সিলেটের বন্দরবাজার থেকে চিহ্নিত ২ মাদক ব্যবসায়ী ফেন্সিডিল সহ গ্রেফতার

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেট: সিলেটের বন্দরবাজার এলাকার হাজী কুদরত উল্লাহ মাকের্ট এর সামনে থেকে ৯৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ চিহ্নিত ২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে বন্দরবাজার পুলিশ।

গতকাল শনিবার ভোরে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ভাই ভাই ক্যাপ হাউজ-৫, হাজী কুদরত উল্লাহ মাকের্টের সামনে ফেন্সিডিল বিক্রি করার উদ্দেশ্যে দুই জন ব্যক্তি অবস্থান করছে বলে গোপন সংবাদ পেয়ে অফিসার ইসচার্জ এসএম আবু ফরহাদ এর সার্বিক নির্দেশনায় বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, অফিসার এসআই মোঃ সাজেদুল করিম সরকার ও এএসআই ঝন্টু কুমার দেবনাথ সহ অন্যান্যদের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন মধ্যম ঢালাপাড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের পূত্র মোঃ জিয়াউর রহমান (২১) ও দক্ষিন ঢালারপাড় গ্রামের মোঃ আব্দুর রহিম এর পূত্র মোঃ নুরুজ্জামান (২০)।

তাদের বিরুদ্ধে এসএমপির কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

 

 

কালীগঞ্জে ফেন্সিডিলসহ দুই যুবক গ্রেফতার

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : জেলা পুলিশ সুপার এর বিশেষ নির্দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ফেন্সিডিল সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এর নেতৃত্বে উপ পরিদর্শক তুষার কান্তি রায় ও সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স উপজেলার ০৮ নং কাকিনা ইউনিয়নের রুদ্রেশ্বর তথা কাকিনা হতে মহিপুর রংপুর সড়কে তল্লাশি চলাকালীন সময়ে সন্দেহজনক আচরনের কারনে দুই যুবককে থামতে বলায় তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকরে ব্যর্থ হয়,অতঃপর তাদের কাছে তল্লাশি করে একুশ (২১) বোতল ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ কোডিনযুক্ত ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে গ্রেফতারকৃত যুবকদ্বয় পাশ্ববর্তী রংপুর জেলার বদরগন্জ থানাধীন নন্দনপুর গ্রামের শ্রী হরি প্রশন্ন সরকার এর পুত্র অর্জুন চন্দ্র (২৩) এবং অপরজন কোতয়ালী থানাধীন ৬ নং খৈলাপাড়া গ্রামের শফিউল ইসলাম এর পুত্র মোঃ আশিক মিয়া(২২), তারা দুজনেই রংপুরের একটি বেসরকারী ক্লিনিকের কর্মচারী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন বলেন,নিয়মিত তল্লাশী চলাকালীন উক্ত দুই যুবক কে ফেন্সিডিলসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ২য় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মিত হওয়ার পর থেকেই কালীগঞ্জে মাদকের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে,পুলিশের নিয়মিত অভিযান চললেও মাদক ব্যবসা বন্ধহচ্ছে না। সচেতন মহলের দাবী চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করলে মাদকের উপদ্রব হ্রাস পাবে।

জনসেবা করতে ইউপি সদস্য হতে চান নতুনবন্দরের বাদশা

সাকিব আল হাসান, রৌমারী( কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর গ্রামের বাসিন্দা শামচুল আলম বাদশা । তিনি এ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবায় নিজেকে সদা নিয়োজিত রাখেন। এতে এলাকাবাসী তার ওপর খুব সন্তুষ্ট। এখন তার ঘনিষ্ঠ লোকজন চাচ্ছেন তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হয়ে এলাকার মানুষের আরও সেবা করেন। এতে তার সেবাদানের সক্ষমতা ও পরিধি আরও বাড়বে বলে এলাকাবাসী মনে করেন। তিনিও ঘনিষ্ঠদের চাওয়া-পাওয়ার কথা ভেবে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শামচুল আলম বাদশা সাংবাদিকদের জানান, ‘যদি এলাকার জনগণ আমাকে ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি আরও বড় পরিসরে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারব বলে আশা করছি। আমি সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী।

লালমনিরহাটে নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৩

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : জেলা পুলিশ সুপার এর বিশেষ নির্দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে লালমনিরহাটে ফেন্সিডিলসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীসহ আরো দুজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গেল শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওমর ফারুক এর নেতৃত্বে উপ পরিদর্শক সুমন চন্দ্র পালসহ একটি টিম লালমনিরহাট এর অভিযানে সদর থানাধীন মোগলহাট ইউনিয়নের দুরাকুটি বাজার পারহয়ে লালমনিরহাট থেকে মোগলহাট পাকা রাস্তার রত্নাই ব্রীজের উপরহতে বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার ৬ নং চন্ডারাম গ্রামের মৃত হাসু প্রামাণিকের পুত্র মোঃ শামীম (৩২),ভবানীগন্জ ইউনিয়ন এর মধু মাঝিরা গ্রামের বেলাল হোসেনের পুত্র মোঃ তারেক রহমান (২৫) এবং বগুড়া গাবতলী উপজেলার মোঃ শাহীন আকন্দের মেয়ে মোছাঃ তারা খাতুন (২২) কে পয়ত্রিশ (৩৫) বোতল ফেন্সিডিল সহ হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ওমর ফারুক বলেন, গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে মোগলহাটগামী রত্নাই ব্রীজ এলাকায় অবস্থান নিয়ে সন্দেহজনক এক নারীসহ দুজনকে আটক করে তল্লাশী চালালে তাদের নিকট হতে পয়ত্রিশ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আটককৃত নারীসহ দুজনই মাদক পরিবহন করে দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রির কথা স্বিকার করেছে।
গ্রেফতারকৃত ৩ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সদর থানায় মামলা দায়ের করে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিন ইউরোপীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করলো রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কট্টর সমালোচক হিসেবে খ্যাত বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনির পক্ষে বিক্ষোভে অংশ নেয়ার দায়ে তিন ইউরোপীয় কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। খবর বিবিসি।

বহিষ্কৃত তিন কূটনীতিক জার্মানি, সুইডেন ও পোল্যান্ডের। এর মধ্যে সুইডেন অবশ্য রাশিয়ায় দেশটির কোনও কূটনীতিকের বিক্ষোভে অংশ নেয়ার খবর অস্বীকার করেছে।

এদিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই কূটনীতিকরা গত ২৩ জানুয়ারি নাভালনির পক্ষে অনুষ্ঠিত ‘অবৈধ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।’

শুক্রবার মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গে লাভরভের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল বৈঠক করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এ ঘোষণা আসে। ওই বৈঠকেও নাভালনির মুক্তি দাবি করেন জোসেফ বোরেল।

বোরেল বলেন, নাভালনির ঘটনায় রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। উভয় পক্ষের মধ্যকার সম্পর্ক আরও নিচের পর্যায়ে চলে গেছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ার ওপর নতুন করে ইইউ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও প্রস্তাব উত্থাপিত হয়নি। তবে ২৭ দেশের এই আঞ্চলিক জোট আগামী মাসের বৈঠকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করবে।

মস্কোতে আয়োজিত সাংবাদিক সাংবাদিক সম্মেলনে জোসেপ বোরেল বলেন, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভকে নাভালনির ব্যাপারে আমাদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। তাকে মুক্তি দেয়া এবং তাকে বিষয় প্রয়োগের ঘটনায় তদন্ত শুরুর আহ্বান জানিয়েছি। ওই সাংবাদিক সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউরোপীয় কূটনীতিকদের বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় মস্কো।

উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি দেশে ফেরামাত্র বিমানবন্দরেই নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে গ্রেফতার করা হয়। পাঠিয়ে দেয়া হয় কারাগারে। তার মুক্তির দাবিতে রাজপথে নামে সমর্থকরা। এর মধ্যেই ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এর প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে হাজার হাজার মানুষকে আটক করে সরকারি বাহিনীর সদস্যরা।  সূত্র: বিবিসি। 

নওগাঁয় ৪২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন, ৫২১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলায় বর্তমান সরকারের বিগত দু’বছরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় ৪২৪ কোটি টাকার উন্নয়ন সকার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে ৪টি পৃথক প্রকল্পে ৫২১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন রিজিওনাল প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ-রাজশাহী সড়কের নওগাঁ অংশে ৫২ কিলোমিটার এবং রাজশাহী অংশে ২২ কিলোমিটার মোট ৭৪ কিলোমিটার সড়ক প্রসস্থকরনসহ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৪২৪ কোটি টাকা।

২২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট নওগাঁ- নাটোর সড়ক নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। ১৮ফিট প্রস্থ, ৮টি ব্রীজ ও ১৫টি কার্লভার্টসহ এই সড়ক নির্মান কাজে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২০১ কোটি টাকা। আগামী ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে ৭৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

এদিকে ৩টি ব্রীজ ও ৩১টি কার্লভার্টসহ ৩৬ দশমকি ৫ কিলোমিাটর দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট মান্দা-নিয়ামতপুর-শিবপুর-পোরশা সড়ক নির্মান কাজ চলমান রয়েছে।

একই ভাবে চলমান রয়েছে পাহাড়পুর-খঞ্জনপুর-জয়পুরহাট নির্মান কাজ। নওগাঁ অংশে সাড়ে ১৫ কিলোমিটার ও জয়পুরহাট অংশে ৮ কিলোমিটার সড়ক নির্মান প্রকল্পে সংযুক্ত রয়েছে ১৪টি কার্লভাট।

অপরদিকে নওগাঁ জেলার রানীনগর-কালিগঞ্জ-নন্দিগ্রাম(কাঠম) ২২দশমিক২২ কিলোমিটার সড়ক ৪টি ব্রীজ নির্মানসহ প্রসস্থকরন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই তিনটি প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৪ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে এই তিনটি প্রকল্পে ১২০ কোটি টাকা ব্যয় সম্পন্ন হয়েছে। এসব প্রকল্প আগামী ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা।

এদিকে নওগাঁ-রাজশাহী সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নওগঁ শহরে ভাঙ্গা মসজিদ থেকে কাজির মোড় পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কে ফিনিসিং পর্যায়ে ১ লেয়ার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে ৬ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ব্যয় নির্ধারন করা হয়েছে।

 

 

৪নং রৌমারী সদর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ১১ জন!

সাকিব আল হাসান, রৌমারী(কুড়িগ্রাম) : আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে হাটে,বাজারে, চায়ের দোকানে, মাঠে-ঘাটে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ইউনিয়ন ঘুরে জানা যায়, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা না হলেও ইতোমধ্যে সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সহ সকল প্রার্থীরা ইতিমধ্যে অগ্রিম ব্যানার ফেস্টুন টানিয়েছেন। এমনকি ভোটারদের দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি।

৪নং  রৌমারী সদর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সালু,  উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হারুনর রশীদ, আফজাল হোসেন বিপ্লব, আবিদ শাহ নেওয়াজ তুহিন, প্রভাষক ফজলুল করিম, সুজাউল ইসলাম সুজা, আব্দুর রাজ্জাক, মোস্তাফিজুর রহমান তারা, সাইফুর রহমান বাবলু, শামিম হোসেন, কামাল হোসেন।

এদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সালু ও ইউনিয়নে একটি গুডওয়েল আছে। সে হিসেবেও আগামী নির্বাচনে তিনি একজন সম্ভাব্য প্রার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে এই দশ প্রার্থী নাম মানুষের মুখে মুখে ভাসছে।

সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হারুনর রশীদ ও আফজাল হোসেন বিপ্লব।

উদারমন মানসিকতা ও মেধাবী সম্পন্ন হারুনর রশীদ নিজে’কে ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করে ইতিমধ্যে তিনি জনসাধারন এর সঙ্গে কুশল ও মতবিনিময় এবং গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবা মূলক কাজ করতে চান। আগামীদিনেও সমাজসেবা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

হারুনর রশীদ স্থানীয় সাংবাদিক কে জানান, মানুষের সেবা করাই হবে আমার অন্যতম প্রধান কাজ। মহান আল্লাহ তালা যদি আমাকে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন তাহলে ৪নং রৌমারী  ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসাবে রুপান্তর করতে চায়। এ জন্য তিনি ইউনিয়ন বাসীর দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

৪নং রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক মনোনয়ন প্রত্যাশী আফজাল হোসেন বিপ্লব বলেন, ৪নং রৌমারী ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধশালী ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম আমাকে নৌকা প্রতীক মনোয়ন দেবে। ইনশাআল্লাহ আমি নৌকা প্রতীক পেলে আপনাদের সহযোগিতা, সর্মথন, দোয়া ও ভালোবাসায় আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো। আমি আপনাদের সবার দোয়া, সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।

৪নং রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি সাবেক চেয়ারম্যান ছিলাম। জনগন আমার পাশে এখনো রয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে ইনশাআল্লাহ আমি নির্বাচিত হব।

 

 

কুমিল্লার দেবিদ্বারে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ

শাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া (দেবিদ্বার,কুমিল্লা প্রতিনিধি) : কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হেসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জাফরগঞ্জ বাজারের কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।

দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউপি আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গ সংগঠন যৌথভাবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. শরীফুল ইসলাম।

বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুজ্জামান মাস্টার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. মফিজুল ইসলাম, কুমিল্লা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান আখন্দ, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠরিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী মোসা. নাজমা মোর্শেদ, যুবলীগ নেতা প্রবাসী এআর আনোয়ার, সোহরাব চেয়ারম্যানের স্ত্রী মোসা. নিলুফা বেগম, ভাই মো. সিরাজুল ইসলাম, বোন ফরিদা আক্তার, ছেলে মেহরাব হোসেন শুভ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. অপু আহম্মেদ, ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া মাসুদ রিফাত।

এসময় জাফরগঞ্জ বাজারের কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দুইপাশে সকল ইউপি সদস্য, ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও বাজারের সকল ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার জনতা বিক্ষোভে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জহিরুল আলম তার বড় ভাই রেল পুলিশের ডিআইজি মো. শাহ আলমের ছত্রছায়ায় এ ইউনিয়নে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যার চেষ্টা করে। সমাবেশে অভিযুক্ত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাত ৮টায় জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে সোহরাব  হোসেন চেয়ারম্যানকে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা করেন অপরপক্ষ। এ ঘটনায় ইউপি যুবলীগের সভাপতি অপু আহম্মেদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেবিদ্বার থানায় অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জহিরুল আলম ও শিবলুসহ ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন।

বাঞ্ছারামপুরের কল্যাণপুর মুজিববর্ষ উপলক্ষে নাইট ক্রিকেট শর্টপিছ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মো.নাছির উদ্দিন-বাঞ্ছারামপুর-প্রতিনিধিঃ
“মাদক ছাড়ো খেলা ধর,
মাদক মুক্ত সমাজ গড়ো,
যুব সমাজকে মাদকের ভয়ানক থাবা থেকে দুরে রাখতে খেলা ধুলার কোন বিকল্প নেই। “
এই শ্লোগানকে সামনে রেখে,ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নে আনন্দ উৎসব মুখর পরিবেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে কল্যাণপুর ছাত্রসংগঠনের উদ্যোগে নাইট ক্রিকেট  শর্ট পিছ টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার রাত ৯ ঘটিকার সময় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে কল্যাণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে  ইয়ং টাইগার্স ইসমাইল বনাম রেডজোন সাকিব অংশ গ্রহনে খেলার ফাঁকে ফাঁকে আতশবাজি ফাটিয়ে নাইট ক্রিকেট  শটপিছ টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কল্যাণপুর ৮নং ওয়ার্ডের আ’লীগের  সভাপতি মো.গিয়াস উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার হাজী আব্দুর রশিদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি আমির হোসেন,মানিকপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম নাছির উদ্দিন, মানিকপুর ইউনিয়নের মহিলা আ’লীগের  আহবায়ক খন্দকার রহিমা বেগম, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার নার্গিস আক্তার, ৮ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.আবুল মিয়া,মো. হাসান, মো. শাহালম, মো. সুজন মিয়া প্রমুখ।
উক্ত খেলার ধারাবর্ণনায় ছিলেন মো.নূরনবী। খেলাটি পরিচালনা করেন ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব বাবু ও মো.রাসেল মিয়া। খেলায় ইয়ং টাইগার্স কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় রেডজোন সাকিব।
শীতের রাতে ও খেলা উপভোগ করতে এলাকার নারী পুরুষ তরুণ তরুণী ও প্রবীনরা মাঠে ভিড় জমান। পরে বিজয়ী ও রানার্সআপদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়।

নওগাঁ’র মহাদেপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন বিষয়ক আলোচনা সভা

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব প্রতিরোধে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষনে ব্যাপক ভুমিকা রেখে চলেছে। কারন সরকার বিশ্বাস করে প্রকৃতি এবং জীব বৈচিত্র যথাযথ সংরক্ষন করতে না পারলে দেশ ও দেশের মানুষকে নানা প্রতিকুল পরিস্থিতির মধ্যে বিপর্যস্ত অবস্থায়পড়তে হবে। কাজেই জীব বৈচিত্র সংরক্ষনে দেশের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ভুমিকা রাখতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নওগাঁ’র মহাদেবপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষন বিষয়ক এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন।

মহাদেবপুর উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ এবং পরিবেশ সম্পর্কিত সংগঠন বাংলাদেশ বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন ফেডারেশন” বিবিসিএফ” যৌথভাবে এই আলোচনাসভার আয়োজন করে।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনাসভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম, সামাজিক বন অঞ্চল বগুড়ার বন সংরক্ষক মোঃ ছানা উল্যা পাটোয়ারী, সামাজিক বন অঞ্চল যশোরের বন সংরক্ষক ও বিবিসিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা রেজাউল করিম, মহাদেবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সামাজিক বন বিভাগ রাজশাহী আহম্মদ নিয়ামুর রহমান, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন রাজশাহী মোঃ জিল্লুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ও বিবিসিএফ-এর উপদেষ্টা ড. বিধান চন্দ্র দাস, বিবিসিএফ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ড. এস এম ইকবাল হোসেন, বিবিসিএফ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মুকুল, নিরাপদ নওগাঁ’র চেয়ারম্যান ও বিবিসিএফ-এর কেন্দ্রীয় সদস্য এম সাখাওয়াত হোসেন এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক তরু কুমার দেব বক্তব্য রাখেন।

উপ-মন্ত্রী বলেছেন, যে কেউ ভালো কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করলে সরকার তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। কারন সকলের সম্পৃক্ততা না থাকলে কোন ভালো কাজের সফলতা আনা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেছেন, যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশের ভু-খন্ডকে রক্ষা করতে আমাদের সুন্দরবন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে। কাজেই আমাদের সকলের দায়িত্ব সুন্দরবনকে সুরক্ষিত রাখা।

তিনি বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ব্যপক সফলতা অর্জিত হয়েছে। একইভাবে প্রকৃতি,
জীববৈচিত্র এবং জলবায়ুর ইতিবাচক পরিবর্তনে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর যথেষ্ঠ মেধা, প্রজ্ঞা এবং মননশীলতা রযেছে। তাঁর কারনেই বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই অদম্য ইচ্ছা ও প্রত্যাশাকে শতভাগ বাস্তবে রুপ দেয়ার ক্ষেত্রে দেশের সকল মানুষকে সহযোগিতা দিতে হবে।

তিনি প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় অবাধে বৃক্ষ নিধন না করতে পরামর্শ প্রদান করেন। কারন বৃক্ষরাজি না থাকলে পাখিদের আবাসস্থল থাকবেনা। এ ক্ষেত্রে তিনি পাখিদের আবাস এবং খাদ্য নিশ্চিত করতে পাখি বসবাসের উপযোগি বৃক্ষ রোপনের আহবান জানান।

উপ-মন্ত্রী এর আগে মহাদেবপুর উপজেলা সদরে আত্রাই নদীতে ব্রীজ থেকে মধুবন পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে অবস্থান নেয়া পাখির অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেন।