নেত্রকোণায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নেত্রকোণার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও বারহাট্টা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দা ও দূর্গাপুরে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বেশী। পানি বৃদ্ধির কারনে অসংখ্য রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে পানিতে তলিয়ে ভেসে গেছে তিন সহস্রাধিক পুকুর ও ঘেরের মাছ।

প্রশাসন ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,কলমাকান্দা উপজেলা সদরসহ বড়খাপন, পোগলা, খারনৈ, লেঙ্গুরা, নাজিরপুর ও রংছাতি ইউনিয়নের পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ।

এ ছাড়া দূর্গাপুর উপজেলা সদরসহ কুল্লাগড়া, গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে মানুষের বাড়িঘর, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে এখন বন্যার পানিতে প্লাবিত। দুই উপজেলার সঙ্গে প্রায় সবকটি ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানি বন্ধি হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। দুই উপজেলার বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

নেত্রকোণা পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা যায়, ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোণার কংস, মোমেশ্বরী, ধনু, উব্দাখালিসহ ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন,বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে বন্যা কবলিত প্রতিটি উপজেলায় ২০ মেট্রিক টন করে চাল ও নগদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

রাণীশংকৈলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -২, আহত ২

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাও প্রতিনিধি‌ঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার গোগর নামক স্থানে শুক্রবার (১৭ জুন) দুপুরে  দ্রুতগামী দুটি মোটরসাইকেলর মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ২জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরো দু’জন।

স্থানীয়রা জানায়, পীরগঞ্জ থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল ও রাণীশংকৈল থেকে পীরগঞ্জ অভিমুখে যাওয়া অপর একটি মোটরসাইকেল  গোগর চৌরাস্তায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন আরোহী মারা যায় এবং গুরুতর আহত হন আরও ২ জন আরোহী।

নিহতরা হলেন ঠাকুরগাঁওয়ের পশ্চিম বেগুন বাড়ি এলাকার অতুল রায়ের পুত্র তিলক রায়(২০) এবং পীরগঞ্জ উপজেলার বাঁশগাড়া এলাকার জগেনের পুত্র জয়কুমার (১৮ )।

আহতরা হলেন নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার নুরুল ইসলামের পুত্র মামুন (২২) ও ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার খচাবাড়ি এলাকার অনিকের পুত্র আশাপূর্ণ (১৮)। এরা দুজনেই পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে।

রাণীশংকৈল থানা অফিসার ইনচার্জ এস,এম জাহিদ ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের লাশ পীরগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মোটরসাইকেল ২টি উদ্ধার করা হয়েছে এবং মামলা হয়েছে।

ফুলবাড়ীতে নামকরা কোম্পানির জুস পান করে একই পরিবারের ৫ জন হাসপাতালে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে নামকরা কোম্পানি প্রাণ ফ্রুটো ম্যাংগো জুস পান করে একই পরিবারের ৫ সদস্য অসুস্থ হয়ে
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত দশটার দিকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামে।

অসুস্থরা হলেন ওই গ্রামের মৃত তাড়িয়া শেখের ছেলে আবুল হোসেন (৫৪) তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৫) ভাবী নুরজাহান বেগম (৪৮) ভাতিজি রেখা মনি (১৩) এবং নাতি আরাফাত (৪)। অসুস্থ্যদের সকলেই ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অসুস্থ আবুল হোসেন ও নুরজাহান বেগম জানান, রাতে বাড়ীর পাশের দোকান থেকে প্রাণ ফ্রুটো ম্যাংগো জুস কিনে এনে শিশু নাতীসহ সকলেই পান করেন। জুস পান করার কিছুক্ষন পরে প্রচন্ড মাথা ধরে তারা সকলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাড়ীর অন্যান্য সদস্যরা সেবা শুশ্রুশা করলেও সুস্থ না হওয়ায় রাতেই তাদেরকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসা নেয়ার পর সকালে তাদের মাথা ধরা কিছুটা কমলেও এখনও অসুস্থতা কাটেনি।

ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুমন কান্তি সাহা জানান, রাতে কাশিপুর এলাকার ৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোগীর স্বজনরা জানিয়েছেন প্রাণ ফ্রুটো পান করার পর তারা মাথা ঘুরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সে অনুযায়ী তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা চিকিৎসকের পর্যবেক্ষনে রয়েছেন।

ডোমারে চুরির উদ্দেশ্যে ৩টি কবর থেকে কঙ্কাল উত্তোলণ

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে চুরির উদ্দেশ্যে তিনটি কবরের কঙ্কাল উত্তোলণ করে কবরের পাশেঁ বাশঁ ঝাড়ে রেখে যায় দুস্কৃতিরা। কবর তিনটি হলো কাকতলী এলাকার আইনুলের মাতা মরহুমা খাতুন বেগম, উত্তর পাড়া গ্রামের আব্দুল হাই’র মাতা মরহুমা রেজিয়া বেগম , সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফার বাবা মরহুম আফছার আলীর। কোনটি কার কবর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তাদের পরিবার ও স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাতে যে কোন সময় উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে।

শুক্রবার বাদজুম্মার নামাজ শেষে মুসল্লীরা কবর জিয়ারত করতে গিয়ে দেখেন তিনটি কবরের কয়েকটি করে হাংরা সরানো। কবরের পাশে বাশঁঝাড়ে একটি সাদা বস্তায় কঙ্কাল গুলো দেখেন মুসল্লীরা। কবর খুরে কঙ্কাল চুরির বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কঙ্কাল গুলো দেখতে অনেকে ভীড় জমায়।  খাতুন বেগম এক বছর পূর্বে ও রেজিয়া বেগম এবং আফছার আলী প্রায় দুই বছর পূর্বে মারা গেছেন বলে তাদের সন্তানরা নিশ্চিত করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী, ওই এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরল আমিন (নুরু), বলেন দুস্কৃতিরা চুরির উদ্দেশ্যে কবর থেকে কঙ্কাল গুলো তুলেছেন।

রফিকুজ্জামান রুবেল নামে আরেক জন বলেন, চুরির উদ্দ্যেশ্যে রাতে কোন এক সময়ে হয়তো কেউ কবর থেকে কঙ্কালগুলো উত্তোলন করেছে। কিন্তু মসজিদে নামাজের জন্য মুসল্লীদের আসা যাওয়ার কারনে কঙ্কালগুলো নিতে না পেরে বাঁশঝাড়ে লুকিয়ে রেখেছে।

সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা বলেন, হাড়গুলো উদ্ধার করে রেজিয়া বেগমের কবরে রেখে কবরগুলো মাটি দিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অবগত নই। কেউ জানায়নি, এখন খোজ খোবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মৌলভীবাজারে সৌদি প্রবাসীসহ দুই যুবক নিখোঁজ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় রহস্যজনকভাবে ২ যুবক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের একজন মামুন মিয়া (২৬) সৌদি ফেরত প্রবাসী, অপরজন সাকির আহমেদ (৩২) পেশায় গাড়িচালক। প্রবাসী মামুন পাঁচদিন ধরে এবং সাকির গত ৩ দিন ধরে নিখোঁজ। উভয় ঘটনায় কুলাউড়া থানায় আলাদাভাবে অভিযোগ (জিডি) করা হয়েছে।

সাকিরের মামী রুমা বেগমের করা অভিযোগ (জিডি) নং ৭৪২ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কাউকাপন গ্রামের আছকর আলীর ছেলে সাকির (৩২) একই ইউনিয়নের হাসিমপুর গ্রামে তার বিষয় সম্পত্তি দেখাশোনা করতেন।

বুধবার বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টায় মামার বাড়ি থেকে শমসেরনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে করে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। অপর নিখোঁজ মামুনের বাবা হারুন মিয়ার করা অভিযোগ (জিডি) সুত্রে জানা যায় ১০/১২ দিন আগে মামুন সৌদি আরব থেকে দেশে ছুটিতে আসেন। গত শনিবার সকালে কাউকে কিছু না বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে রবিবার সকালে নিখোঁজ মামুনের বাবা হারুন মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ (জিডি) করেন।

কুলাউড়া থানা পুলিশের নবনিযুক্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালেক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক তৎপরতা চলছে।

নেত্রকোণায় মাটি খুঁড়তেই বের হচ্ছে জ্বালানি তেল

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় দুর্গাপুরে মাটি খুঁড়তেই বের হচ্ছে জ্বালানি তেল। এ অবাক করার বিষয়টি গেলো বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরশহরের কাচারী মোড় এলাকায় সাব-রেজিট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় ঘটে। সেখানে একটি ভবনের জন্য বিদ্যুৎ এর খুটি বসানোর জন্য গর্ত করতে গিয়ে বের হয় নিচে থাকা কালো জ্বালানী তেল।

পরে তা এলাকাবাসীর নজরে পড়লে জানাজানি হলে আশ-পাশের উৎসুক জনতা দেখতে ভীড় করেছে। এ সময় অনেকে প্লাষ্টিক বালতি, মগ ও কলসি নিয়ে সংগ্রহ করতে থাকে জ্বালানি তেল।

এলাকাবাসী জানায় এই এলাকার মোজাম্মেল হক এর বিল্ডিংয়ের জন্য  বিদ্যুৎ এর খুঁটি বসানোর জন্য গর্ত করা হচ্ছিল পরে হঠাৎ  কিছু গর্ত করতেই ২থেকে ৩ ফুট নিচে যাওয়া মাত্রই ঘন-কালো ডিজেল এর মত তেল বের হতে থাকে। খুঁটি বসাতে ছিলেন মিস্ত্রী মোঃ শফিকুল ইসলাম।

পরে তা প্লাষ্টিক মগ দিয়ে উঠিয়ে আগুন জ্বালাতে গিয়ে বুঝা যায় এটা জ্বালানী তেল। অন্যদিকে গর্তে সন্ধান পাওয়া তেলের গর্ত থেকে বেশকিছুটা দূরে তেলের পাম্প রয়েছে সেখান থেকে আসছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে পার্শ্ববর্তী পান্থনীড় ফিলিং সেন্টারের কর্মচারী নুরুজ্জামান বলেন, পাম্প ফেটে তেল যাচ্ছে কি না ঠিক বুঝতেছি না,তবে আমাদের তেল আর গর্ত থেকে বের হওয়ার তেল এক নই,দু’টি দুইরকম তেল।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর ফায়ার স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আসে পাশের মানুষদের ভীড় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোথায় থেকে এই তেলের উৎপত্তি তা এখনোও জানা যায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার জন্য দ্রুত পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোক পাঠানো হয়েছে। যদি সত্যিই এখানে কোন তেলের সন্ধ্যান পাওয়া যায়, তবে এটা রাষ্ট্রীয় সম্পদ। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হারের পর টানা দুই জয়ে সিরিজ সমতায় ভারত

স্পোর্টস ডেস্কঃ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টানা দুই ম্যাচে হেরে সিরিজ হারাতে বসেছিল ভারত। প্রথম ম্যাচে ২১১ রান করেও পরাজয় এড়াতে পারেনি দলটি। তবে এবার টানা দ্বিতীয় জয়ে সিরিজ সমতায় আনলো স্বাগতিকরা।

গতকাল শুক্রবার (১৭ জুন) রাজকোটে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ৮২ রানের বড় জয় পেয়েছে ভারত। শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় এই দল। জবাবে ৮৭ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলে প্রোটিয়ারা। ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে এখন ২-২ সমতা বিরাজ করছে।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম দুই ব্যাটার হন দুর্ভাগ্যের শিকার। এর মধ্যে দলীয় ২০ রানেই অধিনায়ক ও ওপেনার টেম্বা বাভুমা (৮) রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন। এরপর আরেক ওপেনার কুইন্টন ডি কক (১৪) ফেরেন রান আউটের শিকার হয়ে। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি সফরকারীরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে তারা। ডি ককের পর দুই অঙ্কের দেখা পেয়েছেন শুধু র্যা সি ফ্যান ডার ডুসেন (২০) ও মার্কো ইয়েনসেন (১২)।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নামার পর ভারতের শুরুটাও ভালো হয়নি। দলীয় ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর স্বাগতিকরা একসময় ৪০ রানে ৩ উইকেট হারায়। তবে এরপর পন্থকে নিয়ে ৪১ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেন হার্দিক। পন্থ ২৩ বলে ১৭ রান করে বিদায় নিলে কার্ত্তিক আর হার্দিক মিলে গড়েন ৬৫ রানের জুটি। হার্দিক ৩১ বলে ৩ চার ও ৩ ছক্কায় করেন ৪৬ রান। আর কার্তিকের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। ৬ বলের ব্যবধানে দুজনেই বিদায় নেওয়ায় সংগ্রহটা আরও বড় করতে পারেনি ভারত।

উল্লেখ্য, আজ শনিবার(১৮ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় বেঙ্গালুরুতে সিরিজের অঘোষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

 

নওগাঁয় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁয় এক প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে নওগাঁ ষ্টেডিয়ামে মীরপুর সোনালী অতীত ক্লাব এবং নওগাঁ সোনালী অতীত খেলোয়ার সমিতির মধ্যে এই ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। নওগাঁ সোনালী অতীত খেলোয়াড় সমিতি এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে।

ভার্চূয়ালী টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন নওগাঁ-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন।

জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় আলফাজ, আমিনুল, আকরামের সমন্বয়ে মীরপুর সোনালী অতীত ক্লাব এবং জাতঅয় দলের সাবেক খেলোয়াড় এনামুল, মানিক, টিটু ও আজিমের সমন্বয়ে নওগাঁ সোনালী অতীত খেলোয়াড় সমিতি’র মধ্যেকার এই টুর্নামেন্টটি বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শত শত দর্শক উপভোগ করেন।

খেলার প্রথমার্ধে নওগাঁ সোনলী অতীত খেলোয়াড় সমিতির পক্ষে এনামুল একটি গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে মীরপুর সোনালী অতীত ক্লাবের আলফাজ একটি গোল করলে খেলায় সমতা ফিরে আসে। অমিমাংসিত খেলাটির ফলাফল নির্ধারনে টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ট্রাইব্রেকারে মীরপুর সোনালী অতীত ক্লাব ৩-২ গোলে নওগাঁ সোনালী অতীত খেলোয়াড় সমিতিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মুহাম্মাদ ইব্রাহীম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম এ মামুন খান চিশতি ট্রফি বিতরন করেন। নওগাঁ সোনালী অতীত খেলোয়াড় সমিতির সভাপতি ময়নুল হক মুকুলের সভাপতিত্বে আয়োজিত টুফি বিতরন অনুষ্ঠানে সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় রকিব, আলফাজ, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শরিফুল ইসলাম খান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা বক্তব্য রাখেন।

বক্স অফিসে মুখোমুখি অক্ষয় ও আমির

বিনোদন ডেস্কঃ চলতি বছরের তৃতীয় ছবি নিয়ে হাজির অক্ষয় কুমার। আগামী ১১ আগস্ট মুক্তি পাবে বলিউড এই অভিনেতার নতুন ছবি ‘রক্ষা বন্ধন’। সেই সঙ্গে একই দিনে মুক্তি পাবে আমির খানের ‘লাল সিং চাড্ডা’।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) অক্ষয় তার নতুন ছবি মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেছেন। এ বছর মুক্তি পাওয়া অক্ষয়ের ‘বচ্চন পাণ্ডে’ ও ‘সম্রাট পৃথ্বিরাজ’ বক্স অফিসে প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা করতে পারেনি তেমন। গত বছর ‘রক্ষা বন্ধন’ ছবিটির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং ছবিটি পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল রাই। অক্ষয়ের এই মুভিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন ভূমি পেডনেকর। গত বছর একই পরিচালকের ‘আতরাঙ্গি রে’ ছবিতে বিশেষ চরিত্রে দেখা গিয়েছিল অক্ষয়কে।

অন্যদিকে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে আমির খান অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাল সিং চাড্ডা’। যার কারণে বলিউড বক্স অফিসে বেশ কঠোর লড়াইয়ের আভাস মিলছে। সেরা অস্কারজয়ী ‘ফরেস্ট গাম্প’-এর রিমেক ‘লাল সিং চাড্ডা’ তৈরি করছেন আমির খান। আর এই মুভিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন গ্ল্যাম কুইন বেবো কারিনা।

 

নেত্রকোণায় কংশ নদীর ভাংঙ্গন পরিদর্শন করেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মাহমুদা আক্তার

মো. কামরুজ্জামান, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণা সদর উপজেলার মেদনী ইউনিয়নের কংশ নদীর তীরে জংগল বড়ওয়ারী নামক স্থানে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেড়িবাঁধে ভাংঙ্গন দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নির্দেশে তাৎক্ষণিকভাবে নেত্রকোণা সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মাহমুদা আক্তার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করে নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সার্বক্ষণিক অবস্থান করে মেরামত কাজ শুরু করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, গন্যমান্য ব্যক্তি,  ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, স্থানীয় মেম্বার, গ্রাম পুলিশসহ স্থানীয়রা।

এ সময় উপজেলা নিবার্হী অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন,সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি সার্রক্ষণিক মনিটর করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ট্যাগ অফিসারসহ উপজেলার সকল কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করবে । তাই আমরা সকলের সহযোগিতা চাই। ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে জনগণের পাশে থাকলে যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।