ব্রেকআপে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ সম্পর্কে ভাঙন বা ব্রেকআপ একটি  অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ব্রেকআপ শুধু মানসিক যন্ত্রণার কারণ নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে। ব্রেকআপ এর ঘটনা ঘটলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রেমের সম্পর্কের ব্রেকআপ আপনার হার্টে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলে। কষ্টে থাকলে মস্তিষ্কে থাকা কর্টিসল পেশীগুলিকে উত্তেজিত করে। এতে পেশীগুলো ফুলে যায়। যার ফলে মাথাব্যথা হয়, ঘাড় শক্ত হয় এবং আপনার বুকে ব্যথা অনুভূতি হয়। ব্রেকআপের পর মস্তিষ্কে থাকা ‘ডোরসাল অ্যান্টিরিয়র সিঙ্গুলেট কর্টেক্স’ সক্রিয় হয়ে যায়। তাই এসময় শারীরিক ব্যথা হয়।

গবেষণায় জানা  যায়, ব্রেকআপের মানসিক ব্যথা শারীরিক ব্যথার মতোই বাস্তব। গবেষকদের মতে,  মানসিক এবং শারীরিক ব্যথা একই মস্তিষ্কের অঞ্চল দ্বারা কেন্দ্রীভূত হয়। এটি হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যক্রমকে ধীরগতির করে দেয়। এ সময় হৃৎস্পন্দন বাড়াতে এবং আপনার পেশীকে জাগিয়ে তুলতে শরীরে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। এটি শরীরে এক ধরনের অস্বস্তি সৃষ্টি করে। এমনকি বুকে ব্যথাও হতে পারে।

ব্রেকআপের চাপ কিছু ব্যক্তির জন্য স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে,  চিকিত্সা না করা হলে এটি হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বৈজ্ঞানিকভাবে যেভাবে ব্রেকআপের পরে আপনার হার্টের চিকিৎসা করবেনঃ  

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে হবে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে হবে। বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের  সাথে সময় কাটাতে হবে। একটি সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরে, আমরা প্রায়ই এটি ধরে রাখার চেষ্টা করি। এতে কেবল যন্ত্রণা দীর্ঘায়িত হবে। পাশাপাশি আপনার সময়ও অপচয় হবে।

ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমঃ 

ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম একটি অবস্থা যা মূলত চাপপূর্ণ পরিস্থিতি। ব্রেকআপের কারণে এই সিন্ড্রোমটি হতে পারে। এটি একটি গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা। ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম সাধারণত একটি অস্থায়ী অবস্থা। এই সিন্ড্রোমটি অবরুদ্ধ ধমনী দ্বারা সৃষ্ট হয় না। একটি চাপযুক্ত মানসিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে হয়।

আপনার মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্য উভয় ক্ষেত্রেই ব্রেকআপের সাথে যুক্ত। নিজেকে নিশ্চিত করুন যে আপনি খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পারবেন। নতুন করে শুরু করতে নিজেকে সাহায্য করুন। মনে রাখবেন, ব্রেকআপ কাটিয়ে উঠা একটি মানসিক এবং শারীরিক প্রক্রিয়া। সময়ের সাথে সাথে এটা সহজ হয়ে যাবে।

 

পানি সঙ্কটে ভুগছে লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি উদ্যানের বন্য প্রাণীরা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: অব্যাহত বন উজাড়, বৃক্ষনিধন, অপরিকল্পিত গভীর নলকূপ, সেচের যত্রতত্র শ্যালো দিয়ে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পানির স্তর দিন দিন নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে বন্যপ্রাণির খাবার পানি সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া ও হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকসহ বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণি। ক্রমাম্বয়ে বনের প্রাকৃতিক গাছগাছালি বিলীন হওয়ায় পাহাড়ি ছড়া, নালা ও খাল শুকিয়ে যাচ্ছে। তৃষ্ণা মেটাতে লোকালয়ে ছুটাছুটি করতে গিয়ে বন্যপ্রাণি ট্রেন ও যানবাহনের নিচে কাঁটা পড়ে মারা যাচ্ছে।

পরিবেশ কর্মী ও স্থানীয়দের মতে, গত কয়েক দশকে লাউয়াছড়া বনের গভীরতা অনেক হ্রাস পেয়েছে। দু’দশক আগেও শুষ্ক মৌসুমে ছড়া, খাল ও জলাধারে পানি দেখা যেতো। একইভাবে সাতছড়ি উদ্যানেও। তবে বনের ঘনত্ব কমে যাওয়ায় এখন শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ি ছড়া ও নালা শুকিয়ে বন্যপ্রাণীর খাবার পানি সঙ্কট তীব্র হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও খাবার যোগান না থাকার কারণে প্রাণিগুলো লোকালয়ে বেরিয়ে নানা সময়ে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। বন্যপ্রাণী সাধারণত: উন্মুক্ত স্থানে পানি পান করে না। এরা বন-জঙ্গলের গর্ত ও নালার পাশের পানি খেয়ে থাকে।

দীর্ঘ অনাবৃষ্টিতে ছড়া, খালে পানি শুকিয়ে বনে পানির জলীয় অংশ কমতে শুরু করেছে। ফলে শুকনো মৌসুমে খাল, ছড়া শুকিয়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীর খাবার পানি সংকট দেখা দিচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে বনের মূল্যবান গাছ কেটে ফেলায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে উপড়ে পড়ায় ক্রমাম্বয়ে ফাঁকা হচ্ছে বন। ফলে একদিকে প্রাণির আবাসস্থল বিলুপ্ত হচ্ছে অন্যদিকে খাবার আর শুকনো মৌসুমে পানির সংকটে ভুগছে প্রাণিসমুহ।

লাউয়াছড়া বনের মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি প্রধান জিডিসন প্রধান সুচিয়ান বলেন, আজ থেকে পনের, বিশ বছর আগেও শুকনো মৌসুমে এখানকার ছড়া ও খালে পানি থাকত। এখন পানি শুকিয়ে যায়। তবে ছড়ার কিছু কিছু স্থানে ড্রেজিং করে পানি রাখার জন্যও ইতিপূর্বে সহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রস্তাবও করা হয়েছে।

লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বন্যপ্রাণীর খাবার পানি সঙ্কটের কথা স্বীকার করে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে ছড়া শুকিয়ে গেলে বন্যপ্রাণির খাবার পানির কিছুটা সংকট দেখা দেয়। বনের ডরমিটরী এলাকায় একটি জলাধার আছে। অন্য জলাধারে পানি থাকে না।

বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, এখনো ছড়াগুলোর কিছু কিছু স্থানে পানি রয়েছে। লাউয়াছড়া ও সাতছড়ি উদ্যানে পানির জন্য জলাধার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। দু’টি উদ্যানে জলাধার তৈরির প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বৃষ্টি ও গাছ কমে গেছে আর জনসংখ্যা বেড়ে গেছে। যে কারণে শুষ্ক মৌসুমে উদ্যানের ভেতর পানির কিছুটা সংকট থাকে। তবে পানি না পেলেও গাছের পাতা চিবিয়ে নেয় প্রাণি।

আত্রাইয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও ঐতিহাসিক সাতই মাচ দিবস সুষ্ঠভাবে উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ফ্রেবুয়ারী) সকাল এগারোটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উক্ত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নিবাহী অফিসার মোঃ ইকতেখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সভায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষিঅফিসার কেএম কাওছার হোসেন,উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী জুয়েল,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, সাংবাদিক কামাল উদ্দিন টগর, বিশা ইউপি চেয়ারম্যান তেফাজ্জল হোসেন তোফা ,আহসানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মন্জুরুল আলম মন্জু, পাঁচুপুর ইউপি চেয়রম্যান মোঃ খবিরুল ইসলাম, উপজেলা সমবায় অফিসার নিজাম উদ্দিন, আত্রাই পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিমুদ্দিনসহ উপজেলা পর্যায়ের সকল দপ্তর প্রধান ও স্থানিয় গন্যমান্য ব্যক্তিগন এবং গনমাধ্যম সংবাদ কমীগন প্রমূখ।

ফের চালু হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রানওয়ের বিমানবন্দর

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শমসেরনগর বিমানবন্দরটি একসময় ছিলো এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম রানওয়ের অধিকারী বিমানবন্দর। সেই সাথে এটিই ছিলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রানওয়ের বিমানবন্দর। কিন্তু ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অব্যাবহৃতভাবেই পড়ে আছে বিমানবন্দরটি। তবে শমসেরনগরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত থাকা ৭টি বিমানবন্দর নতুন করে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বিমানবন্দরগুলো হচ্ছে-ঈশ্বরদী, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, বগুড়া, শমসেরনগর, কুমিল্লা ও তেজগাঁও বিমানবন্দর। দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন খাতের বিকাশ ও যাত্রী পরিবহণ বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। এছাড়া মৌলভীবাজার ভৌগোলিক ভাবে পর্যটন কেন্দ্র, পাশাপাশি প্রবাসীদের যাতায়াতের সুবিদা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফের চালু হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রানওয়ের বিমানবন্দর

ইতোমধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ শুরু হয়েছে। বেবিচকের ২০৩০ সালের কর্মপরিকল্পনা এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। আরও জানা গেছে, বর্তমানে এই বিমানবন্দরগুলোর কোনোটিতেই বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করছে না। কয়েকটি রয়েছে বিভিন্ন সংস্থার দখলে। অনেকগুলো বিমানবন্দরের রানওয়েতে গরু-ছাগলসহ গবাদি পশু অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোনো কোনো বিমানবন্দরের চারদিকে বাউন্ডারি দেওয়াল সহ কোনো ধরনের নিরাপত্তা চৌকি নেই।

শমশেরনগর বিমানবন্দরের পূর্বের নাম ‘দিলজান্দ বন্দর’। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- ‘শমসেরনগর বিমানবন্দর’। চা বাগানের মনোরম সৌন্দর্যের মাঝে ৬০০ একর জায়গা জুড়ে নির্মিত এই নান্দনিক বিমানবন্দর অবস্থিত। ৬০০০ ফুট লম্বা ও ৭৫ ফুট চওড়া রানওয়ে সংযুক্ত এই বিমানবন্দরটি।

বিমানবন্দরটি দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধেরও আগে নির্মাণ করা হয়। এটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিলো সামরিক কাজে ব্যবহার করা। জানা গেছে, ১৯৪২ সালে ব্রিটিশরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার (বার্মা) ও ইন্দোনেশিয়াকে দখল করার উদ্দেশে একসঙ্গে বড় যে দু’টি বিমানবন্দর নির্মাণ করেছিল, তার একটি হচ্ছে শমসেরনগর বিমানবন্দর।

১৯৬৮ সালে একটি দুর্ঘটনার পর বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ৪৩ বছর অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে ঐতিহাসিক এই বিমানবন্দরটি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও তদারকির অভাবে বিমান বন্দরের রানওয়েসহ বিভিন্ন নিদর্শন ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

১৯৭৫ সালে এই বিমানবন্দরে বিমান বাহিনীর একটি ইউনিট খোলা হয়। পরবর্তী সময়ে এখানে বিমান বাহিনীর একটি পরীক্ষণ স্কুল স্থাপন করে চালু করা হয় বার্ষিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। তখন থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টার ওঠানামা করছে। বর্তমানে বিমানবাহিনীর ক্যাডেটদের সেখানে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

বেবিচকের পিএন্ডডিকিউ বিভাগ সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় বর্তমানে ২৮টি বিমানবন্দর রয়েছে। এগুলো ব্রিটিশ সরকারের আমলে তৈরি। সব বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার ফুটের মধ্যে। রানওয়েগুলো বর্তমানে যাত্রীবাহী বিমান পরিচালনায় অনুপযুক্ত। পর্যায়ক্রমে এই রানওয়েগুলোর দৈর্ঘ্য ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার ফুটে উন্নীত করার টার্গেট আছে বেবিচকের। এছাড়া রানওয়ের পিসিএন ৩০ থেকে ৬০ ফুট করার টার্গেট আছে। তাহলে এটিআর কিংবা ড্যাস-৮ কিউ ৪০০ মডেলের ছোট ছোট যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট অপারেশন শুরু করা সম্ভব হবে।

এই বিমানবন্দর চালু হলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের যাতায়াতের অমূল পরিবর্তন আসবে। তাছাড়া সেখানকার ব্যবসা বানিজ্যের পরিবর্তন আসবে পাশাপাশি পর্যটক খাতে ব্যবক উন্নতি সাধিত হবে বলে মনে করেন সুশীলসমাজ।

বসন্তে নিজের যত্ন নিন সঠিক উপায়ে

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ শীতের বিদায়ী ঘণ্টা বাজছে। সেইসঙ্গে চারদিকে রোদের তীব্রতাও বাড়ছে। ঋতুবদলের এ সময় শরীরের পাশাপাশি ত্বকও হয়ে পড়ে অসুস্থ। এজন্য শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি এ সময় ত্বকের যত্ন নেওয়াও জরুরি। আবার, চুলের কথা ভুলে গেলে হবে না। চুলেরও চাই সঠিক যত্ন ও পুষ্টি। ত্বক ও চুলের সাথে পরিবর্তন আনতে হবে খাদ্যাভাসেও। 

ত্বকের যত্নঃ শীতের রুক্ষ-শুষ্ক ভাব কেটে গেলেও এ সময় চামড়া আরও খসখসে হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, গরমে ত্বকে অনেক সানট্যান পড়ে যায়। তাই গ্রীষ্মের শুরু থেকেই ত্বকের প্রতি যত্নশীল হন। জেনে নিন এ সময় সঠিক উপায়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কিছু কৌশল-

১। বাইরে থেকে বাড়ি ফিরেই আগে মুখে ফেসওয়াশ ব্যবহার করে ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করুন। এতে বাইরের ধুলোবালি ত্বক থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়াও ত্বকের যত্নে টোনার বা সিরামও ব্যবহার করতে পারেন।

২। সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন স্ক্রাব করুন। গরমে ত্বক ঘেমে ময়লা জমতে থাকে। দীর্ঘদিন স্ক্রাব না করলে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। এজন্য দাগ-ছোপ দূর করতে অবশ্যই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে স্ক্রাব করুন।

৩। বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন মেখে বের হবেন। তাহলে সানট্যান পড়বে না শরীরে।

চুলের যত্নঃ তেল গরম করে চুলে লাগিয়ে রাখুন এক ঘন্টা। এরপর শ্যাম্পু করুন। কন্ডিশনার করতে ভুলবেন না। ভেজা চুলেই হেয়ার সিরাম লাগান। দেখবেন চুল দেখাবে সিল্কি এবং ঝরঝরে। এ ছাড়া, শুধু টক দই লাগিয়ে চুল ধুয়ে ফেললেও বেশ ভালো ফলাফল পাবেন।

খাদ্যাভাসঃ যেকোনো উৎসবের আগে চেষ্টা করুন ভাজাপোড়া খাবার ত্যাগ করা। প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি ও ফল খান। এতে আপনার ত্বক গ্লো করবে প্রাকৃতিকভাবে। প্রচুর পানি পান করুন।

সবকিছু খেয়াল রাখার সাথে ঘুমের বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ঘুম আপনার ত্বক ও মেজাজ ঠিক রাখতে কাজ করবে। তাই সময়মতো ঘুমানোর চেষ্টা করতে হবে।

লোকজ গানের উৎসব ‘বাসন্তি সন্ধ্যা’

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: দেশাত্ববোধ ও বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য ইতিহাস বিকাশে লোকগান ছড়িয়ে দিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো লোকজ গানের উৎসব ‘বাসন্তি সন্ধ্যা।’

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় দিকে উপজেলার কমলগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি ও কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ লোকজ গানের অনুষ্ঠান বাসন্তী সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মো. রইছ আল রেজুয়ান, আহমদ সিরাজ, ললিত কলা একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক সুতপা সিনহা প্রমুখ।
এসময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

ভয়াবহ খাদ্য সংকটে ভুগছে উত্তর কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভয়াবহ খাদ্য সংকটে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশের মানুষের ন্যূনতম চাহিদা মেটানোর মতো খাদ্য মজুত নেই সরকারের কাছে। এমন দাবি করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। সিউলের দাবি, পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে ২ দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো সেনা সদস্যদের রেশন কমাতে বাধ্য হয়েছে কিম প্রশাসন। গতকাল বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

গত কয়েক দশক ধরেই বন্যাসহ নানা প্রকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত উত্তর কোরিয়া। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার দাবি, করোনা মহামারির কারণে খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে দেশটিতে। আর পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পরিস্থিতিকে করেছে আরও ভয়াবহ।

উত্তর কোরিয়ার খাদ্য সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, এবার এমন দাবি করেছে দেশটির প্রতিবেশী রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যম কৃষি বিষয়ে দেশটির ক্ষমতাসীন দলের একটি ‘জরুরি’ বৈঠকে বসার পরিকল্পনার খবর প্রকাশ করে। ওই বৈঠকের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং কার্যত তাদের গুরুতর খাদ্য সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়েছে বলে দাবি করেছে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগে থেকে সংকটে থাকা উত্তর কোরিয়ার অবস্থা আরও নাজুক হয়েছে বলেও জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সার্বিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সিউল।

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গণমাধ্যম দাবি করেছে, ২০০০ সালের পর এই প্রথম উত্তর কোরিয়া তাদের সেনা সদস্যদের রেশনে কাটছাঁট করেছে। দেশের মানুষের নূন্যতম চাহিদা মেটানোর মতো খাদ্য মজুত নেই সরকারের কাছে। এর আগে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মনিটরিং গ্রুপ থার্টি এইট নর্থ এক প্রতিবেদনে জানায়, ১৯৯০ সালের দুর্ভিক্ষের পর খাদ্য নিরাপত্তা সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়।

এদিকে সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য মহড়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। গত ০৬ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি।

বিদ্যুৎপৃষ্টে চশমাপরা হনুমানের মৃত্যু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলা সংরক্ষিত বন এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একটি চশমা পরা হনুমানের মৃত্যু হয়েছে।  বুধবার লাঠিটিলার কমলছড়া এলাকায় হনুমানটি মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

বন বিভাগের লাঠিটিলা বিটের দায়িত্বে থাকা বিট কর্মকতা মো. রুমিজ্জামান বলেন, হনুমানটি মারা গেছে। স্টাফকে দিয়ে এটি মাটি চাপা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

গত বছরের ১লা অক্টোবর আরো একটি চশমাপরা হনুমানের মৃত্যু হয়। ১০ ফেব্রুয়ারি দিলখোশ চা বাগান এলাকায় সড়কের পাশে মৃত অবস্থায় একটি চশমা পরা হনুমান শাবককে পাওয়া যায়। সেটিরও মৃত্যু হয়েছিল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে।

পাথারিয়া বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ টিমের সদস্য পরিবেশকর্মী খালেদুর রহমান সৈকত বলেন, এভাবে প্রতিনিয়ত চশমা পরা হনুমান মারা গেলে অচিরে সব হারিয়ে যাবে। এদের রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেয়া জরুরি কর্তৃপক্ষের।

বন বিভাগ হনুমানসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণির চলাচলের জন্য বন বিভাগের উদ্যোগে ওই বনে ‘ক্যানোপি ব্রিজ’ স্থাপন করা হয়েছে। তবে ক্যানোপি ব্রিজগুলো এখনো বাবহার করতে দেখা যায়নি।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকতা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে কথা বলে বৈদ্যুতিক তারে কাভার প্রটেকশন দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দুর্ঘটনা না হয়। দূর্ঘটনা এড়াতে প্রানীদের বাঁচিয়ে রাখতে বৈদ্যুতিক তারের কাভার পড়ানো সময়ের দাবি।

প্রতিবন্ধী শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন

শিক্ষা ডেস্কঃ সাইটসেভার্স, এডিডি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এবং সেন্স ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা বিষয়ক একটি কনসোর্টিয়াম প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। গতকাল বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি হোটেলে প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।

প্রকল্পটি যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন কমনওয়েলথ ও ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে প্রতিবন্ধিতামূলক উন্নয়ন কর্মসূচির টাস্ক অর্ডার ৪৫-এর অধীনে বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এডিডি ইন্টারন্যাশনাল, সেন্টার ফর ডিসেবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্ট, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র, সেন্স ইন্টারন্যাশনাল এবং সাইটসেভার্স যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী এম আব্দুস সালাম।

প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা-প্রকল্পের লক্ষ্য প্রতিবন্ধী শিশুদের ভর্তি করা, তাদের ঝরে পড়া রোধ করা এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে এমনভাবে শিখবে যেন তারা আত্মবিশ্বাসী হতে পারে এবং অপ্রতিবন্ধী শিশুদের মতো সমানভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। প্রকল্পটি স্কুলের প্রতিবন্ধীতাবিষয়ক অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ, রেফারেল পদ্ধতির উন্নতি এবং বাসাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার প্রসারে কাজ করবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, বাংলাদেশ সরকার দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রতিবদ্ধ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং আরও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতার আরও বেশি প্রয়োজন।

স্বাগত বক্তব্যে সাইটসেভার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অমৃতা রেজিনা রোজারিও বলেন, কোভিড-১৯ প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। ২০২০-এর মার্চ থেকে ২০২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় দুই বছর ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এই পরিস্থিতি অনেক শিশুকে অরক্ষিত করে তুলেছে-বিশেষ করে যারা প্রতিবন্ধী শিশু- কারণ তাদের অনেকেই শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাইটসেভার্স-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক সৈয়দা আসমা রাশিদা। প্রকল্পটি বাংলাদেশের দুটি জেলার তিনটি উপজেলার ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ করবে। নরসিংদী জেলার নরসিংদী সদর উপজেলা, সিরাজগঞ্জ জেলার অধীনে সিরাজগঞ্জ সদর এবং তাড়াশ উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। এছাড়াও প্রকল্পটি প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবার এবং ৫৩৩ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে স্কুলে যেতে এবং মানসম্মত শেখার সুযোগ তৈরি করবে।

সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এস.এম. জাহিদুল হাসান, এডিডি ইন্টারন্যাশনালের হেড অব প্রোগ্রাম গোলাম ফারুক হামিম, সেন্টার ফর ডিসঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এএইচএম নোমান খান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের বিভিন্ন সেলের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার প্রসার এবং সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।

রাণীশংকৈলে ষড়জ শিল্পী গোষ্ঠীর আয়োজনে বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ফাল্গুনের হাত ধরেই প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্তের আগমন ঘটে। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়েছে। বসন্তের আগমনে প্রকৃতির সঙ্গে তরুণ হৃদয়েও লেগেছে দোলা। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে, নতুনের প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্ত উপস্থিত হয়েছে। আর তাই তো বসন্তের আনুষ্ঠানিক বার্তা জানান দিতে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ষড়জ শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে ‘বসন্ত উৎসব’ বাংলা ১৪২৯ পালিত হয়।

এ উপলক্ষে গত মঙ্গলবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পৌরশহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে “বসন্ত উৎসব” আলোচনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ষড়জ শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি রেজাউল করিম বাবু।

Google Newsডিজিটাল বাংলা নিউজ” অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

অতিথি হিসাবে বসন্তের উপর বক্তব্য রাখেন,  সাবেক সাংসদ অধ্যাপক ইয়াসিন আলী,  ঠাকুরগাঁও জেলা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি সেতারা বেগম, সাধারণ সমাপাদক রেজওয়ানুল হক রিজু, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব সভাপতি মনসুর আলী, রাণীশংকৈল ষড়জ শিকল্পী গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক সেলিমউল্লাহ, অধ্যাপক প্রশান্ত বসাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বসন্ত হচ্ছে গাছের পূরনো পাতা ঝরে গিয়ে নতুন পাতা গঁজানোর  সময়, তেমনি বসন্তের বাতাসের সাথে মানুষের মনের মধ্যে সুন্দর হাওয়া যেন বয়ে যায়। আলোচনা শেষে ঠাকুরগাঁও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর শিল্পী পরিবেশনায় এক মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, এম এস ফেরদৌস বাহার ও পিনাকী বসাক।