প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা সিএমএইচে ভর্তি

সিএনবিডি ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজধানী ঢাকার  সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। কিডনি জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে দুই সপ্তাহ আগে তিনি সিএমএইচে ভর্তি হন। গতকাল মঙ্গলবার থেকে তার শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে বলে বিশ্বস্ত একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

আজ বুধবার (৩ মার্চ) সকালে এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমামের স্ত্রী জানান, এইচ টি ইমাম সিএমএইচে ভর্তি রয়েছেন।

এদিকে সূত্র বলছে, এইচ টি ইমাম দীর্ঘদিন ধইে কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। সাম্প্রতিক সময়ে অসুস্থতা বাড়লে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি চিকিত্সাধীন। কিন্তু শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হয়ে ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৮২ বছর বয়সী হোসেন তৌফিক ইমাম। যিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এইচ টি ইমাম নামেই বেশি পরিচিত।

 

সিলেটের কানাইঘাটে র‌্যাবের অভিযানে জাল টাকাসহ জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের কানাইঘাটে ১০ হাজার টাকার জাল নোটসহ জালিয়াত চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২ মার্চ) দিবাগত দুপুরে উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯ এর একটি দল।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে আফতাব উদ্দিন (৫৫) ও নিজ চাওড়া দক্ষিণ গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে আব্দুল জলিল (৩৬)।

মঙ্গলবার র‌্যাব-৯ এর গণমাধ্যম বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সদর কোম্পানী (সিলেট ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল মেজর শওকাতুল মোনায়েম, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ওবাইন এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আফসান-আল-আলমের নেতৃত্বে সিলেট জেলার কানাইঘাট থানার কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে থেকে জাল ১০ হাজার টাকা, মানি রিসিপ্ট ১০ বান্ডেল জব্দসহ জালিয়াত চক্রের সক্রিয় সদস্য আফতাব উদ্দিন ও আব্দুল জলিলকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছে।

ইরাকে আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে ১০ রকেট হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলের আল-আনবার প্রদেশের মার্কিন নিয়ন্ত্রিত আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১০টি রকেট হামলা হয়েছে। দেশটিতে সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র কর্নেল ওয়েইন মারোট্টো এ তথ্য জানিয়েছেন।

আজ বুধবার (মার্চ) ভোরে মার্কিন নিয়ন্ত্রিত ওই বিমানঘাঁটিতে রকেট হামলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এই বিমানঘাঁটিতে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা ও বহু জঙ্গিবিমান রয়েছে।

ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, আজ সকালে বিমানঘাঁটিতে ১০টি কাতিউশা রকেট আঘাত হেনেছে। এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

গত সপ্তাহে ইরাক-সিরিয়া সীমান্তে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী, এরপরই এই রকেট হামলার খবর এলো। সম্প্রতি ইরাকে মার্কিন স্বার্থে হামলা বেড়েছে। সেদেশের জনগণ ও রাজনৈতিক নেতারা মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে।

এর আগে ইরাকে এ ধরণের হামলার বিষয়ে তদন্ত করতে সেদেশের বিভিন্ন সংগঠন এবং প্রতিবেশী দেশ ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ইরাকি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, আইন আল-আসাদ হচ্ছে সেই ঘাঁটি যেখানে গত বছর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে সেটিকে তছনছ করে দিয়েছিল ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে সেখানে হামলা চালিয়েছিল ইরান। সুত্রঃ পার্সটুডে। 

বিএনপির স্বাধীনতা দিবস পালন তামাশা: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে বিএনপি বারবার স্বাধীনতার চেতনা ও মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে মিলে বিএনপির স্বাধীনতা দিবস পালন তামাশা ছাড়া কিছু নয়।

আজ বুধবার (৩ মার্চ) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ-কমিটির পরিচিতি সভায় কাদের তাঁর সরকারি বাস ভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

বিএনপির সমাবেশ উপলক্ষে বাস বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশের কারণে বাসমালিকরা জ্বালাও পোড়াওয়ের ভয়ে বাস চালানো বন্ধ করে দেয়। এতে সরকারের কোনো হাত নেই। বিএনপি লাঠিসোটা দিয়ে পুলিশকে পেটাচ্ছে এটা জনগণ দেখছে। এটাই বিএনপির রাজনীতি। বিএনপি তাদের নেতিবাচক রাজনীতির ধারা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। অপরাজনীতির কারণে জনগণ ও নেতাকর্মী থেকে বিএনপি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ভোট নেই। তাই পরাজয় নিশ্চিত জেনে তৃণমূল নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছে।’

এ সময় নিজ দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অনেকেই উপ-কমিটিতে নাম লেখানোর পর আর খোঁজ-খবর পাওয়া যায় না। উপ-কমিটির সদস্য পদে নাম লিখিয়ে কেউ কেউ কার্ড ছাপিয়ে নানা অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আবার একজন বিভিন্ন কমিটেতে নাম লেখান, তাদের নাম সব কমিটি থেকে বাদ দেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দীর সঞ্চালনায় পরিচিতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপাসহ ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।

 

দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হলেন মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ

সিএনবিডি ডেস্কঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ। একই সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হককে দুদকের কমিশনার করা হয়েছে।

আজ বুধবার (০৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আজ মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ দুদকের নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম নিয়োগের গেজেটে সই করেন।

উল্লেখ্য, দুদকের বর্তমান চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ ও কমিশনার আমিনুল ইসলামের মেয়াদ ১৩ মার্চ শেষ হবে।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন; ২০০৪-এর ১৩ ধারার বিধানমতে, কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারক এবং কমিশনার মো. জহুরুল হকের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারকের সমরূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।

জিরা পানির ম্যাজিকাল গুণাগুণ সম্পর্কে জানেন কী?

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ কিউমিন বা জিরা প্রতিটি দেশীয় রান্নাঘরের প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় একটা মশলা। জিরা হল ভেষজ বা মেডিসিনাল গুণ সম্পন্ন অন্যতম একটা মশলা যা রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করে। তবে মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি আপনি অন্যভাবেও খেতে পারেন। যেমন ধরুন পানিতে মিশিয়ে। জিরা মিশ্রিত পানি শরীরের জন্য অনেক স্বাস্থ্যসম্মত।

প্রাকৃতিক উপাদান জিরায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি-কার্সিনোজেনিক প্রোপার্টিজ, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেলসহ বিভিন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড মানবদেহের অনেক উপকার করে থাকে।

চলুন এবার তাহলে ম্যাজিকাল গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

  • জিরা পাচক রস বৃদ্ধি করে হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে। এর বীজ উচ্চ লৌহ সমৃদ্ধ প্রতি এক চা-চামচ জিরাতে এক দশমিক চার মিলিগ্রাম পরিমাণ লৌহ থাকে। এছাড়াও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে জিরা। নিয়মিত খাওয়ার ফলে শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর হয়। এছাড়াও শরীরের প্রদাহ কমানোর সঙ্গে চর্বি কমাতে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে ভূমিকা পালন করে জিরা।
  • নিয়মিত জিরা পানি পান করার ফলে শরীরে পানির অভাব দূর হয়। পাশাপাশি দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শরীর শুকিয়ে গিয়ে কোনো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এছাড়াও জিরার ভেতরে থাকা একাধিক উপাদান শরীরে প্রবেশের পর শক্তি বৃদ্ধি এবং এতে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।
  • প্রতিদিনের ডায়েটে জিরার পানীয় রাখার ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত এই পানীয় পানে ত্বকের ভেতরে পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এর প্রভাবে স্কিনের ভেতরে থাকা টক্সিন উপাদান বাইরে বের হয়। এতে করে ত্বকের বয়সের ছাপ দূর হয় এবং ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।
  • নিয়মিত জিরা পানি পান করলে শরীরের ভেতরে ডায়াজেস্টিভ এনজাইমের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং সেই সঙ্গে লিভারে অবস্থান করা ক্ষতিকর টক্সিন উপাদান বের হয়ে যায়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
  • জিরা পানির মধ্যে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করবার গুণ আছে।
  • আমরা অনেক সময়ে ঘুমের সমস্যায় ভুগি যার প্রতিফলন আমাদের রোজকার কাজ ও কর্মক্ষমতার ওপর পড়ে। প্রতিদিন  জিরা পানি খাবার পরে ঘুমের সমস্যা দূর হয়ে গভীর ও ব্যাঘাতহীন ঘুম হয় সেটা প্রমাণিত।  সূত্র: বোল্ড স্কাই

 

বড়লেখার সুজাউল কমিউনিটি ক্লিনিকে দুঃসাহসিক চুরি

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার জেলার অধিনস্ত বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সুজাউল কমিউনিটি ক্লিনিকে মঙ্গলবার রাতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে কর্মরত সিএইচসিপি ক্লিনিকে এসে দরজার গেইটের তালা ভাঙা দেখতে পান,  ভেতরে  ঢুকে দেখতে পান চুরেরা আলমারী ভাংচুর সহ ঔষধ এলোমেলোভাবে করে রেখেছে। চুরেরা কমিউনিটি ক্লিনিকের দুটি ফ্যান, পানির মটর , নগদ টাকা সহ অনেক মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।ক্লিনিক কর্মকর্তা কুলাউড়া থানাকে অবগত করলে,পুলিশ কর্মকর্তাগন ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রত্নদীপ বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহাব উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খন্দকার আজিজুর রহমান পংকী মাষ্টার, কমিউনিটি ক্লিনিক সভাপতি আব্দুল আজিজ সহ পুলিশ ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেছেন।পরিদর্শন শেষে আলামত সংগ্রহ করা হয় এবং ক্লিনিক কতৃপক্ষের বরাত হতে মামলা বা অভিযোগ করা হয়নি।

বড়লেখা থানার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর সরদার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। কিন্তু ক্লিনিক কতৃপক্ষ হতে এখনও কোন মামলা ও অভিযোগ নিয়ে আসেনি। কতৃপক্ষ আসলে অবশ্যই আমরা আইন কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।

আপনাদের দোয়া এবং সহযোগিতা চাই; সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোর্শেদ খান

মোঃ খোরশেদ আলম, মুরাদনগর, কুমিল্লা  প্রতিনিধিঃ প্রাণ সংহারী করোনা ভাইরাস মহামারির শেষ কবে—বিশ্ব জুড়ে এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা হলেও এর মধ্যেই দেশে সময় ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের। আইন অনুযায়ী এ বছরের মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে ইউপি নির্বাচন শুরু করতে হবে, আর শেষ করতে হবে জুনের আগেই।বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হয় ঐ বছরের ৪ জুন। আইন অনুযায়ী কোনো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

মার্চ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা।এই নিয়ে সারা দেশের মতো ১৬নং ধামঘর  ইউনিয়ন নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া ইউনিয়ন এর বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।মুরাদনগর  উপজেলার ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন যুবসমাজের আইকন, উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের অহংকার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী  যুবলীগের আহবায়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য মোর্শেদ খান।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোর্শেদ খান বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজন গ্রহণযোগ্য। মোর্শেদ খান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে,মোর্শেদ খান একজন সৎ, নিষ্ঠাবান যুবনেতা। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মোর্শেদ খান ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

মোর্শেদ খান বলেন,আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

 

শাহপরাণ বিআইডিসি এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে সরকারি টিলা কাটার মহোৎসব!

মো.আমিন আহমেেদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ পৃথিবীর পরিবেশ আজ হুমকির মুখে অথচ এ সময়ে সিলেটের শাহপরাণ বিআইডিসি এলাকায় চলছে টিলা কাটার মহোৎসব। 

সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করে উদ্বেগজনকভাবে পাহাড়,টিলা ও বন কেটে উজাড় করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাহাড়,টিলা ও বন কাটার কারণে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যাবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে। এর ফলে ভূমি ধ্বংসসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন স্থাপনা,বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা রয়েছে। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে একটি প্রভাবশালী চক্র বেপরোয়া ভাবে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে ধ্বংস করছে।

অভিযোগ উঠেছে ,সিলেট মহানগরের শাহপরাণ থানাধীন বিআইডিসি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র নানাভাবে সরকারি ভূমি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে দখল ও বিক্রি করে আসছে । শাহপরাণ থানার খাদিমনগর মৌজার ১১৫৫ দাগসহ অন্যান্য দাগের ভূমি অবৈধভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বিক্রি করছে একটি প্রভাবশালী চক্র।

স্থানীয়রা জানান,খাদিমপাড়া এলাকায় ভূমিখেকােদের বিরুদ্ধে অভিযােগ দীর্ঘদিনের। এখনও সেখানে সরকারি ভূমি দখল,পাহাড়-টিলা কাটার মহােৎসব চলছে। অসংখ্য স্থানে পাহাড় ও টিলা কাটা হচ্ছে বিরতিহীনভাবে । এসব টিলা ও পাহাড়ের মাটি কেটে বিক্রি করছে পাহাড়খেকো চক্র। পাহাড় টিলা কেটে গড়ে উঠছে জনবসতি যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

স্থানীয়দের অভিযোগ,দীর্ঘদিন যাবৎ শাহপরান থানা এলাকায় পাহাড় কাটার মহোৎসব চালিয়ে গেলেও উপজেলা প্রশাসন এবং থানা পুলিশের রহস্যজনক নীরব ভূমিকায় জনসাধারণ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

সংশ্নিষ্ট প্রশাসনকে হাত করে পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। পাহাড় কাটারোধে প্রশাসনকে অবগত করলেও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলে দিন দিন টিলা ও পাহাড় কাটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে একদিকে সবুজেঘেরা সিলেট যেমন হারাচ্ছে সৌন্দর্য অপরদিকে পাহাড়কাটার কারণে দিন দিন ছোট হয়ে আসছে পাহাড় ও বনাঞ্চলের আয়তন।

পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের নিকট স্থানীয়দের আবেদন- পাহাড়,টিলা কেটে অবৈধ ভাবে দখল ও ক্রয়-বিক্রয় বন্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারি খাস জমি রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রাখা হোক।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটের পরিচালক এমরান হোসেন জানান, পাহাড় কাটা আইনগত ভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিবেশ বিধ্বংসী একটি কাজ। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমরা সর্বদা সচেষ্ট।এসবের বিরুদ্ধে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসছি এবং অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাসহ মামলা করেছি।

এ বিষয়ে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন,কেউ যদি অবৈধভাবে পাহাড় কাটে তাহলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর ৬ (খ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারি বা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তি মালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কর্তন বা মোচন করতে পারবে না। তবে অপরিহার্য জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনে অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে পাহাড় বা টিলা কাটা যেতে পারে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তাই স্থানীয়, সচেতন মহল সরকারি টিলা কাটা ও টিলা খেকোদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

মুরাদনগরে আগুন কেড়ে নিল তিন রিকসা চালকের স্বপ্ন

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ হানিফ মিয়া খেটে খাওয়া মানুষ,অভাবের সংসার। দিন আনে দিন খায়। এমন অবস্থায় মরার ওপর খাড়ার গাঁ। আগুনে পুড়ে গেছে রঙ্গিন স্বপ্নের অটো রিকসাটি। যাকে নিয়ে হানিফ স্বপ্ন দেখছিল অনেক কিছু।
পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে একমাত্র তার অবলম্বন ছিল অটোরিকসাটি। স্বপ্নে দেখেছিল তা দিয়ে অভাব কিছুটা লাগব করা যাবে। যার কথা বলছি তিনি হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর (লোহাগাড়া) গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে হানিফ মিয়া।
গত শনিবার রাত আনুমানিক ৩টায় হানিফ মিয়ার গ্যারেজে আগুনের সুত্রপাত হয়ে বসতঘরটিও পুড়ে ছাই হয়। সাথে পুড়েছে, টিভি, ফ্রিজ, আলমিরা, সুকেজ, হাঁস, মুরগিসহ ঘরের সকল আবাসপত্র এবং ঘরে থাকা ৩টি অটো রিকসা। এরমধ্যে হানিফ একটি অটো রিকসা চালিয়ে জীবীকা নির্বাহ করতো। আরেকটি চালাতো তার ছোট ভাই আরিফ মিয়া। অন্যটি পাশের বাড়ির মনিরুজ্জামানের ছেলে শামীম মিয়া চালাতো। ২০/২৫ দিন পূর্বে শামীম অটো রিকসাটি কিনেছিল। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, অটো রিকসাটি শামীম হারিয়ে এখন নিঃস্ব। বাবারও তেমন অর্থকড়ি নেই। করোনার পরিস্থিতিতে এমনিতেই আয়-রোজগার বন্ধ। এর মাঝে আবার দুর্ঘটনা। সব মিলে শামীম এখন বড়ই অসহায়। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটাবে সেই চিন্তায় হানিফ দু’চোখের সামনে অন্ধকার দেখছেন বলে সাংবাদিকদের জানায়।
সর্বশান্ত আরিফ মিয়া বলেন, আগুনে তার স্বপ্ন ও সম্বল সবই শেষ। এমনকি তার পরিবারবর্গ নিয়ে দু-মুঠো চাল রান্না করে ভাত খাবে সেই ব্যবস্থা টুকুও নেই। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে তার দিনমুজুরি কাজ করা ছাড়া কোন উপায় নেই। এমন অবস্থায় কোন হৃদয়বান ব্যাক্তি সাহায্যার্থে এগিয়ে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবার উপকৃত হবে।
পাহাড়পুর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস ছামাদ মাঝি বলেন, অটো রিকসা চার্জার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি। তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ওই পরিবার গুলোকে শান্তনা দেই। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসও এসেছিল। এলাকাবাসী প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। আগুনে প্রায় ৭/৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। লিখিত ভাবে জানালে ওই পরিবার গুলোকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।