জাতীয় ডেস্কঃ বাঁশি বাজিয়ে ও পতাকা উড়িয়ে নতুন তিনটি রেলপথ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে রেলওয়ের তিন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ হওয়া ৬৯ দশমিক ২০ কিলোমিটার রেলপথ যুক্ত হলো। আজ বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পাবনার ঈশ্বরদী-রূপপুরসহ তিনটি রেলপথে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এই রেলপথে রূপপুর, শশীদল ও জয়দেবপুর ট্রেন চলবে। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ঈশ্বরদী-রূপপুরে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে রেল যোগাযোগ স্থাপনের জন্য কাজ করছে সরকার। গেল ১৪ বছরে ৬৫০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রেলপথ অলাভজনক অ্যাখ্যা দিয়ে বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিল বিএনপি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া-লাকসাম পথে নির্মাণাধীন ডুয়েলগেজ ডাবল রেলপথের নির্মাণ প্রকল্পের কসবা-মন্দবাগ এবং শশীদল-রাজাপুর সেকশনে ডাবল রেললাইন ট্রেন চলাচল, ঢাকার টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন এবং টঙ্গী জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ লাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এই সেকশনে ডাবল লাইন ট্রেন চলাচল, পাবনা ঈশ্বরদী উপজেলায় রূপপুর রেলস্টেশন ও নবনির্মিত রেললাইন উদ্বোধন করা হবে।
ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েলগেজ লাইন ৩৩ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার রুটে লুপ লাইনসহ ১১৬ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পে ব্যয় করা হচ্ছে ১১ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেললাইন সংস্কার ও নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় রেললাইন এবং স্টেশন রয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই রেললাইন নির্মাণকাজ হয়েছে।
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপ এলাকায় সংখ্যালঘু পরিবারের কৃষি জমি ও তিন ফসলী জমির মাটি কেটে প্রতিরক্ষা বাঁধ তৈরিতে মাটি কাটার মহোৎসব। আর এ কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অদুদ বক্স।
অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে জমির মালিককে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিয়ে মাটি নেয়ার কথা। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, মনু নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে সরকারি কাজে ব্যবহার করার কথা বলে এলাকার নিরীহ ব্যক্তিদের জমি থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকদের সাথে যোগসাজশের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ বক্স হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। যদিও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দাবি, নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের জন্য খাস জমি থেকে এলাকার উন্নয়নের জন্য তারা এসব মাটি কেটে বাঁধ উঁচু করছেন। টাকা হাতিয়ে নেয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা।
ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অদুদ বক্স
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, মাটি কাটার সাথে জড়িত ব্যক্তি অদুদ বক্স হাজিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়ায় সংখ্যালঘু পরিবারগুলো নিরীহ, কিন্তু এই নীরিহ মানুষগুলোর উপর নির্যাতনের ষ্টিমরুলার চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু বলতে গেলেও নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তিনি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললে পড়তে হয় নানান সমস্যায়। জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ এনে ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ বক্সকে প্রধান আসামী করে গত (৫ ফেব্রুয়ারি) কুলাউড়া থানায় একটি লিখিত আকারে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মৃত সমরেশ রায়ের ছেলে সুমিত রায়।
অন্য অভিযুক্তরা হলেন- হাজীপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা ধনাই মিয়ার ছেলে মখন মিয়া ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরাধনা এন্টারপ্রাইজের মফিজুর রহমান জুয়েল।
থানায় লিখিত অভিযোগের বরাতে জানা গেছে, গত (৩ ফেব্রুয়ারি) হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপ এলাকায় সুমিত রায়সহ এলাকার বিভিন্ন লোকদের কৃষি জমি থেকে প্রভাবখাটিয়ে জোরপূর্বক মাটি বিক্রি করে ঠিকাদারের লোকদের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ বক্স। জমির মালিকরা কোন প্রতিবাদ করলে উত্তর আসে সরকারী কাজে মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে উল্টো জমির মালিকদের হুমকি দেয়া হয়। এরই জেরে প্রায় একসপ্তাহ আগে রনচাপ এলাকায় সুমিত রায়ের মালিকানাধীন প্রায় ১ একর ২০ শতক জায়গার তিন ফসলী জমির মাটি চেয়ারম্যান অদুদ বক্স ও স্থানীয় প্রভাবশালী মখন মিয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দেয়। তারা ভেকু মেশিন দিয়ে তাদের জমির মাটি কেটে নেয়। এসময় সুমিত রায় সিলেট থাকার সুবাধে তাঁর চাচাতো ভাই বরুণ রায় স্থানীয় লোকদের নিয়ে মাটি কাটতে নিষেধ করলে চেয়ারম্যান অদুদ বক্স ও মখন মিয়া বরুণ রায়কে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে হুমকি প্রদান করে। মাটি কাটতে বাঁধা দিলে তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন তারা। সংখ্যালঘু পরিবাবের লোক হওয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পান না সুমিত রায়সহ স্থানীয় এলাকার শতাধিক পরিবার।
এদিকে জমির ক্ষতিপূরণ দাবিতে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় রনচাপ এলাকার বাসিন্দা ধীরেন্দ্র কুমার দাস ও মৃদুল দাস। যার অনুলিপি স্থানীয় সংসদ সদস্য, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দেয়া হয়েছে।
তারা অভিযোগ করে বলেন, হাজীপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রনচাপ গ্রামের স্লুইচ গেইটের পশ্চিম দিকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার মনু নদের বেড়ীবাঁধের দু’পাশে মাটি ভরাট করা হচ্ছে। উক্ত বাঁধের দু’পাশে তাদের প্রায় ৯০ শতক কৃষি জমি ধংশ এবং বিভিন্ন প্রজাতির ২৫০টি গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে। কৃষি জমি থেকে বাঁধে মাটি দেওয়ায় জমিতে প্রায় ২০-২৫ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। এই জমিতে আর কোন চাষাবাদ করা সম্ভব হবে না। এতে তাদের প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ধীরেন্দ্র কুমার দাসের। ভারত থেকে প্রবাহিত খরার মনু নদীকে বলা হত মৌলভীবাজারের দুঃখ। প্রতি বছরই বন্যায় প্লাবিত হতো এই জেলা। পরে নদীর দুই পাড়ের জনপদকে বন্যার তীব্রতা থেকে রক্ষা করতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে মনু নদের প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মনু নদীর দু,পাড়ের অন্তত কয়েকশত পরিবারের কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে বাঁধ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয় বাসিন্দা সুমিত রায় ও ধীরেন্দ্র কুমার দাসের কৃষি জমির মাটি অবাধে কাটার ফলে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। তাদের ফসলি জমির মাটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মফিজুর রহমান জুয়েলসহ অন্য লোকজনের সাথে আতাত করে চেয়ারম্যান অদুদ বক্স লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এছাড়া যেখানে বাঁধ তৈরি করা হচ্ছে সেই বাঁধের ওপর থাকা একটি সুইট গেইট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বাঁধের নিচে প্রায় ২০-২৫ ফুট গভীর গর্ত করে নতুন আরেকটি শাখা খাল তৈরি করা হয়েছে। এতে স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করে বলছেন, বর্ষার সময় আসলে বড় বড় গর্ত থাকার কারণে প্রতিরক্ষা বাঁধটি পুনরায় ভেঙ্গে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থ বছরে “মনু নদীর ভাঙ্গন হতে” মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর ও কুলাউড়া উপজেলা রক্ষা প্রকল্পের আওতায় মনু নদীর বামতীরে কিঃমিঃ ১৫.০০০ হতে ২৪.৫০০ এর মধ্যবর্তী ৮৩৪০ মিটার ও কিঃমিঃ ২৭.০০০ হতে ৩২.৮০০ এর মধ্যবর্তী ৪৪০০ মিটার ৪০টি র্যাম্পসহ (সিঁড়ি) বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ কাজ হাজীপুর ইউনিয়নের কটারকোনা থেকে রাজনগর উপজেলার তারাপাশা পর্যন্ত ১১ কোটি ৪৬ লাখ টাকায় বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরাধনা এন্টারপ্রাইজ। কাজ শুরু হয়েছে প্রায় মাস খানেক আগে। কাজ শেষ হওয়ার কথা চলতি বছরের ৩০ জুন।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরাধনা এন্টারপ্রাইজের মফিজুর রহমান জুয়েল বলেন, কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিয়েই জমি থেকে মাটি নেয়া হচ্ছে। আর সুমিত রায়ের জমিটি খাস থাকায় আমরা সেখান থেকে মাটি নিয়েছি। মাটি নেয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানকে কত টাকা দিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানকে তিনি এক টাকাও দেননি।
কাজের তদারকি কর্মকর্তা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ পাবেল বলেন, কোন অবস্থাতেই বাঁধের নিচ থেকে মাটি তোলা যাবে না। কাজের শিডিউল অনুযায়ী নিয়ম মেনে কাজ করতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মিনিমাম ৫ মিটার দূরত্ব থেকে মাটি কেটে আনতে হবে। কৃষকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিয়ে জমি থেকে মাটি এনে বাঁধ তৈরি করতে হবে।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান অদুদ বক্স বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলমান আছে। জমির মালিকদের আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, টাকা লেনদেনের অভিযোগটি সঠিক নয়।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুছ ছালেক বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি বিক্রির বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের আলোচনা চলছে। তাছাড়া তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাবেদ ইকবাল বলেন, বাঁধ তৈরিতে কৃষি জমি থেকে মাটি নিতে হলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই জমির মালিকের সাথে চুক্তি করতে হবে। জমির মালিকের সম্মতিক্রমে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেয়ার পর মাটি নেয়ার কথা। কৃষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মাটি নেয়া যাবে না। এছাড়া বাঁধের নিচ থেকে মাটি কাটার বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে সত্যতা পেয়ে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ডেকেছি। তাদের সাথে কথা বলে নিয়ম মেনে কাজ করার পরামর্শ দিবো। বাঁধ তৈরিতে কৃষকদের ঠকিয়ে কেউ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার কোন সুযোগ নেই।
মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় ফ্রন্টিয়ার রিপোর্টার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এফ.আর.এস.বি) এর কেন্দ্রীয় কার্যকরি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ.বি.এম.শামছুল হাসান গত ০৩-০২-২০২৩ তারিখে বেলা আনুমানিক ১২:৩০ ঘটিকায় ঢাকাস্থ এ্যালিফেন্ট রোডের নিজ বাসভবনের সামনে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। তাই দ্রুত সুস্থতার জন্য নেত্রকোণা জেলা অফিসের আয়োজনে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় (এফ.আর.এস.বি) সাংবাদিক সংগঠনের অফিসের হলরুমে মোঃ রেজাউল হাসান সুমনের সভাপতিত্বে ফ্রন্টিয়ার রিপোর্টার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এফ.আর.এস.বি) সংগঠনের হলরুমে তালেমুল কোরান মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মোঃ মোস্তফা দোয়া পাঠ করেন।
এ সময় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি প্রণব রায় রাজু, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ইমন, অর্থ সম্পাদক সোহেল মিয়া, প্রচার সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, তালেমুল কোরান মডেল মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আব্দুস শহিদ, এফ.আর.এস.বি সংগঠনের আবু হানিফ উজ্জ্বল, আনোয়ার হোসেন, তালেমুল কোরান মডেল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাসহ আরো অনেকে।
শিক্ষা ডেস্কঃ ২০২২ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল গতকাল বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রকাশ করা হয়েছে। কম্পিউটারের বোতাম চেপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ৪ ফুটবলার।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে আছেন রেহানা আক্তার, ঋতুপর্ণা চাকমা, আঁখি খাতুন ও শামসুন্নাহার। রেহানা পেয়েছেন জিপিএ ৪.৫৮, ঋতুপর্ণা ও আঁখি জিপিএ ৪.৫০ ও শামসুন্নাহার পেয়েছেন জিপিএ ২.৫৮। তাদের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।
চার নারী ফুটবলারের মধ্যে শামসুন্নাহার ছাড়া বাকিরা পরীক্ষা দিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে। বছরজুড়েই খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় নারী ফুটবলারদের। তবে ব্যস্ততার মাঝেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই খেলাধুলার পাশাপাশি নারী ফুটবলারদের শিক্ষার দিকেও জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
গত বছর নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল। ১৯ বছর পর সেই সাফল্যের মালা গাঁথেন বাংলার লড়াকু মেয়েরা। সাবিনা-মারিয়াদের মাথায় ওঠে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট।
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুছ ছালেক এর নেতৃত্বে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারী) এসআই(নিরস্ত্র) আনোয়ার মিয়া সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কুলাউড়া থানাধীন ৭নং কুলাউড়া ইউপির অন্তর্গত গাজীপুর চা বাগানস্থ গগনটিলা গেইট এর সম্মুখে কুলাউড়া টু ফুলতলা বাজারগামী রাস্তার উপর হতে মাদক ব্যবসায়ী সজীব বুনার্জী ও দূর্গা চরন (২২) গাঁজাসহ আটক করা হয়। জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ইউপির ফুলতলা চা বাগানের বাসিন্দা কার্তিক বুনার্জীর ছেলে সজীব বুনার্জী ও দূর্গা চরন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদ্বয়ের হেফাজত হইতে ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানার মামলা নং-০৮, ০৮/০২/২০২৩ খ্রিঃ দায়ের করা হয়।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কুলাউড়া থানা পুলিশের ইনচার্জ ওসি মোঃ আব্দুছ ছালেক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মাননীয় ডিআইজি সিলেট রেঞ্জের সার্বিক দিক নির্দেশনা ও পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার এর নির্দেশে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করায় কুলাউড়া থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানের ফলপ্রসূ। আসামিদ্বয়কে বুধবার সকালে পুলিশি হেফাজতে মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
জাতীয় ডেস্কঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশে আজ বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এর আগে, গতকাল বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার নাগরিকদের মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে এক দিনের শোক পালন করা হবে। এদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই সঙ্গে নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্ক-সিরিয়ায় আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প। তুরস্ক-সিরিয়ায় চলতি শতাব্দীর ভয়াবহতম এ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁইছুঁই করছে। কেবল তুরস্কেই প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১০৮ জন। আর সিরিয়ায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে এই মুহূর্তে নিহতের সংখ্যা ৯ হাজার ৫৭৮ জন।
অলিউর রহমান নয়ন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ফুলবাড়ী ডিগ্রী কলেজের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের উদ্দেশ্যে নিবন্ধন -মোড়ক উম্মোচন করা হয়েছে।
বুধবার বিকাল ৩টায় কলেজ মাঠে নিবন্ধন মোড়ক উম্মোচন করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আমীর আলী মিয়া, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বানী সরকার, ১৯৭৩ প্রথম ব্যাচের ছাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজাহান আলী বাদশা, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরল হুদা দুলাল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির। এসময় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজার রহমান মাষ্টার, সদস্যবৃন্দ, অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম রিজু, শিক্ষক মন্ডলী, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী বৃন্দ, সুধীজন ও সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ভয়াবহ ভূমিকম্পে মোট ১৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানায়, ভূমিকম্পে শুধু তুরস্কেই ১২ হাজার ৩৯১ জন মারা গেছেন।
এদিকে সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিরিয়ায় সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ জনের বেশি বলে জানিয়েছে। এ ছাড়া বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে থাকা উদ্ধারকারী গোষ্ঠী হোয়াইট হেলমেট জানায়, সেখানে কমপক্ষে ১ হাজার ৬০০ জন মারা গেছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেন, তার দেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য দুটি অতিরিক্ত সীমান্ত গেট খুলে দিতে কাজ করছে।
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেইন বলেন, সোমবারের ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত সিরিয়া ও তুরস্কে আন্তর্জাতিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়ে আগামী মার্চে একটি সম্মেলনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
গত ২৪ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইস্তাম্বুল স্টক এক্সচেঞ্জ জানায়, ভূমিকম্পের প্রেক্ষিতে এটি পাঁচ দিন বন্ধ থাকছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান দুর্যোগ কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। বড় ধরনের ভূমিকম্পের পর দেশটিতে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ অপর্যাপ্ত বলে স্বীকার করেছেন তিনি।
এদিকে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন দেশ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ইতোমধ্যে কাতার সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ হাজার ভ্রাম্যমাণ ঘরসহ ত্রাণসামগ্রী, পর্যাপ্ত পরিমাণ তাঁবু ও শীতবস্ত্রও পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে, স্থানীয় সময় গত সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে সিরিয়া এবং তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পর ফের ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প এবং পরে আরও অনেকগুলো আফটারশক হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৩৯ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তুরস্কের পূর্ব এরজিনকান প্রদেশে ৩৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। এরপর ১৯৯৯ সালে দেশটির ডুজসে অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৭ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: দ্বীনের পথে আলো ছড়িয়ে দিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা মুফতি মো. ইমাম উদ্দিন।
মাওলানা মুফতি মো. ইমাম উদ্দিন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের আধকানি গ্রামের মো. আব্দুন নূরের তৃতীয় ছেলে ও পূর্ব জালালপুর বায়তুন নাজাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে তিনি বাংলাদেশ আঞ্জুমানে আল-ইসলাহ আদমপুর ইউনিয়ন শাখার প্রচার সম্পাদক।
গত মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তাকে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম হিসেবে নির্বাচিত করে ঘোষণা করা হয়।
এর আগে মাওলানা মুফতি মো. ইমাম উদ্দিন ২০১৫ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী সিলেট থেকে নিয়মিত ইমাম প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের কাছে প্রশিক্ষণ লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আর্থসামাজিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি গেল বছরের ২০২২ সালের ২৬ শে মার্চ মৌলভীবাজারের শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচন হন। পরবর্তীতে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম বাছাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত হন। চলতি বছরের আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেবেন মাওলানা মো. ইমাম উদ্দিন জানান।
ভূমিকম্পে ধ্বংস হওয়া উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক নবজাতক মেয়েকে মঙ্গলবার উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে দেশটির আফরিনের কাছের একটি হাসপাতালে ওই শিশুটির চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশুটি এখন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। তবে শিশুটির এক আত্মীয় জানান, তার মা দুর্যোগের পরপরই প্রসবের শিকার হয়েছেন এবং সন্তান জন্মের পরই মারা গেছেন। ভূমিকম্পে তার বাবা, চার ভাইবোন এবং এক খালাও নিহত হন। খবর- বিবিসি
শিশুটির একটি ফুটেজে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিকমাধ্যমে। এতে দেখা গেছে, জিন্দারিসের ধ্বংসাবশেষ থেকে টেনে আনার পর একজন ব্যক্তি শিশুটিকে কোলে করে নিয়ে যাচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটেছে সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে। শিশুটির চাচা খলিল আল-সুওয়াদি মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আমরা খনন করার সময় একটি আওয়াজ শুনতে পাই। তখন ধুলো পরিষ্কার করি এবং নাভির সঙ্গে নাড়ি জড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে পেয়েছি, পরে আমরা নাড়ি কেটে ফেলি এবং আমার চাচাতো ভাই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হানি মারুফ বলেছেন, শিশুটির সমস্ত শরীরে বেশ কিছু ক্ষত নিয়ে খারাপ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আমরা তার শরীরকে গরম করি এবং ক্যালসিয়াম দেই।
বিবিসি আরও জানিয়েছে, তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সোমবার ভোরে মানুষ যখন ঘুমাচ্ছিল, তখন ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। প্রচণ্ড ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে জরুরি উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে, ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এরদোয়ান টুইটারে বলেন, আমাদের সরকারি ও বিদেশি সব দপ্তরে ১২ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।