয় কর্মসূচি অনলাইনে করা হয়েছে। গত বছর করোনাভাইরাসের কারণে সরকার যখন লকডাউন দিতে বাধ্য হয় তখন সরকারি সেবায় প্রায় কোনও সমস্যাই হয়নি।

একটি নতুন বিচার বিভাগীয় পোর্টালের সহায়তায় কাজ চালিয়েছে আদালত। কৃষকরা একটি কৃষি পোর্টালের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ আবহাওয়ার আপডেট এবং অন্যান্য ডেটা পেতে সক্ষম হয়েছেন। আর দেশজুড়ে সবার হাতে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা কোভিড-১৯ সম্পর্কে তথ্য জানতে পেরেছে।

বিশ্বে সরকারি পোর্টালগুলোর অন্যতম বৃহৎ নেটওয়ার্ক থাকায় বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে। কেননা সরকারের প্রায় সব সেবায় ইন্টারনেট লিংকের মাধ্যমে পাওয়া যায়। ৮৫ ভাগ সেবা স্মার্টফোনের মাধ্যমে এবং ১০ ভাগ বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে মাত্র ৫ ভাগ কাজের জন্য সরকারি অফিসে যেতে হবে।

এত প্রোগ্রাম অনলাইনে যুক্ত করা হয়েছে যে পাসপোর্ট থেকে শুরু করে ড্রাইভারের লাইসেন্সের আবেদনের মতো প্রায় সব সরকারি সেবাই নাটকীয়ভাবে সহজ হয়ে গেছে।

এই সাফল্যের গল্পের মূল চাবিকাঠি হচ্ছে মোবাইল ফোন। সাইবার অপরাধ, নারীর প্রতি সহিংসতা, অগ্নিকাণ্ড ও মেডিকেল প্রয়োজনসহ দুর্ঘটনা, অপরাধের জন্য বাংলাদেশে এখন একটি টোলমুক্ত জাতীয় জরুরি হেল্পলাইন রয়েছে, যা হচ্ছে ৯৯৯। এই জাতীয় সহায়তা ডেস্ক প্রতি মিনিটে ৬০টি কলে সাড়া দেয়।

আবার জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য কৌশলের বদৌলতে টেলিমেডিসিন এখন আর শুধু সম্ভবই নয় বরং স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলে। এই প্রোগ্রামের আওতায় মৌলিক স্বাস্থ্য তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যার ফলে জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া সরকার আগের চেয়ে বেশি জবাবদিহিমূলক এবং তৎপর হয়েছে। অনলাইন গ্রিভেন্স রিড্রেস সিস্টেমের কারণে বাংলাদেশিরা সহজেই সরকারি সেবা বা পণ্য সম্পর্কে অনলাইনে অভিযোগ দিতে পারে।

আবার অনলাইনের ব্যাপক বিস্তৃতি অর্থনীতিতেও সহায়তা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। একটি দক্ষ, ডিজিটাল কাজে সক্ষম জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান আছে। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ তার পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে এবং এখন প্রতি বছর ৫ লাখ স্নাতক পাস কর্মী কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। শুধুমাত্র গত বছরই চাকরির বাজারে প্রবেশ করেছে তথ্যপ্রযুক্তির ৬৫ হাজারের বেশি পেশাদার।

ডিজিটাল ‍সেন্টার থেকেও প্রচুর চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রতিটি সেন্টারে অন্তত তিনটি পদের মধ্যে একটি নারীদের নিয়োগের জন্য রাখা হয়েছে।

জনসংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের বয়স ২৫ বছরের কম, তাই বাংলাদেশ সাইবার কর্মীদের একটি উর্বর স্থান। তরুণরাও এই সুযোগ লুফে নিচ্ছে। আগে অনেকেই তাদের পারিবারিক কৃষিকাজ ছাড়া তেমন কোনও কাজের কথাই ভাবতে পারতেন না। কিন্তু এখন বাংলাদেশের তরুণরা অনেক বেশি পরিমাণে শহরমুখী, সক্রিয় এবং নতুন অর্থনীতিতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত।

ডিজিটালাইজেশন থেকে উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে ১৩ লাখের বেশি মানুষ বাংলাদেশে বসবাস শুরু করছে। তৈরি হয়েছে ১০ হাজারের বেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তাও। সব মিলিয়ে তথ্য প্রযুক্তি খাত থেকে তারা প্রতি বছর ১০০ কোটি ডলার আনছেন। অন্যভাবে বললে, ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রার শুরুর পর থেকে বাংলাদেশিরা ২০০ ঘণ্টা, ৮০০ কোটি ডলার বাঁচিয়েছে এবং সরকারি অফিসে ১০০ কোটি বার যাওয়া থেকে বেঁচে গেছে।

এখন মহাকাশেও স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে নিজেদের প্রথম কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ মহাকাশে পাঠায় বাংলাদেশ। বিভিন্ন ধরনের টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানের মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করেছে।

এটা দারুণ একটা যাত্রা ছিল। ২০০৮ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রায় ৫ শতাংশের আশেপাশে ছিল। এখন সেটা বেড়ে ৮ শতাংশ হয়েছে। হাই-স্পিড কানেকশনের কারণে এটা অনেকাংশেই সম্ভব হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে বাংলাদেশ অনেক কিছু অর্জন করেছে। তবে এর মধ্যে কয়েকটি রয়েছে যেগুলো ইন্টারনেট যুগে দেশের নাটকীয় পদার্পণের চেয়েও উল্লেখযোগ্য। আমরা এখন আমাদের ডিজিটাল এক্সপার্টাইজও রপ্তানিও করছি।

বাংলাদেশি প্রশিক্ষকরা আমাদের এশীয় প্রতিবেশী মালদ্বীপ, ভুটান এবং শ্রীলঙ্কায় ডিজিটালাইজেশন ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করছেন। এক দশক আগে কেউই ভাবেনি যে এটা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর পরামর্শ দিয়ে থাকেন সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রধানমন্ত্রী দেশের ডিজিটাল উন্নয়নে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার পেছনে জয়ের দক্ষ পরামর্শ রয়েছে। সুত্রঃ নিউজ উইক।

ঘুরে আসুন বিছানাকান্দি

সাকিব আল হাসান, সিলেট: প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা সিলেট। সিলেটে বেড়ানোর জন্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার মতো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যারা একইসাথে ভ্রমণপিপাসু এবং প্রকৃতি প্রেমী তাদের জন্য সবচেয়ে পছন্দনীয় জায়গা হচ্ছে সিলেট। বিছানাকান্দি সিলেটের পছন্দনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম। আজকে আমরা আপনাদের জানাবো সিলেটের পাথর কোয়ারী খ্যাত বিছানাকান্দি সম্পর্কে।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বিছানাকান্দি। বিছানাকান্দিকে সিলেটের পাথর কোয়ারী বলা হয়। বিছানাকান্দি ছাড়া জাফলংকেও পাথর কোয়ারী বলা হয়। কিন্তু আজকাল অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলনের কারণে জাফলং আর আগের মতো নেই। কিন্তু বিছানাকান্দি ঠিক আগের মতোই তার সৌন্দর্য ধরে রেখেছে।
বিছানাকান্দি ইন্ডিয়া এবং বাংলাদেশের বর্ডারে অবস্থিত। মেঘালয়ের পাহাড় থেকে স্বচ্ছ পানি এসে ছোট বড় পাথরের উপর পড়ে সৃষ্টি করে এক মনোরম পরিবেশ। প্রকৃতি প্রেমিদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় স্থান এই বিছানাকান্দি। পর্যটকদের কাছে বিছানাকান্দির পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া স্বচ্ছ পানি এবং পাহাড়ের উপর মেঘের আনাগোনাই হচ্ছে মূল আকর্ষন। পানি, পাহাড়, পাথর, বাতাস এবং আকাশ নিয়েই যেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের মায়াজালে বাধা এই বিছানাকান্দি। মনোরম পরিবেশে মনে হবে যেন গা এলিয়ে দেই প্রকৃতির বুকে। ব্যস্ততম শহরের জঞ্জালময় জীবনে নেমে আসবে প্রশান্তি। এতোটাই প্রশান্তি যে আপনাকে বারবার টেনে আনবে অনাবিল সৌন্দর্যের এই বিছানাকান্দিতে।
বিছনাকান্দি যেতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে সিলেট নগরীর আম্বরখানা পয়েন্ট যেতে হবে। সেখানে বিমানবন্দর রোডের দিকে সিএনজি স্টেশন আছে। সিএনজি রিজার্ভ করে হাদারপার নামক জায়গা পর্যন্ত গেলে ভাল হয়। পাঁচজন মিলে ১০০০টাকায় সাধারণত ভাড়া নেওয়া হয়। তবে মানুষ কম থাকলে ৮০-২০০ টাকা জনপ্রতিও যাওয়া যায়। হাদারপার বাজারটি খুব একটা বড় না আবার ছোটও না। মোটামুটি সবকিছুই পাবেন। খাবার, পানি, কাপড় সবই কিনতে পাওয়া যায়। আর হাদারপারের গনি মিয়ার ভূনা খিচুড়ি খেতে ভুলবেন না কিন্তু। হাদারপার বাজারেই বিছনাকান্দি-পান্থুমাই-লক্ষনছড়া যাওয়ার নৌকা পাওয়া যায়। সুন্দর বেশভুষা দেখে মাঝিরা ২০০০টাকা চেয়ে বসতে পারে। ভুলেও রাজি হবেন না। নৌকা ভাড়া আসা-যাওয়া সর্বোচ্চ ১১০০-১৫০০ টাকা হলে ভাল। দরাদরি করে এর চেয়ে কমে পেলে ভাল তবে অবশ্যই এর বেশি দামে যাবেন না। শুকনো মৌসুমে হেঁটে যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে সময় লাগবে ৩০-৪০ মিনিট। বর্ষাকালে নৌকায় যাওয়াই উত্তম। এক নৌকায় বিছনাকান্দি-পান্থুমাই-লক্ষনছড়া ঘুরে দেখাবে বলে নিবেন।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে স্বামীর ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন লাকি বেগম (২৩)। বুধবার (৩ মার্চ) উপজেলার বাঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ কান্দিগাঁও এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর স্বামী দানা মিয়াকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরাটি।

গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই দানা ও লাকির মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এরই মাঝে তারা দু সন্তানের জন্ম দেন। বর্তমানে তাদের ৫ বছরের এক মেয়ে ও ৩ বছরে এক ছেলেসন্তান রয়েছে।

বুধবার পারিবারিক কলহের জের ধরে ঝগড়ার এক পর্যায়ে দুপুর ১টার দিকে দানা মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে স্ত্রী লাকিকে উপর্যপুরি আঘাত করতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই লাকি মারা যান। পরে বাড়ি থেকে ছুরিসহ দানা মিয়াকে আটক ও লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ চৌধুরী বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে দানা মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে করে স্ত্রীকে খুন করেন। তাকে ছুরিসহ আটক করা হয়েছে এবং স্ত্রীর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাণীশংকৈলে মেয়র-কাউন্সিলরদের সম্মানার্থে মহিলা প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজ মাঠে ৩ মার্চ বুধবার বিকেলে নব নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের সম্মানার্থে এক মহিলা প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
রাণীশংকৈল রাঙাটুঙ্গী ইউনাইটেড প্রমীলা ফুটবল একাডেমি এর আয়োজনে ঐ খেলায় নওশীন প্রমীলা ফুটবল একাডেমি দিনাজপুর  ২-১ গোলে রাঙাটুঙ্গী ইউনাইটেড প্রমীলা ফুটবল একাডেমিকে হারিয়ে জয়লাভ করেন।
এ সময় সংবর্ধিত নব নির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান ও কাউন্সিলগণসহ আরো উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল,সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা বেগম, পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহাদেব বসাক, প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক’ আনোয়ারুল ইসলাম, জাপা নেতা ঠিকাদার আবু তাহের ও শামসুল আরেফিন, রাঙাটুঙ্গী ইউনাইটেড প্রমীলা ফুটবল একাডেমির পরিচালক সাবেক অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম প্রমুখ।
এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক – সাংস্কৃতিক নেতা-কর্মি ক্রীড়ামোদী দর্শকশ্রোতা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। খেলার ধারা বর্ণনায় ছিলেন প্রভাষক প্রশান্ত বসাক ও বাপ্পী পাটওয়ারী।
পরে বিজয়ী দলের মাঝে শুভেচ্ছা পুরস্কার দেয়া হয়।