স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগ শ্রদ্ধা জানালো বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে

আজ ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২’ এ তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আজ রোববার (১০ জানুয়ারি) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আফজাল হোসেন,  বিএম মোজাম্মেল হক, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে।

আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ দলের সহযোগী, অঙ্গ সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয় অর্জনের ২৩ দিন পর ১৯৭২ সালের এদিন অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি বেলা ১টা ৪১ মিনিটে অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানযুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩২৩৫ জনের মৃত্যু!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আরও দাপট দেখাচ্ছে করোনা। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২.৫ লাখের বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজারের বেশি মানুষের।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫১৯ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২ কোটি ২৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ৩ হাজার ২৩৫ জন। এ নিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৮০ জনে ঠেকেছে।

অপরদিকে, সংক্রমণের তুলনায় কম হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ভুক্তভোগী। এতে করে সুস্থতার সংখ্যা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮ জনে পৌঁছেছে।

গত বছরের ২১ জানুয়ারি শিকাগোর এক বাসিন্দার মধ্যে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর পর থেকে ক্রমান্বয়ে ভয়ানক হতে থাকে পরিস্থিতি।

এর মধ্যে সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে দীর্ঘ হচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়ায়। যেখানে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৬৮২ জনের।

টেক্সাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৬১ হাজার। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৩০ হাজার ৫২৭ জনের।

ফ্লোরিডায় করোনার শিকার ১৪ লাখ ৬৪ হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে সেখানে ২২ হাজার ৮১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

প্রাণহানিতে শীর্ষ শহর নিউইয়র্কে আক্রান্ত ১১ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে না ফেরার দেশে ৩৯ হাজার ৪৪৭ জন ভুক্তভোগী।

ইলিনয়েসে এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী ১০ লাখ ২৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ হাজার ২১০ জন।

জর্জিজায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ লাখ ৪৯ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ১১ হাজার ৪৫৭ জনের।

পেনসিলভেনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ১৯ হাজার। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৭ হাজার ৭২২ জন মানুষ।

নিউ জার্সিতে করোনার শিকার ৫ লাখ ৭৯ হাজার মানুষ। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১৯ হাজার ৯৩৩ জনের।

এ ছাড়া ওহিও, টেনেসিস, উত্তর ক্যারোলিনা, অ্যারিজোনা, মিশিগান, ইন্ডিয়ানা, উইসকনসিনের  মতো শহরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে।

 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’পক্ষের গুলি বিনিময়ে নিহত ১, আহত ২৩

কক্সবাজারের টেকনাফের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ‘দুই রোহিঙ্গা ডাকাত দলের’ মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১ জন নিহত এবং ২৩ জনের বেশি আহত হয়েছে।

আজ রবিবার (১০ জানুয়ারি) ভোরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে চাকমারকুল ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। এই গোলাগুলির ঘটনায় ক্যাম্প রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জানা গেছে, ভোরে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যংয়ে চাকমারকুল ক্যাম্পে তোহা বাহিনী ও আরেক ডাকাত দলের মধ্যে এ ঘটনায় ঘটে। নিহত নুর হাকিম ওই ক্যাম্পের বাসিন্দা।

টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ এপিবিএন-এর ইন্সপেক্টর মনির হোসেন জানান, ক্যাম্পে দুই ডাকাত দলের মধ্য গুলি বিনিময়ের ঘটনায় একজন মারা গেছেন, আরও ২৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্যা চিলড্রনের অধীনে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত ১১, আহত ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে ১১ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। আজ রবিবার ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বোর্ড (বিএনপিবি) এ খবর জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখপাত্র রাদিত্য জাতি জানিয়েছেন, প্রবল বর্ষণে পশ্চিমা জাভা প্রদেশের সুমাডাং জেলার সিহানজং গ্রামে বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার মধ্যে ভূমিধস হয়। এতে বেশ কয়েকজন মারা গেছেন। আটকেপড়াদের উদ্ধারে নেমেছে দমকল বাহিনী।

ভূমিধসের কারণে স্থানীয় একটি সেতু ও সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। যান চলাচল বন্ধে হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভারী যন্ত্রপাতি নিয়ে অপসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মৌসুমি বৃষ্টিতে গত কয়েক দিন ধরে বেহাল অবস্থা ইন্দোনেশিয়ার। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ১৭ হাজার দ্বীপ নিয়ে গঠিত দেশটিতে বহু মানুষ পাহাড় ও নদীর আশপাশে বসবাস করেন।

এদিকে শনিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়ায় ৬২ যাত্রী নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ বিমান জাভা সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে অভিযান। এর মধ্যে ভূমিধসে হতাহতের ঘটনায় শোকের মাত্রা আরো বেড়েছে।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ায় ঘন ঘন বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে, বিশেষভাবে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত বর্ষাকাল চলাকালে এ ধরণের ঘটনা ঘটে। ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে নিহত ১১, আহত ১৮

সাতক্ষীরায় মাছের ঘেরে বাস, নিহত ২

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা থানার শাকদাহ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাছের ঘেরে যাত্রীবাহী বাস পড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন।

আজ রবিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদতথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করছেন।

পাটকেলঘাটা থানার ওসি কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৪-১৫ জন। তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বাভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সদর হাসপাতালে ভর্তিদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানতে পেরেছি।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি (খুলনা মেট্রো-জ-০০-০৪-০০৬৯) উদ্ধার করা হয়েছে।

এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন শ্যামনগর উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের মৃত মাদার মন্ডলের ছেলে রামপদ মন্ডল। অপর নিহতের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, খুলনা থেকে যাত্রীবাহী বাসটি শাকদাহ এলাকায় পৌঁছলে পৃথক আরেকটি যাত্রীবাহী বাসকে ওভারটেক করতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। যাত্রীবাহী একটি বাস মাছের ঘেরে পড়ে যায়। অন্যটি দ্রুত গতিতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে জানা গেছে, হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ১২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 

আজ ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস

আজ ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিন বঙ্গবন্ধু সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন। এর মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় এসে পৌঁছান। চূড়ান্ত বিজয়ের পর ১০ জানুয়ারি বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুকে প্রাণঢালা সংবর্ধনা জানানোর জন্য প্রাণবন্ত অপেক্ষায় ছিল। আনন্দে আত্মহারা লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাঁকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকেল ৫টায় রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশের মাটিতে পা রাখেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

পরের দিন দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে এভাবেই লিখা হয়- ‘স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামল তার দুই চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ-বাতাস।’

জনগণ নন্দিত শেখ মুজিব সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তাঁর ঐতিহাসিক বক্তৃতায় বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এত ভালোবাসি, যে মানুষকে আমি এত ভালোবাসি, যে জাতিকে আমি এত ভালোবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারব কিনা। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইয়েদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’

১৯৭২ সালের আজকের দিনে লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাঁকে স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জানান। রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন।

 

সশ্রদ্ধ চিত্তে বঙ্গবন্ধু সবার ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং সবাইকে দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করে বলেন, ‘আজ থেকে আমার অনুরোধ, আজ থেকে আমার আদেশ, আজ থেকে আমার হুকুম ভাই হিসেবে, নেতা হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, প্রেসিডেন্ট হিসেবে নয়, আমি তোমাদের ভাই, তোমরা আমার ভাই। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না পায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়, এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এদেশের যুবক যারা আছে তারা চাকরি না পায়। মুক্তিবাহিনী, ছাত্র সমাজ তোমাদের মোবারকবাদ জানাই তোমরা গেরিলা হয়েছ, তোমরা রক্ত দিয়েছ, রক্ত বৃথা যাবে না, রক্ত বৃথা যায় নাই।’

‘একটা কথা- আজ থেকে বাংলায় যেন আর চুরি-ডাকাতি না হয়। বাংলায় যেন আর লুটতরাজ না হয়। বাংলায় যারা অন্য লোক আছে অন্য দেশের লোক, পশ্চিম পাকিস্তানের লোক বাংলায় কথা বলে না, তাদের বলছি তোমরা বাঙালি হয়ে যাও। আর আমি আমার ভাইদের বলছি তাদের ওপর হাত তুলো না আমরা মানুষ, মানুষ ভালোবাসি। তবে যারা দালালি করেছে, যারা আমার লোকদের ঘরে ঢুকে হত্যা করেছে, তাদের বিচার হবে এবং শাস্তি হবে’ উল্লেখ করে জাতির পিতা বলেন, ‘তাদের বাংলার স্বাধীন সরকারের হাতে ছেড়ে দেন, একজনকেও ক্ষমা করা হবে না। তবে আমি চাই স্বাধীন দেশে স্বাধীন আদালতে বিচার হয়ে এদের শাস্তি হবে। আমি দেখিয়ে দিতে চাই দুনিয়ার কাছে শান্তিপূর্ণ বাঙালি রক্ত দিতে জানে, শান্তিপূর্ণ বাঙালি শান্তি বজায় রাখতেও জানে।’

বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমায় আপনারা পেয়েছেন। আমি আসছি জানতাম না। আমার ফাঁসির হুকুম হয়ে গেছে, আমার সেলের পাশে আমার জন্য কবর খোড়া হয়েছিল। আমি প্রস্তুত হয়েছিলাম, বলেছিলাম আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান, মুসলমান একবার মরে, দুইবার মরে না। আমি বলেছিলাম, আমার মৃত্যু আসে যদি আমি হাসতে হাসতে যাব। আমার বাঙালি জাতকে অপমান করে যাব না, তোমাদের কাছে ক্ষমা চাইব না। এবং যাওয়ার সময় বলে যাব জয় বাংলা, স্বাধীন বাংলা, বাঙালি আমার জাতি, বাংলা আমার ভাষা, বাংলার মাটি আমার স্থান।’

প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি

দিবসটি উপলক্ষে আজ সকাল সাড়ে ৬টায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারাদেশের সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। বেলা সাড়ে ৩টায় ২৩, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনাসভা রয়েছে। এতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোও পৃথক পৃথক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাডডায় আলোচনাসভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করবে কৃষক লীগ। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন জাহাঙ্গীর কবির নানক, বিশেষ অতিথি থাকবেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। সংগঠনের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করবেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি।

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সব কর্মসূচি স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালনের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীসহ সংগঠনের সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

নেত্রকোনায় নির্বাচনী প্রচারে বাঁধা, ডিসি-ইউএনওর প্রত্যাহার দাবি

মো.কামরুজ্জামান, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলায় মোহনগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারণায় বাঁধার অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রত্যাহরের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী তাহমিনা পারভীন বীথি।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় তাহমিনার নির্বাচন পরিচালনা টিমের সদস্য আনোয়ার হোসেন এবং নিয়াজ মোর্শেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিতি বক্তব্যে নারিকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থী তাহমিনা পারভীন বীথি জানান, নৌকার প্রার্থীর লোকজন আমার সমর্থকদের দুটি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রচারের মাইক ভেঙে দিয়েছে। কয়েকজন কর্মীর ওপর হামলাও করেছে। এছাড়া কর্মী ও ভোটারদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে প্রতিদিনই সন্ত্রাসী মহড়া চলছে। ফলে মোহনগঞ্জ পৌরসভা এখন আতঙ্কের নগরীতে পরিণত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এসব বিষয় নির্বাচন কমিশন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় উপজেলা এবং থানায় একাধিকবার জানালেও কোনো প্রতিকার পাইনি। তাই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে তিনি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি জানান।

জানা গেছে, তাহমিনা পারভীন বীথি মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল কদ্দুছ আজাদের মেয়ে। তার মা জ্যোৎস্না আজাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। তাছাড়া তিনি নিজেও উপজেলা ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অপর দুই প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতন (নৌকা) ও আবু হেনা মোস্তফা (মোবাইল)। বিএনপি থেকে মাহবুবুন্নবী শেখকে মনোনয়ন দেয়া হলেও ঋণ খেলাপির জটিলতায় প্রার্থীতা স্থগিত রয়েছে।

 

আপনার ওয়ার্ড এর প্রার্থীদের মুখোমুখি সিএনবিডি টিভি । ১২ জানুয়ারি থেকে সিএনবিডি টিভি তে

 

 

হোমনার চারকুড়িয়া এক প্রতিবন্ধিকে গণ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক-৪

মো.নাছির উদ্দিন-বাঞ্ছারামপুর-হোমনা-প্রতিনিধি: কুমিল্লার হোমনায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি মহিলাকে গণ ধর্ষণের অভিযোগ  উঠেছে। গত ২৯/১২/২০২০ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত অনুমান ০২.০০ ঘটিকায়  উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের চারকুড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ভাবে এলাকার মাতাব্বরগণ বিষয়টি নিস্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে ঘটনা জানাজানি হলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( হোমনা সার্কেল)  মো. ফজলুল করিমের  নেতৃতে  গত শুক্রবার  গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ভিকটিম উদ্ধারসহ  চারজন আসামীকে আটক করে পুলিশ।
আটক কৃতরা হলো  মোঃ হাসান (২৭), পিতা- মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মোঃ রাসেল (২০), পিতা- মোহন মিয়া, মোঃ ইউসুফ প্রকাশ বাদশা (২৫), পিতা- জয়নাল আবেদীন, মোঃ সোহাগ মিয়া (১৬), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান।
গতকাল শনিবার সকালে ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে  হোমনা থানায় মামলা করেন । মামলা নং-৬ তারিখ ৯/১/২০২১ খ্রি. । শনিবার বিকালে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কুমেক হাসপাতালে  এবং আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( হোমনা সার্কেল)  মো. ফজলুল করিম  জানান , গত ২৯/১২/২০২০ইং তারিখ  দিবাগত রাতে আছাদপুর ইউনিয়নের চারকুড়িয়া গ্রামে একবুদ্ধিপ্রতিবন্ধি মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভিকটিমের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে  অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
ভিকটিমকে  ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য কুমেক হাসপাতালে  এবং আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আকবরশাহ এলাকার অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নুরু ও তার সহযোগী গ্রেফতার

নিউজ ডেক্সঃ
চট্টগ্রাম আকবরশাহ থানার তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ও আত্মগোপনকৃত আসামী মোঃ নুর আলম নুরু (৩৭) ও তার সহযোগী কাউছার (৩০) অস্ত্র ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার।
আকবরশাহ থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসায়ী, সাজা পরোয়ানাভুক্ত ও অসংখ্য মামলার আসামী মোঃ নুর আলম নুরু (৩৭) কে গ্রেফতার সহ উক্ত এলাকায় বিভিন্ন ধরণের অপরাধ নির্মূলের উদ্দেশ্যে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২০ইং তারিখে আকবরশাহ থানা ও ডিবি(পশ্চিম) যৌথ ভাবে পূর্ব ফিরোজশাহ কলোনী নাছিয়াঘোনা গাউছিয়া লেকসিটি সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় নুরু নিজের ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে, তার সহযোগী -সদস্যদের নিয়ে অতর্কিতে পুলিশ এর উপর হামলা চালায়। পরবর্তীতে নুরু ও তার তার সহযোগীদের গ্রেফতার এবং অপরাধ মূলক কার্যক্রমের উৎপাটনের উদ্দেশ্যে গাউছিয়া লেকসিটি পাহাড়ী এলাকায় একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে নুরুর ১৩ (তের) জন সহযোগীকে অস্ত্রশস্ত্র ও মাদক সহ গ্রেফতার করা হলেও, নুরু তার অতি পরিচিত পাহাড়ী এলাকার সুবিধা ব্যবহার করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
নুরুকে আটক করতে আকবরশাহ থানা ও ডিবি (পশ্চিম) বিভাগের একটি যৌথ দল অব্যাহতভাবে কাজ করতে থাকে, তারা তথ্য প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার এবং অনুসন্ধানের বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে নোয়াখালী জেলার প্রত্যন্ত বিভিন্ন চর অঞ্চলে নুরুর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। সে চর এলাকায় প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন করছিল। অবশেষে গত ০৮ জানুয়ারী ২০২১ ইং নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন শান্তিরহাট এলাকা হতে নুরু ও তার সহযোগী কাউছারকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তার পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে ০৯ জানুয়ারী ২০২১ ইং তারিখে মধ্য রাতে আকবরশাহ থানাধীন গাউছিয়া লেকসিটি পাহাড়ের পাশে নাছিয়াঘোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নুরুর আস্তানা থেকে তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে মাটির নিচে কৌশলে লুকিয়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র এবং স্টীলের ক্যাবিন্যাটে থাকা মাদকদ্রব্য- ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

মোঃ নুর আলম নুরু এর অপরাধ জগতের ক্রমবিকাশঃ
মোঃ নুর আলম নুরু (৩৭) জন্ম হতে নাছিয়া ঘোনা ০১নং ঝিল এলাকায় বেড়ে উঠে। কনকর্ড গ্রুপের ফয়ে’সলেকের একজন কর্মচারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু। সেখান থেকেই পাহাড় নিয়ে তার যাত্রা- যা আর থেমে থাকেনি। শুরু হয় তার পাহাড়ে বসবাস, প্রথম প্রথম বিভিন্ন ধরনের ছোট অপরাাধ ও চুরি করে পাহাড় কাটার মাধ্যমে তার অপরাধের শুরু!যা ক্রমান্বয়ে তাকে আত্মবিশ্বাসী করে অপরাধ কার্যে আরো উদ্বুদ্ধ ও সাহসী করে তোলে। সে ০১নং ঝিলের পাশে নাছিয়াঘোনার পাহাড়ী এলাকায় একক নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী তৈরী করে। তার বাহিনীতে প্রায় ৫০/৬০ জন সক্রিয় সদস্য রয়েছে। বাহিনীর লোকজন দিয়ে বিগত প্রায় ১ যুগ থেকে পাহাড়ী এলাকায় পাহাড় দখল, পাহাড়কাটা, পাহাড়ের সেগুনগাছ কাটা, অপহরণ, ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। দখল ও আদিপত্য বিস্তারের নেশায় সে আত্মহারা হয়ে যায়। পাহাড়ে অবৈধভাবে বসবাস করে, পাহাড় কাটা, অবৈধভাবে দখলকৃত জায়গায় ঘর নির্মাণ করে প্লট বিক্রি সহ চাঁদাবাজী, ফয়েস’লেক কেন্দ্রিক পাহাড়ে মূল্যবান গাছ কেটে পাচার করে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে এবং পাহাড়ের লোকজনকে আটক করে মুক্তিপন আদায় করে। পাহাড় দখল ও অন্যান্য অপরাধামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করার সময় এলাকার লোকজনকে ভীতি প্রদর্শনের জন্য আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় তৈরী ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে।
নুরু অবৈধভাবে পাহাড় দখলের জন্য ভুয়া কবর তৈরী করে সাইনবোর্ড লাগিয়ে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে অবৈধভাবে ঘর বাড়ি তৈরী করে। পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষ্যে সে পাহাড়ী এলাকায় গমনাগমনের বিভিন্ন পথে তার নিজস্ব বাহিনী সদস্য দিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনীর গতিবিধির নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহ এবং তার নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক সশস্ত্র সদস্যরা নিয়োজিত থাকে।