জবি ছাত্রী হলের সামনে ভ্যান-রিকশাস্ট্যান্ডে দেদারসে চলে মাদকের আড্ডা

যুবায়ের ইবনে জহির, জবি প্রতিনিধিঃ বাংলা বাজারের নিকটস্থ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী হলের সামনেই দীর্ঘদিন ধরেই গড়ে উঠেছে ভ্যান-রিকশাস্ট্যান্ড। গত বছরের ২০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে হল উদ্বোধন হলেও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে হলের অগ্রভাগের এই জায়গা।

সন্ধ্যা হলেই ঝুপড়ি বেধে প্রকাশ্যে শুরু হয় মাদকের ব্যবহার। শিক্ষার্থীদের দাবি, তাদের সুবিধার্থে হল চালু হওয়ার আগেই যেন রিকশা ও মাদকের আড্ডাখানা সরানো হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রী হলের গেটের সামনে থেকে প্রায় ৫০ মিটার জায়গাজুড়ে ভ্যান-রিকশায় সম্পূর্ণ ভরে রয়েছে। এতে মাঝে মাঝে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ যাতায়াতকারীদের। রিকশা-ভ্যানে অবস্থানকারীরা অনেক সময় বাজে মন্তব্যও করে বসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী বলেন, করোনার কারণে আমরা এত দিন বাড়িতে ছিলাম। ঢাকায় এসে আমরা কৌতূহলবশত পাঁচ জন বান্ধবী হল দেখতে আসি কিন্তু দূর থেকে দেখি ভ্যান-রিকশায় বসে থাকা লোকগুলো আড্ডা দিচ্ছিলেন ও ধূমপান করছিলেন। এমন অবস্থা দেখে আমরা আর ভেতরে প্রবেশ না করে ফিরে আসি। আমরা চাই, হল খোলার আগেই যেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এগুলো উচ্ছেদ করে দেয়।

অন্যদিকে একই পথে বাংলা বাজার সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয় শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদেরও। এক অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমার মেয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে। আমি ও আমার মেয়ে এসেছি বই নিতে। জানুয়ারি মাসে আমরা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম বেড়াতে, গতকাল ঢাকায় এসেছি এবং আজ বই নিতে আসলাম। গেটের সামনে এমন অবস্থার কারণে আমাদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আমার বাসা কাছেই তবুও মেয়েকে একা ছাড়তে ভয় করে এদের জন্য। মাঝে মাঝে ডিস্টার্বও করে এরা।

এ বিষয়ে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এস. এম. আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আসলে পুরান ঢাকায় জায়গা স্বল্পতার কারণে জায়গা ফাঁকা থাকে না। আর হলটি আমরা এখনো বুঝে পাইনি। হলের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় প্রকল্প পরিচালক আমাদের এখনো হল হস্তান্তর করেনি। তাই আমরা কিছু করতে পারছি না। তবে হল চালু হওয়ার আগেই আমরা সমস্যাটির সমাধান করবো।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ছাত্রী হলের এরিয়ায় যত্রতত্র রিকশা-ভ্যান রাখা ও সেখানকার অনৈতিক কাজকর্ম সম্পর্কে প্রশাসন অবগত নয়। তবে ছাত্রী হলের এরিয়াটা সূত্রাপুর থানার আওতাধীন। আমি অতি দ্রুতই দায়িত্বরত অফিসারের সঙ্গে কথা বলে ভ্যান-রিকশা সরানোর ব্যবস্থা করবো। পরবর্তীতে আর সমস্যা হবে না।

 

দেবিদ্বারে নৌকার বিজয় ঠেকানো যাবেনা’-আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ হোসেন

শাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, দেবিদ্বার, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ বিএনপিকে চাপাবাজের দল উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ হোসেন  বলেন, বিএনপির অবস্থা ভালো না, তারা নিজেরাই জানেনা তাদের ভবিষ্যৎ কি,  আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি  নৌকার মার্কার বিজয়  নিশ্চিত। যারা এখনও দুল্যমান তারা এখনও সময় আছে নৌকায় ওঠে যান, অন্যদিকে যেয়ে কোন লাাভ নেই।
তিনি বিএনপির প্রার্থীর উদ্যেশে বলেন, আপনার নেত্রী চুরির দায়ে জেল খেটেছেন, আরেক নেতা দণ্ড নিয়ে পালিয়ে আছেন, আপনি প্রার্থী হয়েছেন ভালো কথা আপনি নিজেও জানেন আপনি জিতবেন না, সুতরাং আপনার নেতা কর্মী নিয়ে নৌকায় ওঠে যান, রাজীর চাচা বলতে কেউ নেই, তিনি বেঈমান চাচা, রাজী হচ্ছে শেখ হাসিনার লোক, রাজী কখনো নৌকার বেঈমানী করতে পারে না। মঙ্গলবার বিকালে এবিএম গোলাম মোস্তফা স্টেডিয়ামে  আয়োজিত দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ উপনির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচনী পথসভায় বক্তারা আরও বলেন, চারদিকে নৌকার জোয়ার উঠেছে, দেশ চালায় নৌকার প্রধানমন্ত্রী,  দেবিদ্বার সংসদ সদস্য নৌকার, দেবিদ্বারের মানুষ নৌকার পক্ষে সুতরাং যারা অন্যচিন্তা করে ঘুম হারাম করছেন কোন লাভ নেই, বিএনপি আর কোন দিনও ক্ষমতার মুখ দেখবে না।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রে কেন্দ্রে নৌকার পাহারা দিবেন, নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা  যারা করবে তাদের কোন অবস্থাতেই মাঠে উঠতে দিবেন না। আমরা নৌকাকে বিজয়ী করে প্রধানমন্ত্রীকে দেখিয়ে দিতে চাই দেবিদ্বারের নৌকা ছাড়া আর কিছুও নেই।
নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি একটি বারের জন্য সুযোগ চাই, আমি যদি আপনাদের সেবা দিতে ব্যর্থ হই আর কোনদিন আপনাদের সামনে আসবো না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন, দয়া করে আমাকে আপনাদের পাশে থাকার সুযোগ দিন, কথা দিচ্ছি, আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সাথে নিয়ে দেবিদ্বাকে উন্নয়নের রোল মডেল করব।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মো. লুৎফর রহমান বাবুলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি আব্দুস সবুর, কুমিল্লা উত্তরজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি  ম.রহুল আমিন, সহসভাপতি সাবেক এমপি ও মন্ত্রী এবিএম গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাস্টার, কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আরফানুল হক রিফাত, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুজ্জামান মাস্টার।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন-কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের আহবায়ক বাহা উদ্দিন বাহার, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আবুল কাশেম চেয়ারম্যান,  জেলা পরিষদ সদস্য মোসা. শিরিন সুলতানা, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউছার অনিক প্রমুখ।

সিলেট প্রশাসনের সোর্স পরিচয়কারী মিজান মাদক ব্যবসায় অপ্রতিরোধ্য

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট : সিলেট নগরীর কাস্টঘর সুইপার কলোনীতে দেদারসে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা। ব্যাপারটা এমন দাড়িয়েছে যেন মাদক বন্দরের কাঁচাবাজারের শাকসবজি, বিক্রি করতে কোন বাঁধা নেই। আর এ ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা রাখছে সিলেট প্রশাসনের সোর্স পরিচয়কারী মাদক ব্যবসায়ী মিজান। শুধু কি মাদক বিক্রি? মাদক ব্যবসায়ীদের মদদ দাতা, ত্রানকর্তা হিসেবে সেল্টার দিয়ে সোর্স মিজান হয়ে উঠেছে তাদের মধ্যমণি।

জানা গেছে, নগরীর কাস্টঘরে রয়েছে মিজানের বিশাল বড় আস্তানা যা আন্ডারগ্রাউন্ড “ভাঙ্গাঘর” নামে পরিচিত। সাধারন মানুষ মাদক ব্যবসায়ী মিজানের বিরুদ্ধে যদি কেউ প্রতিবাদ করে তবে তাকে পরতে হয় বিভিন্ন  হামলা-মামলা আর হুমকির মুখে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কাস্টঘর সুইপার কলোনির অনেকেই জানিয়েছেন, মিজান সবসময়ই নিজেকে প্রশাসনের সোর্স পরিচয় দিয়ে আসছে। আর এই সূত্রে কাস্টঘর সুইপার কলোনী থেকে প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে নিয়মিত সাপ্তাহিক চাঁদাও তুলে নেয় মিজান। আর র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ লাগাতার অভিযান পরিচালনা করার পরও কাস্টঘরে থামছে না মাদক ব্যবসা।

এদিকে, সম্প্রতি রাধাঁ রাণী নামের একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে কাস্টঘর থেকে গ্রেফতার করছে র‌্যাব-৯ সিলেটের একটি দল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, এক মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে মিজান বলেন রাদা রানীকে র‌্যাবের কাছ থেকে ছাড়িয়ে দিবে তারপর ২,৫০,০০০টাকা নেয় মিজান র‌্যাবের কথা বলে। কিন্তু বিধি বাম। এখনো হাজতে রাধাঁ রানী। আর এখন মিজানের কাছে ওই টাকা চাইলে নানা ধরনের টালবাহানা শুরু করেছে সোর্স পরিচয় দেওয়া মিজান।

এ ব্যাপারে র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আবু মুছা মো শরিফুল ইসলাম’র সাথে যোগাযোগ করলে উনি জানান, আমাদের এরকম কোন সোর্স নেই, আর যদি র‌্যাবের কথা বলে কেউ কোন ধরনের খারাপ কার্যকালাপে লিপ্ত হয় তবে আমরা তার প্রতি আইননানুগ ব্যাবস্থা নিব।

চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী- (১)পাপ্পু লাল (২) পান্নু লাল (৩) শান্তি রানী (৪)বাঘা লালসহ আরো নাম না জানা অনেক মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে রয়েছে মিজানের ২৪/৭ হটলাইন। এছাড়া মিজানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে এ ব্যাপারে মিজানের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে কল রিসিভ করেন নি তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সু্ত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকায় সুইপার কলোনীতে মাদক বেচা কেনা, মাদক সেবন কেন্দ্রসহ  শিলং তীরের ব্যবসা (একধরণের জুয়া খেলা) ইত্যাদি নানান ধরনের অপরাধে সাথে জড়িত রয়েছে মিজান। মিজান এখন এসব কিছুতে নিজেকে নিবেদিত করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। এখনি সময় প্রশাসনের নজরে বিষয়টি এনে খুঁজে বের করা উচিত কে এই প্রশাসনের সোর্স পরিচয়কারী মিজান?  কি তার সত্যিকারের পরিচয়?

উল্লেখ্য, সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মোশারফের ভাই হলেন প্রশাসনের সোর্স পরিচয়কারী মিজান। গত ২০০৫/২০০৬ সালে র‌্যাবের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে মারা যায় মোশাররফ। তার পর থেকে বেপোরয়া হয়ে উঠেছে সোর্স পরিচয়কারী মিজান।

 

৪নং রৌমারী ইউনিয়ন নির্বাচনে সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ হারুন

সাকিব আল হাসান, রৌমারী(কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার  আসন্ন ৪নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সম্ভাব্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ হারুনর রশীদ প্রচার প্রচারনায় এগিয়ে রয়েছেন।
ইতোমধ্যে তিনি এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। প্রায় প্রতিদিনই  ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড, গ্রাম ও হাটবাজারে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া চাইছেন। মোটকথা ৪নং রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে  হারুনকে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী। এছাড়াও নতুন মুখ দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অধিকাংশ ভোটাররা। তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় রাস্তা,ঘাট,শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন হবে। এছাড়াও মাদক, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ মুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন হবে। গরীব দুখী মানুষ শেষ আশ্রয়স্থল খুজে পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাজারো মানুষ।
সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুনর রশীদ সিএনবিডি ডট টিভিকে বলেন, দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় , তাহলে আমি অবশ্যই বিজয়ী হবে। জনগণ আমার সাথে রয়েছে।‌‌‌‌আর দল যদি অন্য কোন কাউকে মনোনয়ন দেয় ,তবে দলের হয়ে তার পক্ষেই কাজ করে যাব। কারণ আমি দলকে ভালোবাসি।

সর্ব স্তরের জনসমাগমে মাতৃভাষা দিবস পালিত

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার সহ শ্রীমঙ্গল উপজেলা একুশে ফেব্রয়ারী মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে। একুশে ফেব্রুয়ারি  বাংলাদেশ সহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারী বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।
আজ ২১ ফেব্রয়ারী বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ১ম প্রহরে সবাই সম্মিলিত হয়ে শহীদদের স্বরনে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আগমন করেন শ্রীমঙ্গল পৌর শহীদ মিনারে। রাত ১২ ঘটিকার সময়ে তরুণ শহীদের প্রতি ফুলের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
এসময় শ্রীমঙ্গল পৌরসভা শহীদ মিনারে  বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এম.পি সভাপতি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ মহোদয়ের পক্ষথেকে ফুলের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, শ্রীমঙ্গল ও শ্রীমঙ্গল থানা প্রসাশন পক্ষথেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পরবর্তীতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবলীগ,ছাত্রলীগ,বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের পক্ষথেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব নজরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভপতি অর্ধেন্দ  কুমার দেব বেভুল,শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদ হোসেন ইকবাল, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অধ্যক্ষ সৈয়দ মনসুরুল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) জনাব আশরাফুজ্জামান আশিক,শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রেম সাগর হাজরা, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুছ ছালেক,শ্রীমঙ্গল থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির, শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাহ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডঃ সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী,শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডাঃ হরিপদ রায়, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুব্রধর, শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনাম হোসেন সহ আওয়ামী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সাংস্কৃতিক সংঘটন, সমাজ সেবামূলক সংঘটন সহ বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

বগুড়ার শেরপুরে বাস ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৬

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রাজশাহী  প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে চালকসহ ৬জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ১০ জন।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৫ টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকাল ৫টার দিকে বগুড়াগামী যাত্রীবাহী (এস আর পরিবহন) বাস ও ঢাকামুখী পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দুই ঘন্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিলো।

বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের সহকারি পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট অভিযান চালিয়ে আটকে পড়া আরো ১০জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা আ’ওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাই উপজেলা আ’ওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে সভা শুরু হয়। সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

বর্ধিত সভায় যোগ দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সাংসদ সদস্য বীর মুক্তি যোদ্ধা আব্দুল মালেক,নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ জাহাঙ্গীর সোহেল,সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিভাস চন্দ্র মজুমদার গোপাল নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছালীগ সেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমন। আত্রাই- রাণী নগর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল। সভা পরিচালনা করেন
উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল।

সভায় জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তি যোদ্ধা ও সাবেক সাংসদ সদস্য আব্দুল মালেক বলেন, বর্ধিত সভায় মেয়াদোত্তীণ ইউনিয়ন কমিটি গঠনের সন্মেলন আয়োজনের পাশাপাশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, দলে গ্রুপিং না রাখা সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ জাহাঙ্গীর সোহেল বলেন,‘ রাজনৈতিক কর্মকান্ড গতিশীল করার লক্ষে কেন্দ্রীয় নিদেশর্না অনুযায়ী সভার এজেন্ডা করা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতিও আহসানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আক্কাছ আলী জেলা নেতাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েতার বক্তব্য
রাখেন। উপজেলার বিভিন্ন স্তরের আওয়ামী লীগ, সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্ত্য রাখেন উপজেলা আযামী লীগ কমিটির সাংঘঠনিক সম্পাদক নাহিদ ইসলাম বিপ্লব, উপজেলা আযামী লীগ কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবু, আলমগীর হোসেন বাবর, আবুল কালাম ফৌজদার, মোঃশখিমুদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ আলা উদ্দিন , ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মান্নান মোল্যা, ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক নাজিমুল হক নাদিম, কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল আজিম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লগি দপ্তর সম্পাদক ফজলে রাব্বী জুয়েল, আবুল হাসান, উপজেলা যুব লীগের সভাপতি ও উপজেলা ভােইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান শেখ হাফিজুর রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারমান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী মমতাজ বেগম, মাধারণ সম্পাদিকা জাহেদা বেগম,যুব লীগ, ছাত্র লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকমীদের নামে তোরন দিয়ে ফেস্টুন ও তোরন দিয়ে সাজানো হয়েছে উপজেলা শহর কে। বর্ধিত সভাতে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেওসরব দলীয় নেতাকর্মীরা।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সবশেষ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলালকে সভাপতি ও চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। বতর্মানে ওই কমিটির মেয়াদ উত্তিন হয়ে পড়েছে। সবগুলো কমিটির মেয়াদ উত্তীণ হওয়ায় সাংগঠনিক কমকার্ন্ড ঝিমিয়ে পড়েছে। এ ছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বতমান কমিটি এগার বছর দায়িত্ব পালন করে চলেছে।

একুশে ফেব্রুয়ারী

আজ একুশে ফেব্রুয়ারী। ভাষার জন্য বাঙালী জীবন উৎসর্গ করেছে বাহান্নর এইদিনে। একুশই স্বাধীনতার প্রথম সূর্যোদয় বাঙালীর। এই দিনকে আঘাত করেছে অপশক্তি। শহীদ মিনার ভেঙ্গে দিয়েছে উপনিবেশিক শক্তি বরংবার। স্বাধীন বাংলাদেশেও শহীদ মিনারে আঘাত হেনেছে মৌলবাদি অপশক্তি। ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী হামলার ভয়ে এখন পুলিশ মোতায়ন করতে হয় শহীদ মিনারে। নগ্ন পায়ে প্রভাত ফেরিতে হেটে যাওয়া ছিল বাঙালীর হৃদয়ের আহবান। শ্রদ্ধায় অবনত বঙালীর শহীদ মিনারে যাওয়া ছিল কৃষ্টি। একটি গোলাপ হাতে প্রভাত ফেরিতে যোগ দিয়েছে বস্তির মজদুর থেকে বরেন্য মানুষটিও। আবেগে মত্ত হয়ে কন্ঠ মিলিয়েছে শহীদের গানে। আবাল বৃদ্ধ বনিতার বাঙালিত্বের অপুর্ব মিলন ছিল শোকের। অন্ধকার প্রভাতে শহর জুরে মানুষের মিছিল ছিল ঐক্যের। অবিরাম হেটে গেছে শোকাহত মিছিল বাতাস বিদীর্ন করে সুরের মুর্ছনা বেজেছে ” আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী”। শহীদ মিনার চত্তরে অগনিত মানুষের চলাচল ছিল নির্ভয়ে। এখন আনুষ্ঠানিকতা হয় প্রতিযোগিতা হয় কে আগে ফুল দিবে। কার ফুল উপরে ঝুলবে, মারামারি হয় ফটো সেশন করে ছবি দেখাতে টেলিভিশনে। সমর্থ না হলে ঝুঁকি নেয়না বেদিতে যাওয়ার। এমন প্রতিযোগিতায় শ্রদ্ধা থাকে না উদ্দেশ্যটিও ব্যহত হয় কসরতে।

৬৯ এর গন অভ্যুত্থানের মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ। তার নামেই আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে আসাদ গেট। আসাদ গেট এই দিনে সজ্জিত হতে পারে পুষ্পার্ঘ দিয়ে। এমনটি হয়নি আজও। একুশ প্রেরনা ছিল বাঙালীর, স্বাধীনতার প্রথম সুর্যোদয় ছিল। সালাম, জব্বার বরকতের জন্মাস্থান হতে পারত বেদি। স্বজন হারাদের শান্তনা হতে পারত এই দিনে। পরিচয় জেনে নতুন প্রজন্ম গবেষনায় উৎসাহী হত। এমনটি হলে স্বাধীনতার ইতিহাস বিপর্যয় হতনা। সাহস পেতনা ধর্মের নামে অপশক্তি। কৃষ্টির নামে সাংস্কৃতিক অনুপ্রবেশ ঠেকানো যেত। উদ্যোগটি নেয়নি কেউ কোন সরকারই। একুশের আনুষ্ঠানিকতা একটি দিনে বন্দি করে রেখেছে এখন। বিদেশী ভাষা জেঁকে বসেছে পাল্টে দিয়েছে কৃষ্ট বাংলার।
একুশে ফেব্রুয়ারী এখন আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। বিদেশেও পালিত হয়। প্রবাসীরা মিছিল করে পুষ্পার্ঘ ছিটিয়ে স্মরন করে শহীদদের। অস্থায়ী শহীদ মিনার গড়ে শ্বৈতপ্রবাহ উপেক্ষা করে হাজির হয় শ্রদ্ধা জানাতে শহীদদের। বিদেশীরা দেখে মুগ্ধ হয় বাঙালীর দেশ প্রেম দেখে। কিন্তু প্রবাসেও মৌলবাদি গোষ্ঠি প্রচার করে শহীদ দিবসে বেদিতে ফুল দেওয়া হারাম। প্রচারনায় তুষ্ট হয়ে বাঙালী গানের অনুষ্ঠান দেখতে যায় সেজেগুজে। শহীদ মিনারে যায়না হারামের ভয়ে। ফেসবুকের যূগে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এই হারামের প্রচারনা প্রবাসে।
বাংলাদেশেও বিদেশী শিক্ষার ছড়াছড়ি। কোমলমতি শিক্ষাত্রীরা ষষ্ঠ ঋতু জানেনা হেলোয়ীন পালন করে ঘটা করে। ক্রিষ্টমাসের ছুটিতে বার্গার খায় রেস্তোরায় বসে। বাংলা ভাষা তরুনদের কাছে সেকেলে। বড়রাও গর্ব করে ছেলে তার ইংরেজীতে কথা বলে। হাজার বছরের বাঙালী ঐতিহ্য এখন অচল। ১৮ কোটি মানুষের আত্নপরিচয় বিলুপ্ত প্রায়। এই আধুনিকতার জন্য বাঙালী রক্ত বিসর্জন দেয়নি। একুশ এই শিক্ষা দেয়নি তাই, হতবাক হই। শ্যমল সবুজ বাংলা গেল কই? ৭১ এর মুক্তিযূদ্ধ আর শহীদদের আত্নত্যগ কি বিফলে গেল তবে? আসুন এই দিনে মুজিবের কন্ঠে চিৎকার করে বলি আমি মানূষ, আমি বাঙলী, বাংলা আমার দেশ, বাঙলা আমার ভাষা। শহীদের প্রতি অবনত চিত্তে সালাম জানাই। তোমাদের আত্নত্যগ বৃথা যাবেনা- জয় বাংলা।

আজিজুর রহমান প্রিন্স
টরন্টো, কানাডা
২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১।

২৮১ বোতল মদ সহ মাদক কারবারী আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে  ২৮১ কেজি বোতল বিদেশী মদ ও মাদক বিক্রির ২,৩৪,০০০/ -টাকাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‍্যাব-৯ ৷

শনিবার (২০ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫ টার দিকে কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের ইটারঘাট থেকে তাকে আটক করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে র‌্যাব।

আটককৃত হলেন- কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের ইটারঘাট গ্রামের ওয়াতিয়ার আলী ছেলে মন্জুর আলী( ৪১)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার  এএসসি, মেজর আহমেদ নোমান জাকি,লেঃ কর্ণেল আবু মুসা, মোঃ শরীফুল ইসলাম পিএসসি,লেঃ কমাঃ সিঞ্জান আহমেদ,তাদের  নেতৃত্বে শনিবার কুলাউড়ার  শরীফপুর ইউনিয়নের ইটারঘাট গ্রামে অভিযান চালায় র‍্যাব-৯ ৷

সে সময় ১জন কে আটক করে র‍্যাব৷ আটককৃতর কাছ থেকে ২৮১ কেজি বোতল বিদেশি মদ এবং মাদক বিক্রির ২,৩৪,০০০/- (দুই লক্ষ চৌত্রিশ হাজার টাকা) উদ্ধার করা হয়।

কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মেজর আহমেদ নোমান জাকি বলেন, মাদকাসক্তি একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা। যে যুব সমাজ দেশ ও জাতির আগামী দিনের চালিকাশক্তি, তাদের একটি অংশ মাদকাসক্তির কবলে পড়ে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সবসময়ই মাদক উদ্ধারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে৷ মাদক ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত মাদক পরিবহনে নিত্য নতুন ও অভিনব কৌশল অবলম্বন করে আসছে। র‌্যাব এসকল মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে আইনের আওতায় আনতে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তিনি আরও বলেন ভবিষ্যতে র‌্যাব-৯ সিপিসি-২ (শ্রীমঙ্গল ক্যাম্প)এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে৷

এ ঘটনায় র‍্যাব বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে আলামত সহ আসামীকে সংশ্লিষ্ঠ থানায় প্রেরন করেন।