ভোটারদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ৪ নং চান্দগাও ওয়ার্ড এর নবনির্বাচিত কাউন্সিলর এসরারুল হক এসরাল

হাসপাতালে ভর্তি জুনায়েদ বাবুনগরী

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে চট্টগ্রামের সিএসসিআর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ এ নেতাকে। চিকিৎসকদের ধারণা, পায়ে পানি জমার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার এই সহকারী পরিচালক।
ডাক্তারদের বরাত দিয়ে হেফাজত আমীরের ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হাসান ফারুকী রোববার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত শুক্রবার ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসায় বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন বাবুনগরী। তখন থেকেই অসুস্থ বোধ করছিলেন। এর আগে বুধবারেও হালকা জ্বর এসেছিল। তবে সেটি ভালো হয়ে যায়। শনিবার বেশি অসুস্থ বোধ করলে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর সিএসসিআর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন হাসপাতালেই চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তবে আগের থেকে একটু সুস্থ বোধ করছেন।’

চট্টগ্রাম এসে পৌছালো ৪ লাখ ৫৬ হাজার টিকা

রবিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন এর কাছে হস্তান্তর করা হয় এই ভ্যাক্সিন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ ভ্যাক্সিন। কোল্ড চেইন বজায় রেখে ৩৮ কার্টুনে আনা এসব ভ্যাকসিন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজার জেলায়ও করোনার টিকা বহনকারী গাড়ি রওনা দিয়েছে।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, ভ্যাকসিনের জন্য নগর ও জেলায় অগ্রাধিকার তালিকাভুক্তদের মাঝে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। ইপিআই কর্মসূচির মতো করেই করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচিও পরিচালিত হবে।
এদিকে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) থেকেই শুরু হয়েছে জেলা পর্যায়ের টিকাদানের সাথে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ। যারা পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায়ে গিয়ে অন্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। জেলা পর্যায়ের এ প্রশিক্ষণে ১৪ উপজেলা থেকে ৭৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী অংশগ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।
সিভিল সার্জন জানান, করোনার টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে মোট ৪২টি টিম। টিকাদানকারী হিসেবে ২ জন মিডওয়াইফ, স্টাফ নার্স বা সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে প্রতিটি টিমে ৬ জন করে সদস্য থাকবেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র তত্ত্বাবধানে টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। টিকা গ্রহণকারীদের রেজিস্ট্রেশনের ওপর ভিত্তি করে ইপিআই স্টোর থেকে মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে টিকা সরবরাহ করা হবে।
ইতোমধ্যে টিকা বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ছয়টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন : জেলা সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর), জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং কোল্ড চেইন টেকনিশিয়ান।
নগর এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫টি টিকাদান কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে চসিক করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কমিটি। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নগরীর এ ১৫ কেন্দ্রে করোনার টিকাদান কার্যক্রম চলবে।
প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত ১৫ কেন্দ্র হচ্ছে- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম সেনানিবাস হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, সিটি করপোরেশন জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিমান বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতাল, চসিক বন্দরটিলা হাসপাতাল, চসিক মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল, চসিক সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতাল, ইউএসটিসি হাসপাতাল, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

সিলেটের বিভিন্ন স্থানে র‌্যাব ৯ এর অভিযানে মাদকসহ ৭জন গ্রেপ্তার

আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৭জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ৯।

শুক্র ও শনিবার পৃথক অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থেকে গাঁজাসহ ২ জন, সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থেকে ইয়াবাসহ ৪ জন ও কোম্পানীগঞ্জ থেকে ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার বিকেলে র‌্যাব-৯ এর গণমাধ্যম বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোররাতে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরের বেজুড়া এলাকায় ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে পানসী হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের সামনে অবস্থানরত সুনামগঞ্জ এক্সপ্রেস বাসের ভেতর অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ পেশাদার মাদক কারবারি নরসিংদি জেলার আড়াই হাজার থানার বামুন্দি গ্রামের মৃত মো. কালু মিয়ার ছেলে মো. মতিউর রহমান (৫৫) ও তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মাধবপুর থানায় মামলা করেছে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-০৯, সদর কোম্পানীর (সিলেট ক্যাম্প) মেজর মো. শওকাতুল মোনায়েম, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ওবাইন এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

শুক্রবার রাতে সিলেট জেলার বালাগঞ্জের মোসলেমাবাদ গ্রামস্থ সিরাজবেগ বাজারের অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ কামাল আহম্মেদ (৩২), মারুফ আহম্মেদ (৩৯), মুজিবুর রহমান (৫০) ও মো. শাহীন আহম্মেদকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বালাগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা করেছে। এরপর তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অপরদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জের খাগাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০১ পিস ইয়াবসহ মো. জয়নুদ্দিন (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জয়নুদ্দিন ওই থানার মহিষখেড় গ্রামের মৃত আরজান আলীর ছেলে। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা করেছে।

বালাগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জে অভিযানে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ সিপিএসসির স্পেশাল কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামিউল আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অংশ নেয়।

মুরাদনগরে ৫০টি মাদ্রাসা ও এতিম খানায় খাদ্য বিতারণ

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ মুরাদনগরে ৫০টি মাদ্রাসা ও এতিম খানায় খাদ্য বিতারণ করেছেন, সংসদ সদস্য ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এফসিএ। গতকাল শনিবার বিকালে মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণে হারুনুর রশিদ ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে মুরাদনগর ৫০টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় চাল,ডাল,তৈল,লবন খাদ্য সামগ্রী বিতারণ করা হয়েছে।

বাঙ্গরা বাজার থানা কৃষকলীগ আহবায়ক আবু মুসা আল কবির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, এফবিসিসিআইয়ের দুইবার সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এফসিএ।

বিষেশ অতিথি মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান হারুন আল রশিদ, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান  মোঃ রফিকুল ইসলাম সরকার, উপজেলা পরিষদ ভাইচ চেয়ারম্যান ও এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ তমাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ,জেলা পরিষদ সদস্য জাকির হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বাবু বিশ্বজিৎ সরকার,মুফতি মনছুরুল কবির, হাফেজ ওবায়দুল্লাহ, হাফেজ এয়াকুব, মাওলানা আব্দুল মোমেন।

উপস্থিত ছিলেন, ইউপি’র পূর্বধৈইর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম, চাপিতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল কাইয়ূম ভূইয়া, টনকি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, কামারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি সভাপতি মোসলে উদ্দিন।

নওগাঁ’র দুই পৌরসভায় শান্তিপূর্ন নির্বাচন সম্পন্ন

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলার দুই পৌরসভার নির্বাচন শনিবার অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত।

নওগাঁ জেলা সদরের পৌরসভায় ৬৫ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ধামইরহাট পৌরসভায় ৯২ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোটার তাঁদের
ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন নওগাঁ পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ২শ ৪০ জন। এদের মধ্যে বৈধ ভোট প্রয়োগের সংখ্যা ৭৫ হাজার ২৩টি। ভোট প্রদত্ত হয়েছে ৬৫ দশমিক ৯১ শতাংশ।

অপরদিকে জেলার ধামইরহাট পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৬শ ৪০ জন। এদের মধ্যে বৈধভাবে ভোট প্রয়োগ করেছেন ১১ হাজার ৩শ ৯৫ জন। ভোট প্রদত্ত হয়েছে ৯২ দশমিক ১৩ শতাংশ।

নওগাঁ পৌরসভায় বেসরকারীভাবে মেয়র পদে মোঃ নাজমুল হক সনি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ২৯ হাজার ২শ ৬৯টি। এই পৌসভায় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে নাছিমা খাতুন চায়না ( ৮২৪২ ভোট),
৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে মোছাঃ রিনা রহমান ( ১১২৮৩ ভোট), ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে মোছাঃ ফাতেমা খাতুন ( ১৬৯৬২ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

অপরদিকে নওগাঁ পৌরসভার সাধারন কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ডে মোঃ আহসানুল হাবিব রাজন (২০৪৬ ভোট), ২ নং ওয়ার্ডে মোঃ আজিজুর বাবলু ( ৩০৯৯ ভোট), ৩নং ওয়ার্ডে ইনতেজারুল হক ( ৩৫৯২ ভোট), ৪ নং ওয়ার্ডে মোঃ আব্দুল মালেক
শেখ খোয়াজ ( ২৮৬৯ ভোট), ৫ নং ওয়ার্ডে মোঃ মজনু হোসেন ( ৪৭৬৬ ভোট), ৬নং ওয়ার্ডে মোঃ শরিফুল ইসলাম (৪২০৯ ভোট), ৭ নং ওয়ার্ডে সারোয়ার তানজিদ সম্রাট ( ৩৫২৯ ভোট), ৮ নং ওয়ার্ডে মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল ( ৪২৫২ ভোট)
এবং ৯ নং ওয়ার্ডে মোঃ আসাদুজ্জামান সাগর ( ২৩৫০ ভোট) নির্বাচিত
হয়েছেন।

ধামইরহাট পৌরসভায় বেসরকারীভাবে মেয়র পদে মোঃ আমিনুর রহমান ৭৯৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পৌরসভায় সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে মোছা মিনু আরা ( ৮৮৭ ভোট), ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে মোসাঃ শাহনাজ বেগম ( ৯৭৬ ভোট) এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে জেসমিন সুলতানা (১১২২ ভোট) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই পৌরসভায় সাধারন কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ডে মোঃ আলতাফ হোসেন (৭৭৪ ভোট), ২ নং ওয়ার্ডে মুক্তাদিরুল হক ( ৭৮৯ ভোট), ৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ মাহবুব আলম (৭২১ ভোট), ৪ নং ওয়ার্ডে মোঃ একরামুল হোসেন (৪৩৪ ভোট), ৫ নং ওয়ার্ডে মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ( ৩৭১ ভোট), ৬ নং ওয়ার্ডে মোঃ উমর ফারুখ (৪০৫ ভোট), ৭ নং ওয়ার্ডে মোঃ আমজাদ হোসেন ( ৫১৬ ভোট), ৮ নং ওয়ার্ডে
মোঃ মেহেদী হাসান (৬৪৬ ভোট) এবং ৯ নং ওয়ার্ডে মোঃ আব্দুল হাকিম ( ৫৬৩ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন।

 

 

ক্ষমতার দাপটে ৪শত বছর পুরনো ভৈরব থলীর গাছটির শেষ রক্ষা হয়নি

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে সনাতনী ধর্মালম্বীদের দেবোত্তর স্থান ভৈরব থলীর ৪শত বছরের পুরনো একটি গাছের ডাল কেটে পুরো গাছ ছাটাই করেছে জনৈক জালাল খান নামের এক ব্যক্তি, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার সদর ইউনিয়নের সবুজবাগ এলাকার সনাতনী ধর্মালম্বীদের দেবোত্তর স্থান ভৈরব থলীতে ৪শত বছর পুরনো একটি গাছের থলীতে সনাতনী বিভিন্ন কৃতি কার্য পূজা পার্বণের স্থান হিসেবে ব্যবহার করে আসছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, জনৈক জালাল খান নামক এক ব্যাক্তি সে ৪শ বছর পুরনো গাছটি পুরোদম না কাটলেও গাছের একটি পাতা সহ ডাল রাখেন নাই।
এসময় এলাকাবাসী জনৈক ব্যাক্তি জালাল খানকে বাঁধা দিলেও সে বাঁধা অমান্য করে গাছের ডাল পালা সব কেটে ফেলেন। এলাকা বাসীর পক্ষ থেকে যাঁহারা এর প্রতিবাদ করতে এগিয়ে এসেছিল তাদের কে বিভিন্ন রকমের খারাপ আচরণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এলাকার বাসিন্দার কাউকে কোন রকম কোন তুয়াক্কা না করেই রীতিমতো সনাতনী ধর্মালম্বীদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত হেনেছেন বলে অভিযোগ করেন।
সনাতনী নিরীহ এলাকা বাসী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের স্থানটি এইভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হলো যা কিছুতে মেনে নিতে পারছি না। বরং অভিযোগ কারী ব্যাক্তিগন এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন কখন আবার ওনাদের উপর যে কোন সময় হামলা চালানো হতে পারে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এমন কোন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা নেই। তবে, এর সত্যতা থাকলে অবশ্যই ব্যবস্তা নিবেন।
তিনি আরো বলেন, সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে এই বিষয়ে অবগত করার জন্য। ভুক্ত ভোগী এলাকাবাসী জনৈক জালাল খানকে এতটা ভয়ংকর রকমের ভয়ের কারনে প্রভাবশালী বলে সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ও অভিযোগ করেননি।
এ বিষয়ে জালাল খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উনার বাড়ির রাস্তায় পাতা পড়ে ময়লা হয় এজন্য গাছের ডাল পালা সব কাটতে বাধ্য হন।

ওসমানী হাসপাতালে করোনা টেস্ট বন্ধ, চরম বিপাকে বিদেশগামী যাত্রীরা

মো আমিন আহমেদ, সিলেটঃ বিকল হয়ে পড়েছে ওসমানী মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর মেশিন। ফলে করোনাভাইরাস শনাক্তের নমুনা পরীক্ষাও বন্ধ। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন বিদেশযাত্রীরা।

জানা গেছে, সিলেট বিভাগের মধ্যে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা প্রথম শুরু হয় ওসমানী মেডিকেল কলেজের আরটি-পিসিআর ল্যাবে। কিন্তু শুক্রবার থেকে এ ল্যাবে কোনো নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে না। যেসব নমুনা আসছে, তা পাঠানো হচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

তিনি বলেন,ওসমানীর মেশিনটির পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। আজ ঢাকা থেকে টেকনিশিয়ানদের আসার কথা। তারা এলে দ্রুত সমস্যা সমাধান করে পুনরায় পরীক্ষা শুরু করা হবে।’

প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের বিদেশযাত্রীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য এ বিভাগের একমাত্র নির্ধারিত ল্যাব ওসমানী মেডিকেল কলেজ।
মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ায় যারা পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন বা নমুনা দিয়েছেন, তারা সবচেয়ে বিপাকে।

মেশিনটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বিদেশগামীদের ঢাকায় পরীক্ষা করাতে হবে। যাদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন বাবদ টাকা নেয়া হয়েছে, তাদের তা ফিরিয়ে দেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল বলেন, ‘বিদেশ যাত্রীদের এখন ঢাকায় পরীক্ষা করাতে হবে। ওসমানীর ল্যাব আবার চালু হলে এখানেই সবার পরীক্ষা করানো হবে!

 

নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করলেন সেলিম জাহাঙ্গীর

খুলনা প্রতিনিধিঃ হ্যাট্রিক জয় নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেন সেলিম জাহাঙ্গীর। পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। সকাল থেকেই দিনভর সাধারণ ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন। এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বেশী হওয়ায় বেশির ভাগ ভোটারকে দীর্ঘসময় লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয়।

নির্বাচন শেষে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, মেয়র পদে আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী সেলিম জাহাঙ্গীর নৌকা প্রতীকে ৮ হাজার ৩৬৫ ভোট পেয়ে টানা তৃতীয় বারের মত মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিবি’র এ্যাড. প্রশান্ত কুমার মন্ডল কাস্তে প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬২৩ ভোট।

নির্বাচিত কাউন্সিলরা হলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১নং ওয়ার্ডে মোছাঃ রাফেজা খানম চশমা প্রতীক ১ হাজার ৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রোকসানা পারভীন আনারস ১ হাজার ৯০ ভোট, সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে কবিতা রাণী দাশ বলপেন ৩ হাজার ১২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাহানারা খাতুন জবা ফুল ১ হাজার ৪৮ ভোট, সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে মোছাঃ আসমা আহম্মেদ আনারাস ১ হাজার ৭৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জবা ফুল অর্চনা রায় ৬৪৭ ভোট। ১নং সাধারণ ওয়ার্ডে মোঃ আলাউদ্দীন গাজী (আ’লীগ) বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ২নং ওয়ার্ডে মোঃ অহেদ আলী গাজী টেবিল ল্যাম্প ৩৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম মোঃ রফিকুল ইসলাম পাঞ্জাবী ১৮৬ ভোট, ৩নং ওয়ার্ডে মোঃ আব্দুল গফফার মোড়ল পানির বোতল ৬৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাজী আব্দুস সালাম উটপাখি ৪৮৫ ভোট, ৪নং ওয়ার্ডে এস,এম, তৈয়েবুর রহমান পাঞ্জাবী ৯৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাবুরাম মন্ডল উটপাখি ৪২৭ ভোট, ৫নং ওয়ার্ডে রবিশংকর মন্ডল টেবিল ল্যাম্প ৮৫৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ রুহুল কুদ্দুস পাঞ্জাবী ৪১৭ ভোট, ৬নং ওয়ার্ডে কামাল আহম্মেদ সেলিম নেওয়াজ পাঞ্জাবী ৫০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এম.এম. সেলিম রেজা টেবিল ল্যাম্প ৪০৭, ৭নং ওয়ার্ডে শেখ মাহবুবুর রহমান রঞ্জু ব্রীজ ৩৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আলমগীর হোসেন পানির বোতল ৩৫১, ৮নং ওয়ার্ডে ইমরান হোসেন সরদার টেবিল ল্যাম্প ৩৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কাজী নেয়ামুল হুদা কামাল উটপাখি ১৮০ ভোট এবং ৯নং ওয়ার্ডে এস,এম, ইমদাদুল হক উটপাখি ৭২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ আনার আলী দফাদার ব্রীজ ৫২১ ভোট।

নির্বাচনে মোট ১৪ হাজার ৪৩১ ভোটারের বিপরীতে ১০ হাজার ৭৩২জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ এ ভোটে অংশগ্রহণ করেন।

নির্বাচন প্রসঙ্গে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থক সহ এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। নির্বাচনে কোথাও কোন সংঘাত কিংবা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান করেছে। সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্ণিং অফিসার, পাইকগাছা পৌরসভা নির্বাচন এম. মাজহারুল ইসলাম জানান, এবারের নির্বাচন মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে।