নেত্রকোণা পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চেতনায় ও বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণায় নেত্রকোণা পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে পৌর আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। (১৫ জুন) সকালে পৌরশহরের রেলক্রসিংয় শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে নেত্রকোণা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়র রহমান খান।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর আওয়ামীলীগ লীগের সভাপতি অর্পিতা খানম সুমী, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক টিটু দত্ত রায়, ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল চিত্ত রঞ্জন সরকার, যুবলীগ নেতা সাব্বির খান প্রিন্স সহ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

নেত্রকোণা পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম চলবে।

সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষক

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম। গত ১৪জুন বিকেলে কর্মস্থল থেকে কাজ শেষে কুলাউড়া থেকে বাস যোগে মৌলভীবাজারে বাসায় ফেরার পথে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ১০ থেকে ১২ জনের একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র রড, ধারালো ছুরি ও লোহার পাইপ দিয়ে আমিনুল ইসলামের উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। সন্ত্রাসীদের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আমিনুল ইসলামের পুরো শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়। বিশেষ করে রডের আঘাতে দুই পায়ে বড় বড় ধরনের ক্ষত দেখা দিয়েছে। পা দুটি ভেঙ্গে গেছে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আমিনুল ইসলাম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কাজ শেষ করে বাসে চরে কুলাউড়া থেকে মৌলভীবাজার বাসায় ফিরছিলাম। বাসটি কুলাউড়ার স্কুল চৌমোহনা এলাকায় আসার সাথে সাথে একদল সন্ত্রাসী বাসের পথরোধ করে আমাকে বাস থেকে কলারে ধরে কিল ঘুষি মারতে মারতে নিচে নামায়। তখন কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ১০ থেকে ১২ জন সন্ত্রাসীরদল আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের আঘাতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি, জ্ঞান ফিরলে দেখি আমি কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। পরে সেখানকার ডাক্তারদের সহযোগিতায় এম্বুলেন্স যোগে আমাকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

আমিনুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসীদের আমার পরিচিত কেউ হয়তো প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে ভাড়া করে আমার পিছনে লেলিয়ে দিয়েছে।

এ বিষয়ে কুলাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমি থানায় মামলা করব, আমি এখন একা আমার স্ত্রী ও ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে। তাদেরকে নিয়ে এখন আমি বড় চিন্তায় আছি। তিনি বলেন, আমি আশঙ্কা করছি আমার স্ত্রী সন্তানদের ওপরেও সন্ত্রাসীরা হামলা চালাতে পারে। সেজন্য খুব দ্রুত সন্ত্রাসীদের যেন আইনের আওতায় আনা হয় এটাই এখন আমার মূল চাওয়া।

এছাড়াও তিনি সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত সকলকে খুব দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানান, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ও মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন জানায়।

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতাঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ডাম্প ট্রাক, সিএনজি এবং মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন কন্যা শিশু ও রয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পুটিবিলা নুরুল হক চেয়ারম্যান ঘাটায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় সিএনজি চালকসহ ৪ জন যাত্রীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার পুটিবিলা গৌড়স্থান বেল্লা বর পাড়ার আবুল হাশেমের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী মোহাম্মদ তাওহীদ (২০) এবং অপরজন সিএনজির যাত্রী উপজেলার আধুনগর হরিণা মাঝির পাড়ার রিদুওয়ানের কন্যা মরিয়ম জান্নাত (৮)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এম চর হাট থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহি সিএনজি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পেছনে থাকা একটি ডাম্প ট্রাক ধাক্কা দিলে সিএনজিটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই সিএনজিতে থাকা শিশু মরিয়ম মারা যান। অপরদিকে ডাম্প ট্রাকটি ধাক্কা লেগে চলে যাওয়ার সময় বিপরীতমুখী একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

লোহাগাড়া থানার উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বলেন, নিহতদের লাশ থানায় আনা হয়েছে। আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ডোমারে সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ মোশফিকুর ইসলাম, নীলফামারীঃ নীলফামারীর ডোমারে দ্বৈত পেশাধারী সাংবাদিক, অপসাংবাদিক এবং ভুয়া সাংবাদিক রোধে ডোমার সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় ডাকবাংলো মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন  ডোমার সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধি জুলফিকার আলী ভূট্টো।

সাধারণ সম্পাদক ও সমকাল প্রতিনিধি রওশন রশীদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ডোমার প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি মোজাফফর আলী, ডোমার রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি রওশন আলম পাপ্পু, রিপোর্টার্স ক্লাব সভাপতি ও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি প্রতিনিধি রতন কুমার রায়, চিলাহাটি প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি তোজাম্মেল হোসেন মন্জু, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগের আলো প্রতিনিধি এ আই পলাশ, প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক খোলা কাগজ প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন সোহাগ, এশিয়ান এইচ প্রতিনিধি আব্দুর রাজ্জাক, দৈনিক চাঁদনী বাজার প্রতিনিধি, সত্যেন্দ্র নাথ রায়, দৈনিক সবুজ দেশ প্রতিনিধি সফিয়ার রহমান রতন, বিজয় টেলিভিশন প্রতিনিধি গোলাম রব্বানী, দীপ্ত টেলিভিশন প্রতিনিধি ইয়াসিন মোহাম্মদ সিথুন, এমকে টেলিভিশন প্রতিনিধি শাহিনুর রহমান, দৈনিক ডেসটিনি প্রতিনিধি জাকির হোসেন চৌধুরী, দৈনিক দাবানল প্রতিনিধি জাকির হোসেন প্রধান হিটলার, দৈনিক ভোরের আকাশের প্রতিনিধি গোপাল চন্দ্র রায়।

সভায় দ্বৈত পেশাধারী সাংবাদিক, অপসাংবাদিক এবং ভুয়া সাংবাদিক রোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করে লিখিত অভিযোগ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

সেভেরোদোনেস্কের ৮০ ভাগ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পূর্ব ইউক্রেনের সেভেরোদোনেস্ক শহরের শতকরা ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে এখন রাশিয়ার সেনারা। পুরো দোনবাস এলাকার নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে চলে যাওয়ার জন্য একে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের এক মূল্যবান অর্জন।

সেভেরোদোনেস্ক শহরের শতকরা ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ রুশ বাহিনীর হাতে চলে যাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন লুহানস্কের গভর্নর সেরগি গাইদে। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাশিয়া জানিয়েছে যে, আজত রাসায়নিক স্থাপনা থেকে বেসামরিক লোকজনের চলে যাওয়ার জন্য একটি মানবিক করিডোর খুলবে রুশ সেনারা।

এদিকে পার্সটুডের সুত্রে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বেসামরিক লোকজনকে লুহানস্ক এলাকায় সরিয়ে নেয়া হবে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে নতুন করে দোনবাস ও লুহানস্ক অঞ্চলকে দুটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তাদেরকে ইউক্রেন থেকে রক্ষা করার জন্য রাশিয়ার কাছে সাহায্য চাওয়া হয়। নতুন প্রজাতন্ত্র দুটির স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এবং ইউক্রেনকে নাজিবাদ মুক্ত করতে রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের ভেতরে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, গত ৮ বছর ধরে দোনবাস ও লুহানস্ক অঞ্চলের যেসব মানুষ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে এবং ইউক্রেন সরকারের অত্যাচারের শিকার হয়েছে তাদের মুক্তির জন্য এই সামরিক অভিযান শুরু হলো।

রুশ বাহিনী সেভেরোদোনেস্ক শহরের বেশিরভাগ এলাকার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার পর ওই অঞ্চলে লড়াইরত ইউক্রেনের সেনারা সেখানকার শিল্প অঞ্চল আজত রাসায়নিক স্থাপনায় আশ্রয় নিয়েছে। সেখানে কয়েকশ বেসামরিক লোকজন আশ্রয় নিয়েছে বলেও লুহানকের মেয়র দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেনের সেনা এবং রুশপন্থী গেরিলাদের মধ্যে পুরো দোনবাস এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়ার জন্য সংঘর্ষ চলে আসছে। রুশপন্থী গেরিলারা ২০১৪ সালেই দোনেস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলকে দুটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করে। তবে পশ্চিমা সমর্থিত ইউক্রেন সরকার তা কখনো মেনে নেয় নি।

 

নেত্রকোণায় পরিবেশ দূষণ নিয়ে উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষন নিয়ন্ত্রণ ও সবুজ শিল্পায়নে শিল্প উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকাল ১১ টায় পরিবেশ অধিদপ্তরের নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সহকারী পরিচালক পারভেজ আহম্মেদের সভাপতিত্বে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যাগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন দিলরুবা আহমেদ পরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-পরিচালক ময়মনসিংহ রুবেল মাহমুদ, সহকারী পরিচালক ময়মনসিংহ বিভাগীয়  সাবিকুন্নাহার, সহকারি পরিচালক ময়মনসিংহ হাদিউল, ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন, ইটভাটা মালিক সমিতির সদস্য এম এ ওয়াহেদ, তৌহিদ আহমেদ, চাউলকল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক উজ্জল, সাইফুল ইসলাম, হুসাইন ইমরান, নুরুল রহমান খান জাহেদি, সাইফুল ইসলাম, সহ আরো অনেকে।

পরে মতবিনিময় সভায় পরিবেশ দূষণ থেকে রক্ষা করে শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হবে। এছাড়াও হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ইটভাটার মামলা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মৌলভীবাজারে জনশুমারী ও গৃহগননা সপ্তাহ শুরু

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: আজ বুধবার ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী জনশুমারি ও গৃহগণনার মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুমারি পরিচালনা করবে। জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম)কে ভিত্তি করে ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিবিএস এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৫-২১ জুন ২০২২ তারিখকে শুমারি ও গৃহ গননা সপ্তাহ হিসেবে এবং ১৪ জুন তারিখ দিবাগত রাত ১২টা শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট বা শূন্য মুহূর্ত ধরে গণনা শেষ হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেছে। এই সময়ে স্থানীয়ভাবে সাময়িকভাবে নিযুক্ত তথ্যসংগ্রহকারীরা প্রত্যেক গৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য ট্যাবলেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করবে। মাঠ পর্যায়ের তথ্য বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লি. এর টায়ার ফোর সিকিউরিটি সমৃদ্ধ ডেটা-সেন্টার ব্যবহার করা হবে। সংগৃহীত তথ্য এনক্রিপটেড হওয়ায় ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতি ১০ বছর পরপর জনসংখ্যার সঠিক হিসাব পেতে এ ধরনের শুমারি ও গৃহ গননা করা হয়। সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারির হিসাবে দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ২৫ লাখ। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে দেশে আদমশুমারি বা জনশুমারি করার লক্ষ্য থাকলেও করোনা পরিস্থিতি ও ট্যাব কেনা জটিলতায় বারবার পিছিয়ে যায়।

তারই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারের হযরত শাহ মোস্তফা র: এর মাজার প্রাঙ্গন থেকে শুরু করে শহরের কুসুমবাগ, চৌমুহনা,ভৈরববাজার, শ্রীমঙ্গল শেরপুর, রাজনগরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে জন শুমারি ও গৃহগননা শুরু হয়।

এসময় মৌলভীবাজার পরিসংখ্যান ব্যুরো (উপ পরিচালক) নন্দিনী দেব এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিনী দেব, জিয়া উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, শংকর সূত্রধর।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, মৌলভীবাজার সদর রাজীব রায়, উপজেলা শুমারি সমন্বয়কারী, রাজনগর আলী আকবর, জোনাল অফিসার, মৌলভীবাজার পৌরসভা। অদিতি সূত্রধর জোনাল অফিসার, গিয়াসনগর-মোস্তাফাপুর প্রমুখ।

আজ বুধবার ১৫-২১ জুন থেকে জনশুমারি ও গৃহগননা সপ্তাহ হিসেবে ও ১৪ জুন তারিখ দিবাগত রাত ১২টা শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট বা শূন্য মুহূর্ত ধরে গণনা শুরু করে ভোর ৬ ঘটিকা পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে।

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী ভাঙ্গন, আতংকে এলাকাবাসী

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণায় টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী নদীর তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে উপজেলার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর ইউনিয়নের উওর ফারংপারা ও ভবানীপুর গ্রামের বেশকিছু অংশ ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর ভাঙ্গনে বিলিন হতে চলেছে দুই গ্রামের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। এতে নদীর তীরের দুই গ্রামের মানুষ আতঙ্কের মধ্যে আছেন। হুমকির মুখে রয়েছে ফসলি জমি, বসতভিটা,  ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া না হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে স্থানীয়রা।

বর্তমানে ভাঙ্গনের আতঙ্কে সেখানকার শত শত পরিবার। ভাঙ্গন রোধে দ্রুত ওই এলাকায় স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানায়, উত্তর ফারংপাড়া থেকে ভবানীপুর এলাকার রাস্তায় যেভাবে নদী ভাংঙ্গন শুরু হয়েছে তা অব্যাহত থাকলে রাস্তা নদীগর্ভে চলে যাবে। এতে করে ওই গ্রামের শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়বে। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের আবেদন জানাচ্ছি।

উওর ফারংপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফজর আলী জানান, রাস্তার দুই কিলোমিটার অংশে যেভাবে ভাংঙ্গন শুরু হয়েছে তাতে আমাদের বাড়িঘর জমিজমা অনিশ্চয়তার মুখে রয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি এই জায়গায় স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মানের যেনো ব্যবস্থা করে দেয়। তা না হলে আমরা ভিটেমাটি জমিজমা হারিয়ে নিংশ্ব হয়ে যাবো।

ইতিমধ্যে নদীভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে আশ্বাস দেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান।

এ বিষয়ে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত জানান, আমাদের অফিসের লোকজনকে আজ সকালে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছেন। দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আফতাবগঞ্জে ডোবার পানিতে পড়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু

অলিউর রহমান মেরাজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানাধীন কুশদহ ইউনিয়নের  মাহালিপাড়া গ্রামে ডোবার পানিতে পড়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামক একজন মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু হয়। তিনি নবাবগঞ্জ থানাধীন খালিপপুর গ্রামের মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায় যে, গতকাল  রাতে খালিপপুর মৌজাস্থ মাহালীপাড়া গ্রামের জনৈক মোঃ আমিনুল ইসলাম এর বাড়ীর দক্ষিণ পার্শে স্বপ্নপুরী হইতে কচুয়া বাজার গামী পাকা রাস্তা সংলগ্ন পশ্চিম পার্শে ডোবার পানিতে পাড়ে মনিরুল ইসলাম(৪৫) নামক এই ব্যক্তি মারা যায়।

তিনি ভালকা দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষক ছিলেন বলে জানা যায়।

সংবাদ পেয়ে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিক সঙ্গীয় অফিসারসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতসহ প্রাথমিক আইনানুগ কার্যক্রম সম্পাদন করেন। লাশের ময়নাতদন্তের সহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

রায়পু‌রে বজ্রপা‌তে এক ট্রাক্টর চালকের চাল‌কের মৃত্যু

মোঃ জ‌হির হো‌সেন, লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পু‌রে বজ্রপা‌তে আবদুল আ‌জিজ (২৮) না‌মে এক ট্রাক্টর চাল‌কের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে। মঙ্গলবার (১৪ জুন) রায়পুর উপ‌জেলাধীন ৮ নং দ‌ক্ষিণ চরবংশী ইউ‌নিয়‌নের ৮নং ওয়ার্ড মিয়ার হা‌ট নামক স্থা‌নে আনুমা‌নিক দুপুর ১২ :৩০ টায়।

বজ্রপা‌তে নিহত আবদুল আ‌জিজ ৮নং ওয়া‌র্ডের মি‌ঝি বা‌ড়ির হো‌সেন আলী মি‌ঝির বড় ছে‌লে। নিহ‌তের  প্র‌তি‌বে‌শি চাচা আমজাদ হোসাইন মু‌ঠোফো‌নে জানান, আবদুল আ‌জিজ পেশগত ট্রাক্টর চা‌লাতেন। রাহুল ঘাট থে‌কে ট্রাক্ট‌রের তেল মাথায় নি‌য়ে আস‌ছি‌লেন, প‌থিম‌ধ্যে বৃ‌ষ্টি শুরু হ‌লে বজ্রপাত হয় আর এ‌তেই তার মৃত্যূ হয়। তার মৃত্যুর খবর শু‌নে স্থানীয়রা নিহ‌তের লাশ উদ্ধার ক‌রে তার নিজ বা‌ড়ি‌তে নি‌য়ে যায়।

নিহত আবদুল আ‌জিজ বিবা‌হিত এবং তার এক ছে‌লে সন্তান র‌য়ে‌ছে ব‌লে জানা যায়। স্থানীয় মেম্বার নজরুল ইসলাম বিষয়‌টি মু‌ঠো‌ফো‌নে নি‌শ্চিত ক‌রেন এবং নিহ‌তের লাশ পা‌রিবা‌রিক কবরস্থা‌নে দাফন করা হ‌য়ে‌ছে বলেও জানিয়েছেন।