ঠাকুরগাঁও জেলা প্রা: বি: শিক্ষক সমিতির সভাপতি কমল ও সম্পাদক রফিকুল

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে দীর্ঘ ২২ বছর পর বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা ও সদর উপজেলার সাধারণ সভা ও কাউন্সিল-২০২২ খ্রিঃ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকলের সম্মতিক্রমে জেলা কমিটির সভাপতি হয়েছেন সৈয়দপুর বি-আখড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমল কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কালমেঘ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম।

অপরদিকে সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি হয়েছেন মুজামন্ডল হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজলুম পারভেজ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বগুলাডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আবুল কালাম মোঃ মিজানুর রহমান মিন্টু।

বুধবার (১১ মে) বিকালে জেলা অডিটোরিয়াম (বিডি হল) এ সাধারণ সভা ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ সভায় সকলের সম্মতিক্রয়ে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ও ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সদর উপজেলা কমিটির গঠন করা হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো: মোহামুদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো, গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো: আনোয়ারুল ইসলাম তোতা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো: গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

এছাড়াও কাউন্সিলে জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

হাঁসের বাচ্চার বিনিময়ে পাওয়া যায় মদ-ফেন্সিডিল-ইয়াবা

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল সিন্দুরখান সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার হয় হাঁসের বাচ্চা। বিনিময়ে আসে মদ ফেনসিডিল ও ইয়াবা ট্যাবলেট। গেল মঙ্গলবার (১০ মে) একটি চালান ধরা পড়েছে বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়ানের সিন্দুরখান বিওপির জোয়ানদের হাতে। এ সময় পাচারের উদ্দেশ্যে আনা ৩৮০টি হাঁসের বাচ্চা, ভারত থেকে আনা বিভিন্ন প্রকারের ৯ বোতল দামী মদ ও এই চক্রের এক সদস্য আটক হয়।

এ সময় এ চক্রের আরেক সদস্য পালিয়ে যায়। ধৃত আসামীর নাম হুমায়ূন মিয়া। তার বাড়ি ব্রাহ্মন বাড়িয়া জেলার নাসিন নগর উপজেলার ঢলমন্ডল গ্রামে।

বিজিবি সিন্দুরখান ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মো: তোফাজ্জল হোসেন জানান, এ চক্র গোপনে প্রায়ই এই আদান প্রদানের কাজ করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে শ্রীমঙ্গল সিন্দুরখান সীমান্তের লালটিলা এলাকায় এ চক্রকে তারা সনাক্ত ও এর এক সদস্যকে আটক করতে স্বক্ষম হন। এ সময় চক্রের স্থানীয় সদস্য ফোরকান মিয়া পালিয়ে যায়। তবে পালিয়ে যাওয়ার সময় ফোরকান মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পড়ে গেলে এটি তারা জব্দ করেন।

তিনি জানান, চক্রটি বাংলাদেশ থেকে হাঁসের ছানাসহ বিভিন্ন পন্য দিয়ে বিনিময়ে মদ আনে। এর আগে বুটের ডালের বিনিময়ে মদ আনার সময় বেশ কিছু বুটের ডাল ধরা পড়ে।

সিন্দুরখান বিজিবির অপর সদস্য নায়েক মো: মাহবুব আলম জানান, মঙ্গলবার সকালে তারা সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় সীমান্তের লাল টিলা এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৯৪২ এর ১৫ এস এর ৭০০ মিটার অভ্যান্তরে মাটির মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের কয়েক বোতল মদ দেখতে পান। এ সময় তারা মদের মালিক খোঁজতে বেরহন। তাৎক্ষনাৎ একজন লোক দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখেন। তারাও পিছু ধাওয়া করেন। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পালিয়ে যাওয়া ব্যাক্তির সেল ফোনটি মাটিতে পড়ে যায়। বিজিবি জোয়ানরা মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করলেও পালিয়ে যায় লোকটি। এ সময় লোকটির মোবাইলে ফোন করে হুমায়ুন নামে একজন। হুমায়ুন ফোনে বলে ফোরকান ভাই হাঁসের বাচ্চা নিয়ে কোথায় আসবো। বিজিবি জোয়ানরা ফোরকান সেজে তাকে আসার লোকেশন দেন। কথামতো ওই জায়গায় ৩৮০টি হাসের বাচ্চা নিয়ে আসে ব্রাহ্মন বাড়িয়ার নাসিন নগরের হুমায়ুন। হুমায়ুনকে আটক করার পর তারা জানতে পারেন ফোরকান গং তার মাধ্যমে হাঁসের বাচ্চা কিনে আনেন এবং তা ভারতে পাচার করেন। অন্যদিকে ভারত থেকে আসে মদ।

বিজিবির হাতে আটক হুমায়ুন জানায় এটি তার দ্বিতীয় চালান। ৩০ টাকা পিসে এই বাচ্চা ফোরকানকে দিচ্ছিলো। এর আগেও আরেক চালান হাঁসের বাচ্চা সে ফোরকানকে দিয়েছে।

আটকৃত হাসের ছানা, মদ ও আসামীকে বিকেলে ৫টার দিকে শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত ) হুমায়ুন কবির জানান, এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল থানায় মামলা হয়েছে। তবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিজারে সম্পৃক্ত ৩৮০টি হাঁসের ছানা নিলামে বিক্রি বিক্রি করেন।

এ ব্যাপারে বিজিবি ৫৫ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক এস এন এম সামিউন্নবী চৌধুরী জানান, আগের যে কোন সময়ের চেয়ে এখন সীমান্ত এলাকার টহল তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমান্ত বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে যারাই এ কাজ করতে আসে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ধরা পড়ছে।

এগারো বছর পর ইতালিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান

স্পোর্টস ডেস্কঃ রোমাঞ্চকর এক ফাইনালে জুভেন্টাসকে হারিয়ে দীর্ঘ এগারো বছর পর কোপা ইতালিয়ার চ্যাম্পিয়ন হয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছে ইন্টার মিলান। গতকাল বুধবার (১১ মে) রাতে রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে জুভেন্টাসকে ৪-২ গোলে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো এই শিরোপা জিতে নিলো সিমোন ইনজাঘির দল।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটে নিকোলো বারেল্লার গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দারুনভাবে ঘুরে দাঁড়ায় জুভেন্টাস। ৫০তম মিনিটে সমতা আনেন আলেক্স সান্দ্রো। দুই মিনিটের মাথায় জুভেন্টাসকে এগিয়ে নেন দুসান ভ্লাহোভিচ। ২-১ গোলে এগিয়ে থাকা জুভেন্টাস উজ্জীবিত হয়ে উঠে। কিন্তু ৮০ মিনিটে সফল স্পট কিকে কানহানোগ্নু ইন্টারকে সমতায় ফেরালে জমে উঠে ম্যাচ। লাউতারো মার্টিনেনেসকে জুভেন্টাসের দুই ডিফেন্ডার লিওনার্দো বোনুচ্চি ও ডি লিখট ফাউল করায় পেনাল্টি পেয়েছিল ইন্টার।

খেলার শেষ দশ মিনিটের আগ পর্যন্ত লিড ধরে রাখে জুভেন্টাস। তাদের সমর্থকেরা শিরোপা জয় উদযাপনের প্রস্তুতিও নিতে থাকে। তবে ৮০ মিনিটে বক্সের ভেতর ইন্টার মিলানের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার লাউতারো মার্টিনেজকে ফাউল করেন জুভ ডিফেন্ডার লিওনার্দো বোনুচ্চি। সেখান থেকে পাওয়া পেনাল্টিতে বল জালে জড়িয়ে ইন্টারকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন তুর্কি মিডফিল্ডার হাকান কালহানোগলু। হারতে বসা ম্যাচ সমতায় ফিরিয়ে খেলা অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায় ইন্টার মিলান।

এদিকে, লিগ শিরোপার দৌড় থেকে এরই মধ্যে ছিটকে গেছে জুভেন্টাস। কোপা ইতালিয়ার শিরোপাটাও এবার হাতছাড়া হয়ে গেল তার। ২০১০-১১ মৌসুমের পর জুভেন্টাসকে এই প্রথমবারের মতো  শিরোপাবিহীন মৌসুম কাটাতে দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে কোপা ইতালিয়া জয়ী ইন্টার মিলানের সামনে সুযোগ থাকছে স্থানীয় ‘ডাবল’ জয়ের। সিরি আ’তে ৩৬ ম্যাচ শেষে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে ইনজাঘির ইন্টার মিলান। সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দলটির নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলান।

বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবেনাঃ

বাংলাদেশকে শ্রীলঙ্কা বানাতে কিছু মানুষ উঠে পরে লেগেছে। আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়ে বি এন পি সহ রাজনৈতিক নেতারা প্রচারনায় নেমেছে। নেতাদের বক্তৃতা বিবৃতি শুনে মনে হয় সরকারকে টেনে নামিয়ে ফেলবে। কোনভাবে সরকারকে হটাতে পারলেই তারা ক্ষমতায় দখল করার স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু আসলেই কি বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার অবস্থা হবে?

একটি দেশের জিডিপি’র ৪০% শতাংশের বেশী ঋন থাকলে সে দেশ দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান বৈদেশিক ঋন জিডিপি’র ৩০% শতাংশের চেয়েও কম। শ্রীলঙ্কায় জাতীয় রিজার্ভ না থাকায় তারা খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি আমদানি করতে পারেনি। বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন এখন দেশীয় চাহিদা পুরন করছে। অতএব খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশের রপ্তানি এবং রেমিটেন্সের পরিমান সন্তোষজনক। জাতীয় রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। করোনার মধ্যেও বাংলাদেশে জিডিপি ছিল ভারতের উপরে। ঋনের টাকায় প্রকল্প নির্মাণ করে সরকার শ্রীলঙ্কাকে উৎপাদনমুখী করতে পারেনি। কিন্তু বাংলাদেশের প্রতিটি প্রকল্প রাজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশের বেশীরভাগ প্রকল্প শতভাগ বিদেশী ঋন নির্ভর নয়। পদ্মাসেতু নির্মান করা হয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে। গার্মেন্টস এবং মৎস রপ্তানীতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে। চট্রগ্রাম বন্দর করোনার মধ্যেও পুর্ণ কার্যক্রম চালিয়েছে। বিশ্বমন্দা অর্থনীতির মধ্যেও বাংলাদেশের রাজস্ব উৎপাদন এবং জিডিপি ছিল উর্ধমুখি। অতএব বাংলাদেশে শ্রীলঙ্কার অবস্থা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এছাড়াও ঋন গ্রহণ দোষের নয়। আমেরিকাও ঋণ নিয়েছে এবং তাদের ঋন জিডিপি’র চেয়ে ৭০% শতাংশেরও বেশী। জার্মানীর অবস্থাও একই রকম। জাপানের ঋণ জিডিপি’র চেয়ে প্রায় ২০০% বেশী। কিন্তু উৎপাদন এবং পরিশোধের সক্ষমতা থাকায় ঐ সব দেশ দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আই এম এফ বহু দেশে ঋন দিয়েছে যাদের ঋণের পরিমান জিডিপির ৭০% শতাংশেরও বেশী। ঋণ দিতে না পারলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলিও বন্ধ হয়ে যবে। তবে যে কোন দেশেরই রাজনৈতিক স্থিতিশিলতা জরুরী। অস্থির রাজনীতি দেশের উৎপাদন ব্যহত করে এবং উৎপাদন ব্যহত হয়। ফলে ঋণ পরিশোধেও বিপত্তি ঘটে।

অবকাঠামো নির্মান ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তবে সেই অবকাঠামো হতে হবে উৎপাদনমুখী। বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতকে ম্লান করে দিয়েছে। আগামি নির্বাচনেও যদি বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হয় তাহলে বিরোধী দল অস্তিত্ব হারাবে। এটাই এখন তাদের অন্যতম প্রধান ভাবনা। তারা দীর্ঘ ১৫ বছর কোন সফল আন্দোলন করারও যোগ্যতা দেখাতে পারেনি। তাই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে সরকারকে অজনপ্রিয় করতে চায়। তবে একটি বিষয় পরিস্কার যে বাংলাদেশ কখনোই শ্রীলঙ্কার অবস্থানে যাবেনা।

আজিজুর রহমান প্রিন্স, কলামিস্ট ও আওয়ামীলীগ নেতা, টরন্টো, কানাডা।


 

ডিজিটাল বাংলা নিউজডিআর / মোস্তাফিজুর রহমান

পৃথিমপাশায় মাদ্রাসা ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার পৃথিমপাশায় (১২ বছরের) শিশু ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রকে প্রাইভেট হুজুর কর্তৃক বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। গত মঙ্গলবার (১০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পরে গতকাল বুধবার (১১ মে) দুপুরের দিকে শিশুর পিতা মামলা দায়ের করেন।

বলাৎকারের শিকার শিশুটির মা কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, প্রতিদিনের মতো হুজুরের কাছে পড়তে পাশের বাড়ির বিরনের বাড়িতে যায় তার ছেলে। সেখানে ৬ মাস থেকে প্রতিদিন ৬ জন ছাত্র প্রাইভেট পড়লেও মঙ্গলবার রাতে দুই জন পড়তে আসে। সেখানে অভিযুক্ত প্রাইভেট হুজুর মালিক মিয়া (২৪)’র চাচাত বোন ও ওই ছেলেটি পড়তে যায়।

সেখানে না পড়িয়ে প্রাইভেট হুজুর মালিক ছেলেটিকে নিয়ে তার আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়। ছেলেটিকে রাজা বৃক ফিল্ডে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বলাৎকার করে রক্তাক্ত করে। ছেলেটি কোনও রকমে বাড়িতে এসে ঘরের বাহিরেই পড়ে যায়। এসময় ছেলেটির মা ও বোন মিলে ছেলেটিকে ঘরে নিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করে দেখতে পান তার পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত ঝরছে, তার পরনের শার্ট ও প্যান্ট ছিঁড়া।

জিঙ্গাসাবাদে তারা জানতে পারেন প্রাইভেট পড়ানো হুজুর মালিক মিয়া তার সাথে খারাপ কাজ করেছে। সাথে সাথে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানিয়ে আত্মীয়-স্বজন মিলে ছেলেটিকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাত দেড়টার দিকে সেখানে ভর্তি হয়ে বর্তমানে ছেলেটি চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত মালিক মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতো বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ছেলেটির মা বলেন, যেভাবে তার ছেলের শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে, সেভাবে হুজুরের শরীর থেকেও যেন রক্ত ঝরে। তিনি এর দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবী করেন। তিনি বলেন, এভাবে যেন আর কোনও মায়ের সন্তান নির্যাতনের শিকার না হয়। তিনি আরও বলেন, তার স্বামী থানায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েছেন।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বিনয় ভূষণ রায় এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, শিশুটির পিতা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘটনার সাথে জড়িত হুজুর মালিককে ধরতে অভিযান চলছে।

গোমতী নদীর বেরিবাঁধের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলন

মোঃ খোরশেদ আলম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। ছোট বড় সবার কাছে সমাদৃত এই কাঁঠাল। কাঁঠাল শুধুমাত্র একটি মৌসুমী ফলই নয়- সহায়ক খাদ্য ও অর্থকরী ফসল হিসেবে স্বকীয় গুণাগুনের কারণেই নিজের জায়গা করে নিয়েছে। কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার গোমতী নদীর বেরিবাঁধের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ও তার আশেপাশে সর্বত্র এখন কাঁঠাল গাছগুলিতে ঝুলন্ত কাঁঠালে ছেঁয়ে আছে। কোন কোন আগাম জাতের কাঁঠালগুলি পাকতে শুরু করেছে। পাকা কাঠালের মিষ্টি গন্ধে কীট পতঙ্গরা ভিড় করছে গাছে গাছে। আর সেই আনন্দে গাছের মালিকরা গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত। এছাড়া এরই মধ্যে উপজেলার হাট বাজার গুলোতে পাকা কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে।

এদিকে এখানকার অধিকাংশ কাঁঠাল গাছগুলো বাগান ভিত্তিক না হলেও বাড়ীর আঙিনায়, রাস্তার দু’ধারে, স্কুল, কলেজের চত্তরে প্রচুর কাঁঠাল গাছের দেখা মেলে। আর এসব গাছে ঝুলে থাকা কাঁঠলের দৃশ্য অনেকের নজর কাড়ে। চারা লাগানোর পর সাধারনত এর কোন যত্ন নেয়া হয় না। শুধুমাত্র গরু- ছাগলের আক্রমন ও ঝড়ে যাতে ভেঙ্গে না পড়ে তার জন্য বড়জোর একটা খুঁটি ও খাঁচা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কাঁঠালের চারা আপনা থেকেই বেড়ে উঠে। এককথাই অনাদর আর অবহেলায় বন-বাদারে বেড়ে উঠে এই কাঁঠাল ফল গাছ।

অন্যান্য ফল ও গাছ নিয়ে সরকারি- বেসরকারি পর্যায়ে যত তৎপরতা লক্ষ্য করা যায় কাঁঠাল নিয়ে তার সিকি ভাগও হয়না। কোন কোন পরিবার ফল মৌসুমে কাঁঠাল বিক্রি করে সারা বছরের আয় করে। ২ থেকে তিন মাস কাঁঠালের ভরা মৌসুম এসময় পাইকার ও শ্রমিক শ্রেনীর লোকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়। এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কাঁঠালের ভাল হয়েছে । তবে ফলন বেশি হলে দাম না পাওয়ার আশংকাও রয়েছে। কারণ বেশি ফলনে দাম পড়ে যাওয়ার রেওয়াজ আদিকালের।

এছাড়া অভাবের কারণে অনেকেই এখন কাঁঠালের গাছ বিক্রি করে দিচ্ছে। আসবাবপত্র প্রস্তকারী ও ব্যবসায়ী এসব নামমাত্র মূল্যে কিনে ফায়দা লুটছে।

সরেজমিনে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, গাছ গুলো ফলে ফলে ভরে গেছে। প্রতিটি গাছে ১০০ থেকে ১৫০ পর্যন্ত ফল ধরেছে।

প্রসঙ্গত, কৃষিপণ্য কাঁঠাল মুলত একটি মৌসুমী সুস্বাদু ফল। কাঁঠালের বিচি তরকারীতেও সমান জনপ্রিয়। এলাকায় কোন কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত করার বাবস্থা না থাকায় কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবিলম্বে অত্র এলাকায় একটি কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত ব্যবস্থা গড়ে তুললে এ উপজেলার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে বলে মন্তব্য সচেতন মহলের।

ভারত ছাড়তে আদালতের দ্বারস্থ জ্যাকলিন

বিনোদন ডেস্কঃ দেশের বাইরে যেতে চান বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। কিন্তু সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকার প্রতারণার মামলার সঙ্গে জড়িয়ে জ্যাকলিনের বিদেশ যাত্রা এখন আর আগের মতো সহজ নয়। আদালতের কাছ থেকে অনুমিত নিয়েই দেশের বাইরে পা দিতে হবে তাকে। ইতোমধ্যেই আদালতে বেশ কয়েকবার ডাক পড়েছে এই অভিনেত্রীর। সম্প্রতি আবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হলো তাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, আবু ধাবিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বলিউডের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। অংশ নেওয়ার জন্য সেখানে যেতে চান জ্যাকলিন। এ কারণে ১৫ দিনের জন্য আবু ধাবি যাওয়ার অনুমতি চেয়ে দিল্লি কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু আদালত অনুমতি না দিলে দেশ ছাড়তে পারবেন না তিনি। এদিকে ফ্রান্স আর নেপাল যাওয়ার কথাও আছে বলিউড এই  অভিনেত্রীর।

উল্লেখ্য,  এর আগেও একবার দেশত্যাগের সময় নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হয়েছিল জ্যাকলিনকে। গতবছর দুবাইয়ের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার মুহূর্তে বিমানবন্দরে আটকানো হয়েছিল তাকে। জেরা করা হয়েছিল সুকেশের ব্যাপারে। সম্প্রতি কথিত প্রেমিক সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিষয়ে মুখ খুলেছেন জ্যাকলিন। তিনি জানিয়েছেন, সুকেশের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল কাকার শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে। তারপর থেকে বাড়ে ঘনিষ্ঠতা। সেই সূত্রে সুকেশের ব্যক্তিগত বিমানও ব্যবহার করতেন তিনি। সে বিমানে করে তিনি উড়ে বেড়িয়েছেন কেরালা, চেন্নাইসহ অনেক জায়গায়।

আদালতের জেরার মুখে পড়ে তাকে এসবের পাশাপাশি বলতে হয়েছে আরও অনেক কিছু। গোপন রাখতে পারেননি সুকেশের নিকট থেকে নেওয়া উপহারাদির কথাও। জ্যাকুলিন জানান, দামি সব উপহার দিতেন সুকেশ। এর মধ্যে গুচ্চির ব্যাগ, পোশাকাদি, লুই ভিতোঁর জুতো উল্লেখযোগ্য। তবে সুকশের দেয়া সবই যে জ্যাকলিন নিয়েছেন তা কিন্তু না। ফিরিয়েও দিয়েছেন কিছু উপহার। সুকেশ একটি ছোট কুপার পাঠিয়েছিলেন তার জন্য। কিন্তু এই অভিনেত্রী তা গ্রহণ করেননি।

তবে সব ছাপিয়ে এই অভিনেত্রী এখন চিন্তায় আছেন তার দেশত্যাগ নিয়ে। ওদিকে আইফা অ্যাওয়ার্ড শুরু হতেও বেশি দেরি নেই। এর মধ্যে যদি আদালতের মন গলে তবেই দিন ১৫ এর জন্য জ্যাকলিন ঘুরে আসতে পারবেন আবুধাবি, ফ্রান্স ও নেপাল। আর যদি মন না গলে তাহলে আইফায় যোগ দেওয়াও হবে না তার।

সুকেশ চন্দ্রশেখর এই মামলায় আরো নাম জড়িয়েছে বলিউডের নোরা ফতেহি, জাহ্নবী কাপুর ও সারা আলি খানেরও। সম্প্রতি এই কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে ভূমি পেডনেকরও। এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের দাবি, চন্দ্রশেখর জাল বিছিয়েছিলেন ভূমির জন্যও। তবে ইডিকে নায়িকা জানিয়েছেন, তিনি ওই প্রতারকের থেকে কোনো উপহার নিতে রাজি হননি।

 

রাজনগরের হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ১ কৃষক নিহতসহ আহত ২

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন। আহতদের একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, অপরজন মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের কাওয়াদিঘি হাওরের চিড়াখালদী এলাকায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চালবন্দ গ্রামের বর্গাচাষি সাদেক আলী (৬০) কাওয়াদিঘি হাওরের চিড়াখালদী এলাকায় ধান কাটতে যান। তার ছেলে কামাল হোসেন (২০) ও জামাতা আব্বাস মিয়া (৪০) সঙ্গে ছিলেন। বিকেলে হাওরে বজ্রপাত হলে সাদেক আলী ঘটনাস্থলে মারা যান। তার সঙ্গে থাকা ছেলে ও জামাতা আহত হন। পরে স্থানীয়রা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান ও আহতদের মধ্যে তার জামাতা আব্বাস মিয়াকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

নিহত সাদেক আলীর শ্যালক মো. সুয়াইবুর রহমান বলেন, আমার দুলাভাই সকালে তার ছেলে ও জামাতাকে নিয়ে কাওয়াদিঘি হাওরে ধান কাটতে যান। দুপুরের দিকে বজ্রপাতে দুলাভাই ঘটনাস্থলে মারা যান। আহত অবস্থায় জামাতাকে মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ও ভাগ্নকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ফতেপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য সোহেল মিয়া বলেন, বজ্রপাতের নিহত সাদেক আলীর মরদেহ বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

রাণীশংকৈলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বুধবার (১১ মে) মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এদিন সকাল ১১টায় উপজেলা হলরুমে রুমে ইউএনও স্টিভ কবিরের সভাপতিত্বে অয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, পৌরমেয়র আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান ও ভাইস-চেয়ারম্যান শেফালী বেগম।

আরো বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হোসেন মাস্টার ,আবুল কালাম, জমিরুল ইসলাম, আবুল কাশেম,  ওসি (তদন্ত) আব্দুল লতিফ সেখ, পৌর আ.লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাহিমউদ্দীন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৈয়ব আলী, বরেন্দ্র অফিসার তিতুমীর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা স্যামুইল মার্ডি, সহকারি মৎস অফিসার আব্দুল জলিল, পল্লীবিদ্যুেতর ডিজিএম নেজাবুল হক, প্রেসক্লাব আহব্বায়ক কুশমত আলী, দেনিক কালের কন্ঠ প্রতিনিধি সফিকুল ইসলাম শিল্পী, ভোরের ডাক প্রতিনিধি বিজয় রায় উপস্থিত ছিলেন ৷

সভায় বক্তারা উপজেলার বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশী তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করতে থানা পুলিশের প্রতি আহবান জানান।

শ্রীমঙ্গলে সিএনজি ছিনতাইকালে ৩ ছিনতাইকারী আটক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে সিএনজি ছিনতাইকালে ৩ ছিন্তাইকারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে যাত্রী সেজে সরকার বাজার যাবার কথা বলে শ্রীমঙ্গল শহরের গদারবাজার থেকে একটি সিএনজি ভাড়া নেয়। যাত্রাপথে উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নের রুন্তমপুর এলাকার আয়ূব আলী ফিলিং স্টেশনের সামনে যাত্রীদের মধ্যে দ্বীন ইসলাম সাগর নামের একজন চালককে গাড়ী থামাতে বলে।

সিএনজি চালক জাফর গাড়িটি থামানোর পর দ্বীন ইসলামসহ অন্য দুই ছিন্তাইকারী চালককে মারধর করে তার কাছ থেকে গাড়ির চাবি কেড়ে নিয়ে সিএনজি নিয়ে পালাতে চাইলে চালক চিৎকার শুরু করে। চালকের চিৎকার শুনে আশপাশে থাকা লোকজন এগিয়ে এসে তিন ছিন্তাইকারীকে আটক করে। পরে হাইওয়ে থানায় খবর দেন।

হাইওয়ে থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন ছিন্তাইকারীকে আটক করে এবং সিএনজি চালকসহ সিএএনজিটি উদ্ধার করে।

আটককৃত ছিন্তাইকারীরা হলেন, সিলেট জালালাবাদ থানা এলাকার মো. দ্বীন ইসলাম (সাগর), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার মো. জমির হোসেন, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকার বুরহান উদ্দিন।

শ্রীমঙ্গলের সাতগাও হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইব্রাহিম প্রতিবেদক’কে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,আটককৃতরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।