শ্রীমঙ্গলে মাদক কারবারী আনোয়ার আটক

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও বিক্রি করা নগদ ২,০১০টাকা সহ আনোয়ার মিয়া (৫০) নামের একজনকে আটক করেছে মৌলভীবাজার গোয়েন্দা পুলিশ।

বুধবার রাত সাড়ে ১০ঘটিকার সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলার শহরের স্টেশন রোড় এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকা সহ আটক করা হয়। ইয়াবাসহ ১জন মাদক কারবারীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। মাদক কারবারি আনোয়ার মিয়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে জানান গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তা মুকুন্দ দেববর্মা।

আটক আনোয়ার হোসেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালি ঘাট রোড় এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে বলে জানা গেছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা মুকুন্দ দেববর্মা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরে এ খবরের ভিত্তিতে গোয়েন্দা টিম ওত পেতে থাকে। রাতের বেলা ইয়াবা সন্ধান পেলে গোয়েন্দা পুলিশ আসামী আনোয়ার হোসেনকে দৌড়াতে থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে  দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আনোয়ার।

পরে গোয়েন্দা পুলিশ ধাওয়া করে শ্রীমঙ্গল শহরের স্টেশন রোড়ের সেলিম টি সাপ্লাই দোকানের সামনে হতে আটক করে। আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ২,০১০টাকা ও ১৩পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয়  মাদক কারবারী আনোয়ার হোসেনকে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তা মুকুন্দ দেববর্মা বলেন, এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা হয়েছে।

 

“টক শো”

বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে এখন টক শো নিয়মিত প্রচারনা। প্রতিদিনই সব চ্যানেলে একই ব্যক্তিকে এনে টক শো প্রচার করে। এর বেশীর ভাগই রাজনীতি বিষয়ক। একটা পদ্ধতিও অনুসরন করে তারা। বিপরীত দুটি পক্ষকে আমন্ত্রণ জানায়।  সঞ্চালক নিজেই বিতর্কটি তুলে দেন। এই বিতর্কে শিষ্ঠাচারও রক্ষা হয়না অনেকে ক্ষেত্রে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের চিৎকার ছাড়া আর কিছু শোনা যায়না। বিতর্ক যখন তুঙ্গে তখন সঞ্চালক সময় স্বল্পতার কথা বলে সমাপ্তি টানেন বিতর্কের নামে ঝগড়াটির।

দর্শক বিনোদনের জন্য টেলিভিশনের সামনে বসে রক্তচাপে ভোগে। বাধ্য হয়েই বুদ্ধিমান দর্শক সুইজটি অফ করে বসে থাকেন তিরিক্ষি মেজাজে। আর যদি কোন বিশেষ বিষয় পাওয়া যায়, তাহলে সরকারের ব্যর্থতা খুজতে আমন্ত্রণ জানান চিহ্নিত ব্যক্তিদের। তারা দেশ গেল বলে জ্ঞান বিলান জাতিকে। সরকার কোথায় কিভাবে ভুল করেছে খুটিয়ে খুটিয়ে বলে দেন আর পদত্যগ দাবী করেন সরকারের । অর্থাৎ মূল অনুষ্ঠান তর্কযুদ্ধ টক শো। বিনোদনের জন্য যে সব অনুষ্ঠান প্রচার হয় তা বিজ্ঞাপনের জন্য দেখার উপায় নেই। আগে অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে বিজ্ঞাপন প্রচার হত এখন বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে অনুষ্ঠান প্রচার হয়।

বিজ্ঞাপনের যন্ত্রনায় অধৈর্য্য হয়ে দর্শক চ্যনেল বদল করে অন্য চ্যনেলে চলে যায়। কোন অনুষ্ঠানই দেখা হয়না পূর্ণভাবে। কেউ যদি পূর্ণ অনুষ্ঠান দেখতে চায় তাহলে পুরু দিনটিই ব্যয় করতে হয়। কারন টক শো ছাড়াও খবরের বিড়ম্বনা কম না। খবরের শিরোনামটি বলেই শুরু হয় বিজ্ঞাপন। এক পেয়ালা চা শেষ করে ফিরে এসে প্রতিনিধির তথ্যচিত্র প্রচার করতে গিয়ে টেলিফোনে যোগাযোগের বিড়ম্বনা হয় প্রতিনিধির সাথে। যোগাযোগের পর একই শব্দ বার বার বলে ” এই ছিল এখন পর্যন্ত সংবাদ”। 

টেলিভিশনে বিভিন্ন বিষয়ে মতামতের অনুষ্ঠান বিশ্বের সব দেশেই প্রচার হয়। বিজ্ঞাপনও প্রচার হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মত এমন বিরক্তিকর আলোচনা হয় না। টেলিভিশনে টক শো কি জরুরী? টক শো’তে কথা বলার নিয়ম নীতি থাকা জরুরী। এবং বিশেষ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদেরই কথা বলা উচিৎ। বিনোদনের নামে টক শো এখন বিরক্তিকর। টেলিভিশনে রাজনৈতিক বিতর্ক দেশের রাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। অনেকে টেলিভিশনে কথা বলেই জীবিকা নির্বাহ করছে এখন। আলোচনার বিষয় নির্বাচন হওয়া উচিৎ গুরত্ব বিবেচনা করে। টক শো’র কারনে অনেক দর্শক এখন টেলিভশনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে আগ্রহ বেড়েছে যৌক্তিকভাবে। বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে, শিঘ্রই বিকল্প ভাবানা অবাস্তব নয়। বাংলাদেশের টেলিভিশনগুলি সরকারের বিরুদ্ধে মূখ্য ভুমিকা পালন করছে বললেও ভুল হবেনা। কারন সংবাদ অসত্য হলে তা দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ্য করে নানাভাবে।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, টরন্টো, কানাডা

 

মাছ শিকারে ব্রহ্মপুত্র নদে বিষ

সাকিব আল হাসান, রৌমারী(কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদে কীটনাশক ও গ্যাসের টেবলেট প্রয়োগ কওে মাছ শিকার করছে দৃর্বৃত্তরা। এভাবে নদীতে কীট নাশক প্রয়োগ অব্যাহত থাকলে মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার সম্ভনা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়,উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের ফলুয়ারচর, বাইশপাড়া, বাগুয়ারচর, উত্তরবাগুয়ারচর, পশ্চিম পাখিউড়া, ঘুঘুমারী এলাকার বিভিন্ন জাগায় রাতের অন্ধকারে স্থানীয় লোকজন বিষ প্রয়োগ কওে মাছ শিকার করায় নদীতে জাগায় জাগায় মাছ ও জলজ প্রাণী মরে ভেসে উঠেছে। স্থানীয লোকজন মরা মাছ সংগ্রহ করে সকাল থেকে সারাদিন। ফলুয়ারচর নৌকা ঘাট এলাকা থেকে চরঘুঘুমারী এলাকা পযর্ন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পনের কিলোমিটার অংশের বিভিন্ন পয়েন্টে রাতের অন্ধাকারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করায় দিনে আলোয় বিভিন্ন জায়গায় মরা মাছ ভেসে উঠছে।
বাগুয়ারচর গ্রাম মৎস্যজীবি মজিবর, হাফিজুর, করিম বলেন, আমার বাপ দাদা থেকে মাছ ব্রক্ষপুত্র নদে মাছ মেরে বিক্রি করে সংসার চালাই, নদীতে এখন আর মাছ নই, গ্রামের সব মানুষ নদীতে গ্যাস, বিষ দিয়া মাছ সব মেরে ফেলছে। এখন দিন মজুরি করি। সারাদিন কাজ করে তিনশ টাকা পাই তাই দিয়ে সংসার চালাই।
ঘুঘুমারী গ্রামের রহিম ও জলি মুদ্দিন বলেন, রডেটন গ্যাস, এনটিফার গ্যাস নামের টেবলেট ও বিষ দিয়া নদীতে মাছ মারে। রাতের অন্ধকারে নদীর মধ্যে বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরে। বিষে নদীর সব প্রাণী মরে যাচ্ছে, নদীতে মাছের পোনা সব মরে ভসে উঠছে, হাট-বাজারে মাছ আর পাওয়া যাচ্ছে না ঠিকমত।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুজ্জামান রানা বলেন, গ্যাসের টেবলেট ও বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারে বিষয়টি জানার পর আমরা মাইকিং করে দিয়েছি, কিটনাশক বিক্রেতা দোকানদারদের কিটনাশক ক্রয় কারীদের নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ করার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া গ্যাস দিয়ে মাছ শিকার করে খেলে, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকিছু নেই, তবে নদীতে গ্যাস দিয়ে মাছ শিকার করলে জলজ প্রাণী মারা যায়। কোন ধরণের বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করে তা আমার জানা নাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্যাসের টেবলেট ও বিষ প্রয়োগ করে শিকার কৃত মাছ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মাছ খাওয়ার সাথে সাথে মানুষের শরীরে বিষক্রীয়া হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়াও হজম শক্তি ও কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস পাবে।

জগন্নাথপুর হাওর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প: সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় হাওর রক্ষা প্রকল্পের নামে চলছে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি। এ উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রকল্প গঠিত হয়েছে নামে মাত্র। একই বাড়িতে পাচ পিআইসিসহ অযোগ্য, অদক্ষ, অকৃষিজীবী ব্যক্তিদের পিআইসিতে যুক্ত করা হয়েছে। হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় বাঁধের নির্মাণ কাজের ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি’- (পিআইসি) গঠন নিয়ে শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আড়ালে রয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকার দলীয় ও প্রভাবশালী লোকেরা। হাওর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের কয়েকটি অবৈধ সিন্ডিকেট চক্র প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি ও কাজের বিবরণ সংক্রান্ত সাইনবোর্ড প্রকাশেও গড়িমসি করছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ফিডার-১ এর আওতাধীন উপজেলার বৃহৎ নলুয়ার হাওরে পাউবোর বেশ কয়েকটি হাওর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের কাজ চলমান। তবে এসময় ভূরাখালী,বেতাউকা সহ কয়েকটি গ্রামের পাশ্ববর্তী নলুয়ার হাওরের পাঁচটি প্রকল্পের কোথাও সাইনবোর্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ পাঁচটি প্রকল্প হচ্ছে- ১৩,১৪,১৫,১৬ ও ১৭ নং নং প্রকল্প।

এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন ও কাজের বিবরণ সংক্রান্ত সাইনবোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়ার বাড়িতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সাইনবোর্ড। তিনি এই পাঁচটি প্রকল্প দেখভাল করছেন।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জুয়েল মিয়া অনুরোধ করেন তার বাড়িতে না যাওয়ার জন্য। বাধা উপেক্ষা করে ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়ার বাড়িতে গেলে তার বাংলোতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির তিনটি সাইনবোর্ড দেখতে পাওয়া যায়।

হাওর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে সাইনবোর্ড না রেখে তিনির বাড়িতে কেন, জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে আমতা আমতা করে বলেন, ইউপি সদস্য হিসেবে পিআইসি গুলো আমার দেখভালের দায়িত্ব রয়েছে।

এ সময় জুয়েল মেম্বারের বাড়িতে রাখা তিনটি সাইনবোর্ড থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে- জানা যায়, তারা কেউও হাওর রক্ষা বাঁধ প্রকল্প সম্পর্কে অবগত নন। সবার এক কথা- এ সম্পর্কে জুয়েল মেম্বার সব জানেন।

এ সময় জুয়েল মিয়া কর্তব্যরত সাংবাদিকদের নিবারণ করার চেষ্ঠা করে বলেন, আমার বেলায় শুধু একা নয়, অন্যন্য পিআইসি’র আড়ালে আরো অনেকজন জড়িত রয়েছেন।

পরে অনুসন্ধানে জানা যায়,ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া হাওর রক্ষা বাঁধের ওই পাঁচটি প্রকল্পে জড়িত রয়েছেন। অথচ সাইনবোর্ডে নামেমাত্র রয়েছেন তার আত্নীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনেরা।

জানা গেছে, হলদিপুর-চিলাউড়া ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বেতাউকা গ্রামের একজন বাসিন্দা জানান, মূলত বাঁধ প্রকল্পে ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া এনেছেন। তিনি তার কাছের লোকদের দিয়ে হাওর রক্ষা বাঁধের একটি পকেট কমিটিতে নাম লিখিয়েছেন। এমতাবস্থায় তিনি কোনো ঝামেলায় পড়তে পারেন এমন আশংকায় সাইবোর্ড নিজের বাড়িতে রাখেন।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে পওর বিভাগ-২, সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী সামসুদ্দোহা বলেন, এক লোক ৫ কমটি দেওয়ার বিয়য়টি হাওর রক্ষা প্রকল্পের কোনো নিয়ম নীতিতে নেই। এরকম কিছু হয়ে থাকলে বিষয়টি আমর তদন্ত করে আইনত ব্যবস্থা নিবো।

জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকৌশলী মোঃ হাসান গাজী জানান, জার বাড়িতে বোর্ড পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে আপনারা রিপোর্ট করতে পারেন।

 

রাণীশংকৈলে ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল, (ঠাকুরগাঁও): ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩ মার্চ বুধবার  ৭ই মার্চ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে এদিন সকালে উপজেলা সভাকক্ষে ইউএনও সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবিরের সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি হিসাবে  বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন নব নির্বাচিত পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও শেফালি বেগম, সহকারি কমিশনার ভূমি প্রীতম সাহা, ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল। এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রস্তুতি সভায় প্রথমবারে মতো জাতীয় ৭ ই মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সকল প্রস্তুতি গৃহীত হয়।

না ফেরার দেশে এইচ টি ইমাম, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি’র শোক প্রকাশ

ডিবিএন ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম চলে গেছেন না ফেরার দেশে।  বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি ) ইমাম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। কিডনি এবং বার্ধক্যজনিত জটিলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে চিকিৎসকরা এইচ টি ইমামকে মৃত ঘোষণা করে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। এরপরপরই ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর নিজের ভেরিফাইড পেজে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এইচ টি ইমাম ও তাঁর সফল কর্মময় জীবনঃ

হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমামের জন্ম ১৯৩৯ সালে। তিনি এইচ টি ইমাম নামেই  সুপরিচিত হয়ে ওঠেন। বাবার চাকরি সূত্রে তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে বিভিন্ন জেলায়। ম্যাট্রিক পাস করেন ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ১৯৫২ সালে। আর ১৯৫৪ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে। রাজশাহী কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রি নিয়ে তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি নেন। তখন তিনি বাম ছাত্র সংগঠনে যুক্ত ছিলেন। পড়াশোনা শেষে শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছিলেন এইচ টি ইমাম রাজশাহী সরকারি কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়ে। এরপর পাকিস্তানে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৯৬১ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।

এর পর ১৯৬২ তে তিনি পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে সদস্য হিসেবে তিনি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকুরি করেন। শুরুতে তিনি রাজশাহী কালেক্টরেটে তিনি ১৯৬২-১৯৬৩ মেয়াদে অ্যসিন্ট্যান্ট কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

এরপর তিনি পদোন্নতি লাভ করেন এবং ১৯৬৩-১৯৬৪ মেয়াদে নওগাঁ মহকুমা মহকুমা প্রশাসক বা এসডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর তিনি নারায়ণগঞ্জ মহকুমার এসডিও হিসেবে বদলী হন এবং প্রায় এক বৎসর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৫ তে তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। ১৯৬৮ সালে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন লন্ডনের স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে।

১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। ১৯৭৫-এর ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ক্যাবিনেট সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন। এরপর ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি যোগাযোগ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিবও হন।

গেল ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে উপদেষ্টার দায়িত্ব দেন। প্রথমে তিনি  জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এরপর ২০১৪ সালে তাকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসুত্রঃ উইকিপিডিয়া।

আফগানিস্তানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ৩ নারী সাংবাদিক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আফগানিস্তানের জালালাবাদ শহরে বন্দুকধারীদের গুলিতে একটি টেলিভিশন স্টেশনের ৩ নারী সাংবাদিক নিহত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদেরকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে। খবর- সিএনএন।

সিএনএন এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওই নারীদের বয়স ১৮ থেকে ২০। দু’টি পৃথক ঘটনায় ওই নারীদের হত্যা করা হয়েছে তবে এসব হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয় ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে হামলার পর চতুর্থ আরও এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার প্রধান হামলাকারীকে তারা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তালেবানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে তালেবানের পক্ষ থেকে এই হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

যে তিনজন নারীকে হত্যা করা হয়েছে তারা বেসরকারিভাবে পরিচালিত ইনিকাস টিভি স্টেশনের ডাবিং বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ইনিকাস টিভির প্রধান জালমাই লাতিফি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বার্তা সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মুরসাল ওয়াহিদি নামের এক নারী কর্মী বাড়ি ফেরার পথে বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। বাকি দু’জন হলেন শাহনাজ এবং সাদিয়া। তারা পৃথক হামলায় নিহত হয়েছেন। ওই নারী কর্মীরাও বাড়ি ফেরার পথেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

এএফপিকে জালমাই লাতিফি বলেন, ‘তাদের সবার মৃত্যু হয়েছে। তারা কাজ শেষে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।’ এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় আহত এক নারীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।

ইনিকাস টিভি স্টেশন জানিয়েছে, তাদের ১০ জন নারী কর্মী আছে। এর আগে গত ডিসেম্বরে মালালাই মাইওয়ান্দ নামে এক সংবাদ উপস্থাপিকা নিহত হন। এ পর্যন্ত তাদের চারজন নারী কর্মী নিহত হয়েছেন।

এদিকে, গত মাসেই রাজধানী কাবুলে সুপ্রিম কোর্টের দুই নারী বিচারককে হত্যা করা হয়। সুত্রঃ সিএনএন। 

 

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী আজ বুধবার (৩ মার্চ) বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় এ নিয়ে আরো ৯ জন জান্তা বিরোধী বিক্ষোভে নিহত হয়েছে। খবর- বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে একটি বিক্ষোভে সংঘর্ষের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে দুজন নিহত হয়। ইয়াঙ্গুনে পুলিশের গুলিতে আরও একজন নিহত হয়।

মিংগিয়ান শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সাগাইং অঞ্চলের মনওয়া শহরে পুলিশের গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্রকে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

এদিকে বুধবার বার্তা সংস্থা এপি’র একজন ফটোগ্রাফারসহ ছয়জন সাংবাদিককে আটক করেছে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সহযোগিতা জোট আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে মিলিত হন। তবে ওই বৈঠকটি তেমন ফলপ্রসূ হয়নি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চিসহ মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারের প্রেসিডেন্ট ও অধিকাংশ মন্ত্রীদের আটক করে। এর কয়েকদিন পর থেকেই দেশটির সর্বস্তরের জনতা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু কর।অভ্যত্থানের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ এসব বিক্ষোভ সহিংসভাবে দমন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জান্তা সরকার। এ পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৩০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক। সেইসাথে প্রতিদিন চলছে ব্যাপক ধরপাকড়।

মিয়ানমার নাউ সংবাদ সস্থা জানিয়েছে, বুধবার ইয়াঙ্গুনে ৩শ জনের মতো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। পশ্চিমের চিন প্রদেশ, উত্তরের কাচিন প্রদেশ, উত্তরপূর্বের শান প্রদেশ, সাগাইংয়ের কেন্দ্রীয় অঞ্চলসহ সারা দেশেই বিক্ষোভ কর্মসূচী চলেছে।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৮টি এন্টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট গোলা উদ্ধার

সিলেট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ভারি অস্ত্রের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে ১৮টি এন্টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট গোলা উদ্ধার করেছে বিজিবি।

আজ বুধবার (৩ মার্চ) দুপুরের দিকে বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সামিউনন্নবী চৌধুরী এ তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত করেন।

লে. কর্নেল সামিউনন্নবী চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি বিশেষ টিম সাতছড়ির গহীন অরণ্যে সীমান্তবর্তী পাহারের গর্তের ভেতর থেকে এ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রথমে র‌্যাব ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান ও ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার করে।

এরপর একই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফার প্রথম পর্যায়ে উদ্যানের গহীন অরণ্যে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগজিন, ২৫০ গুলির ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রিনটত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

ফের পঞ্চম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়।

সবশেষে ষষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

 

জেদ্দা দুতাবাসে চাকুরি করে জামাতিদের ভিসা দিয়ে দেশ পলায়নে সাহায্য করছে রাজাকারের সন্তান।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যশোরের কুখ্যাত রাজাকার আনোয়ার হোসেন উরফে আনু রাজাকারের বড় ছেলে মুহাম্মদ কামরুজ্জামান ২৪ তম বিসিএস ক্যাডার হয়ে বর্তমানে জেদ্দা দুতাবাসে কর্মরত আছেন। তার অপকর্মের ব্যাপারে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে তাকে বদলি করে আবু লায়েস কে পদায়ন করা হয়।

কিন্তু সে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন জেদ্দায় তার অবস্থান দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করেছে। এবং সাথে সাথে স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়ে আবু লায়েস এর ভিসা দীর্ঘায়িত করতে বিভিন্ন ছল চাতুরিকতা করছে বলে জানা যায়।

সুত্র মতে জানা যায়, তার পুরো পরিবার জামায়াত ও শিবিরের বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত আছে। এবং সে নিজেও স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সময়ে শিবিরের বিভিন্ন পদে ছিলো।

আরো জানা যায়, চট্টগ্রামের লালখান বাজারের মাদ্রাসার বোমা হামলার অন্যতম আসামী হারুন ইজহার এর সাথে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

 

সে চাকুরি পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করলে জানা যায়, তৎকালিন বিএনপি সরকারের মন্ত্রী রাজাকার গোলাম আজমের তদবিরে সে এই চাকুরি পায়। বিএনপি সরকারের পতন ঘটলে সে তাবলিক এর আড়ালে বিভিন্ন জঙ্গী সংঘঠনের সাথে সখ্যতা রাখে। এবং ফিন্যান্সিয়াল ভাবে তাদের কে সহযোগিতা করতে ২০১৯ এর নির্বাচনের আগে জামায়াতের বিভিন্ন এজেন্ট দের জেদ্দার ভিসা নিয়ে দিয়ে মোটা অংকের টাকা নিতো এবং সে টাকা বিভিন্ন জঙ্গী সংঘঠন কে বরাত দিতো।

বর্তমানে জেদ্দায় থাকা প্রবাসীরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বরাস্ট্র মন্ত্রী কে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে প্রবাসীরা। তাকে দেশে ফিরত সহ তার বিরুদ্ধে তদন্ত স্বরুপ আইনী ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে জেদ্দা প্রবাসীরা