আগামী বছর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রেলযোগাযোগ শুরু: রেলমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ আগামী বছর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রেলযোগাযোগ শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। এছাড়া, খুব শীগগিরই বাংলাদেশ রেলে যুক্ত যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা উচ্চগতি (ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার) সম্পন্ন ৪০টি ব্রডগেজ ইঞ্জিন। উচ্চগতি সম্পন্ন এসব ইঞ্জিন আগামী মার্চ মাসেই আসা শুরু হবে। পাশাপাশি কোরিয়া থেকে আনা হবে উচ্চ গতি সম্পন্ন ৮টি মিটারগেজ ইঞ্জিন।

গতকাল বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন তার নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, সারাদেশে রেল যোগাযোগ বাড়াতে আরও চারটি বড় রেল স্টেশন স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি অর্থ বছরেই ৫০টি জরাজীর্ণ রেল স্টেশন সংস্কার ও আধুনিয়াকনের কাজ বাস্তবায়ন হবে। যেসব স্টেশনের ফ্ল্যাটফর্মগুলো নিচু আছে সেগুলো উঁচু করা হবে। আর যেদিন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে, ওই দিনই ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত রেল চলাচলও শুরু হবে। ঢাকা-যশোর পদ্মা লিংক রেল লাইনে কোন গেট থাকবে না। সবগুলো ওভারপাস ও আন্ডার পাস থাকবে। পদ্মার কাজ সম্পন্ন হলে সারাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ নতুন মাত্রা যোগ হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা রেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা কমাতে কাজ করছি। আমরা ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছি। রেল তার নিজের নিরাপত্তার স্বার্থেই রেল ক্রসিংগুলোতে দুর্ঘটনা রোধে কাজ করছে।

রেলপথ মন্ত্রী বলেন, কমলাপুর রেলস্টেশনকে আরও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে বর্তমানে ৩৩ প্রকল্পে ফোর্থ লাইন, থার্ড লাইন ও ডাবল লাইনের কাজ চলছে। কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত চার লাইন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইন আগামী বছরই চালু হবে বলে আমরা আশা করছি। আর যমুনা রেল সেতুর কাজ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।

এছাড়া মুন্সীগঞ্জ-সাতক্ষীরা-খুলনা রেল লাইনের স্থাপনের ফিজিভিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রকল্পে জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ চলছে। রেলের চলমান এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রেলে অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে রেলের উন্নয়নের ফলে মানুষের আগ্রহ ও আস্থা বেড়েছে এবং রেলে যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন।

 

মৌলভীবাজারে ইয়াবাসহ আসামী গ্রেফতার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজার  মোহাম্মদ জাকারিয়া পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সুধীন চন্দ্র দাশের পরিচালনায় ও সঙ্গীয় অফিসার এএসআই মোজাম্মেল হক, এসআই মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, এএসআই মুকুন্দ দেববর্মা,এএসআই মোঃ আবুল কাশেম, সিপাহী রিপন খন্দকার,আবুল বাছেদ রাফি, শরিফুল ইসলাম,রহম আলী সকলেই জেলা গোয়েন্দা শাখা, মৌলভীবাজার সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা চলাকালীন সময় গত  মঙ্গলবার রাত ১০টা বেজে ৫০ মিঃ ঘটিকার সময় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানাধীন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিন্দুরখান রোডস্থ রামনগর জোড়াপুল হাবিব ভেরাইটিজ স্টোরের এর সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ০১ জন আসামী গ্রেফতার  করা হয়।

গ্রেফতার কৃত আসামীর নামঃমোঃ আরমান মিয়া(২০), পিতাঃ সেলিম মিয়া,মাতাঃ মরিয়ম বেগম সাং- দক্ষিন মুসলিমবাগ,থানা- শ্রীমঙ্গল, জেলা – মৌলভীবাজার। ৫৮(আটান্ন) পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হইয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলাকে মাদক মুক্ত রাখতে ডিবি টিমের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে বক্তব্য প্রদান করেন।

 

নওগাঁ জেলায় গুচ্ছগ্রাম/আদর্শগ্রাম কর্মসূচীর আওতায় ৩৪টি পৃথক গুচ্ছগ্রামে ১৩৫৬ পরিবারের পুনর্বাসন সম্পন্ন

কামাল উদ্দিন টগর,নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় সরকারের গুচ্ছগ্রাম/ আদর্শ গ্রাম বাস্তবায়ন কর্মসূচীর আওতায় জেলার ১১টি উপজেলায় ৩৪টি পৃথক প্রকল্পে ১ হাজার ৩শ ৫৬টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। ১৮৭ দশমিক ১৭ একর জমির উপর ১ হাজার ৩শ ৫৬টি ব্যারাকা হাউজ নির্মান করে তাঁদের পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

গত ডিসেম্বর’২০২০ মাস পর্যন্ত এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন-অর-রশীদ জানিয়েছেন।

তিনি জানান, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্ত্তৃক যাচাই বাছাই করার পর এসব পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

তাঁর দেয়া তথ্য মতে, এসব প্রকল্পে পুনর্বাসিত পরিবারের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি মৌজায় ০.৫৭ একর জমির উপরি নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১২টি ব্যারকে ১২টি পরিবার।

নিয়ামতপুর উপজেলায় তাতিহার মৌজায় ১ দশমিক ৭৯ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১৯টি ব্যারাকে ১৯টি পরিবার, পুঙ্গি মৌজায় ৭ দশমিক ০৭ একর জমির উপরি নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাকে ২০টি পরিবার, রাউতাল মৌজায় ৯ দশমিক ৭০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৫০টি ব্যারাকে ৫০টি পরিবার ও দামপুরা মৌজায় ৬ দশমিক ৫৭ এর জমির উপর
নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৫০টি ব্যারাকে ৫০টি পরিবার।

পত্নীতলা উপজেলায় চকদূর্গারামপুর মৌজায় ১৩ দশমিক ২২ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১০০টি ব্যারাকে ১০০টি পরিবার, বালুঘা মৌজায় ২ দশমিক ২০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১৮টি ব্যারাকে ১৮টি পরিবার।

বদলগাছি উপজেলার সোহাসা মৌজায় ৩ দশমিক ০৪ একর জমির উপর নির্মিত গুচছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার, কামারবাড়ি মৌজায় ৫ দশমিক ৫২ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার, ডাহাকান্দি-১ মৌজায় ১ দশমিক ১৩ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার, নালুকাবাড়ি-১
মৌজায় ১ দশমিক ৯৮ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার ও নালুকাবাড়ি-২ মৌজায় ২ দশমিক ৯০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২৮টি ব্যারাক হাউজে ২৮টি পরিবার।

মান্দা উপজেলায় বর্দ্দপুর মৌজায় ২১ দশমিক ৯৪ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১৫০টি ব্যারাক হাউজে ১৫০টি পরিবার ও ছোট মুল্লুক মৌজায় ৪ দশমিক ৪২ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২৬টি ব্যারাক হাউজে ২৬টি পরিবার।

আত্রাই উপজেলায় মাগুড়া আকবরপুর মৌজায় ১ দশমিক ৪০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছ গ্রামে ৩৩টি ব্যারাক হাউজে ৩৩টি পরিবার, মাগুড়া আকবরপুর-২ মৌজায় ০ দশমিক ৯৩ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার ও কাশিয়াবাড়ি মৌজায় ৩ দশমিক ৬৩ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৬০টি ব্যারাক হাউজে ৬০টি পরিবার।

ধামইরহাট উপজেলায় কাশিপুর মৌজায় ৯ দশমিক ৯০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৪০টি ব্যারাক হাউজে ৪০টি পরিবার, মাহিসন্তোষ মৌজায় ১৩ দশমিক ৮৬ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৪২টি ব্যারাক হাউজে ৪২টি পরিবার, আড়ানগর দিঘীরপার মৌজায় ১১ দশমিক ০৭ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৪১টি ব্যারাক হাউজে ৪১টি পরিবার, বৈদ্যবাটি মৌজায় ৫ দশমিক ৪৮ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৪০টি ব্যারাক হাউজে ৪০টি পরিবার, বৈদ্যবাটি-২ প্রকল্পে ০ দশমিক ৯৫ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২০টি ব্যারাক হাউজে ২০টি পরিবার ও বৈদ্যবাটি-৩ প্রকল্পে ০ দশমিক ৯৫ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৩০টি ব্যারাক হাউজে ৩০টি পরিবার।

রানীনগর উপজেলায় রায়পুর মৌজায় ৫ দশমিক ৬৪ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৬০টি ব্যারাক হাউজে ৬০টি পিরবার, ঘাটাগন মৌজায় ৩ দশমিক ১৫ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৩০টি ব্যারাক হাউজে ৩০টি পরিবার, আগিনাগাড়ি মৌজায় ২ দশমিক ৪১ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৩০টি ব্যারাক হাউজে ৩০টি পরিবার, চামটা
মৌজায় ৫ দশমিক ৬৪ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৭০টি ব্যারাকা হাউজে ৭০টি পরিবার।

মহাদেবপুর উপজেলায় বিলশিকারী মৌজায় ৭ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৫০টি ব্যারাক হাউজে ৫০টি পরিবার, বাগাচারা মৌজায় ১৩ দশমিক ৬৩ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৮০টি ব্যারাক হাউজে ৮০টি পরিবার, উথরাইল মৌজায় ১ দশমিক ৮৭ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৩০টি ব্যারাকে ৩০টি পরিবার ও চক হরিবল্লভ মৌজায় ৫ দশমিক
২০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ৬৫টি ব্যারাক হাউজে ৬৫টি পরিবার।

সাপাহার উপজেলায় জয়পুর মৌজায় ১ দশমিক ২০ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ১৩টি ব্যারাক হাউজে ১৩টি পরিবার এবং পোরশা উপজেলায় শুকলাহার মৌজায় ৯ দশমিক ২৩ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২৫টি ব্যারাক হাউজে ২৫টি পরিবার এবং পাথরডাঙ্গা মৌজায় ১ দশমিক ৯৮ একর জমির উপর নির্মিত গুচ্ছগ্রামে ২৫টি ব্যারাক হাউজে ২৫টি পরিবার।

 

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর /এমআর

শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আয়োজনে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপির পক্ষ থেকে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আয়োজনে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের আয়োজনে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন সোহেলের সঞ্চালনায় কম্বল বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি কাওসার ইকবাল, সিনিয়র সদস্য সরফরাজ আলী বাবুল, দৈনিক খোলাচিঠি  ও প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত রবিন, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ রকিব, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ সায়েদ আহমদ,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মামুন আহমদসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংঘটনের নেতৃবৃন্দ।

মুরাদনগরে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

মোঃ খোরশেদ আলম, মুরাদনগর প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। সপ্তাহের মাঝামাঝি গেল সোমবার ভোর রাতে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের ইলিয়টগঞ্জ-মুরাদনগর সড়কের নেয়ামতকান্দি এলাকার পাটুয়াটুলী ব্রিজের পাশে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো, মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের মুন্সী বাড়ীর মৃত ডা: নুরুজ্জামানের ছেলে হেদায়েত উল্লাহ প্রকাশ মনির(৩৬), কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকার আবু রায়হানের ছেলে জীবন মিয়া (২১), ফেনী জেলার সদর থানাধীন বিরিঞ্চি গ্রামের দক্ষিণ, মৃত হাসমত আলী মজুমদার বাড়ির মৃত আব্বাস আলীর ছেলে জাহিদ হাসান (৩০), মুরাদনগর উপজেলার লাজৈর গ্রামের সুরুজ গেইট এলাকার মো: আব্দুল্লাহ’র ছেলে ফরহাদ হোসেন(২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একদল ডাকাত উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি গ্রামের পাটুয়াটুলী ব্রিজের পাশে বালুর মাঠে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানার এস আই সাইফুল ইসলামের নেতৃতে এএসআই হানিফ ও এএসআই তৌহিদ আলমসহ একদল পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ দেশীয় লোহার তৈরী তিনটি ছোরা, একটি লোহার রডসহ দেশীয় তৈরি শাবল, মাদক দ্রব‍্য ও অস্ত্র উদ্ধার করে। এসময় হেদায়েত উল্লাহ ওরফে মনির, জীবন মিয়া, জাহিদ হাসানসহ ফরহাদ হোসেন নামে ৪ ডাকাতকে আটক করে।
মুরাদনগর থানার পুলিশ পরির্দশক (ওসি) সাদেকুর রহমান এ বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে লাকসাম, দেবিদ্বার, হাজিগঞ্জ, বুরিচং ও চৌদ্দগ্রাম থানায় একাদিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে আটককৃতদের কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

সুনামগঞ্জে সাংবাদিককে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন

আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত নদী যাদুকাটার তীর কেটে বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে গিয়ে হামলার স্বীকার হয়েছেন তাহিরপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদ এর তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি কামাল হোসেন।

সাংবাদিক কামাল হোসেন উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্ধ গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

জানা গেছে, প্রতিদিনের ন্যায় যাদুকাটা নদীর তীর কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি চক্র। খবর পেয়ে সাংবাদিক কামাল হোসেন ছবি তুলতে গেলে ঘাগটিয়া গ্রামের রইস মিয়া, দ্বীন ইসলাম ও মাহমুদুলের নেতৃত্বে বালু খেকো চক্রটি তার উপর অতর্কিত হামলা করে মারাত্মক আহত করে। পরে কামালকে নদীর পাড় থেকে টেনে-হিছড়ে ঘাগটিয়া বাজারে এনে গাছের সঙ্গে রশ্মি দিয়ে বেধে রেখে নির্যাতন করতে থাকে।

খবর পেয়ে বাদাঘাট পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তবে কামালের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত সাংবাদিক কামাল হোসেন জানান, নদীতে তীর কেটে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ছবি তুলতে গেলে বালু খেকো ঘাগটিয়া গ্রামের রইস মিয়া, দ্বিন ইসলাম, মাহমুদুল চক্ররা তার উপর হামলা করে তাকে মারাত্মক আহত করে এবং তার মোবাইল,ক্যামেরা ও মোটরসাইকেল তারা ছিনিয়ে নেয়।

বাদাঘাট পুলিশ ফাড়িঁর ইনচার্জ এসআই মাহমুদুল হাসান বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে তাহিরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তার খোয়া যাওয়া মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

 

 

চান্দিনায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে ইভটিজারের কারাদন্ড

মোঃ খোরশেদ আলম,কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার চান্দিনায় স্কুল ছাত্রীকে রাস্তায় প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি করার অভিযোগে তোফায়েল (২২) নামে এক যুবককে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
গেল সোমবার সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ ওই বখাটে যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।
দন্ডপ্রাপ্ত যুবক তোফায়েল হবিগঞ্জ জেলার বাণিয়াচং উপজেলার শেখের মহল্লা গ্রামের লেছু মিয়ার ছেলে। সে চান্দিনার পানিপাড়া বাজারে ভাড়ায় বসবাস করে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।
চান্দিনার মাইজখার ইউনিয়নের দিদার মেম্বার জানান-  কামারখোলা গ্রামের প্রবাসীর মেয়ে পানিপাড়া শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী সোমবার বিকেলে তার সহপাঠিদের সাথে বাড়ির সামনের রাস্তায় ঘুরতে বের হয়। এসময় ওই বখাটে যুবক প্রকাশ্যে তাকে ঝাপটে ধরে শ্লীলতাহানী করে। এসময় এলাকার লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেয় এবং আহতাবস্থায় ওই স্কুল ছাত্রীকে চান্দিনার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ দিকে খবর পেয়ে চান্দিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতাবস্থায় ওই যুবককে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমান আদালতে ওই বখাটে যুবককে তিন মাসের সাজা প্রদান করা হয়।
চান্দিনা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামসউদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত মঙ্গলবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে আহত অবস্থায় একটি হরিণ উদ্ধার

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ শ্রীমঙ্গলের চা বাগানের সেকশন থেকে আহত অবস্থায় একটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।

গেল মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীমঙ্গলের ভাড়াউড়া চা বাগানের সেকশন থেকে আহত অবস্থায় চিত্রা হরিণটিকে উদ্ধার করা হয়।
হরিণের পেটের নিচের দিকে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তবে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. কর্ন চন্দ্র মল্লিক জানান, চিত্রা হরিণটিকে কোন প্রাণী আক্রমণ করেছে। হরিণের ক্ষতস্থানে বন্য-শুকরের দাঁতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

ডা. কর্ন চন্দ্র মল্লিকের ধারণা চিত্রা হরিণটি বন্যশুকর অথবা শিয়ালের আক্রমণের শিকার হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট ঋষি বড়ুয়া স্থানীয় চা শ্রমিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আহত হরিণটি উদ্ধারকরে নিয়ে আসেন। আহত হরিণটিকে আপাতত লাউয়াছড়ার জানকিছড়া রেসকিউ সেন্টারে রাখা হবে বলে জানা গেছে।

 

সৌদিতে বড় ধরনের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইয়েমেন!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সৌদি আরবে সামরিক অভিযান করে বড় ধরনের হামলা চালানোর  হুমকি দিয়েছে ইয়েমেন। ইয়েমেনের সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। তারা বলছে, ইয়েমেনে জনগণের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে সক্ষম ইয়েমেনের সেনাবাহিনী।

 

সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল জানিয়েছে, সৌদি আরব যদি ইয়েমেনের তেলের জাহাজ আটকে রাখে তাহলে রিয়াদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো হবে। ইয়েমেনের কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ সৌদি আরব আটকে রাখার প্রেক্ষাপটে ইয়েমেনের বহুসংখ্যক হাসপাতাল এবং ক্লিনিক বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এমতাবস্থায় এই হুমকি দিয়েছে সুপ্রিম পলিটিক্যাল কাউন্সিল। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ইয়েমেনের তেলবাহী জাহাজ আটক করার কারণে দেশটির জনগণ মারাত্মক রকমের জ্বালানি সংকটে ভুগছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে সৌদি আরব ও তার কয়েকটি মিত্র আরব দেশ দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। এ কারণে বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় ধরনের মানবিক সংকটের মুখে রয়েছে ইয়েমেন। অথচ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এ বিষয়ে নীরব। সুত্র : প্রেস টিভি। 

 

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরও ১২ জনের মৃত্যু; নতুন শনাক্ত ৫২৫

চলমান মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ১৪৯ জনে। এছাড়া একই সময়ে দেশে নতুন করে ৫২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৩৬ হাজার ১০৭ জনে।

আজ মঙ্গলবার (০২ জানুয়ারি) করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২০৬টি ল্যাবরেটরিতে ১৪ হাজার ৬৩৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৪৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪৯টি।

এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ৭২৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক শূন্য ৫৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক শূন্য ৬৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ১২ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিাশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব তিন জন এবং ষাটোর্ধ্ব সাতজন রয়েছেন।

বিভাগীয় পরিসংখ্যান হিসেবে মৃত ১২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ছয়জন, চট্টগ্রামে একজন, রাজশাহীতে দুইজন, বরিশালে একজন, সিলেটে একজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন মারা যান।

উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছিল ৪৪৩ জন। গতকালের তুলনায় আজ মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে।