নওগাঁয় ভাষা সৈনিক শেখ নুরুল ইসলামের ১৩তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : নওগাঁয় বিশিষ্ট ভাষা সংগ্রামী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শেখ নুরুল ইসলামের ১৩তম মৃত্যু বাষিকী উপলক্ষে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনাসভা, দোয়া মহফিল এবং দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরন করা হয়।

গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় নওগাঁ শহরের চকদেবপাড়ায় শেখ নুরুল ইসলামের বাসভবন চত্বরে নিরুপমা ফাউন্ডেশন এবং মহিলা কর্ম উন্নয়ন সমিতি যৌথভাবে এই স্মরনসভার আয়োজন করা হয়। সারাদেশের বাষা সৈনিকদের একটি তালিকা তৈরীর দাবী জানিয়ে এই স্মরনসভার আয়োজন করা হয়।

নিরুপমা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মহিলা কর্ম উন্নয়ন সমিতির সাধারন সম্পাদক সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি এ্যাডভোকেট
নাজনীন নাহার নিরুপমা’র সভাপতিত্বে আয়োজিত এ স্মরনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ কায়েস উদ্দিন।

এ সময় ভাষা সংগ্রামী শেখ নুরুল ইসলামের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান, চকদেব জনকল্যানপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মওলানা মোঃ জহুরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আকরাম হোসেন এবং মার্স রেসলিং এ্যাসোসিয়েশনের নওগাঁ জেলার সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন বক্তব্য রাখেন।

 

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলরের প্রতীক বরাদ্দ

হুমায়ুন কবির (রাণীশংকৈল) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে ২৭ জানুযারি বুধবার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

এ উপলক্ষে এদিন সকালে উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আঁখি সরকারের নেতৃত্ব প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পৌর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সকল মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রমে ৩ জন দলীয়ভাবে মনোনীত প্রার্থী বাদে ৮ জন বিদ্রোহী ও ১জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নির্বাচনী প্রতীক লটারীর মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার আঁখি সরকার।

মেয়র পদে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন নৌকা প্রতীক, বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী মাহামুদুল নবী পান্না বিশ্বাস পেয়েছেন ধানের শীয় প্রতীক, জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনীত  প্রার্থী আলমগীর হোসেন পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রফিউল ইসলাম (ভিপি) পেয়েছেন কম্পিউটার প্রতীক, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আলমগীর সরকার পেয়েছেন ক্যারামবোর্ড প্রতীক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নওরোজ কাউসার কানন পেয়েছেন চামুচ প্রতীক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ইস্তেকার আলম পেয়েছেন মোবাইল ফোন প্রতীক,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও বর্তমানে আ’লীগ নেতা রুকুনুল ইসলাম ডলার পেয়েছেন রেল ইঞ্জিন প্রতীক, উপজেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল খালেক পেয়েছেন জগ প্রতীক, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক পেয়েছেন নারিকেল গাছ প্রতীক, বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোকলেসুর রহমান পেয়েছেন কাপড় ঝুলানো হ্যাংগার প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকারম হোসাইন পেয়েছেন ইস্ত্রি মেশিন প্রতীক। একই সাথে কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরদেরও প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কমিশন প্রতীক বরাদ্দের সময় সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে দিক নির্দেশনা প্রদান ও আচরণ বিধি লঙ্ঘন না করার পরামর্শ প্রদান করেন। এবং আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রসঙ্গত: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গত ৩ জানুয়ারি ৪র্থ পর্বের নির্বাচন ঘোষনা দেন, ৪ জানুয়ারি থেকে ফরম বিক্রি শুরু হয়, ১৭ জানুযারি ছিল মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিন। এ দিন ১২ জন মেয়র পদে ৩৩ জন কাউন্সিলর পদে এবং ১৩ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। গত ১৯ জানুযারি সকলের মনোনয়ন পত্র যাচাই বাছাই শেষে সকলকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন উপজেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসার।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জানুযারি প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ দিনে শুধুমাত্র ১ জন পুরুষ কাউন্সিলর ফজলুর রহমান (৬ নং ওয়ার্ড) তাঁর প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।

 

রাণীশংকৈল পৌর নির্বাচনে চূড়ান্ত মেয়র প্রার্থী ১২, কাউন্সিলর ৪৪; আ’লীগের বিদ্রোহী ৭

হুমায়ুন কবির, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈলে আসন্ন পৌর নির্বাচনে গত ২৬ মঙ্গলবার প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মেয়র পদে কেউ প্রত্যাহার না করায় মোট ১২ জন প্রার্থী হয়েছেন।
মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুন্নবী বিশ্বাস (পান্না), জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলেসুর রহমান (সাবেক মেয়র), মোকাররম হোসেন, আ’লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর সরকার(বর্তমান মেয়র), রফিউল ইসলাম, নওরোজ কাউসার কানন, সাধন বসাক, রুকুনুল ইসলাম ডলার, ইস্তেকার আলম ও আব্দুল খালেক।
অন্যদিকে, কাউন্সিলর পদে ৬নং ওয়ার্ড থেকে ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণ দেখিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় মোট পুরুষ কাউন্সিলর পদে ৩১ জন এবং মহিলা সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রার্থী হয়েছেন।
নির্বাচন অফিস সুত্র জানিয়েছে, গতকাল ২৭ জানুয়ারি বুধবার প্রত্যেক প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪,৭০২ জন। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রবিবার।

মাদক, দূর্ণীতি, জুয়া, দারিদ্র্য মুক্ত ইউনিয়ন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল হোসেন মাষ্টার

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ মার্চ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা।এই নিয়ে সারা দেশের মতো ১৯নং দারোরা ইউনিয়ন নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া ইউনিয়ন এর বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।মুরাদনগর উপজেলার ১৯নং দারোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ১৯নং দারোরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সফল সভাপতি এবং মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সফল প্রচার সম্পাদক,১৯৬৯ সালে ১১ দফা ছাত্র আন্দোলনে কুমিল্লা কান্দিরপাড় মিছিল থেকে গ্রেফতার হয়ে এক মাসের ডিটেনশনে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারোদ্ধকারী,১৯৭০ সালের নির্বাচনে সক্রিয় ভাবে জড়িত থেকে নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতাকারী, ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ২নং সেক্টরের অধীনে গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ কারী এবং স্বৈরাচার ও ৪ দলীয় জোট সরকার শাসন আমলে পুলিশি হয়রানির শিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজন গ্রহণযোগ্য।

আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার একজন সৎ, নিষ্ঠাবান নেতা। তিনি বিভিন্ন সময় কাজিয়াতল উঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজিয়াতল দারুল উলুম ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা, কাজিয়াতল বড় ঈদগাহ, কাজিয়াতল বড় কবরস্থানসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্ব পালন ও সমাজ কল্যাণমুলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থেকে সমাজ সেবায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছেন এবং তিনি করোনা কালীন সময়ে অসহায় কর্মহীন হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং শীতার্তদের মাঝে শীত বস্র বিতরণ করেন। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার ১৯নং দারোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আবুল হোসেন মাষ্টার আরও বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ১৯নং দারোরা ইউনিয়ন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

 

ধুনট পৌর নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

নুর মোহাম্মদ সাম্রাট, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: আগামী ৩০ জানুয়ারি তৃতীয় ধাপে পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ার ধুনট পৌরসভায় বিএনপির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর দুইটায় এই কর্মী সমাবেশ করা হয়।

ধুনট পৌর বিএনপির আহবায়ক হায়দার আলীর সভাপত্বিতে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ধুনট উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি, ধুনট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান জনাব এ কে এম তৌহিদুল আলম মামুন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ধুনট উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মন্ডল,ধুনট উপজেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য মোখফিজুর রহমান বাচ্চু, চঞ্চল, ফিরোজ আহম্মেদ, পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সানোয়ার হোসেন,আরিফ খান, যুবদল নেতা রাশেদুজ্জামান উজ্জ্বল, মোহাম্মদ আলী জন, আব্দুল হালিম,শাহাদাত হোসেন মিলু, আবু তালহা শামীম খান,সাহিদ মাহমুদ সুমন,সুমন,ইয়াকুব হোসেন, শহিদুন্নবী স্বাধীন, এরশাদ আলী,জুয়েল রানা, সেচ্ছাসেবকদল নেতা -নিয়ামুল আলম তালুকদার,আলফিজুর রহমান স্বপন,রন্জু আহম্মেদ,লাল হোসেন,আশিক মাহমুদ

ছাত্রদল নেতা – পারভেজ ইমতিয়ার সেতু,আলম হাসান,রাকিবুল হাসান রকি,শাহাদাৎ হোসেন, সাইদুজ্জামান নোমান,সম্রাট,রাসেল,জিয়া,সুমন প্রমুখ।

আগামী ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনে ধুনট পৌরসভায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র, ধুনট পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য  আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল।

উক্ত সভায় বক্তারা বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনের জন্য আমাদের সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে প্রতিটি পদক্ষেপ নেয়ারও উপদেশ দেন বক্তারা।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহাসড়কে মাদক অভিযানে ৪২ কেজি গাঁজাসহ ৯ জন গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে পৃথক অভিযানে ৪২ কেজি গাঁজাসহ ৯জনকে আটক করেছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এরমধ্যে একজন নারীও রয়েছে। গত সোমবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের মাদক দ্রব্য গুলোসহ আটক করে।

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিসের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অভিযান চালানো হয়। এসময় আশুগঞ্জ, খাঁটিহাতা বিশ্বরোড মোড়ে ও সরাইলের শাহবাজপুরে বিভিন্ন যানবাহনে অভিযান চালিয়ে ৪২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এসব ঘটনায় আশুগঞ্জ, সদর ও সরাইল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

চট্টগ্রামে নব্য নগর পিতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন রেজাউল করিম

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নতুন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ সমর্থীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৈাধুরী। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বেসরকারি ভাবে তাকে মেয়র হিসেবে ঘোষনা করা হয়। এর পাশাপাশি তালিকা দেয়া হয় নব্য নির্বাচিত কাউন্সিলর দেরও

১ নম্বর ওয়ার্ডে গাজী মো. শফিউল আজিম, ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাহেদ ইকবাল বাবু,  ৩ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী শফিকুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এসরারুল হক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাজী নুরুল আমিন (মামুন), ৬ নম্বরে আশরাফুল আলম, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোবারক আলী, ৮ নম্বর মোরশেদ আলম, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জসিম উদ্দিন, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে নিছার উদ্দীন আহমেদ, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ ইসমাইল, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নুরুল আমিন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াসিম উদ্দীন চৌধুরী, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে গিয়াস উদ্দীন, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে সায়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে শহীদুল ইসলাম, ১৮ নং হারুনুর রশিদ( আগেই জয়ী), ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে নুরুল আলম মিয়া, ২০ নম্বরে চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে শৈবাল দাস সুমন, ২২ সলিমুল্লাহ বাচ্চু, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোহাম্মদ জাবেদ, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে নাজমুল হক ডিউক, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুস সবুর লিটন, ২৬ নং ওয়ার্ডে লায়ন মোহাম্মদ ইলিয়াছ, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে জাফরুল হায়দার চৌধুরী, ২৮ ওয়ার্ডে নজরুল ইসলাম বাহাদুর, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আতাউল্লাহ চৌধুরী ৩১. নির্বাচন স্থগিত আছে, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে জহর লাল হাজারী, ৩৩. হাসান মুরাদ বিপ্লব, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে পুলক খাস্তগীর, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে হাজী নুরুল হক, ৩৬ নং ওয়ার্ডে মো. মোরশেদ আলী, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল মান্নান, ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জিয়াউল হক সুমন, ৪০ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল বারেক, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে সালেহ আহমদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত দুই আহত প্রায় শতাধিক

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৮ টা পর্যন্ত চলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহন। এতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সহিংসতায় নিহত হয় ২ জন।

নগরীর ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের আমবাগান ইউসেপ টেকনিক্যাল স্কুল ও সরাইপাড়া ওয়ার্ডের বারকোয়ার্টার মাইট্টাইল্লা পাড়া এলাকায় পৃথক এ দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পাহাড়তলীতে আপন ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে আরেক ভাই নিহত হয়েছেন। ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের বারোকোয়াটার মাইট্টাইল্লা পাড়া এলাকায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাহাড়তলী থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল হক। নিহত ব্যক্তি ১২ নম্বর ওয়ার্ডের (সরাইপাড়া) আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী সাবের আহম্মদের কর্মী বলে জানা গেছে। তার নাম নিজামউদ্দীন।

অপরদিকে ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের ঝাউতলা এলাকায় নিহত ভোটারের নাম আলাউদ্দিন (২৫)। তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী মাহমুদুর রহমানের কর্মী। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঝাউতলার ইউসেফ আমবাগান স্কুল কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে লাগা সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছোঁড়া গুলিতে নিহত হন তিনি। এই হত্যার জন্য সেই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়াসিম চৌধুরীর অনুসারীদের দায়ী করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, বাদশা সোলাইমান নামে ওয়াসিমের এক কর্মীর ছোঁড়া গুলিতে প্রাণ হারান আলাউদ্দিন। এই হত্যার পর ঝাউতলা এলাকায় রেল লাইন অবরোধ করে রেখেছেন মাহমুদুরের সমর্থকরা।

এর আগে সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দখলে চলে যায় ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডের তিন ভোট কেন্দ্র।

এ ওয়ার্ডের আমবাগান ইউসেপ স্কুল, ঝাউতলা ওয়ার্লেস স্কুল ও পাহাড়তলী কলেজ কেন্দ্র তিনটিতে সন্ত্রাসীদের অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দিতে দেখা যায়।

পাশাপাশি নগরীর লালখান বাজারেও শুরু হয় মধ্যরাত থেকে সংঘর্ষ এতে প্রায় ৩০ জনের মতো আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

পাথরঘাটাতে ঘটে গোলাগুলির ঘটনা এতে গ্রেফতার করা হয় পাথরঘাটা ওয়ার্ড বিএনপি এর কাউন্সিলর প্রার্থী ইসমাইল বালী কে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় কোতয়ালি থানা পুলিশ্ এই ওয়ার্ডে এক প্রিসাইডিং অফিসারেও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পাথরঘাটা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে ওই কেন্দ্রে থাকা ইভিএম মেশিন ছাড়াও বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাস ভাঙচুর করা হয়েছে।

নগরীর বিশ্ব কলোনিতেও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ৯ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিশ্ব কলোনির পি-ব্লক কোয়াক স্কুল ভোট কেন্দ্রের দখল নিতে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি সাদা মাইক্রোবাস এসে তুলে নিয়ে যায় পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী জহুরুল আলম জসিমকে। স্থানীয়ভাবে সাদা মাইক্রোবাসে আসা লোকজনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বলে ধারণা করা হলেও পুলিশ এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্বীকার করেনি।