কুমিল্লার তিতাসে সকালে শিশু অপহরন করে ২লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি, রাতেই পুলিশের অভিযানে অপহরণকারী আটক ও জীবিত শিশু উদ্ধার

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার তিতাস উপজেলার উপুলকান্দি গ্রামের প্রবাসী হালিম মিয়ার ২০ মাস বয়সী শিশু কন্যা রাইসাকে অপহরনের ১৬ ঘন্টার মধ্যেই জীবিত উদ্ধার ও একজন আপহরণকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

সূত্রে জানা যায়, তিতাস থানার উপুলকান্দি গ্রামের প্রবাসী হালিম মিয়ার  স্ত্রী জান্নাত আক্তার তাঁর ২০ মাস বয়সী শিশু কন্যা রাইসাকে ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। ২৮ জানুৃয়ারি ভোরে সাড়ে ৪টার দিকে ঘুমন্ত মেয়েকে ঘরে রেখে বাতরুমে যায় এবং ফিরে এসে দেখতে পান তার কোলের শিশুকন্যা রাইসা বিছানায় নেই। সকাল বেলা যখন সবাই নিখোঁজ শিশু রাইসার জন্য খোঁজপেত পরিবারের লোকজন ব্যস্ত এমন সময় অজ্ঞাত পরিচয়ে এক ব্যক্তি ২লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার বিনিময়ে অপহৃত শিশুটিকে ফেরত প্রদানের শর্ত দেয়। পুলিশ প্রশাসনকে বিষটি জানতে নিষেধও করা হয় এবং জানালে শিশু রাইসাকে হত্যার হুমকি প্রদান করে অপহরনকারীরা।

কিন্তু তিতাস থানা পুলিশ শিশুটি নিখোঁজ ও মুক্তিপনের  বিষটি জানার পর উৎদ্ধার তৎপর প্রক্রিয়া শুরু করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল)  মীর আবিদুর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) মহোদয়ের সরাসরি দিক-নির্দেশনা আমরা তিতাস থানার ওসি সৈয়দ আহসানুল ইসলাম ও কুমিল্লা ডিবি পুলিশের যৌথ একটি টিম পরিচালনা করা হয়।  সারাদিন তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সফলতার সাথে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ভোরে অপরহণের পর রাত ৮টার দিকে তিতাসের উত্তর বলরামপুর গ্রামের অপহরণচক্রের সদস্য কবির হোসেনের নিকট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। যেহেতু শিশুটি বয়স মাত্র ২০ মাস তাই উদ্ধারের পরপর দ্রুত তাকে শাররীক চেকআপের জন্য তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ ঘটনাটি শুনার পর সতর্কতার সাথে উদ্ধার অভিযান  পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। যেন শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

অপহরণ চক্রের পেছনে কারা জড়িত ও মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশের তদন্তকর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। অপহরণ, মাদক, সন্ত্রাস ও সকল প্রকার অপরাধ দমনে জেলার প্রত্যেক থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।

উদ্ধারকৃত শিশু রাইসার বাবা প্রবাসী হালিম মিয়া তার সন্তান ফিরে পাওয়ার প্রতিক্রায়া বলেন: পুলিশের উদ্ধার কার্যক্রমের প্রশংসা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

নওগাঁ জেলায় ৭১৭৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ: ৭৪ হাজার ৬শ ২০ মেট্রিক টন উৎপাদনের প্রত্যাশা

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁ জেলায় চলতি রবি/২০২০-২০২১ মওসুমে মোট ৭ হাজার ১শ ৭৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে ৭৪ হাজার ৬শ ২০ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

নওগাঁ জেলার কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন ভুট্টা থেকে মাছ ও মুরগীর খাদ্য উৎপাদন এবং গাছগুলো ভালো জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় লাভজনক বিধায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।

কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে উপজেলা ভিত্তিক ভুট্টা চাষ এবং চাষকৃত জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টার পরিমান হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ২৬০ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টার পরিমাণ ২ হাজার ৭শ ৫ মেট্রিক টন।

রানীনগর উপজেলায় ৪২৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টার পরিমাণ ৪ হাজার ৪শ ২০ মেট্রিকটন। আত্রাই উপজেলায় ৫ হাজার ১শ ৫৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টার পরিমাণ ৫৩ হাজার ৬শ ১০ মেট্রিক টন। বদলগাছি উপজেলায় ৮০ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টার পরিমাণ ৮৩০ মেট্রিক টন।

মহাদেবপুর উপজেলায় ১২৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ১ হাজার ৩শ মেট্রিক টন। পত্নীতলা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ৩৬৫ মেট্রিক টন। ধামইরহাট উপজেলায় ৩৯৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ৪ হাজার ১শ ১০ মেট্রিক টন।

সাপাহার উপজেলায় ২০ হেক্টর জমি তেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ২০৫ মেট্রিক টন। পোরশা উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ১৫৫ মেট্রিক টন। মান্দা উপজেলায় ৬২০ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ৬ হাজার ৪শ ৫০ মেট্রিক টন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৪৫ হেক্টর জমি থেকে সম্ভাব্য উৎপাদিত ভুট্টা ৪৭০ মেট্রিক টন।

 

শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ মার্চ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা।এই নিয়ে সারা দেশের মতো ২০নং পাহাড়পুর ইউনিয়ন নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া ইউনিয়ন এর বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।মুরাদনগর  উপজেলার ২০নং পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০নং পাহাড় পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী, যুব সমাজের আইকন,বিশিষ্ট সমাজ সেবক এবং গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর বিশ্বস্ত আস্তাভাজন নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন,এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজন গ্রহণযোগ্য।নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।
পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে, নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান একজন সৎ, নিষ্ঠাবান নেতা। তিনি বিভিন্ন সময় অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন ও সমাজ কল্যাণমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং শীতার্তদের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করেন। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান ২০নং পাহাড়পুর  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।
নুরমোহাম্মদ বিন মুজিবুর রহমান আরও বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ২০নং পাহাড়পুর ইউনিয়ন কে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

ক্যামেরুনে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, আগুনে পুড়ে নিহত ৫৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ক্যামেরুনের পশ্চিমাঞ্চলে গতকাল বুধবার (২৭ জানুয়ারি) একটি বাস ও জ্বালানিবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ৫৩ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। ওই ঘটনায় আও ২৯ জন গুরুতর আহত হয়েছে। খবর আফ্রিকা নিউজের।

ছবিঃ বিবিসি।

ক্যামেরুনের পশ্চিমাঞ্চলের গভর্নর আওয়া অগাস্টিন  বলেছেন, সংঘর্ষের পর দুটি গাড়িতেই আগুন ধরে যায়। ৫৩ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

নিহতদের চিহ্নিত করা যায়নি কারণ তারা সবাই পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, দাসচ্যাঙ্গের পাহাড়ি রাস্তায় স্থানীয় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ৭০ আসনের বাসটির সঙ্গে ট্যাংকারটির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ট্যাংকারটির চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

ছবিঃ বিবিসি।

পুলিশ জানিয়েছে, কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহত যাত্রীদের দেহ এমনভাবে দগ্ধ হয়েছে যে, তাদের কারও পরিচয় শনাক্ত সম্ভব হয়নি।

এদিকে কি কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে অগাস্টিন বলছেন, প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন যে ‘কুয়াশার’ কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। এছাড়া ওই গাড়িটির ব্রেকেও সমস্যা ছিল বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, দাসচ্যাঙ্গের এই পাহাড়ি এলাকা চালকদের জন্য বিপজ্জনক হিসেবে পরিচিত। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ক্যামেরুনে এমনই এক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে ১০ জন নারী ও ৪ জন শিশুও ছিল। সুত্রঃ আফ্রিকা নিউজ ও বিবিসি।

 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ১৫, আক্রান্ত ৫০৯

দেশে চলমান মহামারি প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৮৭ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৫০৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এতে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫৩ জন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৬টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৮টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৬০টি র্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২০৪টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৮৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৩৬ লাখ ১৫ হাজার ৩৩৮টি নমুনা।২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৯ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫১ শতাংশ। এদিন সুস্থ হয়েছেন ৬১১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৬ জন।

 

সারা দেশের ৬৪ জেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) বিতরণের সময়সূচি ও তথ্য

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান: সারা দেশের ৬৪ জেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড) বিতরণ কার্যক্রম চালাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

এতদিন ধরে দেশের ভোট দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র হিসেবে কাগজের ওপর লেমিনেটিং করা যে আইডি কার্ড ব্যবহৃত হয়ে আসছে তার প্রতিস্থাপন হিসেবে দেওয়া হবে ইলেকট্রনিক চিপ সমৃদ্ধ নতুন প্রযুক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্ট কার্ড)। মেশিন রিডেবল এই কার্ডটিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিকের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকবে যা বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়ার বিষয়টিকে নিশ্চিত ও আরও সহজতর করে তুলবে।

আর আপনি যদি এখনও স্মার্টকার্ড না পেয়ে থাকেন, তবে কীভাবে? কবে? আপনার স্মার্ট কার্ডটি পাবেন সে সম্পর্কিত তথ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে নিচের উপায়গুলো জানুন-

অনলাইনে স্মার্ট কার্ড বিতরণের তথ্য কীভাবে পাবেন?

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই আপনি আপনার স্মার্টকার্ড বিতরণ সংক্রান্ত তথ্য জানতে প্রথমেই ভিজিট করুন https://services.nidw.gov.bd/card_distribution ওয়েবসাইটে। এরপর সেখানে NID নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্মতারিখ ও ক্যাপচা ঘরগুলো পূরণ করুন। তারপর ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ বাটনে ক্লিক করলে একটি উইন্ডো আসবে যেখানে আপনার স্মার্টকার্ড কবে কোথায় বিতরণ করা হবে তা উল্লেখ করা থাকবে।

তবে খেয়াল করে দেখবেন যদি এরকম লেখা আসে “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later”, তাহলে বুঝতে হবে আপনার স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ ও স্থান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। কাজেই আর কিছুদিন পরে আবারও একই নিয়মে ট্রাই করবেন আপনার স্মার্টকার্ড পাওয়ার জন্য।

এসএমএসের মাধ্যমে কীভাবে স্মার্ট কার্ড বিতরণের তারিখ ও স্থান সম্পর্কে জানতে পাবেন?

আপনি আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে NID  লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। তবে মনে রাখার বিষয়টি হলো আপনার NID  নম্বর যদি ১৩ ডিজিটের হয়, তাহলে NID নম্বরের শুরুতে নিজের জন্ম সাল (জাতীয় পরিচয়পত্রে যেটি দিয়েছিলেন) যুক্ত করে নেবেন। এরপর মেসেজটি ১০৫ নম্বরে পাঠালেই (যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে) ফিরতি মেসেজে আপনার স্মার্টকার্ড বিতরণের সকল তথ্য দেখতে পাবেন।

তবে খেয়াল রাখবেন যদি এরকম উত্তর আসে “Your card distribution date is not scheduled yet, please try later”, তাহলে বুঝতে হবে আপনার স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ ও স্থান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। কাজেই আর কিছুদিন পরে আবারও একই নিয়মে ট্রাই করবেন আপনার স্মার্টকার্ড পাওয়ার জন্য।

এছাড়া, আপনি ১০৫ নম্বরে কল করে সেখানে যেসকল তথ্য আপনাকে দিতে বলবে তা দিয়ে আপনি আপনার স্মার্টকার্ড সংশ্লিষ্ট  সকল তথ্য জানতে পারবেন।

জেনে রাখুনঃ পুরনো ১৩ ডিজিটের জাতীয় আইডিতে প্রথম ডিজিটটি জেলা কোড, পরবর্তী ডিজিট আরএমও কোড, পরবর্তী ডিজিট উপজেলা কোড, পরবর্তী ডিজিট ইউনিয়ন বা দেশের কোড এবং সর্বশেষ ৬ সংখ্যা আপনার একান্ত নিজের জন্য দেওয়া ব্যক্তিগত নম্বর।

 

মুরাদনগরে ‘সৌর বিদ‍্যুৎ চালিত পাম্পের মাধ্যমে কৃষি সেচ’ প্রকল্পের উদ্বুদ্ধকরণ সভা

মোঃ খোরশেদ আলম , কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার মুরাদনগরে ‘সৌর বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের মাধ্যমে কৃষি সেচ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গনে গ্রাহক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে নবীপুর (পশ্চিম) ইউপি’র চেয়ারম্যান হাজী কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিদপ্তরের পরিচালক সাকিব ইবনে সাঈদ। কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ‍্যুৎ সমিতির ডিজিএম ফসিউল হক জাহাঙ্গীর এর উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা পল্লী বিদ‍্যুৎ সমিতির জেনারেল ম‍্যানেজার প্রকৌশলী মকবুল হোসেন।

অন‍্যানদের মাঝে উক্ত সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন, বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজের অধ‍্যক্ষ নুরুল হক, কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ‍্যুৎ সমিতির এজিএম ইমতিয়াজ মোহাম্মদ জাহিদ ও ফরিদ উদ্দিন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী, ডা: ফারুক আহমেদ, ওয়ারিং ইন্সপেক্টর মানছুর আলম, মোহনা টিভির প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান টিটুসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সম্মানিত গ্রাহক, কৃষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সভায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১০ জন গ্রাহক সৌর বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প এর সংযোগ নেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, ৩, ৫.৫, ৭.৫, ১০, ১৫ ঘোড়া এই ৫ ক্যাটাগরির সাবমারসিবল মটর দ্বারা ২৫টি সৌর বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প এর সংযোগ প্রদান করা হবে। এতে সেচ লাইসেন্স এর প্রয়োজন হবে। এই পাম্পগুলির প্যাকেজ মুল্যের ৬০% অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে এবং ৪০% মুল্য গ্রাহকেরা পরিশোধ করবেন। যার ১০% ডাউন পেমেন্ট হিসেবে প্রদান করতে হবে এবং বাকি অর্থ মাসিক/বাৎসরিক কিস্তিতে ১০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। সৌর বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প পরিবেশ বান্ধব এবং এই পাম্প এর মাধ্যমে পুকুরে পানি দেওয়া, ধান মাড়াই, ঘাস কাটার মেশিন চালানো, খাবার পানি সরবরাহ করা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়াও অফ সিজনে গ্রীডে বিদ্যুৎ বিক্রি করে এই সংযোগ হতে কৃষকগণ লাভবান হবেন।

 

জবির পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল: নিয়োগের নামে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ

যুবায়ের ইবনে জহির, জবি প্রতিনিধিঃ নিয়োগের নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্কুলের বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

এ অভিযোগের বিষয়ে গোপনসূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইউজিসি থেকে নিবন্ধন করার কথা বলে নন-এমপিও শিক্ষকদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার, এমপিও ভুক্ত শিক্ষকদের কাছ থেকে এগারো হাজার এবং হসকল কর্মচারীদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার করে টাকা নিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুল আলম।

পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, আমরা যদি সরাসরি মুখ খুলি তাহলে আমাদেরকে যেকোন সময় মেরে ফেলতে পারে। আর চাকুরী হারানো নিশ্চিত। তিনি বলেন, গত বছর নভেম্বরে ৫০ জন নন এমপিও শিক্ষকদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার করে এবং এমপিও ৮/১০ জন শিক্ষকদের কাছ থেকে ১১ হাজার করে টাকা নিয়েছেন পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক। উনাদের অধীনে আমরা চাকরি করি তো কেউ যদি একটি কথাও বলি তাকে তো ওইখানে রাখবেই না বের করে দিবে৷ একটু অপরাধ হইলেই তারা এদেরকে বের করে দেয়৷ ”

এই বিষয়ে পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন বলেন, ” অনেকদিন আগে এই অভিযোগ উঠেছিলো। পরে আমি স্কুলে এসে তদন্ত করেছি কিন্তু সকলই অস্বীকার করে৷ আর যদি কেউ এই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারে তাহলে কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে । আমার কাছে এই বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি তাছাড়া আমি প্রত্যেক শিক্ষকেই জিজ্ঞাসা করেছি চাইলে আপনারাও করতে পারেন তারা এমন কোন অভিযোগ করে না।

শিক্ষকেরা ভয়ে মুখ খুলতে চায় না বললে তিনি বলেন, ” এদের চাকুরী তো এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চাকুরীর ভয় কিসের। এই প্রতিষ্ঠানকে যতটুকু দাড় করিয়েছি তা অনেক পরিশ্রমের মাধ্যমে। সুতরাং এ ধরণের কথা সম্পূর্ণ অবান্তর ও মিথ্যা।”

পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক শরীফ বলেন, ” আমি তো স্কুলের কিছুই না। এইসব ব্যাপারে আমি মাথা ঘামাই না এবং এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না৷ স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাজ হলো রুটিন করা। এছাড়া আর কোন কাজ নেই। আর এই সমস্ত টাকা পয়সার বিষয় আমার ইখতিয়ার এর বাইরে। কেউ যদি এগুলা বলে থাকে তাহলে এগুলা শত্রুতার বশে বলেছে। কেউ যদি এটা প্রমাণ করতে পারে যে আমি কারো কাছ থেকে দুই আনা পয়সাও নিয়েছি তাহলে আমি এই স্কুলে আর চাকুরীই করবো না। ”

এই বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলের গর্ভনিং বডির সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্বদ্যিালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা যেহেতু আর্থিক ব্যাপার এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন। শীঘ্রই একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

সিলেটে গ্যাসের আবাসিক গ্রাহকদের প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনা হচ্ছে

মোঃ আমিন আহমেদ, সিলেট: সিলেট আবাসিক গ্রাহককে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার ১১৮ কোটি ৫৫ ব্যয়ে আরও নতুন করে৫০হজার গ্রাহককে দেবে সরকার। এর ফলে প্রতিটি আবাসিক গ্রাহকের মাসিক গড় গ্যাস ব্যবহার ৬৬ ঘনমিটার থেকে ৪০ ঘনমিটারে নেমে আসবে।গ্রাহকপ্রতি গ্যাস সাশ্রয় হবে গড়ে ২৬ ঘনমিটার। গ্যাস বিতরণ লাইন লিকেজজনিত অপচয়ও রোধ হবে।

বর্তমানে প্রতি মাসে গ্রাহকদের গ্যাস বিল দিতে হয় ৯৭৫ টাকা। প্রিপেইড মিটার স্থাপন করলে অল্প টাকায় মাস চালিয়ে নিতে পারবেন। প্রতি গ্রাহকের সাশ্রয় হবে ৫০০ থেকে ৬৭৫ টাকা। এমনটি জানিয়েছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)।

জেজিটিডিএসএল অধিভূক্ত এলাকায় ৫০ হাজার প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি সময় থেকে ২০২২ মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

জেজিটিডিএসএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা) প্রকৌশলী সৈয়দ ফজলুল হক জানান“সিলেট শহরে প্রকল্পের আওতায় ৫০ হাজার প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হবে। এর ফলে একদিকে গ্যাসের অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে গ্রাহকের প্রতি মাসের খরচও কমবে। গ্যাসের জন্য এখন প্রতি মাসে গ্রাহকের খরচ ৯৭৫ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রাহক ৩০০ টাকায়ও মাস চালিয়ে নিতে পারবেন। সিলেটে এমন উদ্যোগ প্রথম নেওয়া হচ্ছে। ”

জালালাবাদ গ্যাস অধিভূক্ত এলাকার গৃহস্থালী পর্যায়ে ব্যবহৃত গ্যাসের অপচয় রোধ এবং গ্যাসের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করা হবে। গৃহস্থালী পর্যায়ে প্রি-পেইড গ্যাস মিটার ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে গ্যাস ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি, কোম্পানির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনিটরিং ব্যয় কমবে।

জেজিটিডিএসএল,সূত্রে আরো জানা যায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গ্যাসের কার্যকর সরবরাহ ও ব্যবহারের মাধ্যমে গ্যাসের অপচয় রোধ করা যাবে। সাশ্রয়কৃত গ্যাস নতুন নতুন শিল্প কারখানায় ব্যবহার করা সম্ভব হবে। ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে। প্রকল্পের আওতায় ডাটা সেন্টার ও ডাটা রিকোভারি সেন্টার এবং প্রয়োজনীয় ওয়েব সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার স্থাপন করবে সরকার।

মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকের অভ্যন্তরীণ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) লাইনে লিকেজজনিত কারণে প্রচুরে পরিমাণ গ্যাস অপচয় হয়। অনেক গ্রাহক সচেতন নয়, এমনকি বিষয়টি কোম্পানিকেও অবহিত করে না। গ্রাহক মনে করেন, গ্যাস যতোই অপচয় হোক না কেন ৯৭৫ টাকার বেশি দিতে হতে হয় না।

জালালাবাদ গ্যাস অধিভূক্ত এলাকার গৃহস্থালী পর্যায়ে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হলে জিআই লাইনের লিকেজজনিত গ্যাসের ব্যয় গ্রাহককেই বহন করতে হবে। ফলে লিকেজ বন্ধ করার জন্য তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন। সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে অবহিত করবেন। এর ফলে গ্যাসের অপচয় রোধ করা যাবে।

 

হোমনায় আ’লীগ মেয়র প্রার্থী মিলাদ ও দোয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু

মো.নাছির উদ্দিন-হোমনা-প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা জেলার হোমনা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপদেষ্ঠা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এ্যাড. নজরুল ইসলাম  আজ বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

এ উপলক্ষে  দুপুর ২ টায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে   উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ফজলুল হক মোল্লা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহাসিন সরকার,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আক্তার রীনা, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা পরিষদ সদস্য ও মো. মহিউদ্দিন খন্দকার, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক গাজী ইলিয়াছ,  সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিনুজ্জামান খোকন, ৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান খন্দকার, সেক্রেটারী আবদুস সালাম ভূইয়া, কৃষকলীগের সভাপতি হাজী মুকবুল হোসেন মোল্লা,সাধারণ সম্পাদক মো.দুলাল মিয়া, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহাম্মেদ বেপারী,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ফারুক, সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির,  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সরকার,সাধারণ সম্পাদক ফোরকানুল ইসলাম পলাশ, ইউপি চেয়ারম্যান,আবুল বাশার মোল্লা, জালাল উদ্দিন পাঠান,  মো. মফিজুল ইসলাম গনি,মো. জালাল উদ্দিন খন্দকার, মো.জসিম উদ্দিন সওদাগর,  মো.কামরুল ইসলাম, মো.তাইজুল ইসলাম মোল্লা, আ’লীগ নেতা  দেলোয়ার হোসেন ধনু, মনিরুজ্জামান, ইকবাল হোসেন রনি, মহিলালীগের পারুল আক্তার, শেফালী বেগম, লায়লা হক,লাইলী বেগমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এ সময়  উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে  পৌর সভার শ্রীমদ্দি গ্রামে ৫,৬,৭,৮ ওয়ার্ডে গনসংযোগ করেন।