বাঙালির বর্তমান সমাজ ভাবনা

মোঃ ইব্রাহিম খলিলঃ আমরা বাঙালি। আমরা তবে বীরের জাতি। এক বীরত্বগাঁথা অমর কাব্য রচনা করে আমাদের পূর্বপুরুষেরা এদেশ স্বাধীন করে গেছেন।যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে তারা আমাদেরকে একটি বিশাল ভূখণ্ড উপহার দিয়ে গেছেন আমরা কি -এর ঠিক প্রতিদান দিতে পারছি?

উত্তরে সবাই একবাক্যে স্বীকার করে নিবেন যে,আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের ত্যাগ ও তিতিক্ষার যথার্থ প্রতিদান দিতে পারিনি।বাঙালি এমন জাতি কোনো দোষ স্বীকার করে নিতে রাজি আছি কিন্তু দোষ-ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষেত্রে পা দু’খানাকে খুঁটি বানিয়ে নিই। এর অর্থ হলো- আমরা যেমন আছি তেমন থাকবো কোনোরূপ পরিবর্তন হবো না। এই যে একরোখা মনোভাব, অন্যের কথাকে সম্মান জানিয়ে নিজেকে পরিবর্তন না করার যে মানসিকতা- এই একটা কারণে আমরা পৃথিবীর অন্য আট- দশটা সভ্য জাতি থেকে পিছিয়ে আছি।
এবার আসা যাক, বাঙালির বর্তমান সমাজ ভাবনা নিয়ে। এখনকার বাঙালিরা অর্থ,যশ-খ্যাতির পিছনে ছুটতে গিয়ে
দেশপ্রেম,নৈতিকতা,শ্রদ্ধাবোধ,মনুষ্যত্ব, বাঙালির জাতিসত্তা ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের কথা ভুলে যেতে বসেছে। শুধু কি তাই?
কি এক মরিচীকার পিছনে ছুটতে গিয়ে সর্বদা চোখে-মুখে অসম প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে। যেভাবেই হোক প্রয়োজনে নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে হলেও কাড়ি কাড়ি অর্থ চাই।
সমাজ ব্যবস্হায় এটা যেন বিধান হয়ে গেছে,যার অর্থ আছে সে অধিক সম্মানিত। সে ভালো না মন্দ তা বিচার্য বিষয় নয়। বিধান না হলেও অবস্হাদৃষ্টে মনে হয় এটা যেন অলিখিত বিধানে পরিণত হয়েছে। বিত্তশালী দু’চারজন যে দেশপ্রেমিক ও মনুষ্যত্বের অধিকারী নয়, তা কিন্তু নয়।কিন্তু বর্তমান বাঙালি সমাজ ব্যবস্হায় দেখা যায়,অধিকাংশ বিত্তশালী মন্দ লোকটিকেই বিভিন্ন সভায়,সমিতিতে, অনুষ্ঠানে,বিচারকার্যে প্রাধান্য দেয়া হয়।
ফলশ্রুতিতে ,জ্ঞানী,নিষ্ঠাবান,আদর্শবান,দেশপ্রেমিক,সৎ ও মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন মানুষগুলো দেশের জন্যে কাজ করার স্পৃহা হারিয়ে ফেলছেন।
অনেকে বাংলাদেশের অর্থ দিয়ে বিদেশে গাড়ি- বাড়ি করে দিব্যি আরামে আছেন। অনেকে দেশের অর্থ পাচার করছেন।যাদের একটু চোখ- কান ফুটেছে তো পরক্ষণেই এদেশ ত্যাগ করে ভিনদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। অথচ এদেশে তাদের ও তাদের পূর্বপুরুষদের জন্ম হয়েছিল।
এদেশের সবাই যেন দায়সারাভাবে যে যার মতো করে চলছেন। দেশ, মাটি ও মানুষের প্রতি মমত্ববোধ ব্যাপার  যেন কেউ দেখার নেই। আমার মনে হয় না আমার মতো করে এসব ব্যাপারে পূর্বে কেউ লিখেছেন। যাহোক মনে দুঃখ রাখার জায়গা নেই। তাই উগরে এগুলো প্রকাশ করে দিলাম। আমাদের দেশে যেদিন সত্যি সত্যি এসব অনিয়ম থাকবে না, সত্যি বলছি সেদিন যদি মৃত্যুর পূর্বে দেখে যেতে পারতাম, তাহলে অপার শান্তি ও ভালোবাসায় আমার হৃদয় পরিপূর্ণ হতো।  তখন আমার মরন হলেও আর আফসোসের  কিছু থাকবে না। জয় হোক বাংলা ও বাঙালির।

ডাঃ এম. আর. খান এর সহধর্মিণী মরহুম আনোয়ারা খান এর উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ

মোঃ সদরুল কাদির (শাওন): জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ডাঃ এম আর খান সহধর্মিণী মরহুম আনোয়ারা খান এর ইন্তেকাল এর পর তার উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নিজের আপন মামা কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে স্বপরিবারে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

তার মামা মোজাম্মেল হক ছালে খান একজন (৭০+বছর) সত্তরোর্ধ্ব শ্রবণ প্রতিবন্ধী ও এক চোখ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। তিনি মরহুম জাতীয় অধ্যাপক ডঃ এম. আর খানের একমাত্র শ্যালোক এবং মরহুম আনোয়ারা খানের এর একমাত্র ভাই।

প্রয়াত ডা. এম. আর. খান এর মেয়ে ডা. ম্যান্ডী করীম বুধবার ২০ জানুয়ারি ২০২১ইং তারিখে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরায় উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির অংশে তাকে কোনো ভোগ-দখলের সুযোগ দেওয়া হয়নি। সম্পত্তির দাবি করলেই প্রাণনাশের হুমকি দেন চাচাতো ভাই ইকরাম কবির খান এবং তাকে দেশত্যাগের জন্য বাধ্য করা হয়।

ডা. ম্যান্ডী করীম এর বক্তব্যের ভিত্তিতে মরহুম ডাঃ এম. আর. খান এর গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা’র রসুলপুর গ্রামে বসবাসরত তার মামা (মরহুম ডাঃ এম আর খানের সহধর্মিনী মরহুম আনোয়ারা খান এর একমাত্র ভাই) মোজাম্মেল হক ছালে খান এর সাথে যোগাযোগ করলে জানা যায় যে, ডা. ম্যান্ডী করীম কানাডা থেকে এসে টাকা দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে এবং সন্ত্রাসী বাহিনীর সাহায্যে ধানমন্ডির বাসভবন [যার ঠিকানাঃ- প্লট ২৭ (নতুন) ১২৮ (পুরাতন), হোল্ডিং-২৬, রোড-০৩, ধানমন্ডি] নিজ দখলের পাঁয়তারা করতে থাকে।

এর‌ই ধারাবাহিকতায় মরহুম ডাঃ এম. আর. খানের সহধর্মিনী মরহুম আনোয়ারা খানের সম্পত্তির আইন অনুযায়ী মোজাম্মেল হক ছালে খান এর মেঝ পুত্র মোঃ রাশেদ খান কে শিশুস্বাস্থ্য ফাউন্ডেশন ঢাকা’তে নামমাত্র বেতনে চাকরি দেওয়া হয় এবং প্রশাসনিক পাওয়ার খাটিয়ে তাকে নিয়মিত হয়রানি করা হয়। এবং বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হয়রানিমূলক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়ে দিয়ে মানসিক ভাবে অসুস্থ রোগীতে পরিণত করেছে। এবং সুযোগ বুঝে সন্ত্রাসী বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বেআইনিভাবে মোজাম্মেল হক ছালে খান এর পরিবারকে উচ্ছেদ করে এক কাপড়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড় করিয়ে দেয়।

সাতক্ষীরাতে আসার পরে রাশেদ খান শিশুস্বাস্থ্য ফাউন্ডেশনে কাজ করছিল। এমতাবস্থায় ডা. ম্যান্ডী করীম ঘৃণ্য স্বার্থ চরিতার্থ তাকে পুনরায় যশোরে বদলি করে এবং চাকরি ছাড়তে বাধ্য করে। কারণ, ডা. ম্যান্ডী করীম এর একটাই উদ্দেশ্য ছিল তার মামার এই পরিবারকে যেকোনো মূল্যে ধ্বংস করে দেওয়া। শুধু তাই নয় তার মামা পরিবারের কিছু সম্পত্তি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের অপচেষ্টায় তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ডাঃ ম্যান্ডি করীম এর সহযোগীতায় কাশেমপুর মৌজার ৭ (সাত) শতক জমির দলিলটি রেজিস্ট্রি না করে অবৈধ ও দুর্নীতি করে প্রতারণার মাধ্যমে, রসুলপুর মৌজার ২ (দুই) দাগে ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) শতক ও ২৫ (পঁচিশ) শতক মোট=৬০ (ষাট) শতক জমি রেজিস্ট্রি করা হয়। সাব রেজিস্টার লূৎফর মোল্লা, দালাল খোকন, জামাই পেশকার মহিদুল ও মুহুরী শাহিন, তার ছেলে মুহুরী ফিরোজ এরা দুর্নীতি, প্রতারনা, কাগজপ‌ত্র দলিল জালজালিয়াতি ‌করে এবং এদের যোগসাজশে ৭শতক জমির দলিল পরিবর্তন করে ৬০ (ষাট) শতক জমির দলিল ত‌ঞ্চকতা ও জালজালিয়াতি করে রেজিস্ট্রি করা হয়। ৭ (সাত) শতক জমির দলিলে যারা সাক্ষী, সনাক্তকারি ছিল তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ৭ (সাত) শতক কাশেমপুর মৌজার জমির দলিলে সই স্বাক্ষর করেছে।

কিন্ত তারা আর‌ও বলে, রসুলপুর মৌজার ৬০ (ষাট) শতক জমির দলিল রেজিস্ট্রি বিষয়ে কিছুই জানে না। ৬০ (ষাট) শতক রসুলপুর মৌজার জমির দলিলে কোন স‌ই-স্বাক্ষর করেনি। তাদের নাম, স‌ই-স্বাক্ষর সব নকল করে, জাল জালিয়াতি, প্রতারনা করে ভুয়া ও মিথ্যা অবৈধ ভাবে ৬০ (ষাট) শতক জমির দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়।

মুসলিম আইন অনুযায়ী মেয়ের যেমন নানার বাড়ি সম্পত্তিতে অধিকার আছে, তেমনি বোনের সম্পত্তির উপর ভাইয়ের বা তার পূত্র সন্তানদের অধিকার থাকে। কারণ বোনের যদি কোন পুত্র সন্তান না থাকে তাহলে বোনের অন্যান্য ভাইদের পুত্র সন্তানরা ওই সম্পত্তির দাবিদার হয়। কারণ ডাঃ ম্যান্ডি করিম মরহুম ডাঃ এম. আর. খানের সহধর্মিনী মরহুম আনোয়ারা খানের একমাত্র মেয়ে।

মোজাম্মেল হক ছালে খান এর মেঝ পূত্র মোঃ রাশেদ খান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ফুফা জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ডাঃ এম. আর. খান ও ফুফু মরহুম আনোয়ারা খান ধানমন্ডির ঐ বাড়িতে সন্তানের স্নেহ দিয়ে লালন পালন করেন। সবসময় বলতে শুনেছি তাদের যে সম্পত্তি আছে তাতে আমার মেয়ে ডা. ম্যান্ডী করীম এর মত তোরাও সমান দাবিদার। আমরা তোদেরকে কোনদিনি‌ই প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করবো না। তোমরা সবাই আমাদের সন্তান। আমরা চাই তোমরা ভাই-বোনেরা সবাই একসাথে এই বাড়িতেই থাকবে। আমাদের মৃত্যুর পর‌ও তোমরা আলাদা হবে না। একে অপরের সুখে দুঃখে একসাথেই বসবাস করবে। এ বিষয়টি ডা. ম্যান্ডী করীম ও জানে।

কারণ ডাঃ এম আর খান ও আনোয়ারা খান এর সন্তান তার বাবা-মায়ের প্রতি কোন দায়িত্ব পালন তো দুরের কথা, কোনদিন খোঁজ‌ও নেয়নি। শুধু তাই নয়, ডাঃ ম্যান্ডী করীম এর স্বামী রেজাউল করিম (রেজা) কে মরহুম ডাঃ এম আর খান পছন্দ করতেন না। জামাতাকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দিয়ে আবার ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। জামাতা’র বিভিন্ন সময়ের করা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আগে থেকেই তিনি জানতেন। তাই মরহুম আনোয়ারা খান এর একমাত্র ভাই মোজাম্মেল হক ছালে খান এর সন্তানদের নিয়ে পিতা-মাতার মত লালন পালন করেছেন। এবং সন্তানের শূণ্যতা পূরণ করেন।

ডাঃ এম আর খান ও আনোয়ারা খান এর জীবাদ্বশায় মোজাম্মেল হক ছালে খান এর বড় ছেলে রেজাউল হক খান রাজু’কে রাজধানীর উত্তরায় একটি বাসভবন করে দেন। যেহেতু তাকেও সন্তানের ন্যায় লালন পালন করেছেন।

কিন্তু ডাঃ এম. আর. খান ও আনোয়ারা খান এর ইন্তেকাল এর পর শুরু হয় নতুন নাটক। তাদের একমাত্র মেয়ে ডাঃ ম্যান্ডী করীম কানাডা থেকে দেশে ফিরে মোজাম্মেল হক ছালেলে খান এর সন্তানদের সন্ত্রাসী বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বেআইনিভাবে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে উচ্ছেদ। এবং ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

পরবর্তীতে জানা যায়, ডাঃ ম্যান্ডী করীম তার একমাত্র মামা মোজাম্মেল হক ছালে খান কে অস্বীকার করে আদালতকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ভুয়া ও মিথ্যা ওয়ারিশ কাম সার্টিফিকেট তৈরি করে এবং বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিজ হেফাজতে নেন। ডাঃ ম্যান্ডী করীম এর এই ঘৃণ্য প্রচেষ্টার কথা জানার পর মামা মোজাম্মেল হক ছালে খান নিজ দুলাভাই জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এম আর খান ও তার বড় বোন আনোয়ারা খান এর মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে চুপচাপ ছিলেন।

ডাঃ ম্যান্ডী করীম এর ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ফলে মোজাম্মেল হক ছালে খান এর পরিবার যখন দিশেহারা তখন কোন উপায় না পেয়ে বিজ্ঞ আদালতের স্মরনাপর্ণ হন। বর্তমানে ডাঃ ম্যান্ডী করীম বিভিন্ন উপায়ে ঐ মামলা টিতে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি এক এক সময়ে এক এক ধরনের কথা বলে। এদিকে নিজের মামার নাম বাদ দিয়ে ভুয়া ওয়ারেশ কাম সার্টিফিকেট এর বুনিয়াদে মরহুম আনোয়ারা খান এর ইন্তেকাল এর পর থেকে সম্পত্তি আত্মসাত করে আসছে এবং অন্যান্য সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টায় লিপ্ত।

কিন্তু প্রয়াত ডা. এম. আর. খানের মেয়ে ডা. ম্যান্ডী করীম বুধবার ২০ জানুয়ারি ২০২১ ইং তারিখে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করেন তার ভিতরে তিনি মামা মোজাম্মেল হক ছালে খান এর বিষয়টি গোপন করে যান। তিনি নিজেই তাদের (মোজাম্মেল হক ছালে খান এর পরিবার) সম্পত্তি আত্মসাত করে নিজেই কাকে (???) দোষারোপ করছে। বিষয়টি উদুর পিন্ডি বুদুর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার মত দেখাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে আরোও জানা যায়, প্রয়াত ডা. এম. আর. খানের মেয়ে ডা. ম্যান্ডী করীম তার আপন চাচাতো ভাই সাতক্ষীরা নিবাসী একরামুল কবির খান বাবু (বাবু খান) এর সাথে সম্পত্তির মামলা চলমান।

ডাঃ ম্যান্ডী করীম এর কাছে মরহুম জাতীয় অধ্যাপক ডঃ এম. আর. খান এর একমাত্র শ্যালোক এবং মরহুম আনোয়ারা খানের এর একমাত্র ভাই মোজাম্মেল হক ছালে খান দুইটি প্রশ্ন রেখেছেন সেটি হলো,

১) ডাঃ ম্যান্ডী করীম আপনি যখন কানাডা ছিলেন তখন আমার সন্তানরা আপনার বাবা-মায়ের কাছে কি পরিচয়ে ছিল?

২) আপনার নানা ইসহাক খান এর সন্তান মোজাম্মেল হক ছালে খান আপনার কি হয়?

৩) আপনার বাবা-মায়ের গোরস্থান এর জন্য জায়গা কে দিয়েছে?

পরবর্তীতে ডাঃ ম্যান্ডী করীম এর সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এজন্য তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নি।

মোজাম্মেল হক ছালে খান এর ব্যক্তিগত আইনজীবী এ্যাড. টি এম শাকিল হাসান জানান, এম. আর. খান এর মৃত্যুর পরে তার কন্যা সংবাদ সম্মেলনকারী ম্যান্ডী করীম নিজেকে এম. আর. খান এবং মিসেস খানের একমাত্র ওয়ারিশ দেখিয়ে সাকসেসন সার্টিফিকেট বের করেন, যা সম্পূর্ণ রুপে জালিয়াতি এবং সেটা বাতিলের জন্য মামলা চলমান।

কিন্তু ম্যান্ডী করীমের বারংবার সময় নেওয়ার কারণে মামলাটি শেষ হচ্ছে না। জাল সাকসেসন সার্টিফিকেট দেখিয়ে একদিকে এম. আর. খান এর কন্যা ম্যান্ডী করীম ঢাকার সমস্ত সম্পত্তি এককভাবে বেচা-বিক্রির চেষ্টা করছেন অন্যদিকে, সাতক্ষীরাতে তাঁর মামা (মোজাম্মেল হক ছালে খান) এর প্রাপ্য অনেক জমি বিক্রি করে টাকা পয়সা নিয়ে এসেছেন।

এককথায়, এম. আর. খান এর একমাত্র কন্যা ম্যান্ডী করীম জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তাঁর বাবা-মায়ের অন্যান্য ওয়ারিশদের বঞ্চিত করে সমস্ত সম্পত্তি একাই হাতিয়ে নিতে চাচ্ছেন এবং সেজন্য বাবার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন লেভেলের উচ্চপদস্থ মানুষদের ভুল বুঝিয়ে সহানুভূতিশীল করার মাধ্যমে এম. আর. খান ও তাঁর স্ত্রীর বৈধ ওয়ারিশদের নানাভাবে নির্যাতন করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের সদস্যরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন যে, এই বিষয় টি নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে মুজিব বর্ষে একটি অসহায় পরিবার কিছু টা হলেও আলোর মুখ দেখবে।

 

সিলেটে র‌্যাব-৯ এর বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী ম্যারাথন সম্পন্ন

মো আমিন আহমেদ, সিলেটঃ বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে সিলেটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী ম্যারাথন আয়োজন সম্পন্ন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব- ৯)। এতে অংশ নেন বিভিন্ন বয়সের প্রায় ১ হাজার ৫০ জন দৌড়বিদ।

শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) ভোরে কিন ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই দৌড় প্রতিযোগিতার নাম দেয়া হয়ে ‘র‍্যাব ফোর্সেস সিলেট হাফ ম্যারাথন-২০২১’।

প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে এম আব্দুল মোমেন। এসময় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া সকল দৌড়বিদকে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী শপথ পাঠ করান র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল তোফায়েল মোস্তফা সরোয়ার।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সিলেট জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম সহ প্রশাসনের বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সিলেট র‌্যাব-৯ এর এএসপি (গণমাধ্যম) ওবাইন জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সিলেটের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।  বিশেষ করে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেশি থাকে।

সেটিকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে আমরা মাদকবিরোধী এ উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। যাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকবিরোধী মনোভাব তৈরি হয়। যুব সমাজ যেন মাদকে না জড়ায় সে চেষ্টা র‌্যাব শুরু থেকে করে আসছে। এবারের মাদকবিরোধী এ ক্যাম্পেইন প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে আমরা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাই।

 

কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ফেন্সিডিলসহ দুই যুবক গ্রেফতার

ঈশাত জামান মুন্না, লালমনিরহাট প্রতিনিধি : জেলা পুলিশ সুপার এর বিশেষ নির্দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ফেন্সিডিলসহ দুজন যুবককে গ্রেফতার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন এর নেতৃত্বে গত সপ্তাহের বুধবার কালীগঞ্জ থানাধীন ৩ নং তুষভান্ডার ইউনিয়ন এর তালুক বানীনগর হইতে পঞ্চাশ (৫০) বোতল ফেন্সিডিলসহ দুজন মাদক কারবারী যুবক কে গ্রেফতার করেছেন উপ পরিদর্শক কনক রঞ্জন বর্মন ও সঙ্গীয় সহঃ উপ পরিদর্শক হাফিজুর রহমানসহ অফিসার ফোর্স।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে গ্রেফতারকৃত যুবক কালীগঞ্জ থানার ৫ নং চন্দ্রপুর ইউনিয়ন এর বোতলা গ্রামের আক্তার হোসেন এর পুত্র মোঃ হাকিমুল ইসলাম (২০) ও অপরজন হচ্ছেন একই ইউনিয়ন এর চন্দ্রপুর ( বাজার সংলগ্ন) রফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ আল- আমিন (১৯),।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, মূলত গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে মাদক বিরোধী নিয়মিত টহলের সময় তালুক বানীনগর হতে উক্ত যুবকদ্বয়কে স্কুলব্যাগে পরিবহনরত অবস্থায় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত যুবকদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নেত্রকোনায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ৯৬০টি গৃহ প্রদান সম্পর্কে জেলা প্রশাসনের সাংবাদিক সম্মেলন

মো. কামরুজ্জামান ,নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ৯৬০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান ও ৭০টি পরিবারকে আশ্রয়ন প্রকল্প কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান বিষয়ক অবিহিতকরণ প্রসঙ্গে গত বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসক কাজি মোঃ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে সংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জিয়া উদ্দিন সুমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) দেওয়ান মোঃ তাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা মেজিষ্ট্রেট সুহেল মাহমুদসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক কাজি মোঃ আবদুর রহমান জানান, নেত্রকোনা জেলার ১০উপজেলায় ৯৬০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান ও ৭০টি পরিবারকে আশ্রয়ন প্রকল্পে ঘর প্রদান করা হচ্ছে।
আজ ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একযোগে সারা দেশব্যাপী এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক সম্মেলনে জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রায়পুরে পুকুর থেকে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার

মো: জহির হোসেন, লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুরে ৩নং চরমোহনা ৫ নং ওয়ার্ডে আমতলী নামক স্থানে পুকুর থেকে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছ। গেল বৃহস্পতিবার আশেপাশের লোকজন পাটোয়ারী বাড়ির পশে পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে।

ঘটনার খবর পেয়ে রায়পুর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে পুলিশ পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে।

জানা যায়, মৃত ব্যাক্তি চরমোহনা আমতলী এলাকার বুজুকুল পাটোয়ারী বাড়ির আবু পাটোয়ারী (৭৫।

সূত্রে আরো জানা যায়, বাবুল পাটোয়ারী আগে থেকেই মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন ঔষধ খেলে সুস্থ থাকতেন, গত ৫ বছর তার অসুস্থতা বেড়ে যায়। নিহত বাবুল পাটোয়ারীর ১ ছেলে ২ মেয়ে, ছেলে প্রবাসে  থাকে বলে জানা গিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা জানান। আর এ বিষয়ে পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই।

 

৮নং চাপিতলা ইউনিয়নে মনিরুল আলম দিপুর নিজস্ব অর্থায়নে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ ঠাণ্ডা বাতাসের দাপট আর মাঝে মাঝে অসময়ের বৃষ্টি মিলে শীত জেঁকে ধরেছে সবাইকে। হিম হিম ঠাণ্ডা আর কুয়াশায় নাকাল জনজীবন। শীতের এই তীব্রতা বেশি কাবু করে নিম্ন আয়ের মানুষকে। শীতার্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের উষ্ণতা দিতে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে পাশে দাঁড়াল কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলার ৮নং চাপিতলা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, সাংগঠনিক সম্পাদক, যুক্ত রাষ্ট্র আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগ এবং শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ,কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোঃ মনিরুল আলম দিপু।

শুক্রবার ৮নং চাপিতলা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে মোঃ মনিরুল আলম দিপুর নিজস্ব উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র এক হাজার কম্বল বিতরণ করেন।শীতবস্ত্র বিতরণে চাপিতলা অজিফা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ।

শীতবস্ত্র বিতরণকালে অসহায় মানুষের উদ্দেশে মোঃ মনিরুল আলম দিপু বলেন,আমি আপনাদের ঘরের সন্তান। এই শীতে আপনারা অমানবিক কষ্ট করবেন, তা মেনে নেয়া যায় না। আপনাদের প্রতি বুকভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে আমি এখানে এসেছি,পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে। এ সময় তিনি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে সবাইকে আহ্বান জানান। যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কারও চোখে পড়লে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন মোঃ মনিরুল আলম দিপু।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন,মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ্ব হারুন -অর- রশিদ, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবুল কালাম আজাদ তমাল।

আরও উপস্থিত ছিলেন ৮নং চাপিতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম, ৮নং চাপিতলা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের,সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেম্বার হুমায়ুন কবির,যুবলীগ নেতা পাভেল রহমান, মুকসেদুল হক, তাজুল ইসলাম, সাবেক ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ, চাপিতলা ইউনিয়নের ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার ছামসুন্নাহার, পারুল বেগম, ছাবিনা ইয়াসমিন ৮নং চাপিতলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

দেশপ্রেমিক মানুষদের ঐক্যেই বাংলাদেশ আরও উন্নতি করতে সক্ষম হবে : মোহাম্মদ হাসান

বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ের উন্নত রাষ্ট্র কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাভিয়ান নাগরিক মোহাম্মদ হাসান তার মেধা, শ্রম ও অধ্যবসায়ের সমন্বয়ে সে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের এক উজ্জ্বল তারকা ব্যক্তিত্ব। প্রবাসে বাংলাদেশ কমিউনিটির সুপরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ মোহাম্মদ হাসান কানাডা ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইনক. এর ডিরেক্টর আ্যান্ড প্রেসিডেন্ট । ২০০৪ সালে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান এখন সেখানকার ব্যবসা-বাণিজা অঙ্গনে ব্যাপকভাবে সফল ।

তিনি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন Canada National Construction. তিনি এর ডিরেক্টর এন্ড প্রেসিডেন্ট। কানাডার কসস্ট্রাকশন খাতে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে ।

বহুমাত্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত মোহাম্মদ হাসান সংবাদমাধ্যম ডিজিটাল বাংলা নিউজ‘র কর্ণধার। Digital Bangla News এর এডিটিং প্যানেলের চেয়ারম্যান তিনি। তিনি Arista Group এরও চেয়ারম্যান।

আলাদিনের চেরাগ দিয়ে নয় – সততা, নিষ্ঠা, অধ্যবসায় এবং পরিশ্রমের মাধ্যমেই একজন মানুষ প্রতিষ্ঠা লাভে সক্ষম হতে পারে এই বিশ্বাস নিয়ে মোহাম্মদ হাসান পথ চলেছেন । তিনি বিশ্বাস করেন, লক্ষ্যে পৌছুনোর সুতীব্র ইচ্ছা নিয়ে শ্রম দিলে সাফল্য আসবেই। এ সুবাদেই তিনি কানাডার ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে
আলোকিত ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতার পক্ষশক্তির এই মানুষটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কানাডার যুগ্ম সম্পাদক।

ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাসানের জন্ম ৫ মে ১৯৭৫ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির এক সম্ভ্রান্ত শিক্ষিত পরিবারে । তার পিতা মরহুম দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন প্রি জোন কমান্ডার।

মোহাম্মদ হাসান ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

কানাডায় এসে উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী হিসাবে কাজ শুরুর আগে তিনি ১৯৮৯ সালে এরশাদ সরকার আমলে নির্যাতনের ভয়ে দুবাই চলে যান এবং ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০০০ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের Nestle‘র মার্কেটিং ম্যানেজার পদে দায়িতৃ পালন করেন। ২০০০ সালে তিনি কানাডা আসেন এবং ওই বছরের জুন মাসে ADT Security Services, Ontario, Canada-র Regional Manager পদে ২০০৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী পর্যায়ে ব্যবসায় আত্ননিয়োগ করেন এবং সাফল্যের সিড়ি বেয়ে কানাডার শীর্ষ কাতারের ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জনে সক্ষম হন।

বর্তমানে তিনি Bangladesh Business Chamber, Canada-র Director (Admin), Bangladesh Society Canada-র প্রেসিডেন্ট এবং কানাডার Greater Foundation Ctg-র কনভেনর।

ছাত্রজীবনেও মোহাম্মদ হাসান মেধাবী, উদ্যমী কর্মতৎপর এবং ভালো সংগঠক ছিলেন। তিনি ১৯৮০ সালে কুমিল্লা বোর্ড থেকে এসএসসি, ১৯৮২ সালে একই বোর্ড থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে কমার্সে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি ১৯৮৬ সালে একই কলেজ থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

আত্নপ্রত্যয়ী মোহাম্মদ হাসান প্রফেশনের স্বার্থে মার্কেটিং এবং সেলস সম্পর্কিত ট্রেনিং গ্রহণ করেছেন। তিনি মাইক্রোসফ্টে কম্পিউটার বিষয় নিয়ে অধ্যয়ন করেছেন। তিনি ইন্টারনেট এবং ইমেইল কার্যক্রমের দক্ষতার জন্যে দ্রুত ব্যবসায়িক সাফল্য লাভে সক্ষম হন। তিনি কানাডা হাই কমিশনের চিফ প্যাট্রন।

কথা প্রসঙ্গে কানাডা আওয়ামী লীগের যুগ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান দৃঢ়তার সাথে বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের সুবাদেই দেশ আজ উন্নয়নের সিঁড়িতে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কাছে দেশ নিরাপদ।

দূরদশী ও কর্মনিষ্ঠ মোহাম্মদ হাসান বলেন, আমরা যারা প্রবাসে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি করি দেশের দেশের প্রতি তাদের ভালবাসা অকৃত্রিম। আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করি শুধু নিজের জন্যে নয়, দেশের জন্যে। আমরা ভাবি আমাদের দেশ পিছিয়ে রয়েছে,অনেক লোক কষ্টে আছে, আত্নীয় স্বজনদেরও কষ্ট কম নয়; তাই প্রবাসীরা আয়ের বিশাল অংশ দেশে রেমিটেন্স আকারে প্রেরণ করেন- যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এই রেমিট্যান্স পর্যালোচনা করে প্রবাসীদের পুরস্কৃত করছে- সিআইপি সম্মাননা
দিচ্ছে; এতে ইতিবাচক ফল লাভ হচ্ছে- রেমিটেন্সের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।

দুর্নীতি প্রতিরোধ প্রশ্নে দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ হাসান বলেন, দুর্নীতিবাজদের নির্মুল করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার পদক্ষেপ নিলেও কতিপয় অসৎ রাজনীতিবিদ ও দুর্নীতিবাজ আমলার জন্য তার বাস্তবায়ন পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। তবে আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এর বাস্তবায়ন হবেই। কারন, দুর্নীতির কারণে সরকারের অনেক সাফল্যই ঢাকা পড়ে যায়।

শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ হাসানের স্ত্রী একজন চীনা নাগরিক। মোহাম্মদ হাসান ও স্ত্রী লেয়াং হোসেন এর একমাত্র কন্যা জেরা হোসেন।

মোহাম্মদ হাসান ফোবানার সাথেও সম্পৃক্ত। তিনি বাংলাদেশ কানাডা সোসাইটির সভাপতি। উদার মনের অধিকারী মোহাম্মদ হাসান রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকলেও দেশের মানুষের সাথে কাজ করে থাকেন। তিনি মনে করেন, “দেশপ্রেমিক মানুষদের ঐক্যেই বাংলাদেশ আরও উন্নতি করতে সক্ষম হবে।”

 

অকালে ঝরে যাওয়া তারকা সুশান্তের জন্মদিন আজ

বিনোদন ডেস্কঃ অকালে ঝরে যাওয়া তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্মদিন আজ। আজ বেঁচে থাকলে তিনি ৩৫ বছরে পদার্পণ করতেন। কিন্তু সব সম্ভাবনাই তছনছ করে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। এখন পরিবার-পরিজনের কাছে তার স্মৃতিটুকুই শেষ সম্বল।

এবার সুশান্তের জন্মদিনে সেই স্মৃতিটুকু অক্ষয় করে রাখতে বৃত্তি ঘোষণা করলেন সুশান্ত সিং রাজপুতের দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি।মার্কিন মুলুকের বাসিন্দা শ্বেতা এদিন ৩৫ হাজার মার্কিন ডলারের একটি বৃত্তির (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে পঁচিশ লাখ টাকা) কথা ঘোষণা করেছেন। এই বৃত্তির জন্য ইউসি বার্কলেতে অ্যাস্টোফিজিক্স পড়তে আসা যেকোনো ছাত্রই আবেদন করতে পারবেন।

সুশান্তের দিদি শ্বেতা নিজের সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লেখেন, ’দ্য সুশান্ত সিং রাজপুত মেমোরিয়াল ইউসি বার্কলের জন্য ৩৫ হাজার ডলার বৃত্তির ব্যবস্থা করছে। কেউ অ্যাস্ট্রোফিজিক্স পড়তে ইউসি বার্কলে এলে এই অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারেন’।

শ্বেতা আরো লেখেন, ‘আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ যে এই কাজটা সফল ভাবে হতে দিয়েছে। তুমি যেখানেই থেকো ভালো থেকো। আদরের ভাই তোমার জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা। আমরা তোমায় ভালোবাসি’।

এর আগে কয়েকদিন আগেই সুশান্তের একটি হাতে লেখা নোট ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেন শ্বেতা। সুশান্ত সেখানে আক্ষেপ করে লিখেছিলেন, ‘আমি জীবনের প্রথম ৩০ বছর কাটিয়ে ফেললাম কিছু একটা হয়ে উঠতে। আমি চাইতাম নানা বিষয়ে ভালো হতে। টেনিসে ভালো হতে চাইতাম আরও কত কি। সব কিছুই নিজস্ব আয়নায় দেখতাম। কিন্তু আমি যেমন আমি তাতে খুশি নই।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন মুম্বাইয়ে নিজের ফ্ল্যাটে সুশান্তের মৃতদেহ পাওয়া যায়। অনেক আলোচনা- সমালোচনার পর তদন্তকারীরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসেন এবং সুশান্ত আত্মহত্যা করেছেন বলে জানান।

সিলেটে বিচারককে ঘুষ প্রদানের চেষ্টা করায় এসআই রাজা মিয়া প্রত্যাহার

মো আমিন আহমেদ, সিলেটঃ সিলেট জকিগঞ্জের আদালতে এক ম্যাজিস্টেট কে ঘুষ প্রদানের চেষ্টার অভিযোগে! জকিগঞ্জ থানার রাজা মিয়াকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (২০ জানুয়ারি) তাকে ক্লোজ করেন সিলেটের পুলিশ সুপার। সিলেটের জকিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আনোয়ার হোসেন সাগরকে ঘুষ প্রদানের চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত ও আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, একটি মামলায় এজাহারভূক্ত এক আসামিকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র প্রদান করেন রাজা মিয়া। অভিযোগপত্র নিয়ে বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ ছিলো মঙ্গলবার। তবে শুনানি শুরুর আগেই অনুমতি ছাড়া এসআই রাজা মিয়া বিচারক আনোয়ার হোসেন সাগরের খাস কামরায় ঢুকে পড়েন। এ সময় তিনি বিচারককে উৎকোচ প্রদানের চেষ্টা করেন।

পরে আইনজীবী ও উপস্থিত লোকজনদের সম্মুখে এসআই রাজা মিয়াকে আটক করে রাখেন। রাত ৮টা পর্যন্ত আদালতে আটক ছিলেন তিনি।

জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় ও জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মো.আব্দুন নাসের আদালতে উপস্থিত হয়ে রাজা মিয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।

এরপর বুধবার এসআই রাজা মিয়াকে জকিগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে সিলেট পুলিশ লাইনে ফীরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়।