২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়নের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই: চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ প্রাণ সংহারী করোনা ভাইরাস মহামারির শেষ কবে—বিশ্ব জুড়ে এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা হলেও এর মধ্যেই দেশে সময় ঘনিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের। আইন অনুযায়ী এ বছরের মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে ইউপি নির্বাচন শুরু করতে হবে, আর শেষ করতে হবে জুনের আগেই।বর্তমানে দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ মার্চ শুরু হয়ে কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হয় ঐ বছরের ৪ জুন। আইন অনুযায়ী কোনো ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

মার্চ মাসেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার কথা।এই নিয়ে সারা দেশের মতো ২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়ন নবীন ও প্রবীণ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন নিজেদের প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এছাড়া ইউনিয়ন এর বিভিন্ন হাট, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে দেয়াল। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গণ। সর্বত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া।মুরাদনগর উপজেলার ২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়ন যুবসমাজের আইকন, উদীয়মান তরুণ প্রজন্মের অহংকার, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সফল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম বলেন,আমি এবং আমার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করি। আমার নেতা আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি মহোদয় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ম.রুহুল আমিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিবে আমি আশাবাদী। আমি এই নির্বাচনী এলাকায় মানুষের সুখে-দুঃখে আছি। তিনি বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন প্রার্থী হবেন তাদের মধ্য থেকে আমি সর্বজন গ্রহণযোগ্য। এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশে আদর্শিত হয়ে আওয়ামীলীগ করি। আর আওয়ামীলীগ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত আাস্তাভাজন মানবতার ফেরিওয়ালা মুরাদনগরের মাটি ও মানুষের নেতা মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এফসিএ এর উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছি।

পারিবারিক এবং রাজনৈতিক সূত্র বলছে,এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম একজন সৎ, নিষ্ঠাবান যুবনেতা। মানুষের সেবা করাকেই তিনি মহান ব্রত হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম ২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়্যারমান নির্বাচনে প্রার্থী হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে তাল মিলিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ইউনিয়ন গঠনে সচেষ্ট হবেন। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনে এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে কাজ করে যাচ্ছি। একই সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নেতা কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করেছি।নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ করছেন।নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ইউনিয়ন এর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও আগামীতে আর কি কি হতে যাচ্ছে সেই বার্তাও পৌছে দিচ্ছেন।

এ.বি.এম আমিরুল ইসলাম আরও বলেন, আমি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে শাসক নয় জনগনের সেবক হয়ে কাজ করবো। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্নীতি মুক্ত করতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন তিনি। সে উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়ন বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়া সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও দলীয় কর্মকান্ডসহ একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এলাকায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচারণাকালে তিনি আরো জানান,জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল। আমি চেয়্যারমান নির্বাচিত হলে সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন তথা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাস্তাঘাট, কালভাট, মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেকার যুবক-যুবতীদের যথাযথ প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে স্বাবলম্বী করে তোলার কাজ করব। নারী ও শিশুনির্যাতন, মানব পাচার, এসিড, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ এবং মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলবো। দীর্ঘ দিনের জরাজীর্ণতাকে পিছনে ফেলে ইউনিয়নবাসীর সার্বিক সহযোগীতায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ ত্বরান্বিত করবো। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ে আরো বলেন সবার সহযোগিতায় ২১নং বাবুটিপারা ইউনিয়ন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সুখ-শান্তি আর নাগরিকের সুযোগ সুবিধা।

 

 

রাণীশংকৈল দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠান

হুমায়ুন কবির রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও ) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়ন ( রেজিঃদিনাজ- ৩০)এর শুভ উদ্ভোধন ও অভিষেক ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ।

এ উপলক্ষে এদিন সন্ধ্যায় মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঐ ইউনিয়ন সভাপতি প্রদীপ সাহার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  ছিলেন ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান জাহিদ।

বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক, ভাইস-চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন ,পৌর মেয়র আলমগীর সরকার, সাবেক মেয়র মোকলেসুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, পৌর আ’ লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক রফিউল ইসলাম, আ’লীগ সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহাফুজা বেগম, বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে শ্রমিক নেতা রবিউল ইসলাম সবুজ, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক, আ’লীগ নেতা রুকুনুল ইসলাম ডলার কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ বসাকসহ  উপজেলার ১৮ টি শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি, সম্পাদক, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক  নেতাকর্মী ও  সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেতার শিল্পি প্রভাষক প্রশান্ত বসাক । পরে প্রশান্ত বসাকের পরিচালনায় স্থানীয় শিল্পীরা একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

আলোকিত মানুষ গড়ার অন্যতম বিদ্যাপিঠ ঐতিহ্যেবাহী যাদুরচর মডেল ডিগ্রী কলেজ

সাকিব আল হাসান, রৌমারী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় আলোকিত মানুষ গড়ার অন্যতম বিদ্যাপিঠ যাদুরচর মডেল ডিগ্রী কলেজ। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ধীরে ধীরে গড়ে উঠা যাদুরচর মডেল ডিগ্রী কলেজটি সাফল্যের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে।

এই কলেজ থেকে পড়ালেখা করে অনেক শিক্ষার্থী এখন প্রতিষ্ঠিত এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপ‚র্ণ পদে চাকুরী করছেন। ১৯৯৯ সালে মাত্র ৩২০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে এই কলেজের যাত্রা শুরু হয়। কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন যাদুরচর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাজী এম এ হাকিম আইডিয়াল মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল সানাউল্লাহর পিতা আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম মেম্বার। উপজেলার প্রায় ১১৫ টি গ্রামের ছেলে মেয়েরা এই কলেজে অধ্যয়ন করছে। ধুমপান ও রাজনীতি মুক্ত এই কলেজটিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০০ জন।

গরীব মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভর্তি ফি, বেতন ও বই কলেজ থেকে বিনামুল্যে প্রদান করা হয়। কলেজটিতে বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসা, বিএম ও ডিগ্রী শাখা চালু আছে। শিক্ষার্থীদের মনোরম পরিবেশ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও একঝাঁক তরুন ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদানের কারনে প্রতিবছরেই শতভাগ পাশের সাথে ভাল রেজাল্ট করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এই কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাচ্ছে। রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ধনারচর গ্রাম সংলগ্ন ডিসি রাস্তার পাশে অবস্থিত এই কলেজের শিক্ষার্থীদের ভাল রেজাল্টের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে অভিভাবকদের নিকট।

২০১৫ সালে বর্তমান অধ্যক্ষ সৈয়দ মো: আমিনুল ইসলামের যোগদানের পর থেকে শিক্ষক, কর্মচারীদের মাঝে সমন্বয় ফিরে আসে এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে শিক্ষার মান দিন দিন বাড়তে থাকে। বর্তমানে এ কলেজের সুনাম শিক্ষার্থী ও এলাকার অভিভাবকদের মুখে মুখে। এ ব্যাপারে উক্ত কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আজিজ মন্ডল, সহকারী অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন ও প্রভাষক মো: ফরিদ উদ্দিন বলেন, অধ্যক্ষের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম।

তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পর কলেজে লেখাপড়ার মান বৃদ্ধি পেয়েছে ও পাশের হার বেড়েছে। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পাশের হার আরও বাড়বে বলে আমাদের আশা ও বিশ্বাস। এ ব্যাপারে যাদুরচর মডেল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি ২০১৫ সালে এই কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য নিয়মিত ক্লাশগুলো পরিদর্শন ও মনিটরিং কার্যক্রম করা হয়।

এরই অংশ হিসেবে বছরের শুরুতেই কলেজে সময়মত শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, শিক্ষার্থীদের সংখ্যাবৃদ্ধি, ঝড়ে পড়ার হার হ্রাস, পরীক্ষায় পাশের হার বৃদ্ধি সহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করে চলছি। তারই ধারাবাহিকতায় গতবারের চেয়ে পরীক্ষায় ফলাফল ভাল হয়েছে। গতবার পাশের হার ছিল প্রায় ৫০ শতাংশের কিছু উপরে।

আর এবার পাশের হার প্রায় ৭৪ শতাংশের উপরে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতে পাশের হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান আরও বাড়বে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। একই সঙ্গে কলেজটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনায় এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

 

আমার মেধা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলাকে ভালো কিছু উপহার দি‌তে চাই, নবাগত জেলা প্রশাসক

মোঃ জ‌হির হো‌সেন, লক্ষ্মীপুরঃ গেল বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃআনোয়ার হোছাইন আকন্দ রায়পুর উপজেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে  মতিবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হ‌য়ে‌ছে। সভায় রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরীন চৌধুরীর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নবাগত জেলা প্রশাসকের রত্ন গর্ভা মায়ের অবদান দিয়ে পুরো পরিবারবর্গের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এছাড়াও করোনাকালীন সময়ে উপজেলা প্রশাসনের করোনা নিয়ে মনিটরিং সেল এর সমন্বিত সেবার একটি স্লাইড শো ভিডিও পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ ছাড়াও বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ, পৌর সভার মেয়র হাজী ইসমাইল খোকন, এসিল্যান্ড আক্তার জাহান সাথী,  ইউএইচএফপিও জাকির হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মারুফ বিন জাকারিয়া ও মাজেদা বেগম, ওসি আব্দুল জলিল,  পৌর আওয়ামীলীগ এর আহবায়ক কাজী জামশেদ কবির বাক্কী বিল্লাহ,এড.মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নিজাম উদ্দিন পাঠান,

এছাড়াও বিভিন্ন ইউপির চেয়ারম্যানবৃন্দ,    উপজেলা প্রশাসনের সকল বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বৃন্দ, রায়পুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, রায়পুর প্রেস ক্লাব, রায়পুর রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ জেলার গনমাধ্যমকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী, ফার্মেসী সমিতি নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, দেয়ার জন্য এসেছি লক্ষ্মীপুরে, কিছু নিয়ে যেতে নয়। আমার মেধা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলাকে ভালো সার্ভিস দিতে চাই। এই জন্য সকলের সমন্বিত সহযোগিতা চাই। প্রত্যেককে নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান হয়রানি মুক্ত সেবা দেয়ার জন্য। এই সময় চমৎকার মতবিনিময় সভার আয়োজন করায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

ফটিকছড়িতে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে শর্ট পিছ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর আয়োজন করে সুর্যদয় নব তরুন সংঘ

সিএনবিডি টিভির মুখোমুখি কাউন্সিলর প্রার্থী ১৫ নং বাঘমনিরাম ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ

<iframe width=”853″ height=”480″ src=”https://www. موقع قمار youtube.com/embed/aP4Fj3YpQdQ” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture” allowfullscreen></iframe>

চট্টগ্রামে নির্বাচনি সহিংসতায় পড়লো আরেক লাশ

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। ডজন খানেক বিদ্রোহি প্রার্থী নিয়ে এবার চসিক নির্বাচন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। তারে মাঝে ঘটে গেলো দুটি অনাকাংক্ষিত ঘটনা। গেলো কিছুদিন আগে নগরীর ২৮ নং পাঠানটুলি সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হবার কিছুদিনের মধ্যে নিহত হলো আরেকজন। নিহতের স্বজনরা জানায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রুবার ভোরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায় ছাত্রলীগ কর্মী আশিকুর রহমান রহিত।

স্বজনদের অভিযোগ, পশ্চিম বাকলীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর কর্মিরা এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। ৩ জন নাম উল্যেখসহ মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিহতের ভাই।  মামলার আসামিরা হলেন মো .মহিউদ্দিন (৩৫), সাহাবু প্রকাশ কালা সাহাবু (২৬) ও মো. বাবু (২১)।

জানা যায়, গত ৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ এর মেয়র প্রার্থী ‍রেজাউল করিমের নির্বাচনি প্রচারনা করার সময় ছুড়িকাঘাতে আহত হয় রহিত। বেশকিছুদিন ধরে চিকিত্সাধীন অবস্থায় থেকে শুক্রুবার সকালে নিহত হয় রহিত।

ফের ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ফের ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার মাত্র এক সপ্তাহ আগে আবার নতুন নিষেধাজ্ঞা চাপালো ট্রাম্প প্রশাসন।

গতকাল বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ইরানের দুটি ফাউন্ডেশন এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। মার্কিন প্রশাসন দাবি করছে, এই দুটি প্রতিষ্ঠান ইরানের অর্থনীতির বৃহৎ অংশের নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ইরানের যে দুটি ফাউন্ডেশনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তার একটি হচ্ছে- ইসলামি বিপ্লবের মহান নেতা ইমাম খোমেনীর নির্দেশ বাস্তবায়নকারী সংস্থা এবং অন্যটি হচ্ছে আস্তান কুদস রাজাভি। এই সংস্থাটি ইমাম রেজা (আ.)’র মাযার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। ইমাম রেজা হচ্ছেন শিয়া মুসলমানদের অস্টম ইমাম।

নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েবন ফাউন্ডেশন দুটির নেতারা এবং তাদের সহযোগীরা। এছাড়া, তাদের সম্পদ জব্দ করা হবে এবং যারা এইসব ফাউন্ডেশনের সঙ্গে লেনদেন করবে তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। পার্সটুডে।

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে আওয়ামীলীগ নেতা ও কাউন্সিলর প্রার্থী নিহত

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী শওকত হোসেনের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত হোসেন বল্টু (৫০) নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর একই ওয়ার্ডের আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী বাবুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বল্টু খুন হন। এর পাঁচ ঘণ্টা পর রাত ১টার দিকে নদীতে অর্ধপোঁতা অবস্থায় একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বাবুর লাশ পাওয়া যায়।

এর আগে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শওকত হোসেন ও তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগ নেতা বল্টু পৌর এলাকার কবিরপুরের ভূইমালী পাড়াতে প্রচার চালাতে গিয়েছিলেন। এ সময় তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পাঞ্জাবি মার্কার আলমগীর হোসেন বাবুর সমর্থকরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। হামলার পর গুরুতর আহত বল্টুকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর হোসেন বাবুর লাশ নদীতে পাওয়া যায়। যার সমর্থকদের বিরুদ্ধে বল্টুর ওপর হামলার অভিযোগ ছিল। উপজেলার দেবতলা নদীর থেকে অর্ধপোতা অবস্থায় বাবুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে। এলাকাবাসী মনে করছেন, একটি ঘটনার জেরে আরেকটি ঘটনা ঘটেছে। এদিকে কাউন্সিলর প্রার্থী বাবুর সমর্থক ও তার পরিবার দাবি করছে, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে পরপর দুটি মৃত্যুর ঘটনায় শৈলকুপা পৌরসভার ভোটারদের মাঝে চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। শহরসহ পৌর এলাকার সর্বত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশ তল্লাশি চলছে।

শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, কমিশনার প্রার্থী আলমগীর হোসেন বাবুর লাশ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো এই কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃত্যু সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

 

ডিজিটাল বাংলা নিউজ/ ডিআর /এমআর