প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টে আগামী ২৩ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করা যাবে

শিক্ষা ডেস্কঃ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টে আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ আবেদন করতে পারবেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সোহাগ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ২০২২-২৩ অর্থবছরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে সহায়তার জন্য অনলাইন আবেদনের সময় ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হলো। ভর্তিতে সহায়তা পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ই-ভর্তি সহায়তার ব্যবহার নির্দেশিকা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারিত সিস্টেমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি সহায়তা প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে এই লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

ইসরায়েলের রকেট হামলায় সিরিয়ায় নিহত ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরায়েলের রকেট হামলায় সিরিয়ার ৫ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত ১৫ জন। আজ রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে দেশটির রাজধানী দামেস্কের একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিবেদনের তথ্যমতে, দামেস্কের বেশ কয়েকটি এলাকাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে সিরিয়ার পাঁচ নাগরিকের মৃত্যু এবং ১৫ জন আহত হন। হামলায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্র এই হামলার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে শত শত বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলার মূল লক্ষ্য ইরানি বাহিনী ও লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী। সিরিয়ায় ইরানের প্রভাব ও সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ইসরায়েল বরাবরই উদ্বিগ্ন।

ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লা-আর্বজনার ভাগাড়: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ের স্তুপে পরিণত হয়েছে। এতে চরম পিপাকে পড়েছে রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রুহিয়া ডিগ্রি কলেজ, রুহিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও রুহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা। তাছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের রামনাথ বাজার যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি।

শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এখানে দীর্ঘদিন ধরে রুহিয়ার বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকেরা ও পাশ্ববর্তী অস্থায়ী দোকানদারেরা তাদের খেয়াল খুশি মত ময়লা-আবর্জনা ফেললেও দেখার কেউ নেই।

রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. নির্জন ইসলাম, মো. মুন্না, যুথি রানী রায়, রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মিঠুন চন্দ্র রায়, মো. মহিদুল ইসলাম, পথচারী শাহবউদ্দীন, নিশাদসহ অনেকেই বলেন, রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে মুখে মাস্ক অথবা নাকে রুমাল দিয়ে যেতে হয়। এছাড়াও সেখানে পলিথিনসহ দইয়ের কৌটা ফেলায় ভয়াবহ ভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা ওখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলতে অনেকবার নিষেধ করেছি। তাছাড়া, ওখানে মন্ডল নামে আমাদের একজন কর্মচারীকে পাহাড়া বসিয়েছি তবুও ধরা যাচ্ছে না।

রুহিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডা. রিপন চন্দ্র রায় বলেন, সেখানে পরিবেশ দূষণ ছাড়াও বাতাসে কার্বন-ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারি মানুষসহ শিশুদের বায়ু বাহিত বিভিন্ন রোগ বালাই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শত শত ভক্তের ঢলে মুখরিত ফুলবাড়ীর শিব মন্দির প্রাঙ্গন

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : সনাতন ধর্মালম্বীদের শিব চতুদর্শী পূজায় শত শত ভক্তের ঢলে মূখরিত হয়ে উঠেছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা জমিবাড়ী শিব মন্দির প্রাঙ্গন। রবিবার দুপুরে মন্দির প্রাঙ্গনে গিয়ে এমনি বাস্তব অবস্থা দেখা যায়।

জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যয় শনিবার সন্ধ্যা (১৮ ফেব্রুয়ারী ) ৬.৪০ মিনিটে শিব চতুদর্শী ব্রত আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু  করা হয়। পূজা শুরুর পর থেকে রবিবার সারাদিন শিব চতুদর্শী ব্রত পালনের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত নারী-পুরুষ ও কুমারী কন্যারা আসেন পূজা দিতে।  দুর-দুরান্তর থেকে আসা ভক্তরা দুধ, কলা, আপেল, চিনি, আগরবাতি হাতে শিব দেবতার পূজা করার জন্য ভীড় করায় কানায় কানায় ভরে যায় মন্দির প্রাঙ্গন। তাছাড়া আয়োজক কমিটির ভজন সংগীত পরিবেশনা অনুষ্ঠানটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলা  থেকে আগত ভক্ত অঞ্জলী রানী রায় ও তার স্বামী নরেশ চন্দ্র রায় জানান, আমরা শিশুকাল থেকে শিব চতুদর্শী ব্রত পালন করে আসছি। এ বছর শিবের চরণ ধুলী গ্রহণ ও মস্তকে দুধ ঢেলে প্রার্থনা করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত।

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ী শিব মন্দির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নরেশ চন্দ্র বর্মন জানান, নাওডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী শিব মন্দিরটিতে আমরা প্রতি বছর শিব চতুদর্শীতে পূজা অর্চনার আযোজন করি। এ বছরও শান্তিপূর্ণ ভাবে শিব চতুদশী ব্রত পালনের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪ টায় শিব চতুদশী ব্রত পালনের অনুষ্ঠান শেষ হবে।

কুড়িগ্রামে ইয়াবাসহ ইউপি সদস্য গ্রেফতার

অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে ১৯৭ পিস ইয়াবা সহ এক ইউপি সদস্যকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ওই ইউপি সদস্যের নাম জাকির হোসেন (৫০)। তিনি রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য।

সুত্র জানায়, গত শুক্রবার দুপুরে রৌমারী থেকে নৌকা রিজার্ভ করে ইয়াবা নিয়ে নদী পথে কুড়িগ্রাম যাচ্ছিলেন জাকির। এ সময় কুড়িগ্রাম গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে।

ডিবি পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে শনিবার দুপুরে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

অর্ধ শতাব্দী ধরে চা-শ্রমিকদের তৃষ্ণা মেটাচ্ছে রহস্যময় পানিকূপ!

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: পানির অপর নাম জীবন, যেখানে পানি সেখানেই জীবন, এটিই প্রতিষ্ঠিত সত্য সৃষ্টির শুরু থেকে। পানি মহান স্রষ্টার অপূর্ব এক নিয়ামত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পানি খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। আজকাল যুগের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক উপায়ে পানি সংগ্রহ হলেও চাবাগান ও প্রত্যন্ত অনেক অঞ্চলে এখনো সনাতন পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয় পানি।

বিশেষ করে মৌলভীবাজারে চা বাগান এলাকা কিংবা পাহাড়ী এলাকায় বসবাস করা অনেক মানুষ এখনো কূপের পানি দ্বারাই দৈনন্দিন সকল প্রয়োজন সম্পন্ন করেন। এই কূপগুলো এক সময় খনন করা হতো। পানি উত্তোলনের আধুনিক সব পদ্ধতির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো পানি কূপ খুব একটা দেখা যায় না। অনেক বাড়িতে পরিত্যক্ত অবস্থায় এর কিছুটা অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় ’’ইন্দারা হিসেবেই কূপকে ডাকা হয় বেশি। তবে এবার মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার প্রেমনগর চা-বাগান এলাকায় সন্ধান মিলেছে রহস্যজনক এক পানির কূপের। কূপটির অবস্থান সদর উপজেলার প্রেমনগর চা-বাগানের দেওরাছড়া সড়কের পাশের একটি ছড়ায়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কুপটির রিং ভেদ করে উপরদিয়ে অবিরাম বেয়ে বেয়ে পড়ছে ঝর্নার মতো স্বচ্চ পানি। স্থানীয়দের কাছে এটি বম্পিং নামে পরিচিত। এটি খুদাই করা কোন কুপ নয়। কতিত আছে অর্ধ শতাব্দি পূর্বে বিদেশীরা তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করতে এসে মৌলভীবাজারের প্রেমনগর ও দেওরাছড়া চাবাগানের বেশ কিছু স্থানে বিস্ফোরণ ঘটায়। ওই বিস্ফোরন মাটির অনেক গভীরে প্রবেশ করায় উপরিভাগে থাকা বালি ভেদ করে পরবর্তীতে ঝর্নার মতো পানি উঠতে থাকে। সেসময় ওই পানি সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা না থাকায় ছড়ার পানির সাথে মিশে গিয়ে ছড়ার আর কূপের পানি একাকার হয়ে গিয়েছিলো। তবে ওই পানি আর পরবর্তীতে বন্ধ হয়নি। দেশ স্বাধীনের পর প্রেমনগর চা-বাগানের ম্যানেজার সেসময় দেখলেন ওই পানি চা-শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ হবে, শ্রমিকরাও নিরাপদ ভেবে পানি পান করছে এবং ওই পানি তাদের চাহিদাও মিটাচ্ছে। তাই তিনি শ্রমিকদের সুবিধার্থে ইট-সিমেন্টের তৈরি রিং বসিয়ে পানি সংরক্ষণের উদ্যেগ নেন।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্টি হওয়া পানির কুপটিকে চা শ্রমিকরা যুগযুগ ধরে বম্পিং নামে ডেকে আসছে। এই পানি যে শুধু চা শ্রমিকরা পান করছে তাই নয়, চলতি পথে অনেক মানুষ এখান থেকে পানি সংগ্রহ করেও নিয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড গরমেও এই কুপের পানি থাকে কোমল ঠান্ডা। শ্রমিকরা তীব্র গরমে চা পাতা সংগ্রহ করে যখন ফেরার সময় হয়, তখন চলতি পথে এই পানিই তাদের ক্লান্তি দূর করে কিছুটা প্রশান্তির পরশ ভুলিয়ে দেয়। কূপটি তৃষ্ণার্ত চা-শ্রমিকদের যুগযুগ ধরে পিপাসা মিটাচ্ছে।

কূপটির পাশের জমিতে গরু ছড়াচ্ছেন প্রেমনগর চা বাগানের ৭৫ বছর বয়সী চা-শ্রমিক নারায়ন পাশী। সেখানেই এই কূপটি কীভাবে সৃষ্টি হয় তা জানতে চাই তাঁর কাছে। তিনি জানান, বিদেশীরা প্রেমনগর ও দেওরাছড়া এলাকার বেশ কিছু জায়গায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে নেমে বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এরকম কূপ সৃষ্টি হয়ে পানি বের হয়নি। দেখতে সাদা রঙের ওই বিদেশীরা মোকামবাজার হয়ে দেওরাছড়া চা-বাগান পর্যন্ত বিস্ফোরণ ঘটাতে থাকে। তবে সব জায়গায় পানি উঠেনি। তিনি বলেন, তার চোখের সামনেই তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ওই এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তিনি তাদের কাছ থেকেই জানতে পারেন বিস্ফোরণের ওই কারণ।

প্রেমনগর চা-বাগানের চা-শ্রমিক রাধা পাশী বলেন, আমার জন্মের বহু আগে থেকেই এই কূপ সৃষ্টি হয়েছে। বাবার কাছে জানতে পেরেছি বোমার বিস্ফোরণেই এর উৎপত্তি। বর্ষা কিংবা শুষ্ক মৌসুম, কোন সময়ই একটি মুহুর্তের জন্য এই কূপের পানি বন্ধ হয়নি।

স্বপন কুমার পাত্র নামের আরেক চা-শ্রমিকের দাবী চব্বিশ ঘন্টাই পানি পরছে। অনেকে দূর দূরান্ত থেকে পানি নিয়ে যাচ্ছে, সেই সাথে এখানকার চা-শ্রমিকরা সবাই এই কূপের পানি যুগযুগ ধরে ব্যবহার করে আসছে।

অর্ধ শতাব্দী ধরে যে কূপের পানি পান করে আসছেন চা শ্রমিকরা তা কতটা নিরাপদ সে বিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীজারের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খালেদুজ্জামান বলেন, কূপটির অবস্থান সম্পর্কে আমার জানা নেই, তবে এর পানিতে আর্সেনিকের পরিমান ও ব্যাক্টারিয়া আছে কী না তা আমাদের ল্যাবে পরীক্ষা করলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরো বলেন, সরেজমিন লোক পাঠিয়ে পানির নমুনা সংগ্রহ করে দেখা যায় এটি পান করার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্য উপযোগী। স্বাস্থ্যের জন্য কোন ক্ষতিকারক কোন অসুবিধা নেই। যদিও অর্ধযুগ থেকেও বেশি সময় ধরে পানি পান করে আসছে বলে জানা যায়।

গণসংযোগে ব্যস্ত শফিউল আলম

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে প্রতিটি হাটবাজার এমনকি গ্রামগঞ্জে সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন আ,লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ শফিউল আলম ৷ যেখানেই তিনি প্রচারনায় যাচ্ছেন সেখানেই সব বয়সের ভোটারের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন।

বিশেষ করে তিনি নবীন ভোটারদের মধ্যে বেশি সাড়া জাগাতে পেরেছেন। তাই রৌমারী, রাজীবপুর ও  চিলমারী উপজেলার অষ্টমীরচর ইউনিয়ন ও নয়ারহাট ইউনিয়ন এবং উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়ন ভোটারদের কাছে অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় শফিউল আলম।

ভোটাররা বলছেন, শফিউল আলম যেহেতু সৎ, মেধাবী, কর্মীবান্ধব এবং ছাত্র রাজনীতি থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে এসেছেন তাই তাকে মনোনয়ন দিলে আগামী সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম -৪ আসনটিতে আওয়ামী লীগ নিশ্চিত জয় পাবে। একই সঙ্গে  কুড়িগ্রাম-৪ আসনের প্রতিটি উপজেলায় উন্নয়নও হবে ব্যাপক।

শফিউল আলম বলেন, দল থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে আমি আসনটি নেত্রীকে উপহার দিতে পারব।

ক্রিকেটার মুমিনুলের চাচাতো ভাই খুন, মরদেহ উদ্ধার

মালয়েশিয়ার একটি ডোবা থেকে ক্ষতবিক্ষত এক প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। স্থানীয় সময় বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় কেদাহ রাজ্যের জিত্রা জেলার মুকিম তাঞ্জাংয়ের তাম্বাক রোডের পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সময় অনলাইন

নিহত ব্যক্তি আবদুল খালেক (৩২) মালয়েশিয়ার স্থানীয় একটি নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানে ফোরম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কেদাহ রাজ্যের কুবাং পাসু জেলার পুলিশ সুপার রদজি আবু হাসান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি একটি কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও ফরেনসিক ইউনিটের একটি দল। নিহতের পেছন থেকে দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল এবং মাথার বিভিন্ন স্থানে ক্ষত ছিল। ছুরিকাঘাতের কারণে ফুঁসফুঁসে ক্ষত রয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী হত্যা মামলার তদন্ত চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

পুলিশের ধারণা, উদ্ধারের অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এছাড়া ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের প্যান্টের পকেট থেকে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) একটি কার্ড উদ্ধার করা হয়। মরদেহটির কাছে যেহেতু ইউএনএইচসিআর-এর কার্ড পাওয়া গেছে, সে হিসেবে নিহত ব্যক্তি রোহিঙ্গা কিনা তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

এদিকে, নিহতের ছোট ভাই আবদুল মালেক বাপ্পি জানিয়েছেন, তারা রোহিঙ্গা নন। তারা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার মুমিনুল হকের চাচাত ভাই।

আব্দুল মালেক জানান, কক্সবাজার জেলা সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া গ্রামের ৬নং ওয়ার্ডের নুরুল আলম ও রোকসানা বেগমের সন্তান তারা। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে আবদুল খালেক সবার বড়। তার ভাই ২০০৮ সালে সাগর পথে মালয়েশিয়ায় আসেন এবং দেড় বছর পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। সেখানে এক বছর জেল হয়। এরপর স্থানীয় পুলিশ থেকে বাঁচার জন্য তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের (ইউএনএইচসিআর) একটি কার্ড সংগ্রহ করেন। সেটি দিয়ে তিনি মালয়েশিয়ায় কর্মরত অবস্থায় গেলো মঙ্গলবার নিখোঁজ হন। বুধবার তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই দাবি করছেন, তার ভাইয়ের সহকর্মীরাই তাকে হত্যা করেছে। তারা সবাই রোহিঙ্গা। নিহত খালেকের সহকর্মী কয়েক রোহিঙ্গা নাগরিক মিলে কোম্পানির ৪৭ হাজার রিঙ্গিত আত্মসাৎ করে। সেই ঘটনার কথা খালেক মালিকপক্ষকে জানিয়ে দিলে এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে দলের মূল হোতা আরাফাত এবং তার কয়েকজন সহকর্মী মিলে খালেককে হত্যা করে।

এদিকে নিহত আবদুল খালেকের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। বড় ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবার। এ মুহূর্তে খালেকের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট না থাকায় তার মরদেহ দেশে পাঠানো যাচ্ছে না। খালেকের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিতে সরকার ও মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতা কামনা করছে তার পরিবার।

খালেকের নিয়োগকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দূতাবাস যদি সহযোগিতা করে তাহলেই কেবল খালেকের মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব হবে। অন্যদিকে খালেকের নিয়োগকর্তা বাদী হয়ে থানায় রোহিঙ্গা আরাফাত ও তার সহপাঠীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

মাঠপর্যায়ের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। নির্দেশনা মোতাবেক মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাধ্যতামূলক অফিসে অবস্থান করতে হবে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব ডিসি ও ইউএনওকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মাঠপর্যায়ের দপ্তরসমূহের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হয়। কিন্তু যোগাযোগের ক্ষেত্রে অনেক কর্মকর্তাকে সম্প্রতি যথা সময়ে অফিসে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে জনসাধারণ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় সংযোগ স্থাপন অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে সাধারণ নাগরিকের ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি সরকারি কাজের গতিও কমে যায়। এ অবস্থায় সেবাগ্রহণকারী নাগরিকদের সুবিধা এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ও সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জনস্বার্থে সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৪০ মিনিট পর্যন্ত অফিসে অবস্থান করে অফিসের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

স্টেডিয়ামে ম্যাচ চলাকালীন পর্ন সিনেমার শুটিং!

ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামেই পর্ন সিনেমার শুটিং হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ফ্রান্সের লিগ ওয়ানের ক্লাব ‘নিস’। গত ২৯ জানুয়ারি ৩৬,১৭৮ জন আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়ামে ‘নিস’-এর সঙ্গে ‘লিলি’-র ম্যাচ চলাকালীন সময়ে এই নক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। খবর-নিউজ এইটিন।  

ক্লাবের কর্তাদের অভিযোগ, ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামের বাথরুমে পর্ন ছবি শুট করা হয়েছে। সেই ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পর তা নজরে আসে ক্লাব কর্তাদের। ভিডিও দেখা তারা চিনতে পারেন ভিডিওটি তাদের স্টেডিয়ামের বাথরুমে শুট করা হয়েছে। মাঠে কড়া নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটলা তা অবাক করেছে ক্লাব কর্তাদের। ঘটনার পেছনে কে বা কারা দায়ী তা বুঝে উঠতে পারছেন না ‘নিস’-এর ক্লাব কর্তারা।

ইতিমধ্যেই এ ঘটনায় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ফলে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ক্লাব কর্তা থেকে শুরু করে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিদকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান বাইরের কেউ এমন কাজ করার সাহস পাবে না।

এদিকে অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্লাব কর্তারা।