সিলেটের সাবেক মেয়র (জনতার কামরান চত্বর) এর সাইনবোর্ড গায়েব

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের নামে নগরের বন্দরবাজারে ‘কামরান চত্বর’ টি নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসসিক)। তবে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে এখনও পাঠানো হয়নি। উল্টো নামকরণের ছয় মাসের মাথায় সিটি পয়েন্টে সাঁটানো ‘জনতার কামরান চত্বর’ লেখা বোর্ডটি গায়েব হয়ে গেছে!

গত বছরের ১৫ জুন সাবেক মেয়র কামরান কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর জুলাই মাসে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নিয়মিত মাসিক সভায় নগর ভবনের সামনের চত্বরটির নাম রাখা হয়েছিল ‘জনতার কামরান চত্বর’। কামরান তৎকালীন সিলেট পৌরসভার সর্বকনিষ্ঠ কমিশনার ও চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে সবশেষে সিসিকের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন।

তবে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর দাবি, সাবেক মেয়র কামরানের নামে চত্বরের নামকরণ সংক্রান্ত সভার সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ বিষয়টির অর্থ এলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা। সিসিকের মাসিক সভার সিদ্ধান্তের পর থেকে স্থানটিকে কামরান চত্বর নামেই অভিহিত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সেই সভার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গত বছরের ২৭ জুলাই দুপুরে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সিটি পয়েন্টে এসে স্থানটিকে ‘জনতার কামরান চত্বর’ ঘোষণা করে সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে দেন। একটি বেসরকারি ব্যাংকের অর্থায়নে চত্বরটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ২৬ জুলাই রাতে স্থানটিকে ‘নগর চত্বর’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল সিসিক। তার পরদিনই আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা জননন্দিত নেতা কামরানের নামে চত্বরটির নামকরণের দাবি জানিয়ে বোর্ড সাঁটিয়ে

দেন।
এ উদ্যোগে একাত্মতা জানান সিসিকের দুই কাউন্সিলর মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খান। সিসিকের মাসিক সভায় নগর ভবনের সামনের চত্বরের নামকরণ কামরানের নামে করার দাবি জানান তারা। অনেকের আশঙ্কা ছিল, পরদিন ২৮ জুলাই সিসিকের মাসিক সভায় এ প্রস্তাব তোলা হলে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এতে আপত্তি জানাতে পারেন।

তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মেয়র আরিফ সবাইকে অবাক করে সিসিকের মাসিক সভায় নিজেই কামরানের নামে চত্বর করার প্রস্তাব দেন এবং প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। নিয়মানুযায়ী সভার সিদ্ধান্ত রেজ্যুলেশন আকারে স্থানীয় সরকার বিভাগে অনুমোদনের জন্য পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, তা এখনও পাঠানো হয়নি। কাউন্সিলরসহ সংশ্নিষ্টরাও সেই সভার রেজ্যুলেশনের কপি পাননি।

এ প্রসঙ্গে নগরীর ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ বলেন, জননন্দিত সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের নামে চত্বর করার দাবি পুরো নগরবাসীর। কিন্তু সিসিক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

উল্লেখ্য, সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুর পর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রথম তার নামে চত্বর করার প্রস্তাব করেন। একটি ওয়েবিনারে তিনি এ প্রস্তাব করার পর আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা তাতে সমর্থন জানান।

এদিকে কামরানের নামে চত্বর করার সিদ্ধান্তের পর সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা বাবরুল হোসেন বাবুল ও প্রয়াত বিএনপি নেতা আ ফ ম কামালের নামে চত্বর করার দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কামরানের নামে চত্বরের নামকরণ ঠেকাতে হঠাৎ এসব দাবি তোলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্নজন।

মাছের দাম কম না রাখায় ব্যবসায়ীকে মনের মতো করে পিটালেন ছাত্রলীগ নেতা

রৌমারী (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: মাছের দাম কম না নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ইচ্ছেমতো পিটিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজীবপুর উপজেলা শহরের নামা বাজার মাছ হাটে এ ঘটনা ঘটে।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বিকালের দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেকের বড় ভাই আরিফ মাছ বিক্রেতা মোহাম্মদ আলীর কাছ দুটি পাঙ্গাশ মাছ কেনার জন্য দরদাম করেন। পরে ১১০ টাকা কেজিতে দুইটি পাঙ্গাস তিন কেজি ১০০ গ্রাম ওজন হলে তিনি বিক্রাতাকে ১০০ গ্রাম ওজন বাদ দিয়ে দাম হিসাব করতে বলেন। এসময় বিক্রেতা ১০০ গ্রাম ওজন বাদ দিয়ে তিন কেজি মাছের দাম ৩৩০ টাকা দাম বলেন। আরিফ ৩২০ টাকা দিতে চান। বিক্রেতা তখন বলেন ১০ টাকা কম দিলে আমার লোকসান হবে। আপনি যে দাম ঠিক করছেন সেটাই দেন, না হলে লস হবে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিফ দোকানির ওপর মাছ ছুড়ে ফেলে দিয়ে টাকা ফেরত দিতে বলেন।

ছাত্রলীগ নেতা তারেক

মাছ ফেলে দেওয়ায় বিক্রেতা আলী হোসেন এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এভাবে মাছ ফেলে দিলেন কেন? এতে আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আরও গালমন্দ করে ওই স্থান থেকে সরে গিয়ে মোবাইল ফোনে তার ছোট ভাই ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেককে ডেকে আনেন। কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে আরিফের ছোট ভাই ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক নিজের অনুসারীদের নিয়ে এসে ওই মাছ বিক্রেতার ওপর চড়াও হন এবং উপুর্যপুরি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। ঘটনার আকস্মিকতায় উপস্থিত মাছ ব্যবসায়ীরা হতভম্ব হয়ে পড়লেও পরে তারা এগিয়ে গিয়ে আক্রান্ত মাছ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেন।

হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার কারণে বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ করারও সাহস পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মাছ বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিন কেজি মাছে ১০০ গ্রাম ওজন ছাড় দিয়েছি। আরও যদি ১০ টাকা কম নেই তাহলে আমার কেনা দামও থাকে না। আমাকে মারপিট করলো তো করলো, আবার ক্যাশ বাক্সে থাকা মাছ বিক্রির প্রায় ৯ হাজার টাকাও এখন পাচ্ছি না।’

রাজীবপুর উপজেলা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিউর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

রাজীবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবিউল হাসান জানান, ‘মাছ বিক্রেতাকে মারপিট করার বিষয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

ময়নাতদন্তের জন্য আড়াই বছর পর তোলা হবে রাজা মিয়ার মৃত দেহ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের মতিগঞ্জের এলাকাধীন হাইল হাওরে অবস্থিত “রাজা ফিশারিজ এন্ড হ্যাচারী কমপ্লেক্সে”র সাবেক স্বত্বাধিকারী মৃত মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়ার মৃতদেহ মৃত্যুর আড়াই বছর পর ময়না তদন্তের জন্য উত্তোলন করা হবে।

জানা গেছে, আগামী মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১ টায় আদালত কর্তৃক নির্ধারিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা খানম এর উপস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে মৃত মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়ার মৃতদেহ উত্তোলন করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল থানার এসআই মোহাম্মদ আলমগীর জানান,রাজা ফিশারিজ এন্ড হ্যাচারী কমপ্লেক্সে’র সাবেক স্বত্বাধিকারী মৃত মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা মিয়ার মৃতদেহ উত্তোলন করা হবে, তার মৃত্যু নিয়ে তারই ছেলে গোলাম মুরসালিন রাজার আবেদনের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার জেলার বিজ্ঞ আদালত মৃতদেহ উত্তোলন করে পোস্টমের্টেম করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন,তার ছেলের আবেদনে মৌলভীবাজার আদালতের বিজ্ঞ বিচারকের কাছে তার মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যা দাবী করে মামলা দায়ের করলে এ আদেশ দেওয়া হয়।

এস আই মোহাম্মদ আলমগির আরো বলেন,মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে তাকে তার সৎ মা নুরজাহান রানী রাজা বালিশ চাপা দিয়ে,বিষ প্রয়োগ করে কিংবা অন্য কোন উপায়ে হত্যা করে থাকতে পারে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে আদালত তার মৃতদেহ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় একটি সুত্রে (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানা যায়, রাজা মিয়ার রেখে যাওয়া বিশাল সম্পত্তি নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে প্রথম পক্ষের সন্তানদের দীর্ঘদিন ধরে দেন দরবার চলছে। এরই প্রেক্ষিতে তার লাশ উত্তোলনের আবেদন করা হয়েছে,তবে তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন মাস্টার গোলাম মোস্তফা রাজা লন্ডন থেকে ফিরে শ্রীমঙ্গলের মতিগঞ্জে গড়ে তুলেছিলেন বিশাল মাছের খামার। প্রায় আড়াই বছর পুর্বে তিনি মৃত্যু বরণ করেছে,এভাবে তাকে তার সন্তানেরা মৃত্যুর পরে লাশ তুলে অপমান করবে এটা ভাবাও যায় না।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৬/০৮/২০২০ তারিখে মৃত রাজা মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নুরজাহান বেগমকে প্রধান আসামি ও তার ভাই দেওয়ান আলামিন রাজা, দেওয়ান সেলিম, দেওয়ান জান্নাতুল ফেরদৌস লিখন ও নাছির মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হলে আদালত দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে আরজি বা নালিশকে গত ০৭/০৯/২০২০ তারিখের মধ্যে এফআইআর হিসেবে গণ্য করতে শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেওয়া হয় এবং এরই প্রেক্ষিতে আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন।

জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোঃ সদরুল কাদির (শাওন), সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের অভিভাবক জেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসান (সিআইপি), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসেরুল হক, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আঃ রশিদ, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফ, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, আতাউর রহমান, সদস্য নাজমুন নাহার মুন্নি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান অসলে, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শফিউদ্দীন, জেলা যুবলীগ নেতা তুহিনুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক আহম তারেক উদ্দীন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক ওয়াহিদ পারভেজ, সাবেক ছাত্রনেতা কাজী হেদায়েত হোসেন রাজ, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি কাজী মারুফ, মমতাজ আহমেদ বাপ্পি, দৈনিক আঁলোর যাত্রা’র সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ সদরুল কাদির শাওন, শ্যামনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি গাজী গোলাম মোস্তফা, দেবহাটা উপজেল যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান মিন্নুর, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, কলারোয়া উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শেখ মাসুমুজ্জামান মাসুম, যুবলীগ নেতা মামুন, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মিঠুন ব্যানার্জি, জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক তানভীর কবির রবিন, যুবনেতা মোঃ আশিকুজ্জামান, যুবনেতা ইশতিয়াক আহমেদ, ছাত্রনেতা রাজিবুল ইসলাম রাজা, ওমর ফারুক রাতুল, ছাত্রনেতা আছাফুর জামান প্রমুখ।

দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্য  বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুনসুর আহমেদ কে হারিয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ আজ অভিভাবক শূন্য। এই শূন্যতা পূরণ করা অনেক কঠিন ব্যাপার। তার দেখানো পথে আমাদের কে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলে এই মহান মানুষটির স্বপ্নপূরণে আমরা সফল হবো।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সাতক্ষীরা জেলা যুবলীগের সদস্য স. ম. আব্দুস সাত্তার।

 

১৬নং ধামঘর ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জনপ্রিয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোর্শেদ খান

মোঃ খোরশেদ আলম,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলার আসন্ন ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা চেয়েছেন মুরাদনগর উপজেলার ১৬নং ধামঘর ইউনিয়নের জনপ্রিয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোর্শেদ খান।

আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ,কৃষকলীগ,স্বেচ্ছা সেবকলীগ এবং তৃণমূল নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের জনগণের একটাই প্রাণের দাবি মোর্শেদ খান কে   চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদে এমন একজন জনবান্ধব নেতাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন কে ঢেলে সাজাতে এই এলাকার দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ মোর্শেদ খান এর মতো একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।স্থানীয়রা বলছেন, মোর্শেদ খান কে নৌকার মনোনয়ন দিলে আমরা ১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন বাসী সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমে নৌকার পক্ষে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী মোর্শেদ খান বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজনগ্রহণযোগ্য। মোর্শেদ খান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি।আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তা ভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

মোর্শেদ খান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন এর  একান্ত অনুসারী ও আস্তা ভাজন হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভে সক্ষম হলে ১৬নং ধামঘর ইউনিয়নকে শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে অনন্য স্থানে নিয়ে যাবেন। মাদক, দূর্ণীতি, জুয়া, দারিদ্র্য মুক্ত ইউনিয়ন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন বাসী জানান,মোর্শেদ খান  একজন জনবান্ধব নেতা। করোনার কারণে আমরা অনেক পরিবার কর্মহীন হয়ে পরি।মোর্শেদ খান আমাদের পাশে থেকে আমাদের কে সব সময়  সাহায্য সহযোগিতা করেছেন এবং কর্মহীন অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে  খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং সব সময় আমাদের খোঁজ খবর নিতেন।যে কোন সমস্যা নিয়ে আমরা মোর্শেদ খান এর নিকটে গিয়েছি তিনি আমাদের কে সাহায্য করেছেন।তারা আরও জানান গরিব মানুষের মেয়ের বিবাহের মধ্যে টাকা পয়সা দিয়েও সাহায্য করেন তিনি এবং অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্যও সাহায্য করে থাকেন। তারা বলেন দিনে রাতে, যে কোন বিপদে আপদে ডাকলে মোর্শেদ খান ও তার পরিবারের সদস্যরা আমাদের পাশে এসে হাজির হন।তাই আমরা ১৬নং  ধামঘর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ  মোর্শেদ খান কে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

মোর্শেদ খান বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনীতির আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্র রাজনীতি করছেন ছাত্রজীবন থেকে।মুজিব আদর্শের সৈনিক, ড. শেখ হাসিনার রাজপথের লড়াকু সৈনিক, আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন(এফসিএ) এমপি মহোদয়ের আস্তাভাজন মোর্শেদ খান।

মোর্শেদ খান এর সাথে সাম্প্রতিক এক স্বাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান,তিনি দীর্ঘদিন থেকে অত্র এলাকায় বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের সাথে, সাধারন মানুষের স্বার্থে উন্নয়ন মূলক কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন। অনেক সময় নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব দুঃখী মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। তিনি মনে করেন, রাজনীতিতে ভিন্ন মতাদর্শ থাকতে পারে কিন্তুু উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমার মূল উদ্দেশ্য জনগনের সেবা করা।

এমন লক্ষকে সামনে রেখেই নির্বাচনীয় প্রচারনা চালাচ্ছে  এই চেয়ারম্যান প্রার্থী মোর্শেদ খান।তিনি আরো জানান, চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নের রাস্তা ঘাট উন্নয়ন, মাদক মুক্ত, সামাজিক উন্নয়ন সহ অবহেলিত মানুষের পাশে সব সময় থাকবেন।স্থানীয় এলাকাবাসীর অনেকেই বলেন, অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে মোর্শেদ খান কে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসাব দেখতে চায়।সাধারণ মানুষের মধ্যে তার  যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া প্রায় সুনিশ্চিত।

নির্বাচনীয় প্রতিচ্ছুতি মাদকমুক্ত একটি আধুনিক পরিকল্পিত শিক্ষাবান্ধব ইউনিয়ন জনগণকে উপহার দেবেন, একটি মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলতে অঙ্গীকার বদ্ধ। অসহায় মানুষের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে তাদের কষ্ট এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিবন্ধকতা গরীব- ধনীর তারতম্য খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করবেন। যদি তিনি সুযোগ পান বিশেষ করে সমাজের অসচ্ছল অসহায় গরিব, বিধবা, বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ করবেন। গরীব-ধনির ভেদাভেদ কে সমাজ থেকে বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে কাজ করবেন।

নিখোঁজের ৫ ঘন্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সাকিব আল হাসান, রৌমারী( কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রৌমারীতে হোসাইন সাফি নামের তিন বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত এগারোটার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শিশুর বাবা জাহিদুল ইসলাম তেকানিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এর আগে বিকেল চারটার দিকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। সন্ধ্যায় রৌমারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে শিশুটির পরিবার। শিশুর চাচা জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার বিকেলে বাড়িতে সাফি খেলছিল। হঠাৎ খোজাঁখুজি করে তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

রৌমারী থানার ওসি মোন্তাছির বিল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

সিলেটের সীমান্ত পথে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালান: জেলা ডিবির অভিযানে ১০ লাখ টাকার পণ্য আটক

মো আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সিলেটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় চোরাচালান কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। একটি চক্রের নেতৃত্বে চোরাকারবারীরা বেপরোয়া ভাবে ভারতীয় চোরাচালান দেশে নিয়ে আসছে। এই চোরাকারবারীদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করেন বিভিন্ন পুলিশের সোর্স। ফলে চোরাকারবারীরা সীমান্ত এলাকায় আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিলেটের জৈন্তাপুর ও জাফলং সীমান্ত এলাকা দিয়ে এ সকল চোরাচালান করা হচ্ছে।

অবশেষে গত বৃহস্পতিবার ভোরে জৈন্তাপুরে চোরাচালান বিরোধী অভিযানে একটি ডিআই পিকাপ সহ দশ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় চোরাচালান পন্য আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন পিপিএম এর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম এর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোর পাঁচ ঘটিকার সময় জৈন্তাপুর থানাধীন হরিপুর লামা শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিলেট মেট্রো -ন- ১১-০৭৫৫ ডিআই পিকাপ সহ চোরাচালানের মাধ্যমে আসা বিপুল পরিমান ভারতীয় পন্য আটক করেছে পুলিশ।

এসময় চোরাচালানের সাথে জড়িত তিনজন আসামী পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত চোরাচালান পন্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় কসমেটিক্স,জুতা,কাপড় সহ বিভিন্ন পন্য। উদ্ধারকৃত চোরাচালান পন্যের আনুমানিক বাজার মূল্য দশ লক্ষাধিক টাকা, এছাড়াও জব্দকৃত পিকাপের মূল্য আনুমানিক এগার লক্ষ টাকা।

জাফলং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান পন্য ভর্তি পিকাপ সিলেট শহরে আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ বৃহ্স্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে অফিসার ইনচার্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর) সাইফুল আলম এর নেতৃত্বে জৈন্তাপুর থানাধীন শুক্রবাড়ি বাজারে চেকপোস্ট পরিচালানাকালে ডিবি পুলিশের উপস্থিতি দেখে চোরাচালানে জড়িত আসামীগন দ্রুত পিকাপ গাড়ি বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে দ্রুত গতিতে হরিপুর বাজারের ভিতর দিয়ে লামা শ্যামপুর এলাকায় যেতে থাকে। সাথে সাথে ডিবি পুলিশের টিম চোরাকারবারিদের পিছু নেয়। এক পর্যায়ে চোরাকারবারিরা লামা শ্যামপুর মাদ্রাসার মাঠে পিকাপ রেখে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ উপস্থিত লোকজনের সামনে পিকাপে থাকা চোরাচালান পন্য সমুহ উদ্ধার করে জব্দ করে।

এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর) এর এসআই সুজিত চক্রবর্তী বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর ও মিডিয়া) মো: লুৎফর রহমান জানান, পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় সিলেট জেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাচালান বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোর রাতে দশ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় চোরাচালান পন্য সহ পিকাপ জব্দ করেছে ডিবি। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে ডিবি।

 

রায়হান হত্যা মামলার এসআই হাসান রিমান্ড শেষে কারাগারে

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যার ঘটনায় এসআই হাসানকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারের পর হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয় পিবিআই। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। রিমান্ডে থাকাকালিন এসআই হাসান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো পিবিআই যাচাই-বাছাই করার পাশাপাশি আন্যদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মিলিয়ে দেখতেছে। হাসান রিমান্ডে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়নি। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় এখন পর্যন্ত দুইজন এসআই, একজন এএসআই ও দুইজন কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই সিলেটের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন গত বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পুলিশ লাইন্স থেকে গত ২৯ জানুয়ারি এসআই হাসানকে রায়হান হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে সিলেটের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৩১ জানুয়ারি তাকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। আগে রায়হান হত্যার পর হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে নজরদারিতে রাখা হয়েছিলো।

 

 

অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহঃ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইকবাল বাহার

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ মার্চ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা। এই নিয়ে সারা দেশের মতো  ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া ইউনিয়ন এর বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ।

সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।মুরাদনগর  উপজেলার ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী, যুব সমাজের আইকন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর বিশ্বস্ত আস্তাভাজন ইকবাল বাহার।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইকবাল বাহার বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজন গ্রহণযোগ্য।

ইকবাল বাহার বলেন,আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে, ইকবাল বাহার একজন সৎ, নিষ্ঠাবান নেতা। তিনি বিভিন্ন সময় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন ও সমাজ কল্যাণমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেন। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

ইকবাল বাহার  ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

ইকবাল বাহার আরও বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি।সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে।

এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক,চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন কে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

 

নির্বাচিত করায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ওয়ার্ড নিয়ে নিজের ভবিষ্যত ভাবনা জানান আবুল হাসনাত বেলাল

https://youtu.be/df7j1MNHQyw