একুশ গুনীজনে পেলেন একুশে পদক

সিএনবিডি ডেস্কঃ এবারের ২০২১ সালের একশে পদক পেলেন একুশজন বিশিষ্ট গুনীজন। আজ শনিবার রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুনী একুশজনকে দেশের এই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক দেওয়া হল। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পদক তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এই পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

আজকের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন।

এ বছর ভাষা আন্দোলনে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে ৩ জন, শিল্পকলায় ৭ জন, ভাষা ও সাহিত্যে ৩ জন, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা ও অর্থনীতিতে একজন করে একুশে পদক দেয়া হয়।

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এ বছর একুশে পদক দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালে একুশে পদক পেলেন যারা-

ভাষা আন্দোলনে মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদার (মোতাহার মাস্টার) (মরণোত্তর), মরহুম আফসার উদ্দিন (মরণোত্তর) ও মরহুম শামছুল হক (মরণোত্তর); শিল্পকলা বিভাগে সঙ্গীতে পাপিয়া সরোয়ার, অভিনয়ে রাইসুল ইসলাম আসাদ, সালমা বেগম সুজাতা (সুজাতা আজিম), নাটকে আহমেদ ইকবাল হায়দার, চলচ্চিত্রে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী, আবৃত্তিতে ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় ও আলোকচিত্রে পাভেল রহমান; ভাষা ও সাহিত্যে কবি কাজী রোজী, গোলাম মুরশিদ ও বুলবুল চৌধুরী; মুক্তিযুদ্ধে ফজলুল রহমান খান ফারুক, গোলাম হাসনায়েন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর); সাংবাদিকতায় অজয় দাসগুপ্ত; গবেষণায় ড. সমীর কুমার সাহা; শিক্ষায় মাহফুজা খানম; অর্থনীতিতে ড. মির্জা আব্দুল জলিল;  সমাজসেবায় প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান।

পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, একটি সম্মাননাপত্র ও ৪ লাখ টাকার চেক দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।

নওগাঁয় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে “মুজিব শতবর্ষে শতবলের” ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে “মুজিব শতবর্ষে শতবলের” ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। নওগাঁ জেলা প্রশাসনের ব্যাবস্থাপনায় শুক্রবার বিকেল ৪টায় স্থানীয় ষ্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ খলিলুর রহমান, রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ হুমায়ূন কবির, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আব্দুল বাতেন, নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোকে নিয়ে মোট আটটি দলে বিভাজন করে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দলগুলো হচ্ছে জেলা প্রশাসন, বিচার বিভাগ, জেলা পুলিশ, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট নওগাঁ উপকেন্দ্র, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নওগাঁ সরকারি কলেজ ও বিএমসি মহিলা কলেজ সমন্বিত দল, জেলা শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সমন্বিত দল এবং জেলার অন্যান্য বিভাগ/দপ্তরের সমন্বিত দল।

চান্দিনায় বসত বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নিঃস্ব রিক্সা চালক

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ৮নং বরকইট ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুর (সায়েদ আলি মোড়) গ্রামের মোঃ রুহুল হোসেনের বাড়ির রিকশাচালক মোঃ হোসেনের বসতঘরে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব, পথের ফকির রিকশাচালক মোঃ হোসেন।
জানা গেছে, মঙ্গলাবার দিবাগত রাত আড়াইটায় হটাৎ আগুন লেগে মুহুর্তে লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।পরিবারের লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে এসে আগুন দেখে তাৎক্ষণিক চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি জানালে সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়।
এ সময়ে রিকশাচালকের মোঃ হোসেনের চার রুমের থাকার ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। থাকার ঘর,গরু ঘরে থাকা একটি গরু পুড়ে ছাইসহ আসবাবপত্র নগদ টাকা মিলিয়ে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মোঃ হোসেন জানান।
এ বিষয়ে রিক্সা চালক মোঃ হোসেন আরো বলেন,আমার ঘর,আসবাবপত্র,নগদ টাকা ও একটি গরুসহ প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়ে গেছে।আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি সরকারি সহায়তা চাই। তা না হলে বউ,বাচ্ছা নিয়ে পথে বসতে হবে”।
চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার বলেন,আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছি।স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রায় দেড় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে এসেছে। ধারনা করছি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের থেকে অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়েছে।ঘর,আসবাবাপত্র,একটি গরুসহ নগদ অর্থ পুড়েছে। প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে”।
এ বিষয়ে ৮নং বরকইট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বলেন,আমি আগুন লাগার খবর শুনে সকালে হোসেনের বাড়িতে গিয়েছি। তার সব পুড়ে শেষ। আমি খুব মর্মাহত হয়েছি। আমি স্থানীয়দের বলেছি তাকে সহযোগীতা করার জন্য। আমিও সহযোগীতা করবো। সরকারি সহযোগীতাও করা হবে”।

 

আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড.মোঃ আব্দুস এমপি কর্তৃক তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমি ভবন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় আলিনগর ছলিমগঞ্জ গ্রামে শিক্ষানুরাগী হাসান কাওসার ও তাঁর পরিবারিক উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত “তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের’ একাডেমি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গেল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ ঘটিকায় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস এমপি,অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আশেকুল হক, কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ৬ নং আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুল হক বাদশা,কমলগঞ্জ পৌরসভা মেয়র জুয়েল আহমেদ, কমলগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামছুন নাহার পারভীন প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের সাবেক সুপারিন্টেন্ডেন্ট তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

নীলফামারীর ডোমারে সমবায় সমিতির নামে ৬ কোটি টাকা লোপাট, মূলহোতা গ্রেফতার

মোঃ  মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে সমবায় সমিতির নামে ছয় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মূলহোতা মামুন হাসান মালিক ওরফে আদম সুফিকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গেল বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব-১৩ এর সদর দফতরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় সাভার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-১৩ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভার থেকে মামুন হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। সেখানে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে। তার সহযোগী অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও তৎপর রয়েছে র‌্যাব।

প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান জানান, গত বছরের নভেম্বরে মামুন হাসান মালিক ওরফে আদম সুফি ও তার সহযোগীরা ডোমার থানার সাহাপাড়ায় একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে ‘ডোমার বাজার ভোগ্যপণ্য সমবায় সমিতি’ চালু করেন। এলাকার বাসিন্দাদের তারা প্রলোভন দেখান, সমিতির মাধ্যমে সদস্যরা যে দামে পণ্য কিনতে চান, তাকে সেই পণ্যটি দেয়া হবে এবং সাত দিনের মধ্যে মূল টাকাসহ ১০ থেকে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ফেরত দেয়া হবে। এতে ১৮ থেকে ৪০ বছরের নারীরা সদস্য হতে পারবেন বলে জানানো হয়।

তিনি আরও জানান, সমিতির মাধ্যমে কয়েকজন নারী সদস্য প্রাথমিকভাবে তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মূল টাকাসহ লভ্যাংশ পাওয়ায় অনেকে প্রলুব্ধ হন। প্রায় সহস্রাধিক নারী নিজেদের সহায়-সম্বল বিক্রি করে সমিতিতে টাকা জমা দেন। এভাবে দুই মাসে প্রায় ছয় কোটি টাকা সংগ্রহ করে চক্রটি। একপর্যায়ে তারা সমিতির কার্যালয় বন্ধ করে উধাও হয়ে যায়। খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হওয়ায় বেশ কয়েকজন নারীকে তাদের স্বামীরা তালাক দেন। এতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে একজন নারীর মৃত্যুও হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত করা হয়। এছাড়া ইউএনও’র মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ভুক্তভোগী নারীরা গত বছরের ২০ ডিসেম্বর স্মারকলিপি দেন। পরে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি ভুক্তভোগী চারজন নারী ডোমরা থানায় প্রতারকদের নামে মামলা করেন। তারা র‌্যাব-১৩ ও র‌্যাবের নীলফামারী কোম্পানি কমান্ডার বরাবর অভিযোগ দেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, র‌্যাব কর্তৃক উক্ত ঘটনাটি অবগত হওয়ার পরপরই বিশদ অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনা করা হয়। একপর্যায়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের মূলহোতা মামুন হাসান মালিক ওরফে আদম সুফি ঢাকায় তার এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় গোপনে অবস্থান করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে সাভার থেকে গ্রেফতার করা হয়।

তরুন উদ‌্যেোক্তা সৃষ্টির লক্ষে স্টার্ট আপ চট্টগ্রাম ও সেবা উদ‌্যোক্তার যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর

তরুন উদ‌্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষে যৌথ ভাবে কাজ করবে আইসিটি ডিভিশান আইডিয়া প্রজেক্ট এর কমিউনিটি পার্টনার স্টার্ট আপ চট্টগ্রাম ও মোবিসেবা কমিউনিকেশানস লিমিটেড এর উদ‌্যোক্তা প্রজেক্ট সেবা উদ‌্যোক্তা। এ লক্ষে আজ স্টার্ট আপ চট্টগ্রাম ও সেবা উদ‌্যোক্তার মধ‌্যে এক যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্টানে স্টার্ট আপ চট্টগ্রামের পক্ষে স্টার্ট আপ চট্টগ্রামের ফাউন্ডার ও সিইও আরফাতুল ইসলাম আকিব ও মোবিসেবা কমিউনিকেশানস লিমিটেড এর ম‌্যানেজিং ডিরেক্টর ইফতেখার সাইমুন নিজ নিজ প্রতিষ্টানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় সেবা উদ‌্যোক্তার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হেড অফ মার্কেটিং সৈকত চৌধুরি ও হেড অফ অপারেশান মিঠুন দাশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে তরুনদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে স্টার্ট আপ চট্টগ্রামের সাথে প্রতিটি স্টার্টআপকে ডিজিটাল সার্ভিস সহায়তা প্রদান করবে সেবা উদ্যোক্তা।

ফঠিকছড়ির শোভনছড়িতে উদ্বোধন হলো মুজিব শতবর্ষ লং পিচ টেপ টেনিস গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

১৯ শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকাল তিন টায় ঐতিহ্যবাহী শোভনছড়ি ছায়ানীড় একতা সংঘ কতৃক আয়োজিত শোভনছড়ি নয়াহাট বাজার সংলগ্ন মাঠে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে লং পিচ টেপ টেনিস গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধনী খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে । উদ্বোধনী খেলায় শোভনছড়ি ছায়ানীড় একতা সংঘের সভাপতি মোঃ মনজুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুয়াবিল আধুনিক কিন্ডাগার্টেনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এম. নুরুল আলম নুরু । খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১নং সুয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান  জয়নাল আবেদীন । এতে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত সদস্য ও সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ১১নং সুয়াবিল ইউনিয়ন এর আহ্বায়ক  সুমন সিকদার।  উদ্বোধনী খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চুরখাঁহাট দক্ষিণ পাড়া ক্রিকেট একাদশ বনাম ফকির বাগিচা নবজাগরণ ক্লাব। খেলায় ফকির বাগিচা নবজাগরণ ক্লাব একাদশ কে ৮ উইকেটে হারিয়েছে চুরখাঁহাট দক্ষিণ পাড়া ক্রিকেট একাদশ। খেলায় ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন চুরখাঁহাট দক্ষিণ পাড়া ক্রিকেট একাদশের ক্রিকেটার লিয়াকত। খেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ বোরহান রেজা, মোঃ আরকাম রুমি, মোঃ পাভেল।

সিলেটে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নিষিদ্ধ ‘জঙ্গি’ সংগঠন হিযবুত তাহরীর

মো.আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ ‘জঙ্গি’ সংগঠন হিযবুত তাহরিরের পোস্টারে ছেয়ে গেছে সিলেট নগরী। গেল বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ‘খিলাফত রাষ্ট্র ধংসের একশ বছর’ শিরোনামে সংগঠনটির পোস্টার সাঁটানো দেখা গেছে। এতে দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী খ্যাত শান্ত নগরী সিলেটে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে নিষিদ্ধ ‘জঙ্গি’ সংগঠন হিজবুত তাহরির- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সচেতন ও ধর্মপ্রাণ মহল। এসব পোস্টারে বিশ্বের একশ শহর থেকে খিলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

পোস্টারে উল্লেখ, ‘খিলাফত রাষ্ট্র ধ্বংসের একশ বছর। বিশ্বের একশ শহর থেকে মুসলিম উম্মাহের প্রতি হিজবুত তাহরিরের আহ্বান- খিলাফত প্রতিষ্ঠা করুন।’

পোস্টারে আরও উল্লেখ, ‘অতপর আবার আসবে খিলাফত, নবুয়্যতের আদলে… আহ্বানে- হিজবুত তাহরির উলাইয়াহ বাংলাদেশ’।

হিজবুত তাহরিরের সাঁটানো পোস্টারে কোনো ফোন নাম্বার বা যোগাযোগের ঠিকানা দেয়া নেই। আছে শুধু একটি ই-মেইল।
তবে এই পোস্টার কে বা কারা কখন-কীভাবে লাগিয়েছে তা জানা যায়নি। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে দলের সমর্থকরা এ পোস্টার লাগিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে সিলেটের সাধারণ নাগরিকসহ সুশীল ও আলেম সমাজের মাঝে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

সচেতন মহল ও আলেমরা বলছেন, সিলেটসহ সারা দেশে প্রায়ই জঙ্গি তৎপরতা দেখা যায়। কিন্তু নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরির যখন প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে শান্ত সিলেটে নির্বিঘ্নে তাদের প্রচার চালায়, পোস্টার লাগায়, তখন এই নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতভাবেই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও যখন কোনো ধরনের বাধা-বিপত্তি ছাড়াই প্রকাশ্যে নিজেদেরকে জানান দিতে পারছে তখন খুব শীঘ্রই যে তারা বড় ধরনের ঘটনা ঘটাবে না- তার গ্যারান্টি কী?

বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত পদেক্ষপ নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিটি সার্ভিস) বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, বিষয়টি আমরা এখনও জানি না। তবে দ্রুত খোঁজ নেয়া হবে, কে বা কারা এমনটি করেছে।

বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের আরও বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর অপতৎপরতার বিষয়ে সিলেটে পুলিশ সর্বদাই তীক্ষ্ণ নজর রাখে। তাদের কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা তৎপরতা শক্তভাবে দমন করে পুলিশ। এ ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হবে না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, হিযবুত তাহরির নামের এই সংগঠন বাংলাদেশে কথিত আহলে হাদিস নামধারী গোষ্ঠীর মতাদর্শ প্রচার করে থাকে। এ সংগঠন সহিত আক্বিদার উপর প্রতিষ্ঠিত নয় বলে বিজ্ঞ ও মূল ধারার আলেমদের অভিমত। বিভিন্ন দেশে তাদের কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশে তারা ২০০১ সাল হতে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘জননিরাপত্তার স্বার্থে’ এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

এছাড়াও বিশ্বের অনেক দেশে এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর থেকে তারা চোরাগুপ্তাভাবে এভাবে দলের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিংবদন্তী অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান না ফেরার দেশে

সিএনবিডি ডেস্কঃ দেশ বরেণ্য, জনপ্রিয়, কিংবদন্তী অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তিনি আজ শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) ফজরের নামাজের পর পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে তাঁর নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান’র ছোট ভাই সালেহ জামান সেলিম তাঁর মৃত্যুর খবরটি আজ শনিবার সকালে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

সালেহ জামান সেলিম জানান, শারীরিক জটিলতা নিয়ে বিভিন্ন সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এ টি এম শামসুজ্জামান। তবে গত কয়েকদিন ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। গত পরশু রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালেও নেয়া হয়। অক্সিজেন কমে গিয়েছিলো। সেখানে চিকিৎসা শেষে শুক্রবারই বাসায় নিয়ে আসা হয় তাকে। আর আজ ফজরের নামাজের পরেই তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।

অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলাদেশে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে তার অবদান মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। রাষ্ট্রপতি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোক বার্তায় বলেন, জনপ্রিয় এই শিল্পী তার অসাধারণ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বরেণ্য এই অভিনেতার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে নারিন্দায় পীর সাহেবের বাড়িতে এবং দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ আসর সূত্রাপুর মসজিদে। এরপর এই অভিনেতাকে দাফন করার কথা রয়েছে জুরাইন কবরস্থানে।

অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি। ঢাকায় থাকতেন পুরান ঢাকার দেবেন্দ্র নাথ দাস লেনে। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পোগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাইস্কুলে। তাঁর বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল এবং শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন। মা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়।

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ছিলেন একাধারে পরিচালক, কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার। ১৯৬১ সালের শুরুতে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এ টি এম শামসুজ্জামান। প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ‘জলছবি’ ছবিতে। লিখেছেন শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী। তিনি প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি।

তাঁর অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ ছবি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চুর ‘আলফা’। যা ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

উল্লেখ্য, বরেণ্য এই অভিনেতা অভিনয়ের জন্য একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ২০১৯ সালে পেয়েছেন ২০১৭ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ‘আজীবন সম্মাননা’ পুরস্কার।

জনগণ থেকে নিতে আসিনি জনগণকে সেবা দেওয়ার জন্য এসেছি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবিএম.সিদ্দিকুর রহমান

মোঃ খোরশেদ আলম, মুরাদনগর প্রতিনিধিঃ মুরাদনগর উপজেলার ১৭নং  জাহাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৭নং জাহাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী,১৭নং জাহাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর বিশ্বস্ত আস্তাভাজন এবিএম.সিদ্দিকুর রহমান তিনি বলেন জনগণ থেকে নিতে আসিনি জনগণকে সেবা দেওয়ার জন্য এসেছি।

পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে,এবিএম.সিদ্দিকুর রহমান একজন সৎ, নিষ্ঠাবান নেতা। তিনি বিভিন্ন সময় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন ও সমাজ কল্যাণমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং শীতার্তদের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করেন। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

এবিএম.সিদ্দিকুর রহমান ১৭নং জাহাপুর  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

এবিএম.সিদ্দিকুর রহমান আরও বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে।

এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ১৭নং জাহাপুর ইউনিয়ন কে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।